এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • প্রসঙ্গ জে এন ইউ

    রৌহিন লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্যান্য | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ | ৮০০৩৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:৫৪691204
  • শুধু সিয়াচেন বা যুদ্ধক্ষেত্র কেন, যেকোন দুর্যোগেও তো আর্মিই শেষ ভরসা। যেখানে আর কেউ যেতে পারেনা, যে কাজ আর কেউ করতে পারেনা, সেখানে আর্মিকে পাঠানো হয়। পাহাড়ে যখন ধস নামে, বন্যা হয় আর ভয়ানক সাইক্লোন রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যায় তখন সাধারন লোকের জীবন রক্ষা করতে এগিয়ে আসে আর্মি। আর্মির জওয়ানরা নিজেদের জীবনের পরোয়া না করে অন্যের জীবন বাঁচায়। হেলিকপ্টারের পাইলটরা এমন সব রেসকিউ মিশন চালায় যা সিনেমাতেও কেউ দেখাতে সাহস করবেনা। কারন আর্মির কাছে দেশের থেকে বড়ো কিছু নেই। আর সেজন্যেই দেশের লোকও জানে আর্মিকে সম্মান করতে। কাঁটাতার, যুদ্ধ আর ক্রিকেট পেরিয়েও দেশের লোক জানে যে ভয়ংকর বিপদ যখন এগিয়ে আসবে তখন আর্মি তাদের শেষ ভরসা। এমনকি শত্রু দেশ যখন আক্রমন করতে আসবে তখনও সেই আর্মিই ভরসা।
  • cb | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:৫৫691226
  • আফ্স্পা অঞ্চলে লোকাল ট্রেন বিশেষ চলে টলে না বোধহয়, আদারওয়াইস জিগানো যেতই
  • avi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:০৩691237
  • ঠিক কথা। দেশে মহামারী হলে, টার্মিনাল রোগ হলে ডাক্তারেরা শেষ ভরসা, হার্ড দিস্ক ক্র‍্যাশ করলে কম্পু মেকানিক শেষ ভরসা, ফেমিন হলে র‍্যাশন ডিলার শেষ ভরসা।
  • avi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:১২691248
  • ভালো কথা, সায়েন্স টেকনোলজি আর সুস্থিত অর্থনীতি ছাড়া বহি:শত্রুর আক্রমণ কোনো সেনাবাহিনী আটকাতে পারে না। মহান ভারতের মহাপ্রতাপশালী সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ২০-২৫ দিনের ইন্টেন্স যুদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে, গত বছরের ডিফেন্স নিউজের মতামত, তারপর গোলাবারুদ শেষ, কারণ নিজস্ব বলতে কিছু নেই। আর্মির নিজস্ব রিসার্চ শোচনীয় বললে কম বলা হয়। পুরোটা ঘুষ আর কাটমানির ওপর দাঁড়িয়ে। কারণ আর্মির খরচের হিসেব থাকে না। কারণ তারা দেশের নিরাপত্তা দেয়, তাই প্রশ্ন তোলা মানা। পাকিস্তান ছেড়ে দিন, বড় কারো সাথে যুদ্ধ হলে সেই ১৯৬২ রিপিট হবে, সে আনন্দবাজারের ভয়ে চীন যতই কাঁপুক।
  • Ekak | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:৩০691259
  • ১) আপত্কালীন পরিষেবার জন্যে সেনাবাহিনী দরকার। সেটা আগুন লাগা-মহামারী-ধ্বস-যুদ্ধ যা কিছু হতে পারে। ইন্ডিয়ান আর্মি মোর অর লেস এই কাজ গুলো প্রফেশনালি ভালোভাবেই ডীল করে। তাদের কে সম্মান করবেন কে করবেন না সেসব কমপ্লিটলি ইম্মেটেরিয়াল। যদ্দিন আপত্কালীন পরিষেবার দরকার থাকবে, আর্মি ও থাকবে।

    ২) সিয়াচেনে কি হয় ? ধরে নিলুম পুরোটা সাজানো যুদ্ধ। তো ? ইন্ডিয়া সাজানো বন্ধ করলে চীন করবে ? অভাবে দেখলে পৃথিবীর সব যুদ্ধই সাজানো, রাষ্ট্রের চুতিয়াগিরি ছাড়া কিস্যু নয়। তো ? একা ইন্ডিয়া নামাবলী গায়ে চড়ালে বাকি সব প্রতিবেশী রাষ্ট্র চুতিয়াগিরি বন্ধ করে দেবে?

    ৩) দেশপ্রেম এ আমার বাল ছেঁড়া যায়। কিন্তু এই মুখগুলো কে ঠিক বুঝিনা যারা কিনা কদিন আগে ফেসবুক কর্মকর্তার ব্রিটিশ শাসন সংক্রান্ত ফুটেজ নিয়ে খিস্তি করছিল আবার এখন অন্যদের ন্যাশাঅনালিস্ট বলে খেস্তাচ্ছে। এদের দেখলেই দেজাচু হয়।

    আইদার : "ব্রিটিশ রুল এর আন্ডারে ইন্ডিয়া ভালো ছিল " বা "চিনের চেয়ারম্যান আমাদের চেয়ারমেন " বা " ভারত কি বরবাদী " বললে কোনো দোষ নেই ........। কোনো স্তিতিশীল রাষ্ট্র মানি না। যার যাকে সঠিক প্ল্যানার মনে হয় সে তার প্ল্যানে সাবস্ক্রাইব করতে পারে, দেশ এর মধ্যে বসে তাকে পেত্রনাইস ও করতে পারে। আমি বলতে পারি আমেরিকা ভারত অধিকার করুক বা চীন পুরো নর্থ ইস্ট ফ্রন্টিয়ার এর দখল নিক। "স্বাধীন ভারত" -"প্রজাতন্ত্র" এসব ঢপ।

    নচেত,
    আমরা একটা কন্ট্রাক্ট এর মধ্যে স্টেট এর আন্ডারে সবজেক্ত্স এবং স্টেট বিরোধী কোনরকম চুলকানি প্রদর্শন করলেই হাম্পু দেওয়া হবে।

    একটা টিপিকাল হলি গ্রেইল মারানো চলে এই সো কোল্ড এন্টাই ন্যাশনালিস্ট ব্রিগেডে। একচুয়ালি এদেরও একটা ন্যাসনালিস্ম আছে। দ্যাট ইস দেয়ার ওন ম্যাপ। দেয়ার ফ্লেভার অফ প্ল্যানিং। তার বাইরে বললেই হাউমাউ করে তেরে এসে আপনাকে অমুক দেশের দালাল, তমুক বাদ এর সমর্থক এসব ট্যাগ দিয়ে দেবে। এখন দুই ভাই তে চুলোচুলি লেগেছে বলে এত ঢং।
  • T | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:৫৭691270
  • এককের এই আইদার অরের গল্পটায় স্টেট নিজেই নিজের পজিশন ঠিকঠাক ডিক্লেয়ার করতে পারেনি, না হ'লে সংবিধানে এত ফাঁকফোকর থাকত না।
    আর কন্ট্রাডিকশন তো থাকতেই হবে। এন্ট্রপি বাড়তে থাকুক, ডিসওর্ডার বেড়ে যাক। প্রেজেন্ট সিস্টেমকে ভাঙতে হ'লে এটা আবশ্যিক। নতুন কন্সেপ্ট তারপর জন্ম নেবে। জাস্ট দুটো ক্লাসে জনতাকে সাবস্ক্রাইব করতে হবে এটায় আপত্তি আছে। স্টেট নিজেই না ঘেঁটে গেলে আর কি হ'ল!
  • ranjan roy | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:২১691281
  • প্রশ্ন হল কে দেশপ্রেমিক আর কে নয় তার মাপকাঠি কী?
    সারাজীবন যে লোকটা কোন ঘুষ না খেয়ে মেশিনে কাজ করছে বা যে শিক্ষক নিজের সাধ্যমত যত্ন করে ছেলেমেয়েদের নিয়মিত পড়াচ্ছে সে দেশপ্রেমিক নয়?
    আর এই হোলিয়ার দ্যান দাউ অ্যাটিচুড?
    ধরুন আমার বাবা-মা আমাকে জন্ম দিয়েছেন এবং যত্ন করে বড় করে নিজের পায়ে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন। এর পরিবর্তে কি তাঁদের প্রতি প্রশ্নাতীত আনুগত্য দেখাতে হবে? তাঁদের সব কাজকে সমর্থন করতে হবে? তাঁরা কি একই যুক্তিতে আমার পছন্দের বিপরীতে কারো সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার এবং পণ নেওয়ার অধিকার রাখেন?

    কে আসল দেশদ্রোহী?
    ===============
    ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস লিখছে যে দেশের হোম মিনিস্টার কাল প্রেস কনফারেন্স করে বললেন --জে এন ইউর আন্দোলন টেররিস্ট সমর্থন পুষ্ট। প্রমাণ হিসেবে ফেসবুকে হাফিজ সৈয়দের পোস্ট!
    পরে সৈয়দ তাঁর পরিচিত আইডি থেকে পোস্ট করে জানায় যে ভারত সরকারের কথিত পোস্টটি ফেক আইডি থেকে করা। এবং এই সুযোগে সে খিল্লি ওড়ায় ও বলে ওটাই ভারতীয় ষড়যন্ত্রের প্রমাণ!

    এদিকে দিল্লি পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তা জানালেন যে এখনও ওই ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে কোন টেররিস্ট যোগ পাওয়া যায় নি। তাহলে এই যে নির্দোষ ছাত্রদের টেররিস্ট যোগের অজুহাতে জেলে পোরা হল ও আন্তর্জাতিক স্তরে ফেক টুইট এর ভিত্তিতে অফিসিয়ালি হৈচৈ করার জন্যে ভারতের মুখ পুড়ল তার দায় কি মাননীয় রাজনাথ সিং নেবেন?
    আর জে এন ইউ এর অধ্যাপকবৃন্দ? এঁরাও দেশদ্রোহী?

    সিপিএম এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বোর্ডের ওপর যাঁরা পাকিস্তানি লিখে স্লোগান দিয়ে পালাল তাঁরাই দেশপ্রেমী?

    আর এই সব তথাকথিত দেশপ্রেমীরা তথ্যকে ভয় পান কেন?
    সবসময় গসিপ ছড়ানো! সুচতুর ভাবে মিথ্যে কথা বলা!
    সুন্দর উদাহরণ ওপরে জনৈক ফুটকির "কাসভের" নাম গুঁজে দেওয়া?
    কাসভের পক্ষে দাঁড়িয়ে সওয়াল কে করেছে? জে এন ইউতে? গুরুতে?
    আর ইশরাত জাহানের এনকাউন্টার যে ফেক সেটা তো ভারত সরকারের তদন্তেই প্রমাণিত। এটা তো না গুরুর আবিষ্কার না ছাত্রদের।
  • পুপে | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:২২691292
  • cb দা, বাকি অনুবাদটা?
  • Ekak | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:২৩691303
  • ওভাবে সকালবেলা রোদ্দুর লেগে ফুটি ফাটার মত নতুন কনসেপ্ট বলে আদৌ কিছু হয় কি ? :) গণতন্ত্র বাড়তে বাড়তে একদিন রাষ্ট্রহীন বিশ্বের জন্ম দেবে এটা একটা অশ্বডিম্ব থিওরি। গন্ততান্ত্রিক রাষ্ট্র বলে ওরকম কিস্যু আলটিমেট নাই। গণতন্ত্র কে একটা লম্বাআ স্পেকট্রাম ধরলে সেই রাজতন্ত্রেও গণতন্ত্র ছিল এখনো আছে জাস্ট পার্টিসিপেশন বাড়িয়ে আমরা মডেল টার এনট্রপি বাড়ানোর চেষ্টা করছি মাত্র। কিন্তু এর মূলে একটা ধোঁকা আছে যেটা স্বপ্ন দেখা জনতা দেখতে পায়না। এরা মনে করে গণতন্ত্র মানে জনতার হায়েস্ট পার্টিসিপেশন, সবার ভয়েস ইটিসি। তাই যদি হত তাহলে একটা এপ বানিয়ে সবার হাতে তুলে দিয়ে সবকিছুর জন্যে ভোটিং করলেই তো একদম গণতন্ত্রের হদ্দমুদ্দ হত। ধরে নাও কসভ এর ফাঁসি থেকে সালমান এর জেইল সবকিছুতেই আসমুদ্রহিমাচল ভারতবাসী টোল ফ্রি নাম্বারে ( স্টেট প্র্মতেদ ফ্রি বেসিকস :P ) ফোন করে বা এপ এ ট্যাপ করে ভোট দেবে। একে ঝুলিয়ে দাও তাকে ছেড়ে দাও। সেটা কি গণতন্ত্র ? হায়েস্ট পার্টিসিপেশন কিন্তু !!

    ডিস্অর্ডার একচুয়ালি বাড়ছেনা। পার্টিসিপেশন বাড়িয়ে কালেকটিভ ডিসিশন মেশিনকেই ভ্যালিদেট করানো যাচ্ছে শুধু যে আদতে ভিন্ন স্বর এর গলা টিপে ধরছে। স্টেট ভাংছে না বরং সে একটা কয়াসী রিয়ালিস্ট চেহারা নিচ্ছে যে তার সাবজেক্ট দের ফলস পার্টিসিপেশন এর নেশা ধরাচ্ছে। স্টেট ঘেঁটে গেলে আমি খূঊপ ই আনন্দ পেতুম কিন্তু তার চিহ্নমাত্র দেখছিনা।
  • মিকটেক্স | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:২৫691315
  • আর্মিকে গ্লোরিফাই করে যিনি বেশ কয়েকটা পোস্ট করেছেন উনি বোধায় ইচ্ছে করেই আর্মির ভয়ানক অত্যাচারের কথাও চেপে গেছেন। শুধু ইন্ডিয়ান আর্মি না, যেকোন দেশের আর্মি সাধারন লোকের ওপর অত্যাচারে বহুবার অতীব দক্ষতা দেখিয়েছে।

    আরেকটা প্রশ্ন, আপনি লোকাল ট্রেনের উদাহরন দিয়েছেন - আপনি নিজে কখনো লোকাল ট্রেনে রেগুলার যাতায়াত করেছেন? আমার মনে হয় করেননি। লোকাল ট্রেনে আর্মিকে গ্লোরিফাই করে বুলি ছাড়লে সবাই বাহবা দেয়, এরকম আপনাকে কে বলল? কয়েকদিন এরকম করে দেখুন, অনেক যাত্রী আপনাকেই আওয়াজ দেবে। লোকাল ট্রেনে যথেষ্ট পলিটিকাল আলোচনা হয় আর তাতে সবরকম মতবাদ আলোচনা করা হয়। বাজি রেখে বলছি, একতরফা আলোচনা করতে পারবেন না।
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:২৬691326
  • "If you tell a lie big enough and keep repeating it, people will eventually come to believe it. The lie can be maintained only for such time as the State can shield the people from the political, economic and/or military consequences of the lie. It thus becomes vitally important for the State to use all of its powers to repress dissent, for the truth is the mortal enemy of the lie, and thus by extension, the truth is the greatest enemy of the State."

    এটা গোয়েবলস আদৌ বলেছিলেন কিনা সেই নিয়ে বিতর্ক আছে। তবে গোয়েবলসপন্থীরা যে এটাকে একেবারে হৃদয়ে জায়গা করে দিয়েছেন তাই নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। একেবারেই না।
  • avi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:২৭691337
  • রঞ্জন রায় ১২:২১ পি এম : ক্ক ক্ক।
  • মিকটেক্স | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:২৮691348
  • আগের পোস্টটা . কে উদ্দেশ্য করে।
  • ranjan roy | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৩০691370
  • একককে একটাই প্রশ্নঃ
    ১)"দেশপ্রেম এ আমার বাল ছেঁড়া যায়। কিন্তু এই মুখগুলো কে ঠিক বুঝিনা যারা কিনা কদিন আগে ফেসবুক কর্মকর্তার ব্রিটিশ শাসন সংক্রান্ত ফুটেজ নিয়ে খিস্তি করছিল আবার এখন অন্যদের ন্যাশাঅনালিস্ট বলে খেস্তাচ্ছে। এদের দেখলেই দেজাচু হয়। "
    --- যারা ফেসবুক কর্মকর্তাকে খেস্তাচ্ছিল আর আজকে জিঙ্গো ন্যাশনালিজম কে খিস্তি করছে তারা একই একই ইউনিফর্ম সেট? ইন্টারসেকশন সেট সবসময়ই থাকে, সেটা ধরছিনা।

    ২)
    "আমরা একটা কন্ট্রাক্ট এর মধ্যে স্টেট এর আন্ডারে সবজেক্ত্স এবং স্টেট বিরোধী কোনরকম চুলকানি প্রদর্শন করলেই হাম্পু দেওয়া হবে।"

    -- বেশ, কিন্তু হাম্পুটা কা কার পেছনে ঢুকছে এবং ঠিকমত ঢুকছে কি না সেটা দেখতে হবে না?
    আর সরকার=স্টেট(?)
    সরকারের কোন নীতির বিরোধিতা করলে স্টেটের বিরোধিতা ধরা হবে?

    আর এই আইদার/অর দ্বৈতের বাইরে একটা বিশাল তৃতীয়
    সেট নেই? মানে যারা বর্ডার মানে, তেরঙ্গা মানে, জনগণমন মানে,সেনাবাহিনীকে সম্মান করে কিন্তু সরকার দেশপ্রেমের নামে যা খুশি বাজারে চালালে সেটা নিয়ে মুখর হয়?
  • pi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৩০691359
  • নানা বিপর্যয়ের সময় আর্মি অবশ্যই প্রশংসনীয় কাজ করে। কিন্তু এটার জন্য আর্মি, মানে দেশের প্রতিরক্ষার কাজে যাঁরা যুক্ত, তাঁদেরই রাখতে হবে, এমন তো মানে নেই। এরকম ট্রেনিং দিয়ে ডিসাস্টার ম্যানেজমেন্ট সেলে এক্সক্লুসিভ লোকজনই রাখতে পারা যায়, তাঁদের মুক্তকণ্ঠে প্রশংসাও করা যায়। অবশ্য সেটা তো করা হবেনা, তাহলে তো আর আর্মি দিয়ে এইচ টি টি মারানো যাবে না !
  • pi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৩৪691392
  • সিবি, এই যা যা আসছে, তাই নিয়ে একটা লেখা বানিয়ে ফেলুন না ?
  • pi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৩৪691381
  • একটু শোনা যাক ?

    Shehla Rashid, JNUSU Vice President, addresses students and teachers gathered in protest against BJP Govt.s unprecedented assault on campus democracy.

    “The assault on JNU is a well drafted script by the RSS-BJP which uses the charade of Anti-National to silence the most vocal intellectual opposition against BJP govts anti-India policies”
  • pi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৩৫691403
  • ওহো, আগের পোস্টে লিংটা দিইনি।

    http://www.indiaresists.com/shehla-rashid-jnu-crackdown/

    আর বাকি যে কেউই লিখতে পারেন।
  • avi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৩৬691414
  • নাহ, নান্য পন্থা বিদ্যতে অয়নায়। হয় এদিকে নয় ওদিকে। হয় গেরুয়া দেশপ্রেমী, নয় লেফট। আবার এখানে লেফট ট্যাগড জনতাই হীরাভতে লেফট বিদ্বেষী হিসেবে স্বীকৃত। ক্যাটেগরাইজড না করে কোনো তর্কই দেখি না আজকাল।
  • Ekak | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৪১691426
  • @রঞ্জন দা

    ১) হান্দ্রেদ পার্সেন্ট ওভারল্যাপিং সেট আবার পলিটিকাল অপিনিয়ন এ তে হয় নাকি ?? রঞ্জনদা র প্রথম প্রশ্ন টার ভ্যালিডিটি পেলুম না :)
    ২) দেখুন না। কে বারণ করেছে ? দেশপ্রেম এর নামে "যা খুশি " নিয়ে তো কথা হচ্ছেনা এখানে। চারপাশে অনেক "যা খুশি " কে সমর্থন করেন না এরকম লোক ও কিন্তু যে এন ইউ এর ঘটনার এক কোথায় নিসন্দ করেছেন কারণ ওদের মঞ্চ থেকে ভারতবিরোধী স্লোগান উঠেছে( ডাসনত ম্যাটার অন্য লোক ঢুকেছিল না ওরাই )। "মানে যারা বর্ডার মানে, তেরঙ্গা মানে, জনগণমন মানে,সেনাবাহিনীকে সম্মান করে কিন্তু সরকার দেশপ্রেমের নামে যা খুশি বাজারে চালালে সেটা নিয়ে মুখর হয়" .....এই সেট এর লোকজন ই :)

    দেশপ্রেম এর নাম এ যা খুশি চলবে না তাই তো ?

    আমি মানি না। কারণ,

    রাষ্ট্র বিরোধিতা র নামে "যা খুশি " চলবে এটা আমি মানি।

    আপনি নিজে তো আর এক মুহুর্তে, একটা ফ্লাক্রাম এ দাঁড়িয়ে একাধিক সেট এ বিলং করছেন না :) কাজেই আপনি নিজেই ভেবে দেখুন একটা যা খুশি মানি আরেকটা মানি না এই স্ট্যান্স আপনাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে:)

    বরং অনেক সেন হত যদি বলতেন রাষ্ট্র যখন পাগ্লাচদামি শুরু করে পাবলিক ও বসে থাকে না। তারাও পাল্লা দিয়ে সেটাই করে। দ্যাট ফিটস দ্য প্রেসেন্ট সিনারিও। একচুয়ালি সেটাই ঘটছে। একটা ক্যাম্পাসে একদল ছাগলের ম্যা ম্যা দেশপ্রেমে কান পাতা দায় আরেকদল পাগল সরাসরি বলে দিয়েছে মা কী আঁখ ! এখন দুটো ইদিপাল মিলে লড়ছে।
  • ranjan roy | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৪৫691437
  • একক,
    এইবার তোমার কথা স্পষ্ট বুঝতে পারলাম।ঃ))))
  • cb | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৩:০৩691448
  • আগে অনুবাদ টা হোক, ওটা ইম্পর্ট্যান্ট। আজকে যে ভাবে হোক নামাব
  • d | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৩:১৮691459
  • অভি'র 12:36 একদমই তাই। আপনি জেএমবি'র সমালোচনা করলে আপনি আসলে মোদিভক্ত ইসলামোফোব, আপনি আমার পছন্দের দলটির কোনও নিন্দেমন্দ করলে আপনি আসলে উন্নয়নবিরোধী আপনি মোদে সরকারের পলিসি নিয়ে প্রশ্ন তুললে আপনি অ্যান্টি ন্যাশনাল ইঃ ইঃ।
    ঐ যে নিজ নিজ ফিল্ডে সফল লোকজন অন্যের মতামতকে স্পেস টাইমের সাপেক্ষে বাঁকিয়ে চুরিয়ে গ্র্যাভ ওয়েভ তৈরী করতে আগ্রহী ---

    মাঝে মাঝে জঙ্গম-এর ভল্টু ঘোষের মত বলতে ইচ্ছে করে 'লুদুউউর লুদুউর'
  • অসাধারণ | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৩:৩৮691470
  • শেহলা রশিদের প্রেমে পড়ে গেলাম - এমন সুন্দর, যথাযথ বক্তৃতা কখনও শুনেছি বলে মনে করতে পারছি না। অবশ্য কতটুকুই বা শুনেছি?

    টু গুড, টু ফ্যান্টাস্টিক, টু অ্যাপ্ট! এটা অনুবাদ হওয়া দরকার।
  • রৌহিন | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৩:৪৬691476
  • বিপর্যয় মোকাবিলায় বারবার আর্মিকেই নামতে হয় এটা রাষ্ট্রের ব্যররথতা ছাড়া কি? অবশ্য এই ব্যররথতা স্ট্র্যাটেজিক এবং ইচ্ছাকৃত বলেই আমার সন্দেহ - এই কাজগুলোয় আর্মিকে ব্যবহার করা হয় জনমানসে "সম্মান" তৈরি করার জন্যই। যাতে আর্মিকে বিজ্ঞাপিত করা যায়, গ্লোরিফাই করা যায়।
    এমনিতে ভারত সহ যে কোন দেশের যে কোন আর্মির মূল পারপাস একটাই - খুনোখুনির মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তার করা ও বজায় রাখা। এবং সমস্ত দেশই বলে থাকে যে তাদের আর্মির কাজ মূলতঃ "বহিঃশত্রু"র আক্রমণ থেকে দেশকে "রক্ষা" করা। সবাই যদি শুধু রক্ষাই করে, তবে রক্ষা করার কী দরকার তার জবাব দেবার দায় কারোই নেই। কথা হচ্ছে তাহলে কি আর্মি উঠিয়ে দিতে হবে? যেমন একক বলল - " ইন্ডিয়া সাজানো বন্ধ করলে চীন করবে ? অভাবে দেখলে পৃথিবীর সব যুদ্ধই সাজানো, রাষ্ট্রের চুতিয়াগিরি ছাড়া কিস্যু নয়। তো ? একা ইন্ডিয়া নামাবলী গায়ে চড়ালে বাকি সব প্রতিবেশী রাষ্ট্র চুতিয়াগিরি বন্ধ করে দেবে?" না, করবে না। আর্মিও লাগবে। কিন্তু আমাদের নিজেদের বুঝতে হবে - আমরা আর্মিকে গ্লোরিফাই করেই যাব কি না। কয়লা খাদানের শ্রমিক, হাইওয়ের ট্রাক ড্রাইভার, হাই ড্রেন পরিষ্কার করে যে শ্রমিক, এরকম অনেকেই "দেশের কাজের" জন্য নিজেদের জীবন বিপন্ন করে থাকে। এবং হিসাব দেখলে এদের অধিকাংশ পেশাতেই মৃত্যুর হার আর্মির চেয়ে বেশী - অঙ্গহানির হারও। অথচ এরা কেউ শহীদের সম্মান পায় না। মাইনে নেই। ছেলেমেয়ে স্ত্রীর জন্য হাজারটা অনুদানের ব্যবস্থা নেই। অন্যান্য পার্কস নেই। ক্যান্টিনের ডিউটি ফ্রী মালপত্র নেই। মাথার পিছনে হ্যালো নেই।
    এবার অন্য কথা। আর্মির বিরুদ্ধে কোথায় কোন স্লোগানে বলা হল। আফজল গুরুর ফাঁসি আর্মি দেয় নি। ঈশরাত জাহানের খুনও আর্মি করেনি। এগুলোর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা = দেশের বিরুদ্ধে বলা = আর্মির বিরুদ্ধে বলা - এই সব সমীকরণ কারা কখন কিভাবে কেন তৈরী করে? "দেশপ্রেম এর নাম এ যা খুশি চলবে না তাই তো ? আমি মানি না। কারণ, রাষ্ট্র বিরোধিতা র নামে "যা খুশি " চলবে এটা আমি মানি।" - দেশপ্রেমের নামে যা খুশী যে চলবে এটা আমিও মানি। না মানলেও চলবেই। কিন্তু রাষ্ট্র বিরোধিতা (?)র নামে যা খুশী চলা তো দূরে থাক, কিছুই চলতে পারবে না - প্রশ্ন তোলাও যাবে না, এটা আমি মানিনা। প্রশ্ন উঠবেই - অন্ততঃ ছাত্ররা তো তুলবেই। নেতৃত্ব, বাম নেতৃত্ব সেই প্রশ্নকে আন্দোলনে পরিণত করতে পারেন কি না সেটা তাদের পরীক্ষা। "দেশপ্রেমে" আমারও বালছেঁড়া যায়।
  • foron | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:০২691477
  • "রাষ্ট্রের বিলোপসাধন বামপন্থী ম্যানিফেস্টোর অন্যতম অংশ " -তাই ?চীন, কিউবা, সাবেক সোভিয়েতের যুদ্ধাস্ত্র, আর্মি আছে / ছিল কেন ?তাদের সেনারা বুঝি মাইনে পায় না / পেত না সব কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো দাস ক্যাপিটাল পড়ে ফ্রি তে যুদ্ধ করে ?আমাদের দেশে CPI CPM এর সাংসদ বিধায়ক মন্ত্রী রা যখন "সত্যনিষ্ঠার সহিত" শপথ নেন তখন তো বলেন "I will uphold the sovereignty and integrity of India that I will faithfully and conscientiously discharge my duties "। সেটা কি জেনে বুঝে মিথ্যে বলা ?
    ওদিকে স্বরাজ অভিযানের activist প্রফ আনন্দ কুমার বলছেন [হায় et tu brute ] - "in my opinion they crossed the laxman rekha by shouting slogans like 'Bharat ki barbadi' and treating Afzal Guru as a martyr".
    আফজাল গুরুর ফাসীর বিরুদ্ধে মিছিলে কেন স্লোগান ওঠে "ভারত কে টুকরে হোঙ্গে হাজার ","ভারত কা বরবাদী ","‘war, until the destruction of India " ?
    http://timesofindia.indiatimes.com/city/delhi/A-year-on-Afzal-splits-JNU-down-the-middle/articleshow/50967591.cms
    পরে প্রেস ক্লাব এও ভারতবিরোধী স্লোগান দিয়েছে, যেটা আবার নিউস চ্যানেল লাইভ দেখিয়েছে।
  • Ekak | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:১৫691478
  • গ্লোরিফাই না করলে আপনি আর্মি তে এক শতাংশ হলেও যে কমিটেড অফিসার পান সেটা পাবেননা। এটা একটা নাটক যেটাতে আমরা সাব্স্ক্রাইব করি। হাইপ না খাওয়ালে লোকে সেফ প্রফেশনে যাবে আর্মি তে যাবেনা। আর্মির বাজেট যেমন পাবলিক করা হয়না সেরকম আর্মি এবং ইন্টেলিজেন্স এ কত লোক রেগুলার পটল তুলছে শত্রুর হাতে সেটাও সামনে আসেনা। হিন্দি সিনেমা তে দেখায় আর্মি বেঁচে থেকে সবাইকে খতম করে দিলো ওটা তো সত্যি নয় :)) পালে পালে জোয়ান মারা যায় শুধু সীমান্তেই। কাজেই এই যে হ্যালো দেওয়া হয় এটা হিসেব করেই। যদ্দিন না আমরা আপত্কালীন ব্যবস্থার জন্যে রোবট ভাড়া করতে পারছি তদ্দিন আমাদেরই মধ্যে কিছু লোক কে বার খাইয়ে আর্মি জয়েন করাতে হবে। দেশ এর সব লোক যদি বুঝে যায় যে যুধ্ধবিমানের ডিলিং এ পয়সা খাওআ হয় তাহলে ওই বিমান চালানোর লোক পাওয়া যাবেনা। অন্য দেশ এর বিমান এসে এদেশের ঘাঁটি ধ্বংস করে দিয়ে যাবে।

    আপনারা যখন আর্মি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তখন এই রিয়ালিটি টাকেই অস্বীকার করেন যে, আপনাকে একটা গেম শুরু থেকে খেলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। একটা গেম এর মাঝখানে এনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যেখানে অলরেডি শত্রু গাঁড় মারার জন্যে রেডি হয়ে আছে। জাস্ট বুলেট এর বিরুদ্ধে বুলেট গুনে দেওয়া ছাড়া কিছু করার নেই। আর যদি ঐতিহাসিক ডেটা দিয়ে দেখেন তাহলে দেখবেন বহি শত্রুর থেকে সুরক্ষা খাতে ব্যয় আগের তুলনায় কমেছে। দুটো বিশ্ব যুদ্ধ পেরিয়ে পৃথিবী অনেক বেশি স্থিতিশীল। বানিজ্যের শর্ত এমন ভাবে চেপে বসেছে যে চাইলেই দুটো দেশ হুট করে ক্যালাকেলি বাধাতে পারেনা। এগুলো তো ভালো দিক। আমরা কিন্তু তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধ বাধাবার মত পরিবেশে থেকেও বাধাচ্চিনা এটা উন্নতির লক্ষণ নয় কি ?

    এবার আপনি কি চান সেটা আপনার ব্যাপর। যুদ্ধঃ চান নাকি যুদ্ধ যুদ্ধ পরিবেশ। চাড্ডি দের পলিটিক্স টাই হচ্ছে এরা যুদ্ধ যুদ্ধ পরিবেশ সৃষ্টি করে কারেন্সি ভ্যালু কন্ট্রোলে রাখা। এবং সব দিক থেকে জনতার দৃষ্টি ঘোরানো। সেন্ট্রাল ব্যান্কার অলরেডি বলে দিয়েছে ফরেক্স ব্রেক করবে চাপ নেওয়া যাচ্ছেনা, এদিকে মোদী ও তার সাঙ্গপাঙ্গ রা সরকারী বিনিযোগ এ খরচ বাড়িয়ে ইকনমি কন্ট্রোলে আনার চেষ্টা করছে। এসব করতে গিয়ে প্রচুর ভুলভাল স্টেপ ও নিচ্ছে। ঠিক এইরকম একটা মুহুর্তে দাঁড়িয়ে, ইন্ডিয়ার মত একটা দেশ যেখানে ভোট দেওয়া জনতা এমনিতেই ইমোশনাল আলুকাবলি, সেখানে ন্যাশনালিস্ট দের ম্যাতকার এর বিরুদ্ধে যেতে গিয়ে "ভারত কি বরবাদী" টা কি পলিটিকালি সুইসাইডল পদক্ষেপ নয় ?? সীডিসন রুল একটা কলোনিয়াল রুল কিন্তু যখন কেরালায় একজন ছাত্রকে সিনেমা হলে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে উঠে না দাঁড়ানোর অপরাধে জেইলে পরা হলো তখন বাম নেতারা নীরব। এখন এমন একটা ইস্যু তে কালেকটিভ কে খেপানোর তাল করছেন যে, যারা হার্ডকোর ন্যাশনালিস্ট নয় তারাও বিরক্ত হয়ে আছে। এই কান্ডজ্ঞান টা দরকার। এই রুল টা উঠিয়ে দেওয়া আন্দোলন হলে আমি সবচে খুশি হব কিন্তু এই ইস্যুটা কে কেন্দ্র করে সেই আন্দোলন হলে আমি দুবার ভাবব, কারণ এক্স্প্যান্সনিস্ট ভারত রাষ্ট্র এটা যেমন সত্যের একটা দিক, সেপারেটিসট এজেন্ট (অর ভলান্টারি ) ও কিন্তু আরেকটা দিক। এই ইকনমি তে দাঁড়িয়ে সেরকম কোনো ক্যাচাল আমি চাইব না।
  • PP | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:২৮691479
  • ফোরন কে ক্ক
  • Ekak | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৪:২৯691480
  • "বিপর্যয় মোকাবিলায় বারবার আর্মিকেই নামতে হয় এটা রাষ্ট্রের ব্যররথতা ছাড়া কি? "

    এটার মানে কিছু বুঝলুম না। এইসব কাজ আর্মি ছাড়া কে করবে ? মাইল এর পর মাইল জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে হেভি মেশিনারি বয়ে নিয়ে যাওয়া, এক-দের ফুট চওরা পাহাড়ের রাস্তা একপাশে খাদ সেখানে অধ ঘন্টার নোটিশে রাস্তা তৈরী, দাইনমাইত ইউস করে পাথর সরানো, এসব সাধারণ মানুষের কাজ নাকি ?? আর্মি মানেই শুটার-স্নাইপার নয়, একটা বিরাট অংশ নিয়মিত সারা দেশ জুড়ে এইসব কাজ করে চলেছে সঙ্গে রেস্ক্যু অপারেশন। আপনার এরকম অদ্ভুত ধারণা কোথা থেকে হলো বুঝলুম না। বলতে পারেন আর্মি জোয়ান কে আরও বেশি পরিমানে ইমার্জেন্সি ওয়ার্ক এ লাগানো উচিত, কর্নেল দের গলফ ক্যাডি না বানিয়ে :) সেটা বরং কাজের কাজ হবে। তাতে আর্মির সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ ও বাড়বে।
  • . | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:০০691482
  • "এটার জন্য আর্মি, মানে দেশের প্রতিরক্ষার কাজে যাঁরা যুক্ত, তাঁদেরই রাখতে হবে, এমন তো মানে নেই। এরকম ট্রেনিং দিয়ে ডিসাস্টার ম্যানেজমেন্ট সেলে এক্সক্লুসিভ লোকজনই রাখতে পারা যায়"

    না যায়না। পৃথিবীর সব দেশে ডিসাস্টার ম্যানেজ করতে লাস্টে যাদের ডাক পড়ে তারা আর্মি। কারন আর্মির জওয়ানদের যে লেভেলে ট্রেনিং দেওয়া হয় আর যে লেভেলে ওদের মোটিভেশন থাকে সেটা কোন সিভিলিয়ান ইউনিটে দেওয়া যায়না। মোটিভেশন আসে সেই নোংরা শব্দটার থেকে - দেশপ্রেম। আর্মির জওয়ানরা জান কবুল করে এগিয়ে যায় কারন ওরা দেশকে ভালোবাসে, ওরা সুচতুর লজিকের মারপ্যাঁচ দেয়না। তাই শেষ ভরসা হিসেবে থেকে যায় আর্মি। আমাদের সরকার নাহয় ভয়ানক পাজি নাতো ভয়ানক বোকা, কিন্তু সব দেশেরই সরকার ভয়ংকরতম দুর্যোগের মোকাবেলায় শেষে আর্মিকেই ডাকে। হ্যাঁ হ্যাঁ সব দেশেরই সরকার পাজি আর বোকা তাই দেশগুলোকেই উঠিয়ে দেওয়া উচিত ইত্যাদি প্রভৃতি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন