বোল্ডার আর মাটিতে বানানো পোক্ত বাঁধের ডানদিকের কোল বরাবর শালবল্লা গেঁথে সুরক্ষার ব্যবস্থা। নামটা “শাল-বল্লা” ঠিকই, কিন্তু সভ্য মানুষের ভদ্র কামড়ে শালগাছ আর কোথায়? যেটুকু পাওয়া যায় তাও অগ্নিমূল্য। মানুষের বিজ্ঞান আর লোভের গুমোরে প্রকৃতিতে অন্য কারো টিকে থাকার জো আছে? প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে জঙ্গল সাফ হয়ে চলেছে, পাহাড় সাফ হয়ে চলেছে নগর সভ্যতার পাথরে আর কংক্রিটে। আজকাল বিপন্ন পশুপাখিদের জন্যে সুসভ্য মানুষ কেঁদে ভাসায়। অনন্ত লোভে মানুষ যেদিন নিজেদেরই শেষ করবে, সেই দিনই মানুষ পৌঁছবে সভ্যতার চূড়ায়। রিক্ত প্রকৃতি সেদিন হাঁফ ছেড়ে বাঁচবে।নামে শালবল্লা হলেও, এখন এসব কাজে ইউক্যালিপ্টাসের লগ ব্যবহার করাই দস্তুর। এই গাছ বাড়ে তাড়াতাড়ি, অতএব বনসৃজনের ... ...
দর্শকবন্ধু আবির মনোজ এর কলমে... "আজ সন্ধ্যাটা খুব সুন্দর কাটল। দলের বেশ কিছু সদস্য সদস্যাদের নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলাম রাসবিহারী মোড়ে Z Theatre এর উঠোন থিয়েটারে। অসামান্য সুন্দর দুটি নাটক দেখলাম। প্রথমটি "বিসর্গ থিয়েটার" এর "বাঘ চাল", অন্যটি "রঙ্গশীর্ষ" এর "অন্য শকুন্তলা"।
এখন মূদ্রা সরিয়ে রাখি দুহাতেই রাসায়নিক মাখি; হঠাৎ অনাসক্তি নয় -পাতাল ঘরে ডরহীন ভয়!
‘দেবুদা আপনি তো রনজি খেলেছিলেন না ? ‘কৌস্তভ জিজ্ঞাসা করে।— না রে .... সে সৌভাগ্য হয়নি। স্পোর্টিং ইউনিয়নে তিন বছর আর মোহনবাগানে দু বছর ছিলাম। খুব ইরেগুলার ছিলাম ফার্স্ট ইলেভেনে। আর বাকি কেরিয়ার তো নবদিগন্তে মানে, নবদিগন্ত স্পোর্টিং-এ খেলেই কেটে গেল।’ কৌস্তভ বলল, ‘অম্বরীশ কাকু বলত আপনার মতো টেকনিক্যালি পারফেক্ট ব্যাটসম্যান খুব কম দেখা যায়। আপনার আরও অনেক অপরচুনিটি পাওয়া উচিৎ ছিল।’ ... ...
ঐভাবে দেখলে হবে না। Melbourne escorts near meইন্ডিভিজুয়াল ভিলা আর অ্যাপার্টমেন্টের স্কোঃফুঃ প্রতি দামে আকাশ পাতাল তফাৎ। তার কারণ ল্যান্ড শেয়ার ডিভাইডেড/আনডিভাইডেড এসবের গল্প চলে আসে।
সাবধান করে দিবাকর গেছে পাটে; তবু চড়ে বসি দখিন রায়ের পিঠে!
রক্তকরবী | Raktakarabi | Neo Primitive Theatrical Expedition| Bisargo Theatre | বিসর্গ থিয়েটার রঙ্গীত মাজুয়ায় রক্তকরবী! বেশ কয়েকবছর আগে একবার হারা উদ্দেশ্যে পাহাড়ী পথে হাঁটতে হাঁটতে এসে পৌঁছেছিলাম রাজীব-রাহুল দাদের রঙ্গীত মাজুয়া নামক এই লেপচা গ্রামে। শুরু হয় সেখানেও #বিসর্গ_এর_নব্য_প্রাচীন_নাট্য_অভিযান ! প্রতিবারই আমারা সেখানে থাকি, খাই, ঘুরে বেড়াই আর রাত্রিবেলা গ্রামের মানুষদের সামনে নাটক করে দেখাই। ... ...
আজ ঝলমলে রোদ আমার মন। আজ গুমোট মেঘ, কাল ভোরবেলা শীত এসেছিল- জাপটে ধরেছে!
আমার বয়স দশ। হলে কি হবে আমার এই দশ বছরের অনন্ত কাহিনী। বলতে গেলে ইতিহাস হয়ে যাবে। সব তো বলতে পারবো না। important কথাগুলো বলবো। দাদুর বাড়ি থেকে আজ সকালেই এলাম। ওখানে আমার'জানচক্কু' (জ্ঞানচক্ষু) না কি একটা বলে, সেইটা খুলে গেছে। একটু ভেঙে বলি, না বললে তোমরা বুঝতে পারবে না।ইস্কুলে যেমন শুরুতেই প্রেয়ার হয়, তারপর ক্লাসের পড়া চলে, আমাদের বাড়িতে সকালে তেমন প্রভাতী সঙ্গীত শুরু করে বাড়ির বড়োরা। 'লক্ষ্মীমেয়ে! মাগো এক গ্লাস জল দাও!' এই বাক্যগুলো দিয়ে শুরু। ... ...
কলকাতা পৌর নির্বাচন, বামফ্রন্ট, সিপিএম
ঝাঁ চকচকে শপিং মল এ নিজের GDP এর চিন্তার মাঝে... একটা হাস্কি গলা... কিউজ মি... বেবি কর্ন টা জানেন কোথায়? মাস্ক পরলে মেয়েদের একটু বেশিই সুন্দরী লাগে। কপাল ছোঁয়া চুল এলোমেলো হয়ে চোখ ঢাকা পড়ার আগেই হাওয়াতে যখন ঘাঁটাঘাঁটি হয়ে বেসামাল হয়, সামলাতে না পেরে কুঁচকে যাওয়া কপাল দেখে যখন পুরো মুখ জুড়ে পূর্ণিমার ঝলক দেখতে ইচ্ছেটা তীব্র হয় ... ...
যতই হোকনা অভিনয়- ছবি বিশ্বাস কি আর হয়?
একদিন বিশ্বকর্মা বললো, তোমায় চিনি ! তবে থেকে পেট গুড় গুড়, শুকোচ্ছে না পানি ;
'আরে দাদা, শুনছেন। আমার শ্রীমান টেট পাস করেছে। ''বাঃ বেশ ভালো খবর। শুনছি তো পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত রেট উঠেছে।' -'পাঁচ লাখ। প্রাইমারি টিচারের পোস্টের জন্য!.... অসম্ভব। আমি দিতামও না।'
Every day I am not a garden, / Sometimes I am a mess; / Shrubs cover me, and weeds / and I feel myself less, / much less, than my usual self, / and the sunlight dims.
পরি বাড়িতে ছিল না, অণুদি সদর দরজা খুলে দিতে, ঢুকতে ঢুকতেই সে অণুদিকে জিগ্যেস করল, “দাদা, কোথায় গো?”অণুদি চোখ উলটে বলল, “আঁদার ঘরে মুখ গুঁজে পড়া করতিসে”। কথাটা শুনেই খুব বিরক্ত হল পরি, জিভে “চুক” আওয়াজ করে, দৌড়ে গেল দাদার ঘরে। অণুদি ঠিকই বলেছে, ঘরের ভেতরটা সত্যিই আধো অন্ধকার। শেষ বিকেলের এই আলোয় বই পড়া চলতে পারে না। অথচ তার মধ্যেই টেবিলে ঘাড় নিচু করে তার দাদা গাব্দা একখানা বই পড়ে চলেছে। পরি খটাস্ শব্দে আলোর সুইচ অন করে, একটু রাগত স্বরেই বলল, “তুই কী রে, দাদা?”পরির ডাকে পরির দাদা, কড়ি জ্ঞানের সমুদ্র থেকে ভুস করে উঠে এল, তারপর শুশুকের ... ...
অনুবাদ : মানুষের মন ইঁট নয়, পাথরও নয়, মানুষ দুঃখ পাবে, আশ্চর্য্য কী? কেউ কাঁদলে তাকে দূর্বল ভাবা সোজা, ভেবে দেখেছ কিনিরন্তর খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে কাঁদায় তাকে কারা?
Today you are not here, Never will you be anymore / To kiss me, hug me and adore My lips and eyes sore.
বাহারী প্লেট গুলো ধুয়ে পরিষ্কার করছে কান্তা। বিলাসী খাবারের উচ্ছিটাংশ ফেলছে একটা কালো পলেথিনে। ড্রইং রুমে একটা বাচ্চা ছেলে খেলনা গাড়ী নিয়ে খেলছে। বাচ্চাটার বার্থ ডে পার্টি ছিল গতকাল। চুপসে যাওয়া বেলুন গুলো এখনো ঝুলে আছে। পার্টিতে আসা অতিথিদের আধো খাওয়া প্লেট গুলো মুচ্ছে সে। অফিসে বেরুবার মুখে সাহেবের নজর পরে কান্তার দিকে। কামুক হেসে খোলা বুকের দিকে ইশারা করে। লাজুক হেসে আঁচলটা ঠিক করে নেয় কান্তা। ... ...