বেশ কয়েকদিন ধরে আমাদের পাড়ার সরুদাকে খুঁজছিলুম। সরুদা মানে সরগম সরখেল। ছোটবেলায় সরুদা নাকি এমন কাঁদত তার শব্দ ঠিক রাগরাগিণীর সরগমের মতই শোনাতো। সেই কান্নার শব্দ শুনেই সরুদার দাদু হরদম সরখেল এই নাম রাখেন। সরুদার দাদুর নাম শুনে হাসছেন ?
Every second ST, every third Dalit & Muslim in India poor, not just financially: UN report এবার এই সংরক্ষণ সম্পর্কে লেখাটির একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে পৌঁছেছি। কিছু তথ্য দেওয়া বাকি।
মাথার ভিতর থইথই করছে শব্দ, আরো পাঁচ কোটি শব্দ নিষেকের জন্য দাঁড়িয়ে লাইনে, ফ্যালফ্যাল করে হাঁটুগেড়ে আমাকে বলছে, আমাদের তুমি মালার দানার মতো, সুতো দিয়ে কবিতায় বাঁধো।
পরির বাড়িতে একতলার বসার ঘরে হুড়মুড়িয়ে ঢুকেই নিখিল দেখল অচেনা এক ভদ্রলোক বসে আছেন। নিখিল একটু হকচকিয়ে কী বলবে ভাবছে, কিন্তু তাকে দেখেই ভদ্রলোক এমন দাপটের সঙ্গে কথা বলা শুরু করে দিলেন, যেন অনেক দিনের চেনা।“বসুন, বসুন। আরে, এখানে নয়, এখানে নয়, ওই...ওই...চেয়ারটায়”। চেয়ারটা সন্তর্পনে একটু দূরে সরিয়ে খুব সাবধানে নিঃশব্দে বসল নিখিল। মনে হল চেয়ারটা যেন ফঙ্গবেনে কাচের, একটু এধার ওধার হলেই ভেঙে চুরচুর হয়ে যাবে। নিখিলের বসাটা মন দিয়ে লক্ষ্য করার পর ভদ্রলোক জিগ্যেস করলেন, “হুঁ, হুট করে একেবারে ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়লেন, তা কাকে চাই?”নিখিল খুব আমতা আমতা করে বলল, “আামি নিখিল, ইয়ে মানে... পরি...মানে পরিচিতা নেই?”ভদ্রলোক ... ...
নাকের বদলে নরুন পেলাম, তেলের বদলে সুরা
“হিন্দু সভ্যতা.... হচ্ছে মানবতাকে দমন এবং পরাভূত করতে একটি পৈশাচিক কৌশল। এর প্রকৃত নাম হবে সামাজিক কুখ্যাতি। কাকে সভ্যতা বলে ডাকা যায়, যার একগাদা মানুষ...., যাদের সত্তা মানবসত্তার নিচে বলে গণ্য হয় ও শুধু যাদের ছোঁয়াই দূষণ উদ্রেকের জন্য যথেষ্ট?”- ড: বি আর আম্বেদকর। ড: আম্বেদকর সকল বাধা উপেক্ষা করে, সংবিধানে জনজাতি ও অনুসূচিত জাতির জন্য শিক্ষা ও সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখেন। ... ...
চাষীর ঘরে বসত করে বিধান তিন জনা অঙ্গরাজ্যে জনাদেশ আর চমক দেবোনা!
ড: ভীমরাও আম্বেদকর সম্পর্কে দুএকটি কথা বলে এই প্রসঙ্গটা শেষ করব। তিনি ক্রমে ক্রমে দলিতদের ‘পরিত্রাতা' হয়ে উঠলেন তাঁর বিভিন্ন কাজের মধ্য দিয়ে। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে দলিতরা যদি নিজেদের উদ্যোগে উন্নতির চেষ্টা না করে তাহলে জাতিভেদ প্রথায় বিভক্ত এই হিন্দু সমাজে তাদের ওপর অত্যাচার চলতেই থাকবে। তাঁর এই বোধ যে সঠিক ছিল তার প্রমাণ এখনও আমরা পাই। দলিতদের ওপর অত্যাচারের সেই ট্রাডিশন এখনও দেশের উচ্চবর্ণ’রা চালিয়ে যাচ্ছে।আম্বেদকর ১৯২৭ সালে মাহাদ সত্যাগ্রহ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। এই আন্দোলন ছিল মাহাদ পুরসভা অস্পৃশ্যদের যে অধিকার দিয়েছিল, চাভদার জলাশয় থেকে জল নেওয়ার, সেই অধিকারকে বজায় রাখার জন্য। উচ্চবর্ণের মানুষজন পুরসভার এই নির্দেশকে বুড়ো ... ...
তার সাথে আমার শুরুটা আর কত হবে? তিন-চার বসন্ত নয়তো সামান্য আগে পিছে।
ওরে মাতাল, ওরে মাতাল, উলটে পড়ার খুঁজছি চাতাল
আবছা অন্ধকারে, রূপালী জ্যোৎস্নায় স্নাত বাড়িটার সামনে এসে দাঁড়াতেই যেন দমকা এক ঠাণ্ডা বাতাস এসে প্রবেশ করল গোলাম নবীর ভেতরে, সে বাতাসের তেজে গোলাম নবী স্থির থাকতে পারল না, তার পা টলে গেল, মাথা ঝিমঝিম করে উঠল। সে দু হাত দিয়ে মাথার দু'পাশে চাপ দিয়ে এক পা পিছিয়ে গেল এবং প্রায় এক মিনিটের মত চোখ বন্ধ করে রইল ধাতস্থ হতে। ... ...
জ্যোতিরাও ফুলে তাঁর লেখা গুলামগিরিতে, বহিরাগত আর্যরা কীভাবে শাসক হয়ে উঠে ছলে বলে কূটকৌশলে অনার্য ভূমিপুত্রদের অর্থনৈতিকভাবে অবদমিত করে রেখেছে সেটা বলেন। ঘৃণ্য জাতিভেদ প্রথা, উঁচু নীচু ভেদ, অস্পৃশ্যতা ইত্যাদি সেই কূট কৌশলেরই অঙ্গ।