এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ইকনমি ক্রাইসিস ডোমেস্টিক মার্কিন গ্লোবাল

    lcm
    অন্যান্য | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮ | ৪৮২৭২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sibu | ০৩ মার্চ ২০০৯ ০১:০৫403206
  • অলটারনেটিভ হল প্র্যাগম্যাটিজম। অর্থাৎ ফিড-ব্যাক লুপের উপর ভরসা করে চল। কিছু একটা করা হল। তার ফল ভাল হল, সেইটে একটু বেশী করে কর। যেটা করে ফল খারাপ হল, সেইটে কম করতে হবে।

    মোদ্দা কথা হল - ইটার্ন্যাল ভিজিল্যান্স ইজ দি প্রাইস অফ ইকনমিক প্রসপারিটি। মার্কেটে বা সরকারে, কোনটাতেই অন্ধ বিশ্বাস রাখা চলবে না।
  • kd | ০৩ মার্চ ২০০৯ ০১:৩৫403207
  • প্রথমে শ্যামলের লাস্ট প্যারা - ভারতে এর'ম কিছু আছে কিনা জানিনা কিন্তু আমাদের তো আছে, 401K। তাতে আমি আর আমার কোম্পানি টাকা রেখেছি - investment decision পুরোপুরি আমার - আর তাই মাসখানেক আগে দেখলুম লাখ তিনেকের ওপর উবে গ্যাছে। যদিও আমার সারভাইভাল অ্যাফেক্টেড হবে না সোশ্যাল সিকিউরিটি পাই বলে তবুও আমার মতো লোকের কাছে ঐ লসটা খুব হেলাফেলার নয়। শ্যামলের হয়তো এই ব্যাপারে নলেজ প্রখর (লেগ পুল করছি না - আমার বউ সেই ২০০৪ সালে আমাদের এমনি পোর্টফোলিওটাকে এমনভাবে অ্যাড্‌জাস্ট করেছিলো যে এখন সেটা প্রায় অক্ষতই রয়েছে), কিন্তু বেশীর ভাগ লোকই আমার মতো - রিসেন্টলি তারা বেশ ঝাড় খেয়েছে। তাই বলি শ্যামল, সাধারণ জনতার বুদ্ধিকে (এই ব্যাপারে) অত উঁচু চোখে দেখবেন না - plain simple greed আমাদের চিন্তাধারাকে বড্ডো তাড়াতাড়ি রঙীন করে।

    দ্বিতীয়ত:, FDRএর সময়ে যখন এই SS program (a part of the New Deal) চালু হয়েছিলো, তখন মাত্র ১% কϾট্রবিউশনে দেশের বুড়োদের পেমেন্ট করা যেতো - তার কারণ বুড়োরা সংখ্যায় কম এবং অ্যাভারেজে তিন বছর কালেক্ট করতো। এতদিন কোন রকম modification হয়নি কϾট্রবিউশন বাড়ানো ছাড়া (২০০২তে ওটা বোধহয় ১৫%) - এই রেটে চললে কিছুদিন বাদে ওটা ৮০% হওয়া আশ্চর্য নয় (doomsayerদের ভাষায়)। একেবারেই কোন change হয়নি বলবো না - দু'টুকরো করা হয়েছে, medicare portionএর upper limit অনেক বেশী হয়েছে আর এই সদ্য পেমেন্ট শুরুর বয়স ৬৫ থেকে ৬৮এর দিকে এগুচ্ছে।

    আর একটা কথা। আমি free market economyতে বিশ্বাস করলেও পেটের ভাতকে নিয়ে ফাট্‌কা খেলতে একেবারেই রেডী নই - তাই SS fund কে wall streetএর হাতে তুলে দেওয়ার পুরোপুরি এগেনস্টে।

