১. আমার বাবা মারা যায় গতবছরের ২৩ শে ডিসেম্বর। বাবার এন্ড স্টেজ প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার এটা আমি (আমার মা বা স্ত্রী উপস্থিত ছিল না ঐসময় হাসপাতালে) জানতে পারি ওই বছরই ১৫ ই অক্টোবর। মাঝের এই সময়টায় অনেকবার ভেবেছি আমার অভিজ্ঞতাগুলো লিখি, অন্য কারো জন্য নয়, নিজের জন্যই। আমি তো এই মুহূর্তে জানি না আমার শরীরের কোন্ কোণায় কোন্ জিন আস্তে আস্তে মিউটেট করছে, মোক্ষম সময়ে উবে যাবে স্মৃতি, ঠিক যে বয়সে স্মৃতিটুকুই ... ...
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ অলক্ষ্মী ঝিমন্ত বিকেলে দেখি পরিচিত ফুল ঝরে যায় বিড়ালের বাটি ভরা দুধ নেই, পিঁপড়েরা খুঁটে খায় উপচানো ঝোল তিনটি রঙিন শাড়ি, প্রিয়, তবু জড়োসড়ো ছাতে ভাত ঘুম দিয়ে দেখি, ঘরদোর চোরা বন্যায়ভেসে যায়।তুমি কেন ভুলে গেলে ভালোবাসা দিতে?তুমি কেন মরা গাছ ভেবেমাটি থেকে টেনে নিতে নিতে'অলক্ষ্মী' জানালে? ছুঁড়ে ফেলে দিলে!! ... ...
( ১ ) বেলা দশটা। বসন্ত কাল, কিন্তু মোটেই রোদ ঝলমলে নয়, মেঘলা আকাশ। আজ কালের মধ্যে বৃষ্টি হবে হয়ত। কলতান ভাবল কুলচা অনেকদিন আসে না। একটা ফোন করে দেখা যাক। কুলচার নম্বর ডায়াল করল কলতান। ফোন রিং হয়ে যেতে থাকল। শেষে নারীকন্ঠে ঘোষণা হতে লাগল --- আপনি যে ব্যক্তিকে কল করছেন তিনি এখন উত্তর দিতে পারছেন না ... কলতান লাইন কেটে দিল। ভাবল, হয়ত বাইরে কোন কাজে ব্যস্ত আছে। ফোন তোলার পরিস্থিতি নেই। কুলচার তো ব্যাঙ্গালোর যাওয়ার কথা ছিল ক'দিনের জন্য। সেখান থেকে ফিরেছে কিনা কে জানে। যাক, পরে আবার ডায়াল করা ... ...
পত্রপত্রিকায় চিঠিপত্র লেখার অভ্যেস অনেকেরই থাকে। কিন্তু শুধু চিঠি লিখে বিখ্যাত হতে আমি পাচু (পাঁচু নয়) রায়ের মত কাউকেই দেখিনি। অনেকেরই মনে আছে হয়তো একটা সময় কাগজ বা সামিয়িকীপত্র খুললেই পাচু রায়, কলকাতা-৫৫ লেখা চিঠি চোখে পড়ত। কোন বিষয় নিয়ে তিনি না লিখতেন ? নাটক, সিনেমা, রাজনীতি, সমাজ—সবকিছুই ছিল তার বিষয়। হোমিওপ্যাথির বিরুদ্ধে ছিল জেহাদ ( কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল সংস্থায় উচ্চপদে চাকরি করতেন )। পাচু বাবু পরে আজকাল পত্রিকায় ছোটো ছোটো পোস্ট এডিট লিখতেন। তবে দৈর্ঘ্যে এবং গভীরতায় সেগুলি চিঠিপত্রর মতই ছিল। রাজনৈতিক ভাবে তখন অতি বাম মনোভাবাপন্ন ছিলেন। পরিবর্তনের পরে তৃণমূল হয়ে দক্ষিণ দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান হন। তখন দেশ পত্রিকায় ... ...
১৬।কেহ গুনে জপমালা-কেউ শেখে বৃত্তি,কেউ দ্যাখে তারা গুণেকেউ গুণে পাত্তি।বুদ্ধি ও বৃত্তিকএষণার মুলে তাই,প্রেম নাকি আদ্ধেকবিদ্যার পুরোটাই।পুরাটাই কি ও কেন ?নিয়তির ঝাঞ্ছামহীয়ান কর্মেরসৎ মনোবাঞ্ছা। . জাউজ্ঞা! ১৫।সব শাস্ত্র পানি/পাণি হয় গেলো। নামে ধামে বাহারিএতে কোনো ভুল নাই, তবু তুমি যাই বলোবেশ্যার কূল নাই। কাকে বলে জানো কিনাকূলহীনা পতিতা,মুখগুলো দেখেছো কিযারে বলে বিগতা ?ফ্রেঞ্চ বলে-পাঙ্ক গায়উঁচু শ্রেণী পতিতা,বেশ্যাবৃত্তিতার উপজীবিকা। জীবিকার ভাবনায়যৌন বিকার,বুড়ো-ডেপো -বণিতাপ্যাঁড়ার শিকার। মহা প্যাঁড়া বাঁধবারএইতো শুরু,কলির সন্ধ্যা বলে‘জয়তু গুরু’। গুরুগিরি সব তাতেসব বেলা চলে না, ও'গুনাক ওই নিয়েও করা চলে না। ভাবো তুমি মার্ক করোডেকে বলো 'ও খ্যাঁত'-সব মিলে তেঁতো মুখেহাঁক ছাড়ো 'আরে ধ্যাত্'। লাভ নাই, হেইট আছেকরেছ যেই কাজ-ক্ষতির চুড়োতে বসেসামলাও ব্যাড ... ...
স্বপন চক্রবর্ত্তীপরিক্রমা•২১
( ১৬তম ও শেষ পর্ব ) পরের দিন সকালে দীপেনবাবুর আর সুরেশের সঙ্গে সন্ময়ও হাসপাতালে গেল। গৌরীদেবী আজ আসেননি। ইরাবানকে জেনারেল বেডে দেয়নি এখনও। ড. আলোকবিন্দু চক্রবর্তী মিনিট পনের পরে ঢুকলেন। --- ' ও মিস্টার মল্লিক ...আপনারা এসে গেছেন .... ভালই হল। সব রিপোর্ট এসে গেছে। গুড নিউস আছে আপনাদের জন্য। ক্রিয়েটিনিনটা শুধু একটু বেশি আছে। আর সব নর্মাল ... ' দীপেনবাবু বললেন, ' আর ওর যে অসুখটা আছে .... ' --- ' হ্যা ... ওটা আছে। তবে স্টেজ ওয়ানে। ম্যানেজেবল। আগে মেডিসিন, মানে ইঞ্জেকশান অ্যপ্লাই ... ...
( ১৫ ) গলির মধ্যে গাড়ি ঢুকল না। গলির মুখে গাড়ি থেকে নামলেন দীপেনবাবু। সঙ্গে সুরেশ জানা। গলির খানিকটা ভিতরে অনেক পুরনো দোতলা বাড়িটা। একতলায় দুঘর ভাড়াটে আছে। তার মধ্যে একঘর হল ইরাবানরা। সেখানে ইরাবান আর ইরাবানের মা থাকে। দোতলায় বোধহয় বাড়িওয়ালা থাকে। দরজাটা খোলাই ছিল। ভিতরে দেখা গেল একজন রোগা চেহারার বয়স্কা মহিলা স্টোভে কি রান্না করছেন। দরজার একপাশে দাঁড়িয়ে দুহাত জড়ো করে সুরেশ জানা সবিনয়ে বলল, 'মাসীমা এটা কি ইরাবানের বাড়ি? ' ইরাবানের মা গৌরীদেবী স্টোভের শিখা ... ...
বছর পাঁচের ছানাটি ছেলে হলেও একটু সহজে কান্না পেয়ে যায় তার। মার সাথে তার ভাব বেশ। সুখ দুঃখ সে মার সাথে ভাগ করে নেয়। কিন্তু মা তো মা - ই, কাজেই সুযোগ পেলেই বকা দেয়। আর পিঠ বাঁচাতে ছেলেকে সে শিখিয়েছে যে "বকে তারাই যারা তোমায় ভালবাসে"। আর কীই বা শেখাবে! মা নিজেও তো না বকা দেওয়া ভালবাসা দেখেনি কখনও! অতএব... এদিকে বকা খেলেই ছানা কেঁদে কেঁদে বলে " তুমি আমায় ভালোবাসো না..." হঠাৎ একদিন ঘুমের আগের এক বকা সেশনের মাঝে ওই "... ভালোবাসো না" সুরটা শেষ হতেই ছানার প্রশ্ন " যে ভালোবাসে সেই বকে? মানে যে বকে সেই ভালোবাসে? " ... ...
( ১৪ ) সন্ময় এবার শিকার সন্ধানী শার্দুলের মতো রক্তের গন্ধ পেয়ে গেল। অনুভব তিওয়ারির স্ট্রাইক। নতুন ব্যাটসম্যান এসেছে অলরাউন্ডার মুনাব্বার রহমান। বড় শট খেলার প্লেয়ার। খেলার মধ্যে থাকতে গেলে নিয়মিত স্ট্রাইক ঘুরিয়ে যেতে হবে। আরও অন্তত সাত আট ওভার যদি এই জুটি খেলে দিতে পারে খেলাটা আবার বর্ডারের নিয়ন্ত্রনে চলে আসবে। তা আট নয়, দশ ওভার অনুভব আর মুনাব্বর খেলে দিল। খেলে দিল মানে উইকেটে দাঁড়িয়ে থাকল। রান বিশেষ হল না। শুধু টিকে থাকলে আর কাজের কাজ ... ...
কুম্ভমুখী জনগণের ঢেউ ছাপিয়ে গেছে সাম্প্রতিক কালের যেকোনো মেলা পূজা বা রাজনৈতিক সমাবেশের যেকোনো অভিজ্ঞতাকে। কেবল কি সংখ্যায়? বৈচিত্র্যেও। কোন্ ডিম ভাতের প্রতিশ্রুতিতে এই অগণন মানুষের স্রোত? ব্রিগেড কিংবা যন্তর মন্তর, প্রলোভন কিংবা নেশা - কি সেই আকর্ষণ যার টানে হুহু করে স্রোতের মতো সকলেই কুম্ভমুখী? তরজাও কম নয়। কেউ কেউ বলছে বানিয়ে তোলা হুজুগ। কেউ বলছে আবেগ। কেউ দেখছে অনগ্রসর ভারতকে, তো কেউ আবার জাগ্রত ভারতের স্বপ্নে বিভোর। কারুর মতে ম্যানুফ্যাকচার্ড, কারুর কাছে ইন্ট্রিনসিক। একদল বলছে, হাওয়া দিয়ে বাড়িয়ে তোলা হচ্ছে; অন্যদলের বক্তব্য ফুঁ দিয়ে তাহলে নিভিয়ে দেওয়া গেলো না কেন? হক্ কথা। গান্ধীবাদী, সমাজতন্ত্রী, হিন্দুত্ববাদী, দলিতপন্থী, নিরপেক্ষতাবাদী, নারীবাদী - মানে ... ...
( ১৩ ) বারো ওভারের পর একটা ড্রিঙ্কস ব্রেক হল। রান দু উইকেটে একষট্টি। সঞ্জীব ভাটিয়া আর মদন শুক্লা এখনও ব্যাট করে যাচ্ছে। খুব স্বচ্ছন্দে খেলছে তা না। তবে টিকে আছে এখনও। দুজনেই এই সমস্যাসঙ্কুল উইকেটে বারংবার উৎপীড়িত হতে হতে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে মিসটাইমড শটে দুজন ব্যাটসম্যান একটা করে বাউন্ডারি পেয়েছে। এদিকে সন্ময় ভাবছে এরা আরও সাত আট ওভার টেনে দিলে ম্যাচটা বেরিয়ে যাবে মনে হচ্ছে। দুটো উইকেট এক্ষুণি দরকার। না হলে যা প্রয়োজনীয় রান রেট, শুধু উইকেটে দাঁড়িয়ে থাকতে পারলেই টার্গেটে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব। সুতরাং ... ...
আ মরি মায়ের ভাষা ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ভালোবাসি কি না জানা নেই। মন খারাপ হয় তোমার জন্য।চারপাশে বিস্তৃত বিপদ, শস্যহীন মাঠে, উদভ্রান্ত পশুর মতো ঘোরে।শকুনের ডানায় ভর করে কুদৃষ্টি নেমে আসেপাঁড় মাতালেরা গলিপথে, বমি করে ভাসিয়েছে তোমার উঠোন।তোমাকে বিপন্ন লাগে, ম্লান লাগে। যেন সদ্যোজাত শিশুর মতো আচ্ছন্ন, অমতেই পড়ে আছো বিবিধ কাঁথায়।যেন কিশোরী মেয়ের মতো দু'বেনুনী কাঁধে,কোনকালে বেরিয়েছ তারপর,অতর্কিত ঝাঁপ দিয়ে বাহকের দল, ছিঁড়ে খায়,মৃতদেহ ফেলে যায় মাঠে, ঘাটে। ভালোবাসি কি না জানা নেই।তোমাকে একলা লাগে, ভয় হয়। ... ...
বকুলরা জাতে বাগ্দী, তথাকথিত নিচু জাত। খালে বিলে মাছ ধরা, মাঠে গরুর পালের সঙ্গে ঘুরে ঘুরে গোবর কুড়োনো, গোবর থেকে ঘুঁটে বানিয়ে তা বিক্রি করা ওদের পেশা। বাগদী ঘরে জন্মালেও বকুলের রূপ ছিল অসামান্য। তার রূপের ছটায় অনেকেই ঘায়েল হয়েছিল, কিন্তু তার দাদা বউদির পাহারাদারি ডিঙিয়ে কেউ কাছে ভিড়তে পারেনি। একমাত্র মোহন ছাড়া। মোহনরা সদগোপের ঘরের ছেলে এবং গ্রামটিও সদগোপ প্রধান। সুতরাং অন্যান্য জাতের তুলনায় তাদের প্রতিপত্তিও বেশি। তাদের অবস্থাও মোটামুটি সচ্ছল। লেখাপড়ার পাট নেই বললেই চলে, কোন রকমে ক্লাস ফোর পাশ দিয়েই চাষের কাজ আর গরুবাছুর নিয়েই দিন কাটায়। তবে সে খুব ভালো অভিনয় করতে পারে। পাড়ার শৌখিন যাত্রাদলে ... ...
( ১২ ) জিততে গেলে বর্ডারকে করতে হবে একশ চুয়ান্ন রান যা এই উইকেটে খুব সহজ নয়। যদিও আস্কিং রেট চারেরও কম। অমিত দত্ত আর বিতান কাঞ্জিলাল বোলিং ওপেন করল। দু ওভার অনায়াসে খেলল ওপেনার দুজন। উইকেটে জুজুর কোন লক্ষ্মণ দেখা গেল না। স্পিনার এলে বোঝা যাবে ওসব। রান বিনা উইকেটে এগারো। বিতানকে আর এক ওভারের জন্য ডাকল সন্ময়। প্রথম বল অফস্টাম্পে হাফভলি। এক্স্ট্রাকভার দিয়ে চার। নিখুঁত টাইমিং। পরের বল একই জায়গায়। একটু কম লেংথে। হালকা আউটসুইং। ব্যাটসম্যান পল্লব বোস আবার চালাল। ব্যাটের বাইরের কানা নিল। বল। বল কাঁধের উচ্চতায় প্রথম এবং দ্বিতীয় স্লিপের মধ্যে দিয়ে উড়ে ... ...
মাটি কাদা, চিটচিটে, চুপচাপ নোনাজলে লুকোচুরি তাইতেই উদ্ধত শ্বাসমূল জেগে থাক বাতাস আসবে আজ এপথেই। বাতাস আনুক ঝড় সীমাহীন সীমানায় উদ্দাম পরিহাস পরিহাসে কী বা আর আসে যায়হেঁটে চলে ডানাহীন ইকারাস। সূর্যকে ছোঁয়নি এ ইকারাস আশা রাখে, সেও হবে একদিন আপাতত এইটুকু বলা থাকস্বপ্নের কাছে দাবি সীমাহীন। যতদিন বেঁচে আছে ইকারাস রোজ জ্বালে বাতি তার টিমটিম শিশুদের আঁক-কষা উল্লাস গলে যায় ডানামোম নিঃসীম। হার মেনে নেবে না তো ইকারাস পালক কুড়িয়ে ফেরে নিশিদিন ডানা নয়, নয় কোনো ফরমাশ, লেখনীতে রূপ নেবে চিরদিন। ডানা ক্ষয়ে আসে ধীরে, হা-হুতাশইকারাস তবু থাকে দ্বিধাহীন ... ...
এখন আর আগুন জ্বেল না তুমিরক্তিম আভা দাবানল লেলিহান, সবুজ বরণ আম্র শাখার বাতাসেঘন ঘোর কোন নিদ্রার মাদুর একখানা, পার তো দিও বিছিয়ে।পেরিয়ে এসেছি হল্কা তাপিতহাপর টানার বেলা, ছিল অবারিত খোলা .....বেহিসেবি বুকের আগলমারন কাঁকড়া অশোকের মতো রাঙা .....উত্তাপ রসে উথলে ওঠা কানা।রৌদ্র ভরা ফুটিফাটা পথকাঁকর পাথর রাশি রাশি মরু বালি, রক্ত কনায় কনায়ক্ষেপা অদম্য ষাঁড়, নাসারন্ধ্র ঝরায়ঘোর উৎকট শীৎকার খালি খালি।কামনার গাছে উঁচু উঁচু সব ডালমরীয়া আঁকশি উঁচিয়ে পেঁচিয়েঅধরা ফল বৃন্তেঅবুঝ আছড়া আছড়ি, বারবার হয় ভুল,ছিটকে পড়ে অবাঞ্ছিতগুচ্চের বুনো ফুল।এখন ওসব বিগত ক্যানভাস ... ...
( ১১ ) চিকিৎসা কর্মীরা ইরাবানের চোখের পাতা ফাঁক করে টর্চের আলো ফেলে চোখের মণির অবস্থা দেখল। রক্তচাপ, পালস বিট, অক্সিজেন স্যাচুরেশানের মাত্রা, জুতো খুলে বাঁ পায়ের তলার সাড় এসব প্রাথমিক পরীক্ষা করল। তেমন হতাশ হতে দেখা গেল না তাদের। ইরাবানকে একটা ইঞ্জেকশানও দিল। দীপেন বাবু এসে প্রায় হুমড়ি খেয়ে পড়লেন ইরাবানের শরীরের ওপর। একজন চিকিৎসা কর্মী তাকে সরিয়ে দিল। দীপেনবাবু বাধ্য হয়ে খানিক তফাতে গেলেন। একজন ছুটতে ছুটতে মাঠের বাইরে গেল। তাকে একটু পরে একটা স্ট্রেচার নিয়ে আসতে দেখা গেল। ইরাবানের শরীরের পাশে স্ট্রেচার ... ...