এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • প্রসঙ্গ জে এন ইউ

    রৌহিন লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্যান্য | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ | ৮০০৩৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রৌহিন | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৯:৫৯690981
  • জে এন ইউ তে আফজল গুরুর ফাঁসি এবং ইশরাত জাহানের এনকাউন্টার নিয়ে সভা করার অপরাধে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমারকে গ্রেপ্তার করেছে। স্বভাবতঃই মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন উঠেছে। রাজনাথ সিং এবং স্মৃতি ইরানী নামক দুই রত্ন যথারীতি বিবৃতি দিয়েছেন। অনুপম খের এখনো দেননি – তবে দেবার জন্য পেট গুরগুর করছে বলেই অনুমান। তবে ঘটনা হল এই গ্রেফতারি খুব অপ্রত্যাশিত কিছু তো নয়। বরং এই সরকার অন্যরকম কিছু করলেই সেটা অবাক হবার মত বিষয় হত। সমস্যা সেখানে নয়। ছাত্রনেতারা জানেন তাদের গ্রেফতার করা হতেই পারে – অত্যাচার, মারধোর করাটাও খুব অসম্ভব কিছু নয়। আশঙ্কাই বলুন, হতাশাই বলুন, সেটা অন্যত্র – বিশাল এক শ্রেণীর মানুষের মধ্যে এই ঘটনার সমর্থনের মনোভাব। কেন? কারণ এই ছাত্রেরা যা করেছে তা নাকি “দেশবিরোধী” – অতএব তাদের বিরুদ্ধে এই ধরণের অসাংবিধানিক ব্যবস্থা নেবার “অধিকার” নাকি সরকারের এবং রাষ্ট্রের আছে। এইভাবে গ্রেফতার, সেই কুখ্যাত জরুরী অবস্থার পরে যা আর কখনো হয়নি, তাকেও এভাবে মান্যতা দেওয়ার মধ্যে যে গভীর ফ্যাসিবাদী মনোভাব, নিঃসন্দেহে ভারতীয় আম জনতার একটা বড় অংশের মধ্যে সেই মনোভাব ধীরে ধীরে চারিয়ে গেছে। বস্তুতঃ আর এস এস, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, হিন্দু মহাসভা জাতীয় সংগঠনগুলির মূল উদ্দেশ্য এটাই – একটা যুক্তিহীন আবেগকে মানুষের মনের মধ্যে চারিয়ে দেওয়া, যা প্রজন্মান্তরেও তাদেরকে স্বাধীন চিন্তাভাবনার দ্বারা চালিত হবার পরিবর্তে এই অযৌক্তিকতার, অন্ধ বিশ্বাসের মুখাপেক্ষী করে রাখবে।
  • avi | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:৫৯691092
  • সোস্যাল মিডিয়ার বাড়বাড়ন্ত একটা কারণ হতে পারে। আমার বক্তব্য আমি অনায়াসে অনেকের কাছে পৌঁছে দিতে পারছি, এই আনন্দ প্রচুর বক্তব্য রাখতে অনুপ্রাণিত করে। এবার যখন বক্তব্যের বিষয়বস্তু খুঁজতে আমাকে পরিশ্রম করতে হবে, আমি চাইব তুলনায় কম শ্রমে কাজ উদ্ধার করতে। প্লাস অনেকে যাতে চমকে যায় সেটাও মাথায় রাখতে হবে, লাইকের সং্খ্যাও একটা ভাবার বিষয়।
    দেশপ্রেম একটা এমন বিষয় যাতে ঝাড় খাওয়ার সম্ভাবনা কম। সবাই ছোটবেলা থেকেই প্রাইমড। আর দেশপ্রেম সবসময় দেখাতে হয় দেশের শত্রুদের সাথে যুদ্ধ করে। এজন্য সবদেশে সবসময় দেশপ্রেমীরা সেনা দেখলেই বেশ নালেঝোলে হয়ে পড়ে। আর দেশের ভেতর কারা দেশদ্রোহী খুঁজতে থাকে। অন্তত তাদের চিহ্নিত করতে পারলেও বেশ সেনার সাথে একাত্ম হওয়া যায়, আম্মো দেশের জন্য কিছু করলাম ভেবে বেশ একটা তৃপ্তির উদগার ওঠে। দেশের ভালো করার বাকি পথগুলো বেশ চাপের, এটা সহজ, প্লাস তালিয়াঁ গ্যারান্টিড।
    তার ওপর ফেসবুকে তৈরি মেমে ইত্যাদি সব এসে ভাবনা চিন্তার পরিশ্রম-ও কমিয়ে দিয়েছে। দ্যাখো, উত্তেজিত হও, শেয়ার করো। কিছুদিন পরেই মনে হবে, এসব তো আমারই যুক্তি, আমিই বলতে চেয়েছিলাম। গুচ্ছ খানেক অনলাইন নিউজ চ্যানেল এসে গুজব ছড়ানো ইত্যাকার কাজকে আরো সহজ করে দিয়েছে।
    সেদিন আমাদের এক সহকর্মী এক পরিচিত পোস্ট দিল, সবাই জানেন নিশ্চয়, যাতে দাবি দাদরি হায়দ্রাবাদ নিয়ে মিছিল ও কথা আছে, মালদা নিয়ে কই? বলা অনেক কিছুই যেত, আমি জাস্ট জিজ্ঞেস করলাম ইয়ে মানে মালদায় কী হয়েছিল। একদম সাথে সাথে এল, মিডিয়া জানতে দেয় না, প্রেস্টিচ্যুট, ইত্যাদি। নিরীহ ভাবে বলি, সেসব তো বুঝলাম, কিন্তু এগজ্যাক্টলি কী হয়েছিল ওখানে? আর জবাব এল না। নীরবতা হিরণ্ময়।
    শিক্ষিত দেশপ্রেমী অনেক বেশি বিপজ্জনক। এঁদের একটা প্যাটার্ন পেয়েছি। এনারা জানেন বা পড়াশোনা করেন শুধুমাত্র নিজের ফিল্ডে, তাতে যথেষ্ট সফল-ও। কিন্তু, হয়তো সেই জন্যেই, বাকি সব বিষয়ে মতামত তৈরির আগ্রহ খুব বেশি। আর সেই নির্মাণের সহজ, শিশুপাচ্য হাইওয়ে তো রয়েইছে হাতের কাছে।
    আরেকটা কথা, আগেও হয়তো ছিল, বেশিমাত্রাতেই ছিল। এতটা প্রকাশ পেত না সম্ভবত মাধ্যম ছিল না বলে।
  • উফ | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:০৪691203
  • একদম অক্ষরে অক্ষরে একমত।

    শিক্ষিত দেশপ্রেমিক অনেক অনেক বেশি বিপজ্জনক। ক।
  • pi | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:৫৫691314
  • প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্রের বিবরণটা থাক। কেউ অনুবাদ করলে ভাল হত।

    http://www.indiaresists.com/what-acually-happend-in-jnu/
  • Abhyu | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:০৩691425
  • শিক্ষিত দেশপ্রেমী অনেক বেশি বিপজ্জনক। এঁদের একটা প্যাটার্ন পেয়েছি। এনারা জানেন বা পড়াশোনা করেন শুধুমাত্র নিজের ফিল্ডে, তাতে যথেষ্ট সফল-ও। কিন্তু, হয়তো সেই জন্যেই, বাকি সব বিষয়ে মতামত তৈরির আগ্রহ খুব বেশি।

    - ক্ক ক্ক ক
  • আজ | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:১৪691481
  • বিকেল চারটেয় জন্তর মন্তরে সমাবেশ। পাঁচটায় জেএনইউ ক্যাম্পাসের গঙ্গা ধাবার সামনে মানব বন্ধন। পারলে যে কোনও একটায় চলে আসবেন। দুটো আলাদা ইভেন্ট।
  • pi | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৪০691492
  • অবিনের এই পোস্টটা পড়ে কিন্তু একটা প্রশ্ন জাগছে। গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্র ভারতবিরোধী স্লোগান দেয়নি, সে নাহয় বুঝলাম, এবিভিপির লোকজনই সেই স্লোগান তুলেছিল, সেও নাহয় হল, কিন্তু এই যে লিখছে, দেশবিরোধী স্লোগান দিলে শাস্তি দেওয়া হোক, এটা ই বাম অভিমত ?
    ----
    অবিন দত্তগুপ্ত
    জে এন ইউ প্রসঙ্গে -

    বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র, আফজাল গুরুর ফাঁসির বিরোধীতা করে একটি কর্মসুচী নেয়। প্রথমেই বলে রাখা উচিত এরা কেউ এস এফ আই, এ আই এস এফ (সি পি আই এর ছাত্র সংগঠন ) বা আইসা-র( লিবারেশনের ছাত্রসংগঠন) সদস্য নয়। এ বি ভি পি ( আর এস এস-এর ছাত্র সংগঠন ) এই কর্মসুচী নিতে তাদের বাধা দেয়। এখন, এই ক্যাম্পাসে এর আগে এ বি ভি পি গুজরাটের দাঙ্গার সমর্থনে করমসুচী নিয়েছে, বাকিরা তার বিরুদ্ধে কর্মসূচী নিয়েছে। কিন্তু কোন সংগঠন কে কর্মসুচী নিতে দেওয়া হবে না, এই অগনতান্ত্রিক পরিবেশ জে এন ইউ তে কোনদিন ছিল না। তাই এ বি ভি পি যখন এদেরকে তাদের কর্মসুচী নিতে বাধা দেয়, তখন অন্য সংগঠনরা এ বি ভি পি-র ফতোয়ার বিরোধিতা করে। জে এন ইউ-র নির্বাচিত ছাত্র সংসদের প্রেসিডেন্ট ' কানহাইয়া ' ( এ আই এস এফ -এর সদস্য), মধ্যস্থতা করেন, যাতে প্রত্যেকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার কায়েম রাখতে পারেন। এই ১৪ জন তাদের কর্মসূচী এবং এ বি ভি পি এই কর্মসুচীর বিরোধিতা দুটোই।
    এবার এই ১৪ জন ভারতবিরোধী স্লোগান দেন। সেই দিন-ই এস এফ আই এ আই এস এফ এবং আইসা এই স্লোগান গুলোর বিরোধিতা করে, নিন্দা করে। এই ছিল ঘটনাপ্রবাহ। এর পর কি হল লেখার আগে, কেন হল সেটা লিখতে হবে।

    গত দেড় বছরে, সারা ভারতবর্ষে হিন্দুত্ববাদি-ব্রাহ্মণ্যবাদী-ফ্যাসিস্ট আর এস এস-বি জে পি তাদের মুল এজেন্ডাকে দেশের মানুষের সামনে এনে ফেলেছে। আচ্ছে দিনের বদলে খাবার দাবার থেকে জীবনদায়ি ওষুধ অবধি সবকিছুর দাম বেড়েছে। আচ্ছে দিন এসেছে শুধুমাত্র বড়লোকদের। আর একই সাথে সামনে এসেছে এদের মূল এজেন্ডা। বর্ণহিন্দুদের সামাজিক- অর্থনইতিক - সাংস্কৃতিক - রাজনৈতিক একাধিপত্য প্রতিষ্ঠা। অতএব, প্রেমিক প্রেমিকাকে ধরে মার দিয়ে শুরু করে, খাপ পঞ্চায়েত, ওনার কিলিং, খাদ্যাভ্যাসের জন্য মানুষ খুন, দলিত হবার অপরাধে পিটিয়ে খুন - নগ্ন করে রাস্তা দিয়ে হাঁটানো, সংখ্যালঘুদের সাথে দানবদের সমতুল্য করে তোলা, গরুর শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে থিসিস্‌, ইতিহাস বিকৃতি, শিক্ষার গৈরিকিকরণ সবই হয়েছে একের পর এক। এবং প্রতিক্ষেত্রে এদের চিন্তার জগতে চ্যালেঞ্জ করেছে বামপন্থীরা। সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি সব দিক থেকে এই মনুবাদীদের চ্যালেঞ্জ করেছেন এবং হারিয়ে দিয়েছেন বামপন্থীরা। ভারতবর্ষের সংখ্যালঘু এবং নিম্নবর্ণের মানুষের জন্য বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে বলেই, একের পর এক জয় এসেছে। এ বি ভি পি পরাজিত হয়েছে, জে এন ইউ, হায়দ্রাবাদ ইউনিভারসিটি, ওসমানিয়া ইউনিভার্সিটি, পন্ডিচেরি ইউনিভার্সিটি, হিমাচলপ্রদেশ ইউনিভার্সিটি, রাজস্থান ইউনিভার্সিটি, কেরালার সমস্ত ইউনিভার্সিটিতে। এমনকি খোদ এলাহাবাদ ইউনিভার্সিটিতেও এদের চ্যালেঞ্জের মুখে দাড় করিয়ে দিয়েছে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন গুলি। শেষ ঘটেছে রহিত ভেমুলার ঘটনা। দলিত একটি ছাত্রকে, একজন বি জে পি এম পির অঙ্গুলি হেলনে ইউনিভার্সিটি থেকে বের করে দেওয়া হ্য়। প্রতিবাদ স্বরুপ সে আত্মহত্যা করে। এই নিয়ে সারা দেশ তোলপার করে দেয় বামপন্থী সংগঠন গুলি। অতএব এদের শেষ করে দেওয়া জরুরি হয়ে পরেছিল। শেষ করার একটা প্রিটেক্সট লাগে। যেকোন স্বৈরতান্ত্রিক শক্তির-ই একটা প্রিটেক্সট লাগে। হিটলারের লেগেছিল রাইখস্ট্যাগ, গুজরাটে মোদীর তৈরি করতে হয়েছিল গোধরা, ভারতে ক্ষমতায় আসতে লেগেছিল মুজাফফার নগর, মমতার লেগেছিল যাদবপুরের ঘেরাও। তেমন-ই একটা প্রিটেক্সট তৈরি করে দেয় জে এন ইউ-এর ঘটনা।

    জে এন ইউ বাম্পন্থী আন্দোলনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। অতএব কেস সাজানো হয়। ভারতবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে মাত্র চোদ্দজন ( কেউ কোন বাম সংগঠনের নয় ), হঠাত করে স্লোগান ওঠে পাকিস্তান জিন্দাবাদ। এই স্লোগানটি তুলেছিল এ বি ভি পি-র লোকজন ( ভিডিও আছে, আমার টাইম লাইন দেখুন )। এবার এই পুরো ঘটনার টেপ করা হয়, পুলিশের কাছে দেওয়া হয়, এবং সমস্ত বামসংগঠনের নেতা নেত্রীদের নাম তাতে জড়ানো হয়। যারা ঘটনার বিরোধিতা করেছিলেন তাদের নাম জড়ানো হয়। যে কমঃকানহাইয়া কুমার স্লোগানের সময় ইউনিভারসিটিতেই ছিলেন না, তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হোস্টেলে ঢুকে। কোন তদন্ত ছাড়া নিরপরাধ ছাত্রদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, কারণ তারা বামপন্থী। আর এস এস-এর ধারনা ছিল মিথ্যার উপর ভর করে, যেমনভাবে গুজরাট মুজাফফার নগর হয়েছে, যেমন ভাবে মিথ্যার বেশাতি ছড়িয়ে ক্ষমতায় এসেছিল মমতা, যেমন ভাবে জার্মানিতে কমিউনিস্ট খুন করেছিল হিটলার, সেভাবেই হয়তো ভারতের বাম্পন্থীদের-ও শেষ করে দেওয়া যাবে। যায় নি। যায় নি, কারণ ভারতবর্ষের গণতন্ত্রের শিকড় অনেক অনেক গভীর। ইতিহাস বিকৃত করেন বলেই হয়তো, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে পারেন না।

    কমঃ কানহাইয়ার মুক্তি চাই। ভারতবিরোধী স্লোগান যারা দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করুন, শাস্তি দিন। নিরপরাধ মানুষকে গ্রেপ্তার করা চলবে না।
  • cb | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৩:২০691503
  • প্রত্যক্ষদর্শীর পোস্টটা দুপুরে অনুবাদ করে দেব
  • রৌহিন | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২০:৫৮691514
  • রাষ্ট্রের বিলোপসাধন বামপন্থী ম্যানিফেস্টোর অন্যতম অংশ - ঐতিহাসিক ভাবে। বস্তুত আমাদের এই সাধের গণতন্ত্রও তো আসলে সেই রাষ্ট্রের বিলোপেরই প্রথম ধাপ - যেখানে শাসন ক্ষমতার ধাপে ধাপে উত্তরণের ধারণাটাকে বিলোপ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় ক্লাসিকাল রাষত্রের মত কোন সর্বোচ্চ ক্ষমতাধারী নেই যার অঙ্গুলিহেলনে আইন তৈরি হবে বা পাল্টাবে। এর পরবর্তী ধাপ, মন্ত্রীহীন শাসন ব্যবস্থা এবং সব শেষে শাসন ব্যবস্থার অবসান। রাষ্ট্রের বিলোপ সাধন। কিন্তু সেই ব্যবস্থা এখনো ইউটোপিক, কারণ তার জন্য আমরা প্রস্তুত নই। য়ামাদের একটা বড় অংশ এই সিস্টেমের সুবিধাভোগী - এবং যারা কোন অর্থেই সুবিধাভোগী নন, তাদের ভয়েস এখনো আমাদের পরিসরে অনুপস্থিত। এই সুবিধাগুলো ছাড়া বেঁচে থাকার উপায় আমাদের জানা নেই - মানসিক প্রস্তুতিও নেই। আমাদের, অর্থাৎ যারা শাসন ব্যবস্থা থাকবে কি না, তা স্থির করার "অধিকারী" হয়ে রয়েছি। সর্বহারার সমাজব্যবস্থা এসেনশিয়ালি শাসক বিহীন হতে হবে - কিন্তু এখনো অবধি আমাদের তত্ত্ব কপচানো ছাড়া অন্য কিছু হাতে নেই। কিন্তু ছাত্রসমাজ তো স্বন দেখবেই। জে এন ইউ এর মত ক্যাম্পাসে মাঝে মধ্যে রাষ্ট্রের বিলোপের স্লোগান, সেই সূত্রে রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান না উঠলেই সেটা অস্বাভাবিক হত।
  • cb | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০০:২৪690982
  • এটি হর্ষিত আগরওয়ালের (ছাত্র, জে এন ইউ ) লেখা। খুব সম্ভবত এটি কোরা বলে একটি পপুলার প্রশ্নোত্তর সাইটে বেরোয়। পাইদিদি অনুরোধ করেছিলেন কারুকে অনুবাদ করে দিতে এবং আমি একটি ETA দিয়েছিলাম কিন্তু নেট ও ল্যাপির যুগপৎ গোলমালের ফলে ডেডলাইন মিস হল। খানিকটা করলাম কোনরকমে। দেখে একবার বলুন এগোব কিন। (এই পোস্টটা না হলে পথে বসব, পোচুর টাইপ করেছি :) )

    http://www.indiaresists.com/what-acually-happend-in-jnu/

    ওঃ, লোকে উত্তরে উত্তরে কোরা একেবরে ছয়লাপ করে ফেলেছে। আর সবচেয়ে আশ্চর্য ব্যাপার হল যে এদের মধ্যে একজনও নেই যে জে এন ইউয়ের স্টুডেন্ট অথবা ঘটনার দিন নিজের চোখ দেখেছে কি হয়েছিল। অথচ তাদের "স্ট্রং ওপিনিয়ন" দেখে কে এ কথা বলবে? লোকে তো যা খুশি নয় তাই বলছে, টেররিস্ট, জিহাদি, নক্সাল, আর কি চান? কলেজ বন্ধ করে দেওয়া উচিত, এটাও দেখতে পেলাম।

    আমি নিজে জে এন ইউয়ের একজন বর্তমান ছাত্র এবং সেইদিনের কিছু ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ( এখানে ঘটনা বলতে আমি ৯ য়ই ফেব, ২০১৬ এর ইভেন্টসগুলির কথা বলছি)। তাই মনে হয় এ ব্যাপারে অন্যদের চেয়ে আমার কথা বলাটা একটু বেশি ই সাজে। অন্তত যাঁরা জি আর টাইমস নাউ দেখে উত্তেজিত হচ্ছেন তাদের তুলনায় তো বটেই।

    ডিএসইউ (ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেনটস ইউনিয়ন) নামে একটি ছাত্র সংগঠন ৯ তারিখ কালচারাল মিটিং করবে বলে জানায়। এটি বেসিকালি একটি প্রতিবাদ অনুষ্ঠান যার ইস্যুগুলি ছিল যথাক্রমে "জুডিশীয়াল কিলিং অফ আফজল গুরু অ্যান্ড মকবুল ভাট" এবং "স্ট্রাগল অফ কাশ্মীরি পিপল ফর দেয়ার ডেমোক্র্যাটিক রাইট টু সেল্ফ ডিটারমিনেশন"। ক্যাম্পাসের ভেতরে আর বাইরে, দু জায়্গা থেকেই প্রচুর সংখ্যক কাশ্মীরি ছত্রছাত্রীর যোগদান করার কথা ছিল।

    এখানে বলে রাখি, ডি এস ইউ হল ক্যাম্পাসের একটি আলট্রা লেফটিস্ট সংগঠন। এরা মাওবাদে বিশ্বাসী। খুবই ছোট গ্রুপ কিন্তু সব সদস্যই খুব ওয়েল-রেড (well read। কোনভাবেই এরা নক্সাল বা টেররিস্ট নয়। আমি বছর দুয়েক ক্যাম্পাসে আছি, জন্মে দেখিনি বা শুনিনি এরা কোন "টেরর অ্যাকটিভিটি" বা ঐ জাতীয় কিছু করেছে। আরে যারা পাথর পর্যন্ত ছুঁড়লো না তারা কিনা রাষ্ট্রব্যাবস্থা উৎখাত করবে!!!

    নাউ ফার্স্ট থিংস ফার্স্ট !!!
  • বেশ | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০০:২৭690993
  • আরেকটু এগোক।
  • pi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০০:৩৫691004
  • সিবি, চালিয়ে যান ! হয়ে গেলে একটু মেইল ক'রে দেবেন ?
  • রৌহিন | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০০:৪২691015
  • সিবি বেশ ভালো লাগছে। ধন্যবাদ।
  • cb | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০০:৪৩691026
  • কাল অফিসে শেষ করে দেব
  • pi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০০:৪৭691037
  • পুরো পাগলাচো* র দেশ হয়ে যাচ্ছে !

    'In the aftermath of protests at New Delhi’s Jawaharlal Nehru University against the arrest of student union president Kanhaiya Kumar on charges of criminal conspiracy and sedition on Friday, the police swung into action again on Saturday. A day after Kumar’s arrest, seven people were reportedly detained while trying to enter New Delhi's Indira Gandhi National Centre for Arts where an Urdu festival called Jashn-e-Rekhta was underway.

    Among seven picked up by the police were three members of the Sangwari Theater Group who claim that they were targetted because they “looked like” JNU students because of their long beards and jholas.

    The detainees also included a Delhi University student who was carrying a flag of the Students Federation of India, the student wing of the Communist Party of India. It later turned out that he and the others detained along with him just past noon had nothing to do with the protests against police action in JNU.

    The detainees were taken to the Parliament Police Station, where they were questioned and let off in batches. The members of the theater group were allowed to leave only by 5 pm. The police claimed that it made the detentions because they believed that the men were entering the venue with the intention of staging protests...

    http://scroll.in/article/803567/seven-people-detained-by-delhi-police-because-they-looked-like-jnu-students
  • pi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০১:২৬691048
  • STATEMENT BY INTELLECTUALS, EDUCATORS, ARTISTS, WRITERS AGAINST POLICE ACTION ON JNU CAMPUS, NEW DELHI ON 12th FEBRUARY 2016

    We, the undersigned, are shocked by the appalling conduct of Delhi Police at Jawaharlal Nehru University in New Delhi yesterday. We also condemn the irresponsible sloganeering by some people at the fringes of a gathering on the JNU campus to mark the third anniversary of the execution of Afzal Guru. We believe that such calls to ‘war, until the destruction of India’ erode the gravity of any serious discussion on any political question, be it capital punishment, human rights or even the question of self-determination. Such conduct is shameful, regardless of who does it, and deserving of the sharpest criticism.

    That said, the only way to counter such incidents, when they occur, is through a deepening of dialogue, not through police action. The police has no business to enter places of learning and harass students (including students who were clearly trying to defuse the situation and to take a stand against the irresponsible elements who gave the objectionable slogans) when there had been no breach of peace.

    We condemn the arrest of Kanhaiyya Kumar, president of the Jawaharlal Nehru University Students Union on trumped up charges of sedition and demand that he be released immediately. Kanhaiyya’s public statements, which are widely available, clearly show that sedition is the last thing that you can charge him with. The University Authorities must take steps to ensure that the witch hunt that is ensuing against other students must also cease immediately. We are saddened by the new JNU Vice Chancellor’s readiness to submit to the diktats of the police, and we condemn the totally outrageous statements by the Union Home Minister Rajnath Singh, and the Minister for Human Resources Development Smriti Irani which virtually declare war on universities as spaces for dissent and debate.

    We demand an unconditional withdrawal of police personnel from campuses, and reiterate our support and solidarity with the students, faculty and staff of JNU, and with students everywhere in India who are pursuing a courageous resistance against the ongoing assault on higher education unleashed by the BJP government.

    Ashis Nandy, Distinguished Fellow, Centre for the Study of Developing Societies, Delhi

    Bharti Kher, Artist, Delhi

    Debjani Sengupta, Associate Professor, Department of English, Indraprastha College, Delhi University

    Gauri Gill, Artist, Delhi

    Gayatri Sinha, Curator, Delhi

    Geeta Kapur, Curator, Delhi

    Iram Ghufran, Filmmaker, Delhi

    Jeet Thayil, Poet, Delhi

    K. Satchidanandan, Poet, Delhi

    Lawrence Liang, Alternative Law Forum, Bangalore

    Moinak Biswas, Professor, Department of Film Studies, Jadavpur University, Kolkata

    Nandini Datta, Associate Professor, Miranda House, Delhi University

    Neha Choksi, Artist, Mumbai

    Pallavi Paul, Artist/Filmmaker, Delhi

    Parnal Chirmuley, Associate Professor, Centre of German Studies, School of Language, Literature and Culture Studies, Jawaharlal Nehru University, Delhi

    Rajarshi Dasgupta, Assistant Professor, Centre for Political Studies, Jawaharlal Nehru University, Delhi

    Rajeev Bhargava, Director, Centre for the Study of Developing Societies, Delhi

    Ravi Sundaram, Fellow, Centre for the Study of Developing Societies, Delhi

    Romila Thapar, Historian, Emeritus Professor, Jawharalal Nehru University

    Sahej Rehal, Artist, Mumbai

    Sabina Kidwai, Associate Professor, AJ Kidwai Mass Communication Research Centre, Jamia Millia Islamia, Delhi

    Sabeena Gadihoke, Associate Professor, AJ Kidwai Mass Communication Research Centre, Jamia Millia Islamia, Delhi

    Sanjay Kak, Filmmaker, Delhi

    Sarnath Banerjee, Artist, Delhi / Berlin

    Saumyajit Bhattacharya, Associate Professor, Department of Economics, Kirori Mal College, University of Delhi

    Sibaji Bandyopadhyay, Fellow, Centre for the Studies of Social Sciences, Kolkata

    Shohini Ghosh, Professor, AJ Kidwai Mass Communication Research Centre, Jamia Millia Islamia, Delhi

    Shuddhabrata Sengupta, Artist, Raqs Media Collective, Delhi

    Subodh Gupta, Artist, Delhi

    Vivan Sundaram, Artist, Delhi

    https://www.change.org/p/educationists-say-no-to-police-action-in-jnu-and-all-universitie
  • . | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৮:১৩691059
  • বেশ কয়েকটা পোস্ট পড়ে মনে হলো দেশের লোক ছাগোল আর আমি সবজান্তা। কিছু মনে করবেন না, কিন্তু দেশের বড়ো অংশ সেনাবাহিনীকে যথেষ্ট সম্ভ্রম করে আর দেশপ্রেমটাও একেবারে ফেলনা কিছু মনে করেনা। বর্ডার উঠে যাবে আর রাষ্ট্র উবে যাবে টাইপের উদ্ভট ধারনার দেশের বেশীর ভাগ লোক বিশ্বাস করেনা তো কি আর করা! তাই দেশবিরোধী স্লোগান উঠলে (ভারত কে টুকড়ে হোঙ্গে হাজার) আর আফজলগুরু কাসভ ইশরাতজাহানের মতো টেররিস্টদের সাপোর্টে স্লোগান উঠলে তার রিয়াকসন হবেই।
    এখুনি বিরাট তর্ক ফেঁদে বসবেন আফজলগুরু কাসভ ইশরাতজাহানরা কেউ দোষী না, আসলে ভারতরাশ্ট্র ওদের ফাঁসিয়েছে। এই তর্কে আগ্রহ নেই।
  • অনাগ্রহীকে | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৮:১৮691070
  • সর্বশক্তিমান সেনাবাহিনী আর পরম মঙ্গলময় রাষ্ট্র আপনার মঙ্গল করুন।
  • . | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৮:২০691081
  • ধন্যবাদ।
  • | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৮:৫৮691093
  • আর্মিকে লোকে সম্মান করে তার একটা অন্যতম কারণ আর্মিতে পয়সাকড়ি, ফেসিলিটিজ খুবই ভাল। সেপাই লেভেলে হাতে পয়সা কম, কিন্তু নিজের + প[হ্যামিলি রেশন, বাচ্চাদের স্কুলিং এবং সর্বোপরি পুরো ফ্যামিলির মেডিকেল এক্সপেন্সে যা ওঠে, সেটা সিটিসি হিসেব করলে অনেক প্রাইভেট কোম্পানির তথাকথিত এসিসটেন্ট ম্যানেজার জাতীয়দের সমান বা বেশীও আসবে।

    আর ভারতে লোকজন বেশী পয়সাকড়ি ফেসিলিটিজ পাওয়া লোকেদের সম্মান করে, সে ঘুষ বা ওরকম কিছুভাবে পেলেও; নাহলে আর বিয়ের সময় পাত্রের 'উপরি টুপরি' আছে কিনা জিগ্যেস করা হোত!

    হ্যাঁ হ্যাঁ বলাই বাহুল্য আমিও কুনোরকম তক্কে আগ্রহী নই।
  • avi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৯:৩৬691104
  • দেশপ্রেম আর সেনাবাহিনীর প্রতি অনন্ত সম্ভ্রম দুয়ে মিলে অন্য একটা ক্ষেত্র প্রস্তুত করে, মিলিটারি ক্যুদেতা। ভারতীয় সেনাবাহিনীর এরকম কোনো প্রবণতা এখনো দেখা যায় নি, এটা এখনো অব্দি গণতন্ত্রের পক্ষে ভালো লক্ষণ। এবং এজন্য আমি সেনাবাহিনীকে সম্মান করছি।
    তবে একটা দেজাভ্যু হচ্ছে, এ জিনিস আগে যেন কোথায় দেখেছি। অসহিষ্ণু দেশপ্রেম, সেনাবাহিনীর ক্ষমতাবৃদ্ধি (কিন্তু সরাসরি ক্যু না হওয়া), একক দলের ভোটে জয়, জয়ের প্রধান পুরুষকে ঈশ্বরজ্ঞানে পুজো ও তাঁর আধ্যাত্মিক গুণের প্রচার (ব্রহ্মচর্য্য, যোগা, নিরামিষ), ভিন্নমতাবলম্বীদের সম্প্রদায়বিশেষ এবং কম্যুনিস্ট বলে দেগে দেওয়া, তাদের প্রাথমিকভাবে অন্য দেশে চলে যাওয়ার উপদেশ দেওয়া (পরে অবশ্য রাষ্ট্রের দায়িত্বে পাঠানোও শুরু হয়), একটি সম্প্রদায় জননির্বিশেষে দেশের শত্রু - এমত চোরাপ্রচার - সবই তো রিপিট টেলিকাস্ট। অবশ্য সেই দেশ এক্সপ্যানশনের কথা বলত। আমাদের শাসকেরা কেউ কেউ গোপন দলীয় অফিসে আফগানিস্তান থেকে বার্মা অব্দি ভারতবর্ষ দেখানো ম্যাপ টাঙিয়ে রাখলেও সরাসরি তেমন কিছু করছেন না, বিশ্বপরিস্থিতিও ভিন্ন।
    যাকগে, ডয়েসল্যান্ড উইবার আলেস, ইয়ে মানে, মেরা ভারত মহান।
  • :) | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৯:৪২691115
  • ডয়েসল্যান্ড উইলবার আলেস :)))

    আসলে এটাই তো মূলমন্ত্র। লজিক টজিকের বাল ছেঁড়া যায়, কিন্তু "দেশের বড়ো অংশ সেনাবাহিনীকে যথেষ্ট সম্ভ্রম করে আর দেশপ্রেমটাও একেবারে ফেলনা কিছু মনে করেনা" - এটাই আসল কথা। বৃহত্তর সমাজের ভাবাগেগকে অস্বীকার করার কথা, তাকে লজিক দিয়ে ওভাররাইড করার কথা ভাবতে চাওয়াটাই তো দেশদ্রোহিতা। চার্লি চ্যাপলিন মনে পড়ে যায়, অন্নদাশংকর রায় মনে পড়ে যায়, ১৯৩৩এর রাইখস্ট্যাগের অগ্নিকাণ্ডের পর হের ফ্যুয়েরারের সেই উদাত্ত ডাক মনে পড়ে যায়।

    "রিয়াকসন" হবেই। কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না। তাই রিয়াকসানের প্রতীক্ষা করুন।
  • shibir | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৯:৫৮691126
  • "এখুনি বিরাট তর্ক ফেঁদে বসবেন আফজলগুরু কাসভ ইশরাতজাহানরা কেউ দোষী না, আসলে ভারতরাশ্ট্র ওদের ফাঁসিয়েছে।এই তর্কে আগ্রহ নেই।" সমস্যাটা এটাই। তর্ক করতে গেলে আবার গাদা গুচ্ছের পড়াশোনা করতে হবে। বিরোধী পক্ষের কাউন্টার অপিনিয়ন শুনতে হবে। কার অতো ফালতু সময় আছে। তার থেকে সরকার যখন বলেছে, কোর্ট যখন বলেছে আফজল গুরু দোষী তখন দোষীই হবে। অতো কে ভাবে।
  • এবং | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:০৩691137
  • শোচনেওয়ালি বাত ইয়ে ভি হ্যায় যে কী নিপুণ কায়দায় আফজলগুরু আর ইশরাতজাহানের মাঝখানে কাসভকে গুঁজে দেওয়া হল। নিন, করুন এবার ডিফেন্ড। দেশপ্রেম বলে কথা, চাট্টিখানি ব্যাপার নাকি?

    শোচনেওয়ালি বাত ইয়ে ভি হ্যায় যে, এই দেশদ্রোহী সবজান্তাদের রাগের বিষয় হল আসলে "ভারতরাশ্ট্র ওদের ফাঁসিয়েছে"। অন্য কিছু নয়।

    আসলে, পড়তে হয় তো। বেশি পড়লে আবার এই লাইনগুলো লেখা যায় না। না না, বড় বড় বইটই না, গুরুর পাতায় ছোটোখাটো টই ব্লগ পড়লেও প্রতিবাদের আসল কারণগুলো জানা যায়, তা সে আর কে পড়ে। আফটার অল, দেশদ্রোহী কিনা।
  • avi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:১৬691148
  • দেখুন, অত বেশি পড়িয়ে কিছু লাভ হয় না। আমি দেখেছি ভালো বই খান দুই হলেই এদিককার শিক্ষা সব একরকম হয়ে যায়।
    সৌভাগ্যক্রমে আজকাল বাজারে দুখানা বই বেরিয়েছে - সাম্য নির্ঘণ্ট আর সিদ্ধান্ত বিশুদ্ধিকা - তাতে শিক্ষাতত্ত্ব আর সাধনতত্ত্ব - এই দুটো দিকই সুন্দরভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
  • . | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:১৭691159
  • আলেশ, চালেশ, ছালেশ এই হাজার ব্যাঙ্গ করেও মুশকিল হবে যে দেশের লোক দেশকে ভালোবাসবে। হাজার লজিক দিয়েও লোককে বোঝাতে পারবেন না যারা দেশবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে তারা খুব ভালো কাজ করছে। যান না, লোকাল ট্রেনে পাবলিককে বলুন গিয়ে যে দেশটেশ মিছে কথা আর বর্ডারফর্ডার উঠে গেলে আরো ভালো। রিয়াকসনঅটা দেখে নেবেন। নানা লোকাল ট্রেনে ভর্তি করে তো ছাগোল পাবলিক যাতায়াত করে, ওরা তো ওরকমই বলবে।

    আর দেশের লোক আর্মিকে সম্মান করার আরো একটা কারন আছে। এটা অবশ্য শুধু ভারতে না, সব দেশেই। আর্মির জওয়ানরা নিজেদের জীবন দিয়ে দেশকে রক্ষা করে। কি আর করবে, ছগোলগুলো ভাবে যে দেশের থেকে বড়ো আর কিছু নেই। সরকার ব্যাটাদের মাথা খেয়ে রেখে দিয়েছে। আর ছাগোল পাব্লিকও তেমনি। কোথায় দেশটাকেই তুলে দেবে তা না, আর্মির জওয়ানদের শ্রদ্ধা করে। আফস্পা টাফস্পা হাজার বলেও এদের বোঝানো যায়না। কেন যে দেশসুদ্ধু লোক আলট্রালেফ্ট আর মাওবাদি হয়না!
  • . | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:২৫691170
  • ঐ তো মাইনেকড়ি ফেসিলিটিজ কমিয়ে দিলেই অত্ত সম্মান আর আপনিও করবেন না।
  • avi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:৪০691181
  • খুব জানতে ইচ্ছে করে, এই সেনাবাহিনী বা তাদের সম্মানকারীরা দেশ বলতে কাঁটাতার, যুদ্ধ আর ক্রিকেট ছাড়া আর কী কী ধরে নেয়? এই যে 'দেশ তুলে দেওয়া' বলা হল সেটাই বা আসলে কী?
    হ্যাঁ, সেনারা জীবন দেয়। দেশরক্ষা যাই করুক, জীবন দেয়। যুদ্ধ হলেও দেয়, না হলেও দেয়। এবং সম্মানকারী জনগণ ঘরে বসে তার আমেজ নেয়। নইলে শহীদের প্রতি এত সম্মান, ভালোবাসা, লাইক, শেয়ারের মাঝে কেউ শুধোয় না কেন যে সিয়াচেনে কেন থাকতে হবে? ক্ষমতার ইগোপূর্তি ছাড়া ওখানে দেশের কোন অংশের নিরাপত্তা সাধন হচ্ছে? যারা থাকে এবং মরে, কেন তাদের ইন্স্যুরেন্স নেই? কোনো প্রশ্ন করা মানা। অনন্ত সম্ভ্রম আর উত্তাল বাড় - এটাই সাধারণ সৈন্যদের একমাত্র নিরাপত্তা। সিয়াচেন দরকার, কারণ যুদ্ধ না হলেও তা থেকে স্টেডি শহীদের সাপ্লাই আসে। দেশপ্রেম ও সেনাবাহিনীর সম্মান বাড়ে। বন্ধ করব কেন? অল কোয়ায়েট অন দি ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট।
    ভালো কথা, লোকাল ট্রেন মানেই একটা হোমোজেনাস পপুলেশন নয়। যেমন এখানে বিরুদ্ধে লিখছেন মানেই লেফট নয়। তেমনি কাসভ মানেই ইশরাত নয়।
  • আচ্ছা | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:৪৮691192
  • সেনাবাহিনি এই যে দেশের জন্য লড়ে, জীবন দেয় - ফ্রি-তে দেয়? মাইনেটাইনে পায় না?
  • avi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:৫৪691215
  • :)
    এবং বাকি হাই রিস্ক পেশার লোকজন - মাইন ওয়ার্কার, ফায়ার ফাইটার, কনস্ট্রাকশন ওয়ার্কার?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন