বাইরের ঘরে পুরুতমশায় বিজয়বাবুর সঙ্গে বসে মৈত্রেয়ী ফর্দ বানাচ্ছে শ্রাদ্ধের, ঘাট কাজের। তেল, ঘি, প্যাকাটি, কুশ শব্দগুলো ধাক্কা মারছে শমীকের কানে। আজ তিন দিন হল অন্তরা চলে গেছে ঊর্ধ্বলোকে। অন্তরার ৮২ বছরের জন্মদিন হল গতমাসে। রাত্রে হঠাৎ হার্টঅ্যাটাক, সব শেষ ডাক্তার আসার আগেই। শমীকের চোখের সামনে ভাসছে সেই দিনটা। ঠাকুর পুজো করল সকালে অন্তরা, বারান্দার গাছে জল দিল, ওয়াশিং মেশিনে জামা কাপড় কাচল, দুপুরে দুজনে খেয়ে উঠল একসঙ্গে। তারপর অন্তরা তার অভ্যাসমত কিছু বই পড়তে বসল সারাদুপুর। বিকেলে দুজনে একসঙ্গে চা খেল বারান্দায় বসে গল্প করতে করতে, সন্ধেয় দু’চার জনকে ফোন করল অন্তরা, তারপর রাতের খাবার খেয়ে যে যার ঘরে ... ...
বইমেলায় কি কি ঘটছে দেখে নিন জুড়ে দিন আপনাদের কাছে আছে যা কিছু।.. সুদীপ চ্যাটার্জি লিখেছেন... গুরুচণ্ডালী। পকেট দেখে এগোতে হলে ওয়ান অফ দ্য বেস্ট প্রকাশনা। একশো দেড়শো টাকায় প্রচুর ভালো ভালো বই আছে। বিষয়বস্তুও চমৎকার। নজর রাখুন ঈন্দ্রাণীর বইয়ের ওপর। ভদ্রমহিলা এখনও কেন সেভাবে পপুলার নন, আমার জানা নেই। নলিনী বেরার ভৌত খামার, অরুন্ধুতীর চাঁপা ফুলের গন্ধ, সুপর্ণা দেবের কিসসা মুর্শিদাবাদী ও বেলোয়ারি দাস্তান। সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় আর প্রতিভা সরকারের বই তো আছেই, আরো অনেকেই আছেন ... ...
পুণ্যস্নানের পর্ব – একটু অন্য চোখেকুম্ভমেলা। প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে এই মুহূর্তে চলছে বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো মাপের ধর্মীয় জমায়েত। দেশের নানা প্রান্ত থেকে তো বটেই, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো থেকে এমন কি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষজন সমবেত হয়েছেন তিথি নক্ষত্রের শুভ যোগ অনুসারে পুণ্যস্নানের মাধ্যমে পাপ ধুয়ে নিয়ে পরম ঈপ্সিত মোক্ষ লাভ করতে। সমুদ্র মন্থনের সময় পূত পবিত্র কুম্ভ থেকে চলকে পড়া অমৃত এসে পড়েছিল এই তিন নদীর মিলন স্থলে। তাই লোকবিশ্বাস, নির্দিষ্ট তিথিতে গঙ্গা, যমুনা ও অন্ত সলিলা সরস্বতী নদীর সঙ্গমের জলে ডুব দিলেই অমৃতের পরশে জীবন ধন্য যাবে। এই বিশ্বাসকে আগলে রেখেই এই দেশের বৃহত্তম জনগোষ্ঠীর দিন যাপন।আমার আজকের এই নিবন্ধের ... ...
তপন সিনহার গল্প হলেও সত্যি মনে আছে?ধনঞ্জয় চলে গেছিল। বলে গেছিল আর ওর ফিরে আসার দরকার পড়বে না। মধ্যবিত্ত কুয়াশা প্রাচীর ঠেলে একেবারে ভ্যানিশ হয়ে গেছিল! ঘরে ফিরে এসে আমরা দেখলাম জন্মান্তরের পাঁক,সেই একইরকমই আছে! একান্নবর্তীর জৌলুস ক্ষয় হচ্ছে, দেওয়ালে পিঁপড়ের মিছিল, পিছল উঠোন আর এন্ডলেস বিতন্ডা! টনসিল,বেকারত্ব, কুঁচকির ফোঁড়া,জলবসন্ত, হাঁপানি, অম্বল আরো কত মরবিড তুচ্ছতা! এভাবেই পালক গুলো উড়ে চলে গেল সপ্তসিন্ধুর দেশে! আমাদের সাদা কালো টেলিভিশন জুড়ে ধূসর মনস্তাপ!আকাশে হারিয়ে গেলেন কল্পনা চাওলা! গলার কাছে আটকে রইল খরখরে চিঠি! মৃণালের একদিন প্রতিদিন! ইনসিকিওর বাস্তু, ভ্রুকুটি, ভীতু ভালোবাসার গায়ে মর্গের সেলাই!মন থেকে মুখের দুরত্ব কত ! রাস্তায় নীতার চটিটা ছিঁড়ে গেছিল! ... ...
ক : আমারো সেদিনের কথা প্রায়ই মনে পড়ে। খ : কোনদিন? ক : ওই যে যেদিন খুব বৃষ্টি হল? খ : আমি জানি না তুই কবেকার কথা বলছিস। ক : আমিও জানি না। আমি শুধু জানি সেদিন খুব বৃষ্টি হয়েছিল। খ : দুর্র ... হল বৃষ্টি? ক : হুম, তারপর খুব বৃষ্টি হল। ক : আকাশ কালো করে মেঘ করেছিল, তারপর বৃষ্টি। খ : মেঘ করেছিল, বৃষ্টি হতেই পারত, হয় নি। ক : কেন? খ : সব মেঘে বৃষ্টি হয় না। ক : ময়নামতীর পথের ধারে দেখা হয়েছিল দেখা হয়েছিল তবু না দেখা যে ছিল ... ময়নামতির পথের পরে .. ... ...
গুরুচন্ডালি হঠাৎ সাদা-কালোর জায়গায় কালো-সাদা হয়ে গেল কেন? বিশ্ৰী লাগছে। পড়তেও অসুবিধে হচ্ছে।
তো প্রশ্ন উঠতেই পারে, এতরকমের ক্লাসিফিকেশন থাকতে আবার ছোটলোক ভদ্রলোক কেন? এতো পাড়ার রকের ভাষা। হ্যাঁ, ঠিক। কিছু চলতি কথার নমুনা। “ভদ্রলোক গায়ে লেখা থাকেনা”। “মুখের ভাষা দেখ, একেবারে ছোটলোক”। “ভদ্রলোকের এককথা”। “ছোটলোকের ছেলে যদি জমিদারি পায়, কানের গোরায় কলম গুঁজে খেমটা নাচায়”। (খেমটা একটি নৃত্যশৈলী)। “ছোটলোকের সাথে সম্বন্ধ করা আর গোদা পায়ে লাথি খাওয়া এক কথা”। বিস্তারিত খড়্গপুর বইমেলা প্রকাশিত নিচের বইয়ে। কলকাতা বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে। ষ্টল নম্বর ৩৫২ (এখন বিসংবাদ), ৩৫৩ ( বিজল্প), ৪৬০এ ( গণমঞ্চ প্রকাশনা)।এই তিনটি পত্রিকা ও প্রকাশনার কাছে খড়্গপুর বইমেলা কৃতজ্ঞ। ... ...
অকুলানিশিলেখক শংকর হালদার শৈলবালা রচনাকাল : ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ নিশি রাতে একা ঘরে, মন কাঁদে নিরবে,চাঁদের আলোয়, স্বপ্নের নাও ভাসে নিশ্চলে।তোমার সঙ্গে বনে যাই, কেন ভয় করি?সমাজের বাধা ভেঙে, মনকে মুক্ত করি। তোমার কোলে, প্রকৃতির, শান্তি পাবো আমি,চিরন্তন সুখের স্বপ্ন, মনের মন্দিরে জ্বালাই।নক্ষত্রের আলোয়, নিজেকে হারিয়ে যাই,তোমার সঙ্গে, নতুন জীবন গড়াই। লাজ লজ্জা, সমাজের বাঁধন, ভাঙি চুরমার করে,তোমার সঙ্গে, মিলিত হই, মনের স্বর।বনের গভীরে, প্রেমের গান গাই,তোমার সঙ্গে ... ...
ঈশ্বরের পদধ্বনি লেখক শংকর হালদার শৈলবালা রচনাকাল : ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ নুপুরের খুনকুনি, মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি,কানে আসে স্পষ্ট, মনে রাখে স্মৃতি।কিন্তু কোথায়, ঈশ্বরের পদধ্বনি?শুনি না কেন, সেই সুরের মৃদু গানি? হৃদয়ের গভীরে, খুঁজি তার ছায়া,মনের কোণে, তার নাম ধরা।কিন্তু শব্দহীন, নিরব তার আহ্বান,কেন শুনতে পাই না, তার স্পন্দন? হয়তো শব্দে নয়, অনুভূতিতে তার বাস,প্রকৃতির কোলে, তার স্পর্শের আভাস।পাতার খসা, বাতাসের হিসিট,সবকিছুতে তারই স্পন্দন মিশে থাকে। তার পদধ্বনি শুনতে, মনকে শান্ত করি,প্রকৃতির কোলে, নিজেকে হারিয়ে ফিরি।তার আশীর্বাদে, জীবন হয় সুন্দর,ঈশ্বরের পদধ্বনি, মনে রাখি চিরকাল। ... ...
#কবিতা#সত্যেরস্বরে#শংকরহালদারশৈলবালা সত্যের স্বরেলেখক : শংকর হালদার শৈলবালা রচনাকাল : ২৭ জানুয়ারি ২০২৫ সত্যের পথে চলি, অবিচল হয়ে,মৃত্যু আসুক, তবু ভয় নাই আমার মনে।জীবনের শেষ নয়, মৃত্যু শুরুর সূচনা,অনন্ত যাত্রায়, সত্যই আমার সঙ্গী সত্য। কথা মিথ্যা বললে, মন হবে অশান্ত,সত্যের আলোয়, মন হবে সুস্থ আর স্বাস্থ্যবান।সামাজিক বাঁধন ভাঙি, সত্যের পথে চলি,মৃত্যু আসুক, তবুও পিছু হটব না আমি। সত্যের জয় হবে, মিথ্যার পরাজয়,অন্ধকার ছাড়বে, আসবে আলোর রশ্মি।সত্যের পথে চললে, মন হবে নির্মল,সুখ শান্তি পাবে, জীবন হবে সুন্দর। সত্যের স্বরে কথা বলি, সাহসী হয়ে,মৃত্যু ভয় করে না, সত্যের পথিক।অনন্ত জীবনের জন্য, সত্যই আমার ধন,সত্যের পথে চলতে থাকব ... ...
জলাজমি ছিল কিংবা পুকুররাতারাতি, তাড়াতাড়ি,সবার সামনে চোখের আড়ালেউঠে গেল ফ্ল্যাটবাড়িপ্ল্যান আবার কী, খায় না মাখায়?সিলেবাসে ছিল না তো!এভাবেই ওঠে সব এলাকায়,বস্তি বা অভিজাত।ইট-বালি দেবে এলাকার ছেলেঅনুদান লাগে আরও,দাদা বলেছেন অভয় দিচ্ছিতুলে যাও যত পারো।ক্রেতাকে দেখাতে জালি-প্ল্যান আছেনকল সই-তে ভরা,দোতলা বাড়ির প্ল্যান পাস করেসাততলা ফ্ল্যাট করা।রেস্ত নেই তো, ক্রেতা শুধু খোঁজেসস্তায় মেলে যদিহোক বেআইনি কিংবা বুজিয়েজলা, ধানজমি, নদী।ফ্ল্যাটটি গছিয়ে প্রমোটার হাওয়াপিকচার অভি বাকি,চাঙর খসানো ফ্ল্যাট আগলিয়েরাতে ভয়ে ভয়ে থাকি।শোঁ শোঁ করে গেলে বাইক বা গাড়িকিংবা হঠাৎ ঝড়ে,কচি ডাল সেজে ফ্ল্যাটটাও দেখি ... ...
সকল দেশবাসীর আবেগ সুভাষচন্দ্র বসু। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে দেশ নায়ক পদে বরণ করেন। নেতাজি ভারতকে বিদেশি শাসনের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তিনি না থাকলে আমাদের স্বাধীনতা পেতে হয়তো আরও দেরী হত। তৎকালীন সময়ে ব্রিটিশ শাসকদের মধ্যে ভয়ের সঞ্চার হয়েছিল তাঁর কারণেই। তাঁর স্বদেশপ্রেম অনুপ্রাণিত করেছে লক্ষ লক্ষ মানুষকে। এমনই তাঁর প্রভাব ছিল যে তাঁর গলার মালার দাম উঠেছিল ৫ হাজার, শুধু তাই নয় সুভাষ-উন্মাদনাও এমন মাত্রায় ছিল যে তাঁর গলার মালা কেনার জন্য কোনো যুবক তাঁর যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ এমনকি বসতভিটা পর্যন্ত হারাতে প্রস্তুত। বিষয়টি আমাদের কাছে নেহাত মুর্খামী মনে হলেও জনমানসে তাঁর প্রভাব বিচার ... ...
যে ভারত বাঁচবে, বাঁচাবে।। ইমানুল হক ১৯৯৮-এ গুজরাতে নির্বাচনী সমীক্ষায় গিয়ে সুরাত স্টেশনে চোখ টানে মননঋদ্ধ প্রাচীরচিত্র। সেখানে লেখা ছিল: মন্দির মসজিদ নে বাঁট লিয়া ভগবানকোসাগর বাঁটো জমিন বাঁটোমৎ বাঁটো ইনসানকো ২০০২-এ গণহত্যা-পরবর্তী কালে ত্রাণ নিয়ে গিয়ে দেখি, সেই দেওয়ালে অন্য ছবি আঁকা। আর আসল ভারতের চেহারা দেখি, আমদাবাদ শাহ আলম ত্রাণ শিবিরে।ভগবতী দেবী দু’মাস ধরে ছিলেন ত্রাণ শিবিরে। ‘সহেলি’ রোশেনারার দুঃখে অংশীদার হবেন বলে। ‘মুসলমান’-দের তেমন ঘেন্না করেন না বলে তাঁর বাড়িও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ভগবতী দেবী এক থালায় খেতেন অন্যদের সঙ্গে। ত্রাণ শিবিরে তো কারও নিজের থালা ছিল না।— কেন এলেন এখানে?— উও মেরি সহেলি হ্যায়। মেরি জান। পাশাপাশি ঘর। বিয়ের পর থেকে ... ...
অন্তিম পর্ব বাংলাদেশের হৃদয় মন্থন করা স্বামীজীর আদর্শে অনুপ্রাণিত জননেতা সুভাষচন্দ্র বসুর অপূর্ব মূল্যায়ন তুলে ধরি —” স্বাধীনতার অখন্ড রূপের আভাস রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের মধ্যে পাওয়া যায়। Freedom, freedom is the song of the soul - - এ বাণী যখন স্বামীজীর অন্তরের রুদ্ধ দুয়ার ভেদ করিয়া নির্গত হয় তখন সমগ্র দেশবাসীকে মুগ্ধ ও উন্মত্তপ্রায় করিয়া তোলে l “ যুবকদের উদ্দেশ্যে নেতাজি বললেন—------- “ সাম্যবাদ ও স্বাধীনতা মন্ত্র প্রচার করিবার জন্য তোমরা গ্রামে গ্রামে ছড়াইয়া পড়ো, ……..স্বাধীনতার পূর্ব -স্বাদ নিজের অন্তরে পাইলে সকলেই পাগল হইয়া উঠিবে | …. নিজের অন্তরে এই আলোক জ্বালো – সেই দীপ্ত হস্তে লইয়া দেশবাসীর দ্বারবর্তী হও | –চাষার পর্ণকুটিরে, ... ...
স্বপন চক্রবর্ত্তী পরিক্রমা•২০
একদিন এক চায়ের ঠেকে সোমনাথ মুখোপাধ্যায় রবিবার। আজ সাতসকালেই দোকান খুলেছে মণি। দোকান বলতে তেমন বিরাট কিছু নয়, সামান্য এক চায়ের দোকান। তবে একেবারে সদর রাস্তার ওপরে হওয়ায় বিক্রি বাট্টা নেহাত কম নয়। এখন আর বাপের আমলের মতো কয়লার উনুনের পাট নেই। কমার্শিয়াল সিলিন্ডারে চলা গ্যাসস্টোভে টগবগিয়ে জল গরম হচ্ছে প্রায় সমস্ত দিন।এ তল্লাটের ভোল বিলকুল বদলে গেছে এই কয়েক বছরের মধ্যে। হাতের নাগালে থাকা একতলা,দু তলা বাড়িগুলোর প্রায় সবকটাকেই একেবারে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে পরপর মাথা তুলেছে হাই- রাইজ বিল্ডিং। লোকজনের আনাগোনা অনেক বেড়েছে। বেড়েছে মণির চায়ের খদ্দের। এ তল্লাটের হোমরা চোমরা মাতব্বরদের অনেকেরই আনাগোনা তার ছোট্ট দোকানে। খদ্দেরদের আলোচনা থেকেই মণি গোটা ... ...
বাঙালি আর কত লাশ বইবে? পুরুষোত্তম সিংহ মধুময় পাল এই দগ্ধ বাংলার অমাবস্যার আলো। সুতীব্র সময়চেতনা, সুস্পষ্ট রাজনৈতিক অভিজ্ঞান, সুমিষ্ট ভাষা দক্ষতা ও ব্যঙ্গ-শ্লেষের সুকঠোর আঘাতে তিনি যাপিত সময়কে ছিন্নভিন্ন করেন। এই সচেতন আখ্যান পরিক্রমা বিগত তিনদশক ধরে তিনি ধারাবাহিকভাবে করে আসছেন। সময়ের পোড়া চামড়ার যেন কিছুটা শুশ্রুষার মলম লাগাতে চান। আবার বাঙালির আদেখলেপনা, ন্যক্কারজনক রোমান্টিকতা, মেকি ভাবাবাদের ঘোমটা খুলে দেখিয়ে দেন এই তোমার অবস্থা। কোথাও মধুময় ক্রূর, বিধ্বংসী, ঘাতক সময়কে আক্রমণ করেন। হ্যাঁ মধুময় আক্রমণের ভাষা ও আক্রান্তের ভাষা দুইই আয়ত্ত করেছেন। কে আক্রমণ করে? রাষ্ট্র। কে আক্রান্ত হয়? বাঙালি। ভীতু বাঙালি পর্বে-পর্বান্তরে সব হারাচ্ছে। শুধু সংস্কৃতি নয় পরিবেশ, সভ্যতা, ন্যায়বিচার, ... ...