এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হাতে কুদর্শন জ্যোতিষ আংটি - পার্ট টু

    siki
    অন্যান্য | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ | ৩৯৮৩৭ বার পঠিত | রেটিং ৩ (১ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Bratin | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:১৩511831
  • ১। একটা জায়গায় ভুল হচ্ছে। রুপঙ্কর দা কখনো ই বলেন নি ডাক্তার শাস্ত্র ভুল। ওনার নিজের ব্যক্তিগত exp খারাপ এবং বেশ খারাপ সেটাই বলেছিলেন

    ২। এখানে অনেক ই বলেছেন তাঁদের জীবনে কিছু কিছু ব্যাপার কোষ্ঠী, জ্যোতিষী এই সব ব্যাপারের মিলে গেছে। যদি কোন বেস না থাকতো তবে কি এট সম্ভব হতো?

    ৩। আর ঐ ভন্ড জ্যোতিষী দের ব্যাপারে সবাই একমত। এটা নিয়ে বলার কিছু নেই।

    ৪। আর ব্যক্তিগত আক্রমণ ছেড়ে তর্ক চলুক। তাতে আমরা সবাই শিখতে পারবো?
  • SC | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৩০511942
  • আমি ইদিকে খেটেখুটে একটা বড় পোস্ট লিকলাম ওহানে, আর সকলে দেখি এহানে।
    গ্রহ তারা কে গাল দেবা ফল। :(
  • ppn | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৩১512053
  • SC-কে তো ভালো মানুষ বলেই জান্তাম। সেও দেখি ছাপ্পা মারে। :)

    ওখান থেকে কপি করে এইখানে পেস্ট করে দিন না। ইউনিকোডে গিয়ে।
  • SC | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৩৪512164
  • ১) অঙ্ক ও জ্যোতিষ : অঙ্ক নিয়ে অনেকখানি বিতর্ক হয়ে গেছে দেখলাম, বিশেষ করে পিনাকীদা আর রুপঙ্করবাবুর।
    দু একটা কথা বলি। অনেক আগেই বলেছিলাম আমার প্রথম ও একমাত্র জ্যোতিষী দেখার কথা। সেই জ্যোতিষীও বারবার বলেছিলেন আমাদের দিকে তাকিয়ে "এখানে অনেক কঠিন কঠিন অঙ্ক করতে হয়, অনেকে তো ভাবে এগুলো বিজ্ঞান নয়"।
    এখানে একটা খুব কমন পারসেপশনের সমস্যা আছে। সাধারণ মানুষের কাছে অঙ্ক ও বিজ্ঞান সমার্থক। অঙ্ক তো বিজ্ঞানেরই অংগ।
    সেই ফ্যালাসিটাকে অনেকেই ব্যাবহার করেন, অনেকেই খেয়ে যান। কিন্তু বোঝা দরকার, অঙ্ক কি?
    বিজ্ঞানীর কাছে অঙ্ক হলো একটা টুল। যে লোকটা ছবি আঁকে, তার যেমনি রঙ তুলি ক্যানভাস, যে ক্রিকেট খেলে, তার যেমনি ব্যাটবল, তেমনি যে লোকটা পৃথিবী কি করে কাজ করছে, সেটা বুঝতে চেষ্টা করছে, তার কাছে অঙ্ক। আঁক কষলেই যে কোনো জিনিসকে বিজ্ঞান হতে হবে, এরাম কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আমার হাতে রঙ তুলি থাকলেই আমি বিরাট ছবি আঁকিয়ে হবো, তা নয়। সেরকম, একটা ভুল বৈজ্ঞানিক থিওরীর পিছনে অনেক শক্ত অঙ্ক করে দিলাম, এতে থিওরী ঠিক হয়ে যায় না।
    আমি আরও এক্সাম্পেল দিতে পারি বুঝতে চাইলে। কিন্তু সহজ করে বললে বিজ্ঞান মানে হোয়াই এবং হাউ। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বিজ্ঞান দেওয়ার চেষ্টা করে। অঙ্ক জটিল না সোজা, পাটিগণিত না লাই আলজেব্রা, সেটা মূল বিষয় নয়। মূল বিষয় হচ্ছে অঙ্ক দিয়ে কি প্রমাণ করার চেষ্টা হচ্ছে। এইটা প্রমাণ করার চেষ্টা হচ্ছে যে গ্রহ তারার অবস্থান আমাদের জীবনের ঘটনাগুলিকে প্রভাবিত করে।
    এই বেসিক বা মূল যে দাবীটা করা হচ্ছে, এর স্বপক্ষেই কোনো যুক্তি পেশ করা হচ্ছে না।

    ২) অঙ্ক ও কম্পিউটার: রুপঙ্করদা জানতে চেয়েছেন, অনেকগুলো কন্ডিশনাল স্টেটমেন্টের ভিত্তিতে কম্পিউটার গণনা করতে পারে কি না? অবশ্যই পারে, সবচেয়ে বড় অন্তদৃস্টিওয়ালা জ্যোতিষীর চেয়ে ভালো পারেন। কয়েকটা এক্সাম্পেল দিই। প্রথমত দাবা খেলা।
    অমুক চাল হলে কি হবে, তার পরের চাল তমুক হলে কি হবে, এর বিলিয়ন বিলিয়ন পারমুটেশন কম্পিউটার করছে। সেই দিয়ে কাস্পারভ নাস্তানাবুদ হচ্ছেন ডিপ ব্লুয়ের সামনে।
    এরকম ধরণের বড় বড় পারমুটেশন করার ক্ষেত্রে কম্পিউটারই আদর্শ। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে অঙ্কটা কি বইতে লেখা আছে, শক্ত হোক সোজা হোক, কোড করলে কম্পিউটার একে সল্‌ব্‌হ করতেই পারবে, যদি আদৌ সল্‌ব্‌হ করা যায়। সেখানে কোনো অন্তদৃস্টির ব্যাপার নেই। সুতরাং খুব পরিষ্কার, যে কয়েকটা অঙ্ক করলেও মুল থিওরীটা রোবাস্ট নয়।

    আরেকটা কথা। ভবিষ্যতটা জানতে পারলে কি ভালৈ না হতো, এই ব্যাপারটা নিয়ে পাশের বাড়ির মাসীমার বাইরে আরো অনেকেই ভেবেছেন। এমন নয় যে ভাবেননি। বিভিন্ন ফলের উপরে বেস করে তারপরে আরো পারমুটেশন করে ভবিষ্যতে কি হবে, এই ধরণের চিন্তাভাবনা বিজ্ঞানীদের কাছে খুব একটা নতুন নয়। ফিনান্সিয়াল মার্কেট নিয়ে যারা চিন্তা করেন, এই ধরণের মডেলিং তাদের কাছে বেশ পরিচিত। বাইনমিয়াল ট্রি, অপশন প্রাইসিং এসব গুগলে সার্চ করে দেখবেন। এই নিয়ে অনেক অনেক কাজ হয়েছে, ফিশার ব্ল্যাক আর মাইরন স্কোলস নোবেল পেরাইজও পেয়েছেন। কিন্তু তারা ভবিষ্যত বলার ভেক ধরেননা, রিস্ক কমানোর চেষ্টা করতে পারেন, এই অবধি। রিস্ক কমানোর এলগো লিখেছি বলে কেউ ব্যাবসা করলে তো খুবই ভালো কথা, কিন্তু ভবিষ্যতে কি হবে, আমি খাতায় আঁক কষে বলে দিচ্ছি, এটাকে সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক এবং লোক ঠকানো ব্যাবসা।

    আমি আরও একবার বলে যাবো, ভবিষ্যত যদি কেউ সত্যিই বলতে পারেন, তার মাথায় ন্যুনতম বুদ্ধি থাকলে গিয়ে স্টক মার্কেটে ইনভেস্ট করবে। এক মাসে কোটিপতি হয়ে ফিরে আসবে। আজ অবধি কেউ জ্যোতিষের আঁক কষে এরকম করে এসেছে কি? আসেনি। বড়জোর পাড়ায় এর ওর কিছু ব্যাপার বলে দিয়েছে, যেগুলো মিলে যেতে লোকে ইম্প্রেস হয়ে গেছে। যেমন অনেকে ইন্টিউশনের ভিত্তিতে খুব ভালো শেয়ার কেনাবেচা করেন (মার্কিন দেশে এক প্রবাদপ্রতিম ব্যাক্তি আছে, নাম ওয়ারেন বাফে), কিন্তু তারা কেউই দৈবশক্তির দাবী করেনা।
    এনেকডোটাল এভিডেন্সের একটা মূল সমস্যা আছে, সেই এভিডেন্স কখনৈ স্ট্যাটিটিকালি সিগনিফিকেন্ট না। বাকী পরে লিখবো।
    এখানে স্ট্যাটিস্টিক্সের অনেকে আছেন, রিমিদি মনেহয় স্ট্যাটের, ওরা আরো ভালো করে বোঝাতে পারবে।

    আর অবাস্তব যেটা বলে গেলো, সেই একই কারণে আমারও লিখতে সঙ্কোচ হচ্ছিলো। ব্যাক্তিগত ভাবে কোনো কথা নেবেন না, আমার অনুরোধ। রিদ্ধি বলার পরে ফাইনালি লিখলাম কারণ আমারো মনে হয়, এগুলো বলা দরকার, যদি যুক্তি শুনতে কেউ ইচ্ছুক হয়, তার জানা দরকার। বাঙ্গালি সায়েন্স পড়তে আর জয়েন্টের ফর্ম তুলতে লাইন লাগায়, কিন্তু বিজ্ঞানমনস্কতার দিক থেকে বিগ জিরো। শুধু বাঙ্গালি নয়, ভারতের বাকি জাতির অবস্থাও তথৈবচ বা আরও খারাপ। ছ খানা চ্যানেল জুড়ে বাবাজী আর গুরুমাদের গ্রহ তারার অনুষ্ঠান চলছে, একটা চ্যানেলেও কেউ এসে একটু সাধারণ বিজ্ঞানের কথা বলে যায় না।
  • dukhe | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:০৭512275
  • SC, ITC কি TCS এর শেয়ারের কুষ্ঠি পাওয়া যাবে ? একবার অমৃতলালের কাছে যেতাম।
  • PT | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:১৬512291
  • SC-শেষ প্যারাটা দারুণ লিখেছেন। বিজ্ঞানমনস্কতা কখনই ভারতীয় সমাজে কোন স্থায়ী ছাপ ফেলতে পারেনি। আমরা mysticism-পছন্দ করি আর সব জায়গাতেই ""তাঁর করুণাময় হাতের"" স্পর্শ দেখতে চাই।
  • dukhe | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:১৮512302
  • ইয়ে, রোগের সিম্পটম বা টেস্টের রিপোর্ট ইত্যাদি ফিড করলে কম্প্যুটার প্রেসক্রিপশন বের করতে পারবে না কেন ? এ লাইনে কদ্দূর কাজ এগিয়েছে কেউ জানেন ?
  • Bratin | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:২১512313
  • চোখ বন্ধ করে এই দুটো কোম্পানীর শেয়ার কিনতে পারো।
  • Bratin | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:২৬511721
  • এখন কার বেশীর ভাগ ডাক্তার দের কথা না বলাই ভালো। এক ট রোগ ঠিকঠাক ডায়াগোনাসিস করতে পারে না। যেখানে ২ টো ওষুধ দিলে চলে সেখানে ইফ, দেন, এলস হ্যান্ডেল করার জন্যে এক গাদা ( ৬-৭ ট) ওষুধ দেন।

    মূলত: দুটো কারণে:

    ১)রোগ না ধরতে পারা ( রুট কজ), লাগে টুক না লাগে তাক
    ২) মেডিক্যাল রিপ্রেজনটিভ দের কাছে( এবং তাদের কোম্পনী র কাছে) দায়বদ্ধতা।
  • siki | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:৩৭511732
  • "হাজার হাজার ডাক্তার হাজরা'।

    :-))))
  • vc | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:০২511743
  • অ্যানেকডোটাল এভিডেন্স দিয়ে কি আর কিছু প্রমাণ করা যায়?
  • dd | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:৪৯511765
  • সাঁই বাবা শুণ্য থেকে সোনার হার এনে দিয়েছিলেন লতা মংগেশকারকে (ম্যাংগো পিপল শুধু ছাই পেতো), এই সব শুনে এক মহা ত্যাঁদোর লোক মামলা ঠুকে দিলেন তৎকালীন "গোল্ড অ্যাক্টে"র বয়ান দিয়ে। ঐ আন অ্যাকাউন্টেড গোল্ড কোত্থেকে এলো?
    কি সর্বোনাশ।
    কোর্ট তখনি হাঁই মাই করে রায় দিলেন "আরে ফাগোল, ও গুলো সব বিভুতি। সব কি আর জজিয়তির আওতায় পরে?'
    সে সময়ে খুব সোনা স্মাগোল হতো, কেনো যে স্মাগলাররা এই রায়ের অ্যাডভান্টেজ নিতে "এ গুলো ধইরেন্না, এ সব মিরাকেল সোনা" বলে পাশ কাটাতো না জানি না।
  • siki | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:৫০511776
  • এইটা বোধ হয় লেটেস্ট ইন থিং চলছে। ডাক্তারদের সঙ্গে জ্যোতিষীদের কম্পেয়ার করা। আমাদের জৈবনে জ্যোতিষীদের প্রতি কেউ সন্দেহ প্রকাশ করলে তাদের গোলদার দেখানো হত। মানে হাওয়া আপিস। আবহাওয়া দপ্তর তো রোজ কতই না "ফোরকাস্ট' করে, তার কটা মেলে? আজ বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ পশ্চিম থেকে ঘন্টায় এত মাইল বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে, হালকা থেকে ভারী ধরণের বিষ্টিপাত হতে পারে ... কটা মেলে? কেউ কি বলে হাওয়া আপিস বুজরুকদের আড্ডা? তাদের কথা মানতে পারো আর জ্যোতিষীদের মানতে পারো না? অ্যাঁ?

    তখনও ডাক্তারদের এমন হ্যাটা হতে হত না।

    আরেকটা জিনিস অবশ্য খুব পুরনো। ঐ, সূর্যের আলোয় কত অদৃশ্য কণা থাকে, ভিটামিন ডি থাকে। সেসব আমাদের শরীলে ঢুকে কত আধিব্যাধি সারিয়ে দিতে পারে, আর দূরদূরান্তের গ্রহতারারবিশশী থেকে চুঁইয়ে আসা কসমিক রে আমাদের ভাইগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করে, এ কথা মানতে পারো না? রে অবিশ্বাসী? তোমার চারপাশে অদৃশ্য ইথার তরঙ্গে কত স্থানীয় সংবাদ অনুরোধের আসর উনোজমির দুনোফসল রেডিও মির্চি ঘুরে বেড়াচ্ছে, সঠিক রেডিও রিসিভারটি না থাকলে তুমি কি সেসব শুনতে পেতে? গোমেদ পলা ইত্যাদি হচ্ছে সেই সব রিসিভার, যারা সেই অদৃশ্য কসমিক রশ্মিসমূহকে কনভার্জ করে তোমার শরীরে প্রবেশ করিয়ে তোমার ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ক্ষেত্রবিশেষে তোমার অর্শের রোগকেও :)

    এসব শুনে শুনে হেজে গেছি। এখন হাসি পায়। তক্কো করতে ইচ্ছে করে না। থাক না, যার যা বিশ্বেস, তাই নিয়ে সে বেঁচে থাক।

    চার্চ থেকে একটা বই দেওয়া হত আমাদের, পথনির্দেশ। সেইখানে ঈশ্বর যে আছেন, তা বোঝানোর জন্য এই রকমের যুক্তির অবতারণা করা হত। একটা মনে আছে।

    জনৈক অবিশ্বাসী জনৈক বিশ্বাসীকে বলে বসেছে, ঈশ্বর বলে কিসুই নেই। কারণ তাকে তো দেখাই যায় না।
    উত্তরে বিশ্বাসী: তা হলে তোমার বুদ্ধিও নেই, কারণ বুদ্ধিও তো দেখা যায় না!
  • vc | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:৫১511787
  • ১ম লিংক: যে দেশের কোর্টের রুলিং-এ একটা মাইথোলোজিক্যাল চরিত্রকে পার্টি করা হয়, সেই দেশে এই রুলিং আশ্চর্য নয়। তবে এরকম ফালতু PIL করারও কোনো মানে হয় না।

    ২য় লিংক: Non-Traditional Religions and Occult and Folklore বলে বকুনি খেয়ে গেলাম ওয়েবসেন্সের কাছে:-(
  • S | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৬:৫৯511798
  • যা ব্বাবা কতগুলো S
    আমি ছাই বুঝি না ভারতের মতো দেশে most of the drugs যখন over the counter পাওয়া যায়, তখন লোক যায় কেন ডাক্তারের কাছে, দিব্যি নেট দেখে তো সব পাওয়া যায়। এমনিতে তো ডাক্তার গুলো একযুগ ধরে পড়াশুনো করে তুক তাক করে ইফ দেন ধরে ওষুধ দেয়, তার আবার অত কথা কি শুনি। হ্যঁ যদি surgery লাগে তহলে বিট চাপ। কিছুই করার নেয় নরপশু গুলোর কছে গলা দিতে হবে। অবশ্য তার আগেও কিছু এদিক ওদিক করে দেখা যেতে পারে, incompetent বদগুলোর কাছে যাওয়ার আগে।
  • vc | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৮:৪১511809
  • :-)

    পুরোটাই ওই ভুত দেখা/দেখানোর গল্পের মতন চলছে। চলুক।
  • dukhe | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৮:৪৫511820
  • আরে সামান্য ট্রান্সলেশন - যা ক্লাস সেভেনের ছেলেও পারে - যোগ বিয়োগ কিস্যু নেই - শুধু কিছু শব্দের পারমুটেশন-কম্বিনেশন - তাই করতেই কম্পুটার দৈত্য যাকে বলে কাপড়েচোপড়ে। এর ওপর যোগ বিয়োগ লাগিয়ে জ্যোতিষচর্চা - কী আর বলি - হলেই ভালো।
  • rimi | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৮:৫৯511832
  • SCর পোস্টে বিরাট ক, বিশেষ করে শেষ প্যারায়। আমাদের দেশে তো ছোটো থেকেই শেখানো হয় "বড়দের মুখে মুখে তর্ক করো না। যা বলছি বিনা প্রশ্নে মেনে নাও"। এই শিক্ষার ফলাফল এরকমই দাঁড়াবে বলা বাহুল্য।

    শুধু একটা ব্যপারেই লোকে হুলিয়ে তর্ক করে, সেটা হল রাজনীতি। :-))
  • rimi | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৯:০৫511843
  • অ দুখেদা এইডা কি কইলা? কম্পুটারের সেই দিন আর নেইকো, এখন কম্পু দৈত্য বলে বলে ট্রান্সলেশন করতে পারে।
    তবে এটা সত্যি যে কম্পুটারের আসল ক্ষমতা অংকেই, ঐজন্যি নাম কম্পুটার তো। তাই ট্রান্সলেশন পারুক বা না পারুক, কম্পু দৈত্য অংক ঠিকই কষে দেবে, সে অংক জ্যোতিষেরই হোক বা বিজ্ঞানের। তুমি যে তুলনা দিলে সেইডা হল আপেল আর কমলালেবুর। :-))
  • dukhe | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৯:১৩511854
  • ফুস। 'রিমি ভারি লক্ষ্মী মেয়ে'-র ইঞ্জিরি - Heavy rimi daughter Lakshmi
    এ আপেল সুবিধের না।
  • dukhe | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৯:৩১511865
  • মনমুখ এক করে বলেই ফেলি। দ্যাহেন, কিছু কিছু শব্দে আমরা জ্যোতি দেখতে পাই। যে যুগের যা। যেমন আজকাল গণতন্ত্র। যেমন বিজ্ঞানসম্মত। যুক্তিবাদ। উত্তরআধুনিক। বাকস্বাধীনতা। ইত্যাদি। কিন্তু এই জ্যোতির ছটায় চোখ ধাঁধিয়ে গেলে হয় কী - তার বাইরে আর কিছু দেখা যায় না।
    বিজ্ঞান তৈরি হয় অভিজ্ঞতা থেকে। তঙ্কÄ আসে যাতে সেই অভিজ্ঞতার ব্যাখ্যা করা যায়। রিমির প্রিয় আপেলের কথাই ধরি। মাধ্যাকর্ষণ নিয়ে বেচারা মাথা ঘামায়নি, আপনমনে মটিতে পড়ে এসেছে। এখন মাধ্যাকর্ষণ আবিষ্কারের আগে কেউ যদি এসে বলত - জানিস, আপেল ব্যাটাকে দেখলাম মাটিতে পড়তে আর আমি বিজ্ঞানমনস্কতা ফলিয়ে তাকে বলতাম - ঢপ মারার আর জায়গা পাসনি বাপ ? আপেল কেন পড়বে বল দিকি ? একটা কারণ দেখা তো চাঁদ। - সেটা কি ভালো হত ?
    সেই গালিলিও-র গল্প। পোপ বলছেন - এই পৃথিবীর কেন্দ্রে আমি। আমাকে কেন্দ্র করেই গ্রহতারকা চন্দ্রতপন। আমরা এক একটি মিনি পোপ। ভাব এই যে আমি হলাম গিয়ে ব্রহ্মাণ্ডের কেন্দ্রে। আমার জ্ঞান বিচার বুদ্ধির বাইরে কিছু থাকতে পারেটা কীভাবে ? কিন্তু এতে হয় কী - বেয়াড়া অভিজ্ঞতা দেখলেই কাঁচি চালাতে হয়। গাঁজাখুরির লেবেল মারতে হয়। যদিও তাতে ঘটনা আটকায় না। আপেল মটিতে পড়েই চলে।
  • kanti | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ১৯:৩২511876
  • দুখের কম্পু প্রেসক্রিপশন প্রসংগে বলি। বেশ কিছুদিন আগে একটা রাশিয়ান পপুলার সায়েন্সের বইয়ে পড়েছিলাম,এক বার একজন রোগীর সব ধরনের পরীক্ষার রিপোর্ট একই সংগে কয়েক জন বিশেষজ্ঞের কাছে এবং কম্পুটারের কাছে পেশ করা হয়।দেখা যায় যে বিশেষজ্ঞরা সকলেই নানা ধরনের ভিন্ন
    মতামত দিয়েছেন। কিন্তু কম্পুটার কয়েকটি সম্ভাব্যতার উল্লেখ করেছে যা দেখে বিশেষজ্ঞরা সকলেই স্বীকার করেছেন যে
    কম্পুটারের বিবেচনা করা কোননা কোন দিক তারা প্রত্যেকেই বিবেচনায় আনতে ভুল করেছেন।
    তাই মনে হয় নেটে সার্চালে এবিষয়ে আরো তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
  • ranjan roy | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ২০:৩৬511887
  • আমাদের সময় কোলকাতায় স্কুল লেভেলে ""পাঠ সংকলন'' বলে একটি বাংলা টেক্‌স্‌ট ছিল। তাতে রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী মশায়ের ফলি জ্যোতিষ নিয়ে একটি প্রবন্ধ ছিল। সম্ভবত: রবীন্দ্রনাথও ওনার বাংলায় বিজ্ঞানচেতনা প্রসারের চেষ্টার প্রশংসা করেছিলেন।
    ওই প্রবন্ধটিতে ত্রিবেদী বলেছিলেন ( এই অ্যানেকডোটাল এভিডেন্সের বিরুদ্ধে)-- যাঁরা মনে করেন যে ফলিত জ্যোতিষে কিছু সার বস্তু আছে, তাঁরা একটা কাজ করুন। একশটি শিশুর জন্মের সময় ঘড়ি দেখে লগ্ন-রাশি-গ্রহস্থান ইত্যাদি দেখে গণনা করে ভবিষ্যবাণী করুন। খালি বিদ্যাসাগর-বংকিমচন্দ্রের গণনা করলে হবে না; অপরিচিতদের গণনা করতে হবে( অর্থাৎ র‌্যানডম স্যাম্পল হতে হবে)।
    এর পর যদি দেখা যায় যে অন্তত: আশিভাগ মিলেছে, তাহলে
    বুঝতে হবে ফলিত জ্যোতিষে কিছু আছে, আর যদি মাত্র কুড়ি ভাগ ফোরকাস্ট মেলে তাহলে বুঝতে হবে এতে কিছু সারবত্তা নেই, এটুকু কাকতালীয় (কো-ইন্সিডেন্স) মাত্র।
    ( কার্যকারণ খোঁজার ল্যাব মেথড বা ইনডাক্টিভ লজিক প্রয়োগের এর চেয়ে ভাল উদাহরণ আর কি হতে পারে!)
    উনি এও বলেছেন যে "" যদি চাঁদের টানে জোয়ার-ভাঁটা হয় তবে রামকান্তের জজিয়তি কেন হইবে না এ জাতীয় তর্কও চলিবে না।''
    বাঙালীর বিজ্ঞানমনস্কতার অন্যতম পথিকৃৎ রামেন্দ্রসুদরের থেকে আমরা গড়পড়তা বাঙালীরা আজও খুব বেশি এগুইনি। তাই সত্য সাঁইয়ের দরবারে ভীড় বারে। গাভাসকর-শচীন কে নয়! শচীন আবার সাঁইয়ের ক্রিকেটবোধে চমৎকৃত।
    আজ উনি নেই; সেই ম্যাজিক দেখানোর অনুগামী কেউ নেই। আজ প্রশান্তনিলয়ম্‌ এ লোক মাছি তাড়াচ্ছে।
    @ PT,
    আচ্ছা, শিবকালী ভটাচার্য্যের '' চিরঞ্জীবী বনৌষধি'' গোছের সম্ভবত: দু'ভল্যুমের বই কিনে সেইযুগে পড়েছিলাম। আর আবাপ'র সুবাদে জানতাম ড: অসীমা চ্যাটার্জি নাকি তখন, ওই আপনি যেমন বলেছেন, শিবকালী কথিত গুল্মরাজির বাস্তবিক গুণাগুণ ল্যাবে পরীক্ষা করে দেখছেন।
    শিবকালী মশায়ের লেখাতে গাছগাছড়ার ল্যাটিন নাম দেয়া থাকত। তুলসী-অশ্বগন্ধা ইত্যাদির। আর তাতে আয়ুর্বেদ মতে গুণাগুণ আর আধুনিক ফার্মেসির হিসেবে গুণাগুণ বলা থাকত। ব্যাস্‌, আমার মত অদীক্ষিতেরা ফ্ল্যাট।
    আবার মাও বলেছেন ট্র্যাডিশনাল উইজডমকে অবহেলা না করতে। আর পায় কে! আমরা তো বিপ্লব আনছিলাম, তাই শিবকালী মশায়কে রাশিয়ায় বিপ্লবের দিনে নিজের ফিল্ডে রিসার্চ চালিয়ে যাওয়া পাভলভের সমগোত্রীয় ভাবতে লাগলাম।:))
    আপনি কিছু আলোকপাত করুন।
    রিমি এবং এস সি'র সঙ্গে গলা মিলিয়ে বলছি অ্যানেকডোটাল এভিডেন্স স্ট্যান্ডার্ড স্যাম্পল সাইজ ও ল্যাবের মত প্রায় আইডেন্টিক্যাল কন্ডিশনে রিপিটেড এক্সপেরিমেন্ট করার স্কোপ না থাকায় সায়েন্টিফিক
    এভিডেন্সের পর্যায়বাচী নয়।
  • rimi | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ২০:৫৫511898
  • দুখেদা তো আবার সেই e=mc^2 এর যুক্তিটাই দিলে? নিউটন মাধ্যাকর্ষণ আছে গোটা পৃথিবীর সামনে অংক কষে প্রমাণ করেছেন। তারপরে এত বছর ধরে বিজ্ঞানীরা নিউটনের প্রমাণ, তত্ব ইত্যাদি ঘাঁটাঘাঁটি করেছেন, এখনও সমানে এর উপর কাজ হচ্ছে। আর সেই কাজ লুকিয়ে না রেখে সারা পৃথিবীর সামনে তুলে ধরা হচ্ছে সমানেই। নইলে, নিউটন যদি বলতেন, "মাধ্যাকর্ষণ আছে আমি জানি, দিব্য দৃষ্টিতে দেখতে পেলাম" কিম্বা "মাধ্যাকর্ষণ আছে, প্রমাণ করে দেখাতেই পারি, কিন্তু সেসব ভয়ানক কঠিন অংক বাপু তোমরা কেউ বুঝবা না" তাহলে কে পাত্তা দিত নিউটনবাবাজিকে?
  • sda | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ২১:০০511909
  • দুখেদা, Repeatability জিনিসটা যে কোন সাইন্টিফিক টেস্টের অত্যাবশ্যকীয় শর্ত। আপেল সব সময়, সব জায়গায় উপর থেকে নিচেই পড়বে, কত স্পিডে পড়বে বা কত সময় লাগবে সেটা পার্টিকুলার কয়েকটা প্যারামিটার থেকে যে কেউ নির্ভুলভাবে বের করতে পারে। জ্যোতিষ সংক্রান্ত হিসেবনিকেশে Repeatability বস্তুটা আদৌ কি আছে ? যে জ্যোতিষী দু-একটা প্রেডিকশন মিলিয়ে দিচ্ছেন, তাঁর কতগুলো প্রেডিকশন মেলেনি সেই হিসাব সাধারণত: লোকে মনে রাখে না। প্রচুর মানুষ আজ অব্দি দাবী করেছেন যে তাঁরা অলৌকিক ঘটনা ঘটাতে সক্ষম,"প্রত্যক্ষদর্শী" র ও অভাব ঘটেনি, কিন্তু ক্যামেরার সামনে তার প্রমাণ কেউ দিতে পারেননি।
  • rimi | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ২১:০৬511920
  • ওহো দুখেদার পোস্ট পড়ি নাই ভালো করে।
    তুমি কি বলতে চাইছ, ভবিষ্যদ্দৃষ্টির পিছনে বিজ্ঞান বা কারণ অবশ্যই আছে, কিন্তু এখনো আবিষ্কার হয় নাই? মানে, জ্যোতিষের এখন প্রি-আবিষ্কার যুগ চলছে? তাহলে বলছ ভবিষ্যতে কোনো এক সময় কেউ একজন এর পিছনের বিজ্ঞান বা অংক বা কারণ বের করে ফেলবেন?
    তা এটা মন্দ কথা না। চারদিকে ক্রমশ জ্যোতিষের যা বাড়বাড়ন্ত দেখছি, তাতে আশা জাগে অচিরেই এই দায়িত্ব কেউ নেবেন।
  • dukhe | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ২১:১১511931
  • পোলাপানেরা বোঝে না। আমি বলেছি মাধ্যাকর্ষণ আবিষ্কার না হলেও আপেল মাটিতে পড়ে আসছিল। আবিষ্কারের পর সেই পড়াটা 'বিজ্ঞানসম্মত' হয়ে উঠল। তার মানে এই নয় যে তার আগে আপেল পড়ত না। উটি ততদিন বিজ্ঞাসম্মত না হলেও সত্য ছিল।
    অনেকের অভিজ্ঞতাকে বিজ্ঞানসম্মত নয় বলে অস্বীকার করা মানে থিওরিসম্মত নয় বলে সত্যকে উড়িয়ে দেওয়া। এই মনোভাব বিজ্ঞানমনস্কতা হতে পারে, কিন্তু সত্যসন্ধ নয়।
  • ranjan roy | ০৮ ডিসেম্বর ২০১১ ২১:২৫511943
  • S,
    এটা কি বল্লেন? ডাক্তার নামক প্রজাতিটি নরপশু? আজকে মেডিক্যাল সায়েন্স যেখানে পৌঁছেচে ( আমি খালি টিবির চিকিৎসা, টাইফয়েড, কলেরা আর বসন্তের মত একসময়ের মহামারীর চিকিৎসার উদাহরণ দেয়াই যথেষ্ট মনে করছি, আর শিশুর ও প্রসূতির চিকিৎসা) তাকে ওই অ্যানেকডোটাল কায়দায় নস্যাৎ করবেন?
    খেয়াল করে দেখেছেন যে আমাদের দাদু-বাবা-কাকার সময় কতজন প্রসূতি প্রসবের সময় মারা যেত? কত শিশু জন্মাতো না? কত শিশু জন্মানোর পর আঁতুড়ঘরে মারা যেত?কত শিশুর শৈশব পেরোত না? আর এই অব্যবস্থা এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচারের স্বল্পতা সঙ্কেÄও এর জন্যেই মানুষের গড় আয়ু কত বেড়েছে?
    আর কতগুলো রোগের সিমিলার সিম্পটম হয়? কম্প্যূ যোগে ডায়গ্নোসিস করা যায়? না গেলে কোন অষুধ, কত ডোজ কি করে ঠিক করবেন?
    আর ডাক্তাররা জ্যোতিষ বা ভগবান নয় বলেই, কন্ডিশনাল কথা বলে, (ঈফ-বাট ইত্যাদি), কন্ডিশন দেখেই চিকিৎসা করে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিরাময় হয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন