রাগুনবাবু মাঝে মধ্যেই হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে বিবেক ধুয়ে ফেলেন, দিনে গড়ে দুবার। কখনও এক দুবার বেশী। কনসয়েন্স ক্লিয়ার রাখা কি চাট্টিখানি ব্যাপার!
আমি রিসেন্টলি আঁতেল হয়েছিইইইইই ৷
বর্তমান আমি কয়েক কেজি সর্ষের তেল কিনে আঁ-তেল হওয়ার চেষ্টা করছি। দেশপ্রেম আমার মজ্জাগত, সম্প্রতি গান্ধিজির আর নেতাজির ছবিদুটো ঘরের দেওয়াল থেকে রিপ্লেস করে দিলীপ ঘোষ আর আমার প্রতিবেশীর পোষা গরুর ছবি প্রতিষ্ঠা করেছি। আমি এমনিতে পাঁচ ফুট চার পাঁচ; কিন্তু ভাবনার উচ্চতায় নিজেকে সুউচ্চ মনে করি।
হেমন্তের হিমহিম হাওয়া কেমন একটা ঝিমধরা আলসেমি মাখিয়ে রাখে সকালগুলোতে। ধুলো আর কুয়াশা হাত ধরাধরি করে ব্যারিকেড দিয়ে রাখে সূর্যকে। এমন ম্লান দিনগুলোয় বেজায় মনখারাপ হয়ে থাকে নীরার। ডা: নির্ঝরিণী মুখার্জী। শহরের প্রতিশ্রুতিসম্পন্ন মনোবিদ। কফির কড়া ধোঁয়ায় মেজাজটাকে সেঁকে নিতে নিতে সে চোখ বুলিয়ে নিলো সাক্ষাৎপ্রার্থী তালিকায়। নাতিদীর্ঘ তালিকায় পাঁচটি মাত্র নাম। ... ...
হিমের রাতে ওই গগনের দীপগুলিরে হেমন্তিকা করলো গোপন আঁচল ঘিরে। ঘরে ঘরে ডাক পাঠালো - 'দীপালিকায় জ্বালাও আলো,জ্বালাও আলো, আপন আলো,সাজাও আলো ধরিত্রীরে।' রবিঠাকুর যেন শরৎ পরবর্তী সময়ের হৈমন্তীর হালকা কুয়াশা ভরা আকাশে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন দীপাবলি উৎসবের এই গানের মাধ্যমে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শরৎ নিয়ে ৩৩ টি গান লিখলেও, লিখেছেন মাত্র পাঁচটি গান হেমন্ত ঋতুকে নিয়ে। ... ...
আজ পৃথিবীর গভীর অসুখ! তোমাকে দানবের জিম্মায় দিয়ে খুঁজতে বেরোলাম বিশল্যকরণী
লেখাটায় অনেকগুলো বানান ভুল ছিল, যেটা কমেন্টে আপনারা বলেছেন ৷ কয়েকটা না জানার জন্য, কয়েকটা খেয়াল না করায়। আমি অত্যন্ত লজ্জিত। শুধরে নিয়ে পরে আবার পোস্ট করা যাবে ৷ আপনাদের সবাইকে কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ ৷
গতকাল জাঁ লুক গদারের 'কিং-লিয়ার'-এর কথা বলেছিলাম। এই মর্মে আরেকটি 'কিং-লিয়ার'এর কথা মনে পড়ে গেল! না বললে অন্যায় কিছু হবে না কিন্তু না বলে থাকতেও পারছি না। এই শতাব্দীর প্রথম দশকের মাঝামাঝিই হবে। উৎসব - 'কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব' ('কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব' পরে নাম হয়েছে মা-মাটি-মানুষের আমলে, তখনও কাস্তে-হাতুড়ি-তাঁরার যুগ)। বামুনকে যেমন পৈতে দিয়ে চেনা যায়, সিনে-আতেলদের তেমনি চেনা যেত সরকার প্রদত্ত ডেলিগেট কার্ড নামক মাদুলি দিয়ে! সে এক মহা ঝক্কির ব্যাপার। তিনদিন যেতে হত। ... ...
"দেহে নাই কান্তি মনে নাই শান্তি ৷গরীবের এ দুটির অভাব চিরদিনের ৷কিন্তু চিরদিনের অভাবও স্বভাবে পরিনত হয় না, একদিন সহিয়া যায় মাত্র। এবং তাহাতেও আপশোশ বড় কম নহে ৷ "এইভাবে গল্পের শুরু এবং এই সুরই বজায় থেকেছে শেষ অব্দি ৷ গল্পটা নিয়ে লিখতে বসে, কেন লিখছি সে প্রশ্নটা মাথায় আসেই ৷ যে কোনো ভাল গান বা গল্প অন্যকে শোনাবার বা পড়াবার তাগিদ থাকে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে গল্পটা পড়ে ভাল লেগেছে, সময় পেলে পড়ে দেখতে পারেন, এটুকুই হয়ত বলা যথেষ্ট হবে ৷ ... ...
রাত্রির হাত ধরে হেঁটে ছিলাম / এক নক্ষত্রের আশায়। নিরক্ষরেখাকে শিরদাঁড়া বরাবর পেতে রেখে
Shall I need no more love, / Shall I need no more love, / My heart is full to the brim.
কি কান্ড, ঘুম থেকে উঠে জানতে পারি তিনি বেঁচে আছেন। অবশ্য মারা গেছেন এ খবরোতো আসেনি কখনও কানে, একথাও মনে এলো। এককালে যার ছবি তখনও পর্যন্ত দেখা না থাকলেও কৌলীন্য হারানোর ভয়ে বন্ধু মহলে 'হ্যাঁ দেখেছি' বলে বিজ্ঞের ঘাড় নাড়াটা ছিল বাধ্যতামূলক তাঁরও বয়স হয়ে গেল একানব্বই! হীরকখণ্ড থেকে ঠিকরে বেরোনো বহু-কৌণিক আলোই আসলে হীরে, হীরকখণ্ডটির কথা কে আর জানতে চায়, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন! প্রখ্যাত ফরাসী পরিচালক জাঁ লুক গদারের (৩ই ডিসেম্বর,১৯৩০-) চলচ্চিত্রও তাই!! সেই যে দিনগুলি, ব্রেথলেসের দিনগুলি, হেইল মেরীর দিনগুলিইইই..গতকাল তাঁর জন্মদিন গেল!!দুহাজার চার পাঁচ সাল হবে। নন্দনে প্রত্যেক বুধবার সন্ধে ছটায় ফিল্ম আর্কাইভ ওয়ার্ল্ড ক্লাসিক দেখাতো। নন্দন ... ...
ঝামেলাটা আজকেই হল। বলে কিনা উত্তর দিকের দেওয়াল বরাবর কিছু রাখতে নেই। বাস্তু দোষ হয় ... জীবনে কিচ্ছু লুকোতে পারিনি। না নিজেকে না নিজের কপালকে। বিয়ের ঠিক আগের দিনই বউকে লুকোতে গিয়েছিলাম নিজের ভাগ্য। পারিনি। শশুরবাড়িতে অম্বল লুকোতে গিয়েও একই অবস্থা। চাকরি জীবনের শুরুতে নিজের আঁতলামি আর বাবা হবার আগে ডাক্তারের কাছে নিজের জ্ঞান, সওওব লুকোতে গিয়েও বারবার ধরা পড়ে গেছি। ঘনিষ্ট লোকজনেরা বলে আমার ফাটা কপাল, তাই সব দেখা যায়। তা বেশ। সত্য স্বীকারে আমার অসুবিধা নেই। সংসার যখন নিজের হল তখন থেকেই চেষ্টা করি নিজের ফাটা কপালের দোষগুলো ... ...
বৌদি, তোমার মেয়ের ইস্কুলের নম্বরটা একবার দেবে? --কেন রে শ্যামলী?--আমার ছেলেকে এডমিশন করাইতাম?-- আমার মেয়ের স্কুলে? জানিস, ওটা শহরের কত্ত নামী স্কুল, মাইনে কত? পারবি টানতে? নিজেদের জীবনের সুখ সাধগুলো নিয়ে ভাবিস রে শ্যামলী। দিন ফুরোলে আর কিন্তু ফিরবে না। নিজের সাধ্য বুঝে ছেলেকে তেমন স্কুলে দে বরং। --ঝানি গ বৌদি, সুদাম খোঁজ নিইচে, আর এট্টা রান্নার কাজ ধরে নিলে ঠিক পারবো। ছেলেটা সারাদিন বইমুকে বসে থাকে, পড়া ছাড়া আর কিচ্ছুটিতে ধ্যান নেইক, সারা বস্তির ছেলেপুলে কিরিকেট খেলচে, টিভি দেখচে হামলে পড়ে, কিন্তু আমার বাবানের সেই এক বই বই বই।। -- ভেবে দ্যাখ, শ্যামলী, শুধু মাসের মাইনে না, সারাবছর হাজার রকম এটা সেটা খরচ ... ...