    ডি: দ্বিতীয় প্যারায় কিছু নম্বর দিয়েছি মন থেকে রেফারেন্স চেক না করে - যদিও মনে হয়না তাতে আসল বক্তব্য কিছু পালটাবে।
  • shyamal | ০৩ মার্চ ২০০৯ ০৫:২০403208
  • শিবুর উত্তরে বলি, আমেরিকা, ইউরোপ, জাপানে অধিকাংশ মানুষের আয় স্ট্যাগনেট করে গেছে বা কমছে। তার কারণ আগেই বলেছি। ভারত,চীন,ব্রেজিল ইত্যাদি দেশে একই কাজ মানুষ অনেক কম পয়সায় করছে। গত পাঁচ বছরে ওয়াল স্ট্রীটের কোম্পানীরা অজস্র ফিনানসিয়াল রিসার্চ জব ভারতে পাঠিয়েছে। আমেরিকায় এইসব জবের মাইনে ছিল $100K to $250K। হাই টেক ম্যানুফ্যাকচারিং এখন চীনে হচ্ছে। আমেরিকার কর্মির ভ্যালু-অ্যাড কোথায় যে তাকে বসিয়ে বেশী পয়সা দেওয়া হবে?
    আজও আমেরিকার একটা জায়গায় মনোপলি আছে। সেটা হল ইনোভেশন। কিন্তু এই ধরণের জব কটা? সব ফিল্ড মিলিয়ে মেরেকেটে এক মিলিয়ন? আমেরিকায় জবের সংখ্যা ১৫০ মিলিয়ন। কাজেই ক্রমশ: দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ জব হবে মিনিমাম ওয়েজের $7/hour। এই দিয়ে কর্মিরা সোশ্যাল সিকিউরিটি বাঁচিয়ে রাখবে?
    এ নিয়ে আমি অনেক তথ্য ঘেঁটেছি। জানেন কি, ১৯৭০ থেকে ২০০৭ এ হাউসহোল্ড আয় বেড়েছে মাত্র ২৬% ( after inflation adjustment)? এই ৩৭ বছরে কিন্তু দুজন-কাজ-করা বাড়ির সংখ্যা অনেক বেড়েছে। তা সত্বেও।

    আমি কিন্তু বলিনি, সোশ্যাল সিকিউরিটিতে কি করলে ঠিক হবে। শুধু বলেছি পে-অ্যাজ-ইউ-গো চলবেনা, পাল্টাতে হবে।
  • sibu | ০৩ মার্চ ২০০৯ ০৫:৩১403209
  • আমার প্রশ্ন ছিল ভারতে কোন ব্যাপারটা আলাদা ভাবে করা হবে যে ভারতে ডিম্যান্ড কমবে না (লাইক ইউএস)। সেই প্রশ্নটার উত্তর কোথায়?

    আম্রিকায় যে আয় বাড়েনি তার একটা প্লসিবল কারণ ইউনিয়নের ক্ষমতা হ্রাস। এবং মাইনে স্ট্যাগনেট করা মানে ডিম্যান্ড ডেস্ট্রাকশন, যার থেকে আজকের অর্থনৈতিক সমস্যা। অর্থাৎ আম্রিকান ক্যাপিটালিজম এফিসিয়েন্সির নাম করে নিজের পেছনে নিজেই বাঁশ ডেকে এনেছে। আপনি আমাকে বলুন, যদি ধরেও নেই ভারত এবার জগৎ সভায় শাইন করবে (মুনশাইন না, সত্যিসত্যি শাইন), এই ডিম্যান্ড ডেস্ট্রাকশন ভারতের ক্ষেত্রে ঘটবে কিনা। যদি আপনি মনে করেন সেটা হবে না, তাহলে আপনি কেন সেটা মনে করেন?

    মার্ক্সসাহেব কিন্তু এই ডিম্যান্ড ডেস্ট্রাকশন ও অতি উৎপাদনের মহামারী প্রেডিক্ট করেছিলেন। কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো একবার উল্টে দেখবেন।
  • shyamal | ০৩ মার্চ ২০০৯ ০৫:৩২403210
  • বাইনারি, আমি জেনেশুনেই বলছি। বছর তিনেক আগে কেন্দ্রীয় সরকার একটা বিল এনেছিল। তাতে বলা ছিল, বিল পাশ হওয়ার পর যারা সরকারী চাকরিতে ঢুকবে তাদের পেনশনের জন্য কর্মী ও সরকার 401Kর ধরণের একটা ফান্ডে টাকা জমা করবে। কর্মির স্বাধীনতা থাকবে কতগুলো লগ্নীর মধ্যে চুজ করার। দরকার হলে সে লগ্নী পাল্টাতেও পারবে। সেই বিল পাশ হয়েছে কিনা জানিনা।

    কাবলিদাকে বলি আমিও একবার ২০০০ সালে আবার এবছর ভাল ঝাড় খেয়েছি। তাবলে সেটার দায়ীত্ব এড়াব কেন ? 401K আপনার টাকা, আপনি যেভাবে খুশী লগ্নী করুন। যদি ঝুঁকি না নিতে চান তো মানি মার্কেটে বা বন্ডে রাখুন। তাতে আপনার টাকা কমবে না। আপনার যেটা ট্যাসিট ইচ্ছে, সেটা হল সরকার টাকা খাটাক। আমার যাতে সংসার চলে সেটা সরকার মাই-বাপ দেখবে। যদি তাদের ঝাড় যায় তো ট্যাক্স বাড়িয়ে আমার দেখভাল করবে।
    আমি মনে করি এটা ভুল পথ। প্রত্যেক মানুষকে তার রিটায়ারমেন্ট ঠিক করতে দেওয়া হোক। আমার ভবিষ্যতের আমি কোন দায়ীত্ব নেবনা -- এই অ্যাটিচুড ঠিক নয়।
  • sibu | ০৩ মার্চ ২০০৯ ০৫:৪১403211
  • হোয়াট ডু ইউ মিন বাই কোন দায়িত্ব নেব না? বার্ণি ম্যাডফ বা মুডির ফ্রডের দায়িত্ব আমাকে নিতে হবে বুড়ো বয়েসে ডেস্টিটিউট হয়ে? হোয়াট এ #$%!!!
  • shyamal | ০৩ মার্চ ২০০৯ ০৫:৫৬403212
  • শিবুর উত্তরে বলি, চাহিদার জন্য আয় দরকার। আর আয় হয় উৎপাদনশীলতার সঙ্গে সমানুপাতিক। ধরুন গাড়ি তৈরী। ফোর্ডের কর্মি ডিট্রয়েটে হয়তো পাচ্ছে মাসে $5000। আর ভারতে একই কাজ করে কর্মী পাচ্ছে মাসে $500। কাজেই গাড়ি তৈরির জব কোথায় যাবে?
    ভারতে বহু ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা খুব কম। সেটা বাড়ার বিশাল স্কোপ আছে। আমেরিকা, ইউরোপে সেটা স্যাচুরেট করে গেছে। তাই ভারতে আয় বাড়বে। এর ফলে কি হচ্ছে?
    আজ ভারতে সেভিংস রেট ৩৭%। আমেরিকায় -২%। এই বিশাল সেভিংস আবার লগ্নী হচ্ছে। তাতে আরো উন্নত ফ্যাকটরি তৈরী হচ্ছে। কাজ বাড়ছে। যারা কাজ পাচ্ছে তারা আরো জিনিষ কিনছে। তাই চাহিদা বাড়ছে। আর আয় বাড়ছে বলে সেভিংস আরো বাড়ছে। এটা ভারত বলে নয়, অনেক দেশে হয়েছে। ভারতে যেহেতু আয় এখনো খুব কম, তাই সেটা বাড়ার অনেক রুম আছে। তাই চাহিদা কমবেনা। যখন সেভিংস রেট পড়বে আর লোকে আয়ের চেয়ে বেশী ব্যয় করবে, তখন চাহিদা কমবে, ইকনমি ট্যাংক করবে।
  • h | ০৩ মার্চ ২০০৯ ০৭:৫৩403213
  • তখন ইউরাআমেরিকা আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে।

    তারপরে আবার ওরা যখন ট্যাংক করবে, তখন আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে।

    মহাকালের অব্যর্থ বাণীর মত তখন ওকে মুগ্‌ধ হয়ে এই টই পড়বে।

    অলটারনেটিভলি একেকটা দেশের লোক একেক সময়ে মুগ্‌ধ হবে আর ট্যাংক করবে।
  • Ishan | ০৩ মার্চ ২০০৯ ১০:১৩403214
  • শ্যামলবাবুর এই শেষ থিয়োরিটাতে একটা গন্ডগোল আছে।

    ছোটো করে বলি। আমাদের ছোটোবেলায় অনুন্নয়নের কারণ হিসাবে অর্থনীতির বইয়ে একটা জিনিস লেখা থাকত: আমরা গরীব, কারণ আমরা গরীব। হেঁয়ালি নয়, কথাটার একটা মানে আছে। লোকে গরীব মানে লোকের পারচেজিং পাওয়ার কম। মানে বাজার ছোটো। আবার একই সঙ্গে আয় কম মানে সেভিংসও কম। মানে পুঁজিও কম। ক্লাসিকাল মার্কেট ইকনমি অনুযায়ী, এটা একটা লো লেভেল ইকুইলিব্রিয়াম।

    তো,আজ অবধি এই ভারসাম্যটা ভাঙা দরকার, এই বিষয়ে হক্কলেই একমত। নেহেরুভিয়ান জনতা থেকে শুরু করে মার্কেট ফান্ডামেন্টালিস্ট অব্দি, সব্বাই। রাস্তাটা আলাদা আলাদা। নেহেরুর রাস্তা ডেফিসিট ফাইন্যান্সিং আর বাজারপন্থীদের রাস্তা বাইরে থেকে পুঁজি ডেকে আনা। রাস্তা আলাদা আলাদা হতে পারে, কিন্তু একটা বিষয়ে উভয়েই একমত, যে, ডোমেস্টিক মার্কেটের ইকুইলিব্রিয়ামের উপর ছেড়ে দিলে, আর যাই হোক, "উন্নয়ন' যাকে বলে, সেটা হবেনা।

    মার্কেট ইকুইব্রিয়ামই সর্বসুখ এনে দেবে, দাবীটা এখানেই মাঠে মারা যায়। একদম প্রথম ধাপে।
  • arjo | ০৩ মার্চ ২০০৯ ১০:৩২403216
  • ক্যাপিটালিস্টরা কখনোই ওয়েলথ ডিস্ট্রিবিউশনের কথা বলে না। যেটা বলে তাহল যার ১০০০ টাকা ছিল তার হবে ১৫০০ টাকা আর যার ১০০ টাকা ছিল তার হবে ১২০ টাকা। রিলেটিভলি তাদের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হল না, কিন্তু দুজনেরই জীবনযাত্রার মানের পরিবর্ত্তন হল। তাই ক্যাপিটালিস্ট ইকনমিতে ওয়েলথ ডিস্ট্রিবিউশন প্যারেটো - মানে ৮০ শতাংশ সম্পদ ২০ শতাংশ লোকের হাতে। তাই আমেরিকার জিনি কোএফিশিয়েন্ট - খুব বেশি। কিন্তু এসব সঙ্কেÄও আমেরিকার বেশির ভাগ লোক কম জিনি কোএফিশিয়েন্ট ওয়ালা অনেক দেশের থেকেই এতদিন উন্নত জীবনযাত্রা ভোগ করে এসেছে। এতে ক্যাপিটালিস্টরাও খুশি কারণ তাদের টাকা বাড়ছে, তাই আরও বেশি করে ইনভেস্ট করবে, অন্যদিকে মধ্যবিত্তও খুশি কারণ ধনীদের সম্পদ চুঁইয়ে পড়ছে।
  • sibu | ০৩ মার্চ ২০০৯ ১১:২৪403217
  • শ্যামলের তঙ্কÄ একেবারেই মানা গেল না। বিশ্বায়নের ফলে যেটা হবে সেটা হল ভারতীয় শ্রমিক বেশী মজুরী চাইলেই শিল্প অন্য আরো কম মজুরীর দেশে চলে যাবে। অর্থাৎ ডিম্যান্ড ডেস্ট্রাকশন ভারতের ক্ষেত্রেও হবে। শেষ পর্য্যন্ত ব্যাপারটা দাঁড়াবে এইরকম।

    পুঁজিপতি। হ্যালো মনমোহন, তোমার দেশে মিনিমাম ওয়েজ ঘন্টায় বিশ টাকা। বাংলাদেশ ঘন্টায় পনেরো টাকা মিনিমাম ওয়েজ করেছে।

    মনমোহন। ওকে স্যার, আমরাও পনেরো করছি।

    পুঁজিপতি। হ্যালো হাসিনা, মনমোহন মিনিমাম ওয়েজ পনেরো করেছে, আর ওদের অনেকগুলো আইআইটি। তোমাদের মোটে একটা বুয়েট। বুঝতেই পারছো কি করলে আমার মুনাফা বাড়বে।

    হাসিনা। তাইতো জনাব। ঠিক আছে, আমরা মিনিমাম ওয়েজ বারো টাকা করছি।

    এই ভাবে ওয়েজে একটা ডাউনওয়ার্ড স্পাইরাল সৃষ্টি হবে। শেষ পর্য্যন্ত এফেক্টিভ মজুরী, মার্ক্স যাকে শ্রমের পুনরুৎপাদন ব্যয় বলেছেন, সেইখানে এসে থামবে। কিন্তু ততক্ষণে ডিম্যান্ড ডেস্ট্রাকশন সম্পূর্ণ।

    রিকার্ডোর থিওরী অফ ট্রেড কিন্তু ক্যাপিটালের ইমমোবিলিটির অ্যাজাম্পশনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। কাজেই রিকার্ডোর তঙ্কÄ দিয়ে বিশ্বায়নকে সমর্থন করা যাবেনা।

    বস্তুত: ২০০৪ সালে স্যামুয়েলসন জার্নাল অফ ইকনমিক পারসপেক্টিভে একটি প্রবন্ধ ছাপিয়েছিলেন। তার মূল কথা ছিল চীন ভারতের শ্রমিকদের স্কিলের উন্নতি মানে (ইভন আন্ডার রিকার্ডিয়ান ফ্রেমওয়ার্ক) আম্রিকান শ্রমিকের কম্প্যারেটিভ অ্যাডভান্টেজের ক্ষতি। প্রবন্ধটির তাঙ্কিÄক আলোচনা এইটুকুই। কিন্তু এই রেজাল্টের ব্যাখ্যা স্যামুয়েলসন করেছেন এইভাবে। ক্যাপিটাল ও স্কিল মোবাইল হলে, বিশ্বায়ন সব দেশের শ্রমিকের পক্ষেই লুজিং প্রোপোজিশন। মনে রাখবেন, উইকিপেডিয়ার মতে, স্যামুয়েলসন হলেন মডার্ন নিওক্লাসিকাল ইকনমিকসের কো-ফাউন্ডার।
  • Arijit | ০৩ মার্চ ২০০৯ ১১:৩৮403218
  • ওইজন্যেই তো ফ্রী মার্কেটীয় দেশগুলো দুটো একসাথে চায় না। ক্যাপিটাল - ঠিক আছে। স্কিল? পাগল?
  • dri | ০৩ মার্চ ২০০৯ ১২:১৮403219
  • অনামিক ঠিক বলেছেন। ওটা মুডি নয়, স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওর। ডাউনগ্রেড করেনি, করবে বলে ভয় দেখিয়েছে। কিন্তু ঐটুকুতেই রুপি ফল করেছে।

    এবং এর কারণের আভাস পাওয়া যাবে আর্য্যর দেওয়া ভিডিওতে। ওখানে একটা লিস্ট দেখিয়েছিল যেখানে চীন ছিল ক্রেডিটার নেশান হিসেবে সবার ওপরে, আর ইউ এস ছিল ডেটার নেশান হিসেবে সবার নীচে। একটু খেয়াল করলেই দেখবেন, ঐ লিস্টে ভারত ছিল লাস্টের দিক থেকে ফোর্থ বা ফিফ্‌থ। ইউ এস, ইউ কে, ই ইউ আর স্পেনের ওপরে। নট নাইস।

    এত ঋণের বোঝা নিয়ে ডিফল্ট করা খুব ডিফিকাল্ট কিছু নয়।
  • dri | ০৩ মার্চ ২০০৯ ১২:২৬403220
  • এইচ এস বি সি - ৬১০০
    ভার্জিন মেগাস্টোর্স - ১০০০
  • dri | ০৩ মার্চ ২০০৯ ১৩:২২403221
  • ইউকেতে গম্মেন্ট এই সামারে ব্যাঙ্ক ফেলিওর রিলেটেড রায়ট এক্সপেক্ট করছে, গোয়েন্দার রিপোর্ট অনুযায়ী। তাই আর্মির ব্যবস্থাও করা হয়েছে, http://www.express.co.uk/posts/view/86981/MI5-alert-on-bank-riots
  • r | ০৩ মার্চ ২০০৯ ১৪:১১403222
  • "তোমার শেষ নাহি, তাই শূন্য সেজে শেষ করে দাও আপনাকে যে--
    ওই হাসিরে দেয় ধুয়ে মোর বিরহের রোদন
    ও মোর ভালোবাসার ধন।।"

    মাইনষে অ্যাত চিন্তা করে ক্যান? ;-)
  • lcm | ০৩ মার্চ ২০০৯ ১৫:০৫403223
  • খাইসে, r বোধহয় ডাও জোন্‌স্‌-এর শূন্য দেখতে পাচ্ছে।

    এর পরে,
    "... আমার (সকল) অ্যাকাউন্ট নিয়ে বসে আছি সর্বনাশের আশায়,
    আমি তার (মার্কেট) লাগি পথ চেয়ে আছি....'

    নাকি,
    "...শেষ নাহি যে, শেষ কথা কে বলবে?'
  • r | ০৩ মার্চ ২০০৯ ১৫:১৪403224
  • ধনতন্ত্র থেকে ইয়েতন্ত্রে উত্তরণের পথে, তিনি আছেন, ধনে রণে বনে জঙ্গলে। কবির আক্ষেপ কি আর বৃথা যায় রে!

    ধনেজনে আছি জড়ায়ে হায়!
  • shyamal | ০৩ মার্চ ২০০৯ ১৯:১৫403227
  • শিবু,
    আই টি সেক্টরে কি হয়েছে দেখলেই বুঝতে পারবেন। শুরু হয়েছিল লোক সাপ্লাই দিয়ে আজ থেকে পনের কুড়ি বছর আগে। তখন ইনফোসিস, উইপ্রো, সত্যম এরা লোক সাপ্লাইয়ের কোম্পানী ছিল। তারপর তাতে প্রতিযোগিতা বাড়ায়, ইন-হাউস প্রোজেক্ট নেওয়া শুরু করল। তারপরে সেই প্রোজেক্টের সাইজ ও কম্পলেক্সিটি বাড়তে লাগল। অর্থাৎ ফুড চেনে কোম্পানিগুলো ওপরের দিকে উঠতে লাগল। নীচের কাজগুলো অন্য দেশে চলে গেল। আপনি ইতিহাস পড়ুন। এভাবেই শিল্প চলে।
    আজ থেকে কুড়ি বছর আগে ইলেকট্রিকাল/ইলেকট্রনিক দ্রব্য তৈরী করত কোরিয়া আর তাইওয়ান। তারও আগে জাপান। এরা ফুড চেনে ওপরে গেছে। এখন তৈরী করে চীন। কোম্পানিগুলো কোরিয়া বা জাপানের। কিন্তু তৈরী হয় চীনে।
    ঠিক সেভাবে চীন, ভারতেও আয় বাড়ার অনেক রুম আছে। কিন্তু আজ থেকে তিরিশ বা পঞ্চাশ বছর পরে আর আয় বাড়বেনা। তখন আসবে আফ্রিকার সময়।

    কোন কোন কাজ জায়গার ওপর নির্ভর করে। যেমন নাপিত। আপনি কলকাতায় আর আপনার নাপিত উরুগুয়েতে, এটা হবেনা। কিন্তু আপনি নিউ ইয়র্কে আর আপনার সফটওয়্যার বানাচ্ছে পুনের ছেলেরা, এটাতে সমস্যা নেই। যেসব কাজ জায়গানির্ভর নয়, সেগুলো অবধারিতভাবে বেশী ওয়েজের জায়গা থেকে কম ওয়েজের জায়গায় যাবে। যেমন জল উঁচু থেকে নীচুতে গড়ায়।
    এই যাওয়ার ফলে ধনী দেশের আয় কমবে। তারফলে যাদের কাজ জায়গানির্ভর, যেমন নাপিত বা সার্জন, তাদের আয়ও কমবে।
  • sibu | ০৩ মার্চ ২০০৯ ২৩:১২403228
  • ধুস্‌স্‌স্‌। পোশ্নো করলুম গ্লোবালাইজেশনের ফলে ডিম্যান্ড ডেস্ট্রাকশন হবে কিনা। আপনি বল্লেন চাকরি বেশী ওয়েজ থেকে কম ওয়েজের দেশে যাবে। সে তো আম্মো জানি। কিন্তু তার ফলে ডিম্যান্ডের কি হবে?
  • shyamal | ০৩ মার্চ ২০০৯ ২৩:৪৮403229
  • সবদেশে কি হবে বলা মুশকিল। তবে সাধারণ ভাবে ভারত, চীন, ব্রেজিল,ভিয়েতনাম, রাশিয়ার মত দেশে চাহিদা বাড়বে। আমেরিকা, ইউরোপে চাহিদা কমবে। কেন?

    আমেরিকা, ইউরোপে প্রকৃত আয় কমছে। কাজেই ব্যয় কমাতে হবে। তাই চাহিদা কমবে।

    বিশেষত: ভারতে, যেখানে রপ্তানী বেশ কম আর আভ্যন্তরীন চাহিদার জন্য জিডিপি বাড়ছে, সেখানে চাহিদা বাড়বে। কারণ লোকে যেমন গরীব থেকে মধ্যবিত্ত হচ্ছে, তারা যেমন বেশী জিনিষ কিনছে তেমনি বেশী জমাচ্ছেও। সেই জমার টাকা ব্যাঙ্ক বা অন্যভাবে লগ্নী হচ্ছে। সেই টাকায় নতুন শিল্প হচ্ছে। সেই জিনিষ তৈরী করতে ও বিক্রি করতে আরো লোকের দরকার হচ্ছে। কাজেই আরো মধ্যবিত্ত জব হচ্ছে। তাই চাহিদা আরো বাড়ছে।
    ট্রেড ভাল বা খারাপ -- এমন কিছু নেই। তবে শুধু রপ্তানী নির্ভর দেশ হলে ( যেমন সিঙ্গাপুর, জার্মানী) অন্য দেশ ঝাড় খেলে তাদের ক্ষতি হয়। বড় দেশগুলো (আমেরিকা, ভারত, জাপান, চীন) কেউই পুরো রপ্তানীনির্ভর নয়। ট্রেড খুব দরকারী কারণ একটি দেশের যাতে কম্প্যারেটিভ অ্যাডভান্টেজ আছে সেই জিনিষ রপ্তানী করে আয় বাড়াতে পারে। আর যাতে নেই সেই জিনিষ আমদানী করে জনতা ও শিল্পকে সাহায্য করতে পারে।
  • sibu | ০৪ মার্চ ২০০৯ ০০:০৫403230
  • গ্লোবালাইজড ইকনমিতে একটা দেশে ডিম্যান্ড বাড়লেই যে সেই দেশ ভাল থাকবে তার কোন মানে নেই। কর্পোরেশনগুলোও গ্লোবালাইজড। সুতরাং গোটা বিশ্বের এগ্রিগেট ডিম্যান্ড কমলে সকলেই ঝাড় খাবে। এই বর্তমান সংকটেই দেখুন সবাই ঝাড় খাচ্ছে। ভারত, তুলনায় সেগ্রেগেটেড বলে একটু কম ঝাড় খাচ্ছে। কাজেই গ্লোবালাইজেশনের ফলে ওয়ার্ল্ড ইকনমির উন্নতি হবে, এমন ধরে নেবার কোন কারণ নেই।

    ফারদার, স্যামুয়েলসন যেমন যুক্তি দিয়েছেন, আজ ভারতে একটু ডিম্যান্ড বাড়লেও, সেটা আবার কমে আসবে। আলটিমেটলি, ওয়েজ সর্বত্রই কমতে থাকবে। হোয়াট উইল বি দি লোয়ার লিমিট? মার্ক্স কথিত শ্রমের পুনরুৎপাদন ব্যয়? সেক্ষেত্রে গ্লোবাল ডিম্যান্ডের কি হবে? নাকি শুধু আজকের কথা ভাবলেই হবে? কাল কি হবে সে ভাবার দরকার নেই। এই রকম চিন্তাই অবিশ্যি হাউসিং বাবল তৈরী করেছিল।

    আগের পোস্টে আমি বলেছিলাম রিকার্ডোর থিওরি অফ কম্প্যারেটিভ অ্যাডভান্টেজ ডিপেন্ডস অন দি অ্যাজাম্পশন অফ দি ইমমোবিলিটি অফ ক্যাপিটাল। সুতরাং গ্লোবালাইজড বিশ্বে কম্প্যারেটিভ অ্যাডভান্টেজের থিওরী কপচানো ইন্টেলেকচুয়ালি ডিসঅনেস্ট।
  • dri | ০৪ মার্চ ২০০৯ ১১:১৮403231
  • জি এম, ফোর্ড দুই কোম্পানীর সেল অর্দ্ধেক হল ফেব্রুয়ারীতে। টয়োটার সেল পড়ল ৪০%।

    চিপ সেল পড়ল ২৯%।

    এ আই জি নামক মৃত হাতিকে দেওয়া হল তিরিশ বিলিয়ান ট্যাক্সপেয়ার মনি।

    জি ইর শরীর ভালো নেই। স্টক ৭৯% ডাউন।

    সিটিগ্রুপের স্টক এখন যাচ্ছে $1.24। অনেকে আশঙ্কা করছেন এটা শিগ্গিরই পেনি স্টকে পরিণত হবে।
  • dri | ০৫ মার্চ ২০০৯ ১২:২৬403232
  • জানুয়ারীতে ছ'লাখ লোকের চাকরী যাবার পর ফেব্রুয়ারীতে গেল সাত লাখ।

    ইউবিএসের চেয়ারম্যান রিজাইন করলেন। ইউবি এস ডিভিডেন্ট দেওয়া কমালো।

    এফ ডি আই সির (যা ব্যাঙ্ক ফেল করলে কাস্টমারের টাকা ইনসিওর করে ২৫০০০০ ডলার পর্য্যন্ত) চেয়ারম্যান শীলা বেয়ার বলেছেন ব্যাঙ্ক ফেলিওর এত বেড়ে গেছে যে এ বছর এফ ডি আই সি ফেল করতে পারে!

    ইউক্রেনের ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তোলা যাচ্ছেনা। বিগ ঝামেলা অ্যাহেড।

    চীন ডিফেন্স বাজেট ১৫% বাড়ালো। নট সারপ্রাইজিং। ইউ এস চীনের ল্যাজে পা দেওয়া খুব বাড়িয়েছে ইদানীং।

    মুডি বলেছে জে পি মরগ্যান, ব্যাঙ্ক অব আমেরিকা এবং ওয়েলস ফার্গোর রেটিং কাট করা হতে পারে।

    ইন্টারন্যাশানাল রিমিনাল কোর্ট সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমার-আল-বসিরকে ওয়ার ক্রাইম দোষে দুষ্ট ঘোষনা করেছে এবং অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট জারি করেছে। ইন্টারন্যাশানাল কোর্ট হল আসন্ন ওয়ার্ল্ড গভর্মেন্টের একটা বড় পিলার। আপাতভাবে এর উদ্দেশ্য পৃথিবীতে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা। কিন্তু তলে তলে ইন্টেনশান হল ন্যাশানাল সভার্নিটি আন্ডারমাইন করে কলোনিয়ালিজ্‌ম আরোপ করা। নিওকনরা যখন দেশ আক্রমণ করে, তারা কোন আব্রু রাখেনা। তাদের অসৎ উদ্দেশ্য চোখে মুখে ফুটে ওঠে। কিন্তু এই লিবারেলরা অন্য দেশের রিসোর্স দখল করে হিউম্যান রাইট্‌স রক্ষার অছিলায়। দার্ফুরে নাকি ভীষণ হিউম্যান রাইট্‌স ভায়োলেটেড হয়ে যাচ্ছে। ব্যাস অমনি ন্যাটো বাহিনী পৌঁছে গেল দার্ফুরে। আসলে দার্ফুরের কাছে অয়েল মাইন আছে বেশ কিছু। সেই অয়েল আবার সুদানের থেকে চীন কেনে। ওটা তাই কব্জা করা চাইই চাই। ন্যাটো হল ওয়ার্ল্ড গভর্মেন্টের আরেকটি পিলার, যা পরে ওয়ার্ল্ড আর্মিতে পরিণত করার প্ল্যান আছে।
  • lcm | ০৫ মার্চ ২০০৯ ১৪:৪২403233
  • দেখো, আট আট জন বলেছিল, সর্বনাশ আসছে...
    http://money.cnn.com/galleries/2008/fortune/0808/gallery.whosawitcoming.fortune/index.html
    (কিন্তু শোনা যায় নি, হয় ফিসফিস করে বলেছিল, বা, মার্কেটের জয়ধ্বনিতে চেপে যায় এনাদের আওয়াজ)
  • rokeyaa | ০৬ মার্চ ২০০৯ ০৯:৪৮403234
  • কোলকাতা টিসিয়েস নাকি গুচ্ছ লোক্কে ছাঁটছে? এনি খবর?
    জিয়েম কবে দেউলিয়া হবে?
  • Arijit | ০৬ মার্চ ২০০৯ ০৯:৫১403235
  • এরকম আমিও শুনেছি। ইউকে কাজ করতো একটা ছেলে - প্রোজেক্ট স্ক্র্যাপ হয়ে গেছে আচমকা, ফিরে এসে বসে আছে - ওই টিসিএসেই। মনে হয় কিছু আভাস আছে - চাকরি খুঁজছে। কয়েকজনের কাছেই শুনলাম এরকম।
  • pi | ০৬ মার্চ ২০০৯ ১১:২২403236
  • টইয়ের টপিককে একটু বেলাইন করেই একটা প্রশ্ন দ্রি কে,
    অয়েল মাইন দখলের লুক্কায়িত উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছিনা। কিন্তু প্রশ্ন হল, ঐ দার্ফুরে কি 'ভীষণ'অভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি ?
    আর হয়ে থাকলে সে নিয়ে কী করণীয় ?
    সে নিয়ে হস্তক্ষেপ কি নিন্দনীয় ?
  • d | ০৬ মার্চ ২০০৯ ১১:২৯403239
  • টি সি এসের খবর তো আজকের আবাপ'তেই আছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন