এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • এখন নন্দিগ্রাম - ১৪ই মার্চের থেকে

    Binary
    অন্যান্য | ০৫ মে ২০০৭ | ৩২৩১৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • B | ১১ মে ২০০৭ ০২:৪৮385167
  • অরিজিৎ, চারদিন পরে এলাম, তোর চিঠিগুলো পড়ে অনেক ইয়ে ইয়ে হলো আর পেলোও। তবু একটা উত্তর খাড়া করলাম, তোর মত "স্বভাব দৃঢ়চেতা" মানুষের জন্য। পড়ে ঘুমোতে যাবি না গাল পাড়বি, বা .......

    অরিজিৎএর পোস্টিংগুলো পড়ে প্রভূত হাসি পেলো বললে ও রেগে যাবেই। এটা বোঝা সারা যে ওর বহু বলা কথা "হয় তুমি ... ইত্যাদি"র গুণে বা দোষে আক্রান্ত বলে ও যেরকম প্রতিটি বিপরীত মন্তব্যকে নির্দিষ্টকরন করছে, তার কারণ ও নিজেই সবচেয়ে বেশী ওই একই গুণে(বা দোষে) আক্রান্ত বা ভারাক্রান্ত। ওর এই পোস্টিংগুলোর মূল তীর আমার কটি পোস্টিং নিয়ে, তবে অজানিত কারণে ও আমার নামোল্লেখ না করে বারবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে ওই পোস্টিংগুলোর দিকে। সরাসরি কথা বলার সততা (বা বিরক্তিকর সততা) থেকে ও কি সরে গেলো আজ?

    কোন "ডানপন্থী" বা "সুপ্ত বিজেপিপন্থী" বা "কোন কিছু নয়, শুধু বৃহত্তর অর্থে বাম রাজনীতির বিরুদ্ধবাদীতা করতে গিয়ে সি পি আই এম-এর বিরুদ্ধপন্থী"দের সঙ্গে বিতর্কে তাদের বিপক্ষে কথা বলার সময় অবশ্য এই অবসেশন অরিজিৎএর চোখে পড়ে নি, অথবা পড়লেও ওই "হয় তুমি..." মতবাদে একজনকে পাশে পেয়ে অরিজিৎ দলভারী হবার আনন্দে তা বিস্মৃত হয়েছিলো।

    হয়তো সেই সময় তার দরকারও ছিলো। এখানে এই মন্তব্যটা করা কি ভুল হবে যে এই সময়ে-অসময়ে বিভিন্ন দল বা লোককে নিয়ে গোষ্ঠীগঠনের ক্ষেত্রে এটাও একটি সুবিধাবাদী আচরণ? অরিজিৎ রেগে যেতেই পারে এই মন্তব্যে, এবং অজস্র পুরোনো বাকবিতণ্ডার উদাহরণে ওর দৃঢ়তা, সচেতনতা এবং নিরপেক্ষতার উদাহরণসমূহ তুলে ধরতে পারে।

    কথাগুলো নিতান্তই আপেক্ষিক এবং কিছুটা স্ব-নিরূপিত বলেই আমার অনুমান, এক্ষেত্রে কোন কোন সময়ে অন্য নির্দিষ্ট কারুর কারুর অনুমোদন যে সব সময়েই যৌক্তিক, তা এই সাইট বা কোন সাইটেই হয় না, তার পিছনে অন্য কারণও থাকে। সেটা বিস্তৃত আর বললাম না, সে বিষয়ে একটি তনুর খোলা একটি থ্রেডে বেশ কিছু কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি হয়েছে বলে দেখলাম সেদিন।

    এবার অরিজিৎএর মূল তীরের প্রসঙ্গে আসি। বাইনারি মহাশয়ও পড়ছেন আশা করি।

    ১) তুষার কাঞ্জিলাল সম্বন্ধে প্রত্যেকেই জানে যে তাঁর সুন্দরবন সম্বন্ধে জ্ঞান অপরিসীম। কোন্‌ সভায় বা কোন জায়গায় কে বুদ্ধবাবুকে নরাখাদক বলেছে বলে তিনি আজকাল-এ তাঁর প্রতিবেদনে এ বক্তব্যের বিরোধীতা করে বলেছিলেন যে তিনি কখনই নরখাদক নন। এই প্রতিবেদনের লিঙ্ক দেয়ার সময় একটা এরকম মন্তব্য ছিলো মনে হয় যে ... এমন একজন ব্যক্তি যিনি পশ্চিমবঙ্গের মাটিকে হাতের তালুর মত চেনেন। তাঁর পরিচয় নিয়ে না জানা কারুর তরফে কিছু জিজ্ঞাসার উত্তরে বেশ ব্যঙ্গের সাথেই একটি উত্তর দিয়ে তাঁর পরিচয় দেওয়া হয়েছিল।

    আমার সেদিনের প্রশ্ন, যা আজও বহাল আছে, তা হলো সুন্দরবনের সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞান কি সমগ্র পশ্চিম বাংলার জ্ঞানের জন্ম দেয়? তুষার কাঞ্জিলালের আজকের অবস্থানের পিছনের গূঢ় কারণ সম্বন্ধে পরে জেনে খবর দেবো বলে বলেছিলাম। এবার মনে হচ্ছে তার প্রয়োজন হয়েছে, যদিও সেটাতেও কুৎসার গন্ধই পেতে পারেন কেউ কেউ।

    এই বিষয়ে অন্য একজন ব্যক্তির নাম আসতেই পারতো। তিনি দেবব্রত বন্দোপাধ্যায়, যিনি ভূমি সংস্কার(ল্যাণ্ড রিফর্ম্‌স্‌) কমিশনার থাকাকালীন যাঁর হাত ধরে ১৯৭৭-এর পরে বামফ্রণ্টের ভূমিসংস্কার কার্যসূচী সফলভাবে রূপায়িত হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য বা বর্তমান অবস্থান আজ অবধি কেউই এ পাতায় দেন নি। তাঁকে খুব স্বল্প পরিসরে দেখেছি সবাই সিঙ্গুরের উপরে তোলা তথ্যচিত্র "আবাদ ভূমি"তে, যার লিঙ্ক সম্ভবত: দিয়েছিল ঈশান আর অক্ষ।

    ২) শুভেন্দু মাইতি - এটা বলে নেওয়া দরকার যে পারিবারিক কারণে এবং আরও অন্য কিছু কারণে, এঁর সঙ্গে আমাদের যথেষ্ট পরিচিতিই ছিল, আজও একেবারে বিলীন হয়ে যায় নি তা। এঁর উদ্দীপনাতেই যে সুমন, প্রতুল, নচিকেতার এবং তৎসহ নতুন ধারার গানের উত্থান, তা এ পাতায় জানিয়েওছিলাম আগে একাধিকবার। তখন একটা কথা লিখতে ভুলে গিয়েছিলাম যে আবাপ-এর সেই পূজাপ্রাক্কালের আক্রমণাত্মক প্রতিবেদনের কার্টুনে শুভেন্দু মাইতির ছবিও ছিল। নচিকেতার ছবিও ছিল, সেটাও লেখা হয় নি। এবং এঁর নচিকেতার সাথে ঘনিষ্ঠতা বা অজিত পাণ্ডের সাথে বৈরীতার ব্যাপারটি সাংস্কৃতিক জগতের বহু লোকই জানেন। এ প্রসঙ্গে বছরখানেক ধরে ঘটে যাওয়া পরিবর্তনের পিছনে জেলা কমিটির জনৈকের সাথে সদর দপ্তরের গভীর যোগাযোগ এবং ওই একই ব্যক্তির সাথে হলদিয়ার লক্ষণবাবুর বিরোধের কথাও সবাই জানেন। আমার বক্তব্য তখনও ছিল, আজও একই আছে, যে শুভেন্দু মাইতির কোন বক্তব্যে ১৪ই মার্চের ঘটনার নিন্দা হয় নি কেন? তিনি নিজেকে নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্র বলে দাবী করে বারবার কাল্পনিক(??) একটি অঙ্কের ভিত্তিতে লিখছেন বক্তব্য পেশ করছেন কেন? তাতে করে ১৪-ই মার্চের গণহত্যাকে চাপা দেবার প্রচেষ্টাই ছিলো নাকি?

    অথেণ্টিক প্রমান অনেক কিছুরই থাকে না, তবুও অজিতেশের মৃত্যুর পর রুদ্রপ্রসাদের "নান্দীকার"এ অজিতেশের কি মূল্যায়ন হয়েছে, বা তাঁর আদৌ অস্তিত্ব আছে কিনা, মন্তব্য করতে গেলে, তাও গুরু-র মত ওপেন সাইটে, সাক্ষী-সাবুদ-প্রমাণাদি জোগাড় করে সওয়াল-জবাব করতে হয় বলে মনে করি না। তাহলে এ সাইটে বহু লোকের সম্বন্ধে বলা বহুজনের বহু মন্তব্যকে ডিলিট করতে হয়।

    ৩) তপন মিত্র - ইনি যখন ইণ্ডালকোতে ছিলেন তখনই বোধহয় বাইনারি মশায়ের সাথে আলাপ। তবে আমি যে সময়ের কথা উল্লেখ করেছিলাম সেটা তার অনেক আগে। বাহাত্তর সালে এঁর গ্রেপ্তার হবার খবর অনেকেই পায় বটে, তবে তখন কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী অবধি জেলে বন্দী হাজার তিন-চার নকশালপন্থীদের কেউই এঁকে কোন জেলে দেখতে পান নি। মৌলালির কাছাকাচি কোন অঞ্চল থেকে এনার গ্রেপ্তার হবার খবর প্রচার হবার কয়েকদিনের মধ্যেই (কথিত আছে এঁরই দেওয়া খবরের সূত্র ধরে জনৈক বিশ্বাস ধরা পড়ে, যার খবরের ভিত্তিতেই চারু মজুমদার গ্রেপ্তার হন গোপন ডেরা থেকে এমনভাবে যা নিয়ে আজও বহু "গল্প" প্রচলিত। এটা বলতে দ্বিধা নেই যে ইনিই সম্ভবত: একমাত্র কোন কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষস্থানীয় নেতা আমাদের বাংলায় যাঁর জেলে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়েছিল।

    কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক বটে, তবে সেদিন মলোয়েজ্‌ প্রসঙ্গে তনুর কথায় লেখা হয় নি যে আমাদের দেশেরই ওরকম আরও একজন কবি সরোজ দত্তও(যিনি নাকি সেই সুরের যাদুকর হিমাংশু দত্তের ভাইও বটে) বৃদ্ধ অবস্থায় ময়দানে খুন হয়েছিলেন। তাঁর ক্ষেত্রে কবিতা ছাড়াও আরও কিছু ইশ্‌তেহারেরও কারণ ছিলো, আজ যা লিখলে প্রমাণের কথা উঠে আসবে।

    তা তপন মিত্রর এই বাঘ মারার ক্ষেত্রে ভূমিকার প্রমাণ দিতে বসতে হবে তা তো জানতাম না।

    ৪) বাকি রইলেন আজিজুল, যিনি সবচেয়ে বেশী কলাম লিখছেন আজকালে, কখন? না ১৪ই মার্চের পর। এঁরও অনেকদিন আগের কিছু ঘটনার সম্বন্ধে কিছু মন্তব্য করে আমি লিখেছিলাম, এবং বলেছিলাম যে পুলিশের সোর্স্‌ বা খোচররাও হার মানবে। এই ব্যক্তি সম্বন্ধে আর একটিও শব্দ খরচ করতে আমি অপারগ।

    তবে অরিজিৎএর জ্ঞাতার্থে জানাই যে খোচর শব্দটা অভিধানে পাওয়া যায় না। সেসময় মানে সত্তরের সেই সময় এ কথাটা বা "একশো পাঁচ"(পরে যেটি একশ বারো হয়েছে) শব্দযুগল পুলিশের ইন্‌ফর্মারদের সম্বন্ধে বলা হতো, যাদের বিভিন্ন জায়গায় সাদা পোষাকে দেখা যেতো। এই সাইটেরই অন্য থ্রেড খুঁজে দেখলে কিন্তু পাওয়া যেতেও পারে শব্দটা।

    নেহাত ডাকাত হয়ে যাবে যুক্তির অছিলায় কজনকে কে ধরিয়ে দিয়েছে বিভিন্ন সময়ে, যার পারিশ্রমিক বা পুরস্কার হিসেবে সরকারী আবাসন পাওয়া, এ কথাগুলো আর লিখলাম না। প্রমান পেশের জন্য নয়, বিবমিষা হতে পারে, অনর্থক শ্রমব্যয়-বিমুখতাও হতে পারে।

    কুৎসা রটানোর অপবাদ এড়ানোর জন্য সরাসরি বাইনারি মশায়ের কাছ থেকে সাতাত্তর-উত্তর সময়ে সত্তর-দশক-খ্যাত পুলিশ-কর্তা রুনু গুহ নিয়োগীর ব্যাপারে বামফ্রণ্ট সরকারের ভূমিকা আর রুনু গুহ নিয়োগীর তৎকালীন উত্থান সম্বন্ধে তথ্য পেশ করবার জন্য অনুরোধ জানালাম। আর শুধু শোনা কথা নয়, প্রমাণ সমেত।

    সব শেষে আসি কϸট্রবিউটরদের Do's & Do not's ইত্যাদি ভূমিকা নিয়ে অরিজিৎএর সোচ্চার স্পষ্ট বক্তব্যের ব্যাপারে।

    মুজতবা আলির কথাটা জীর্ণ দরিদ্র হয়ে গেলো আজ অরিজিৎএর এই সময়োপযোগী "......" সাহসিকতায়। কতশত উদাহরণ দিতে হবে? দুদিন আগেও আমার সাথে কারুর আলোচনার মাঝে এসে কেউ বাংলায় ফাক লিখে গেছে, সেটা কি চিচিং ফাঁকের অপভ্রংশ ছিলো? নাকি সেটা " If you are ...." বলে তাই মনে হয়েছিলো? নিয়মিত কϸট্রবিউটরদের মধ্যে অনেককেই তো দেখি আনতাবড়ি নতুন ভাষা, কাঁচা ভাষা ইত্যাদি থ্রেডে নানাবিধ ঝাঁঝালো উপস্থিতবুদ্ধি বা শব্দসম্ভার-জ্ঞানের ঝুলি উপুড় করে দিতে। এরকম অজস্র উদাহরণগুলো নেহাতই রসিকতাই বটে, আর ঈশান নয় অরিজিৎ বলতে পারে সাইটের কতটা সুনাম/দুর্নাম/ইত্যাদি বৃদ্ধি পেলো এতে।

    অরিজিৎ অবশ্য এগুলো ঠিক দেখতে পায় না, হয়তো পেতো যদি বামফ্রণ্ট, ডি ওয়াই এফ, এস এফ আই, ইত্যাদি শব্দগুলো কোন না কোনভাবে এর মধ্যে সমালোচিত হতো। তাই বা বলি কি করে, র‌্যাগিং নিয়ে বক্তব্য বলতে এসে কোন প্ররোচনা বা বিরূপ মন্তব্য ছাড়াই অনাবশ্যকভাবেই বিনা অব্‌সেশনে ও ওর বক্তব্যকে রাজনীতির রঙে রাঙিয়ে গেছে। তা নিয়ে বলাতে অবশ্য ওর সব কিছু সাদা চোখে দেখা আর সহজসরলভাবে দেখানোর ঋজুতাকেই ও ঢাল হিসেবে দেখিয়েছে। অথবা আজ যে দুজনকে খুঁজছে ও, তাদেরই একজনের সম্বন্ধে কদিন আগেও ও আমাকেই উদ্দেশ্য করে সামনের পাতায়ই লিখেছিলো, "রাশিয়ার কথাতে এরাই নরওয়ে সুইডেন.... ইত্যাদি তুমি ভুলে গেলে? না, আজ এর কারণ খুঁজবার জন্য এ প্রশ্ন আমি করলাম না। লাভ নেই।

    এখন আর অত খেটেখুটে পেছনের পাতা ঘেঁটে দেখানোর উৎসাহ নেই, সময় তো নেইই। তাই সম্পূর্ণ স্মৃতিতে ভর করেই লিখলাম এ চিঠি। উদ্ধৃতি, উদাহরণে কিছু ভুল থাকতে পারে, তবে লেখার মূল Intention সম্বন্ধে যা যা উদাহরণ দিয়েছি, তা ওই ছোট্টো ঋকও যদি না বোঝে তো,

    ঘুড়ায়ও হাসব কত্তা!!
    --------------------------

    বাইনারি মহাশয়,

    আপনার ওই উদাহরণ দেখে ভারতের জন্য নেহরু পরিবারের অবদানের গল্প (আমি, আপনি যাই বলি না কেন) ভারতের ভোট-আঙিনার সিংহভাগের বক্তব্যের প্রতিফলন পেলাম। আর বুক চিরে রক্ত দেওয়া, ইত্যাদিও দুদিন বাদে আমাদের রাজ্যেও দেখতে পাবো বলে মনে করছি, অন্তত: যে ধরণের ট্রেণ্ড দেখা যাচ্ছে, তাতে তার বাইরে কিছু হবে বলে মনে হয় না।

    আর ওই শালা শব্দটায় এত আপত্তি কেন দাদা, ওটা তো কবিতার ছন্দের জন্যই এসেছিলো।

    কিছুই বুঝতে পারি না দাদা। এই যেমন আজ অবধি বামফ্রণ্টের কোন বড় নেতা কেন নন্দীগ্রাম তো দূর, খেজুরিতেও গেলেন না, কাগজগুলোতে সেই জায়গার একটা ছবিও বেরোলো না। সেরকমই আরেকটা জিনিষও বুঝি না। আগে শুনতাম গ্রুপ থিয়েটারের একচেটিয়া বাম-আনুগত্য আর তার পিছনে জনজোয়ারকে অন্যদিকে ঘোরাতে সত্তর বাহাত্তরের তথ্য-সংস্কৃতি মন্ত্রী যাত্রা শিল্পকে তোল্লাই দিয়েছিলেন। কিন্তু সাতাত্তর থেকে একমেবাদ্বিতীয়ম্‌ তথ্য সংস্কৃতি মন্ত্রীর প্রগতিশীলতায় তো পাব্লিক গ্রুপ থিয়েটার ইত্যাদি ভুলতে বসেছে। এই সরকারের আমলে, আর ওঁরই মন্ত্রীত্বের আমলে উষা গাঙ্গুলীর নাটকে একেবারে খোদ I & C Centreএর গায়েই শিশির মঞ্চে পার্টি ক্যাডাররা কি করেছিল, তা দেখুন না গিয়ে সল্ট লেক-এ প্রতিভা আগরওয়ালের হাতে তৈরী "নাট্যশোধ"এর আর্কাইভে।

    তা উনি না বললেও, ওঁর ওই "আমাদের ঠেকাবে কে"-বাণীর ল্যাজ ধরে ওঁর পার্টির বহু লোকই(এবং পুলিশ) যে শালার থেকেও ভয়ঙ্কর শব্দ বলছে, তা তো প্রত্যক্ষ করেছি সবাই। একবারটি দেখুন না গিয়ে "ভিডিও ও নন্দীগ্রাম" থ্রেডে অক্ষ-র দেওয়া লিঙ্কটা খুলে, প্রমোদ গুপ্তর তৈরী সিঙ্গুর তথ্যচিত্রে।

    না, না, আপনি কখনই বলেন নি।

    --------------

    ঈশানকে একটা অনুরোধ আছে, এই "দালাল" শব্দটা কারা কখন কখন ব্যবহার করেছে, তার একটা পূর্নাঙ্গ তালিকা দিয়ে একটা তদন্ত কমিশন গঠন করো।

    আর পূর্বেকার সাহিত্যে বহু ব্যবহৃত কথা কোম্পানীর কাগজ কিনিবার ব্যবসায়ে কিঞ্চিৎ অর্থাগম হইয়াছিলো-কে বদলে শেয়ার বাজারের দালালিতে কামিয়েছিলেন লিখতে সমস্ত প্রেসকে বিজ্ঞপ্তি জারী করো। রবি ঠাকুরের নামেও মামলা ঠুকে দাও। রুদালি ছবিতে মনোহর সিংকে "দাল্‌লা" বলার জন্য স্ক্রিপ্ট রাইটারের নামে আর ডিম্‌প্‌ল্‌ কাপাডিয়ার উপরও মামলা ঠোকো। এই মুহূর্ত্তে এটুকুই, পরে আরও বড় তালিকা দেবো।

    অথবা মডারেট করে কো অর্ডিনেটর, ইণ্টারমিডিয়ারি, প্রোমোটার, ইত্যাদি শব্দ থেকে বেছে একটি যুৎসই প্রতিশব্দ ব্যবহারের নির্দেশ জারী করো।

    হলফ করে বলতে পারি সেটা বা সেগুলো অবশ্যই অনেক শ্রুতিমধুর হবে যেমন আমাদের সাহেবি কানে মধু ঢালে পটি অথবা পী। ভাগ্যিস পায় না তখন।
  • Arpan | ১১ মে ২০০৭ ০৪:৪৫385168
  • সারাদিন পরে লেখার ফুরসত পেলাম। দেখি, অনেক কথা বলা হয়ে গিয়েছে।

    অরিজিতের গুরুর আইডেন্টিটি/ক্রেডিবিলিটি ও তাতে কϾট্রবিউটরদের ভূমিকা নিয়ে একমত নই। এই নিয়ে এখানে আর লিখতে চাই না। মূল প্রসঙ্গ থেকে সরে যাবো। কিন্তু অন্য কোথাও আলাদা ভাবে টপিকটা উঠলে দু'কলম লেখা যাবেখন।

    তবে 'কতটা অথেন্টিক সেটা কেউ জানে না - তুমিও না, আমিও না' এবং এগুলো এই মুহুর্তে কুৎসা ছাড়া কিছুই নয়' এই দুটি বাক্য পাশাপাশি রাখলে যুক্তিছাড়া লাগছে। এইসব নিয়ে সত্য, প্রামাণ্যতা, বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে আবার কিছু গুরুগম্ভীর কথা বলা যেত, কিন্তু সে থেকে নিজেকে সংযত রাখছি। কিন্তু তাই বলে বলছি না এগুলো মিথ্যা নয়। উল্টোটাও বলছি না। কারণ বলার মত জায়গায় নেই। শুধু বলছি প্রথম বাক্যটা থেকে পরের বাক্যটা স্বতস্ফুর্ত ভাবে ডিরাইভ করা যায় না। এটা একটা পর্যবেক্ষণ বলতে পার।

    পরে আবার আরেকটু বলা যাবে। অন্য প্রসঙ্গে।
  • Binary | ১১ মে ২০০৭ ০৫:১০385169
  • ১) ক্রমিক সংখ্যা দিয়ে, একইভাবে, সুমন থেকে বিভস চক্রবর্তি-র সকলের পুরোনো কাদা স্তুপ করা যায়, যারা যারা এখন
    এই মুহুর্তে, নন্দিগ্রামের 'কৃষক'-দের জন্য '...... লড়াই (!!!!!!)' করছেন।

    ২) 'আবাদভুমি' দেখেছি ..... '৩০ বছরে পশ্চিমবংগের অগ্রগতি', টাইপের সরকার-এর প্রচার্ধর্মী ছবি-র থেকে বেশীকিছু
    মনে হয়নি, হ্যাঁ অন্য অর্থে।

    ৩) রুনু গুহনিয়গী-র আত্মজীবনি মুলক একটা বটতলার বই আছে, উল্টে-পাল্টে দেখার অভিজ্ঞতা আছে, অতি-বাম নব্য লেখকদের বেশী কিছু না।

    ৪) 'আমাদের ঠেকায় কে ....' টা অবশ্য সত্যি সত্যি
    , এখন মনে হচ্ছে 'আমদের ঠেকায় কে শালা'-ই হবে, এবং, আক্ষরিক অর্থে-ই
  • B | ১১ মে ২০০৭ ০৫:১৪385170
  • আগের পোস্টিংএ কিছু বাকি থেকে যাওয়া কথা -

    অষ্ট আশি থেকে অবাধ্যতার কারণে শুভেন্দু মাইতি ব্রাত্য হয়ে পড়েন। মাটির গানের অন্য কোন লোককে তখন আর পাওয়া যাচ্ছিলো না, তাই 'তরাই কান্দে গো...' খ্যাত অজিত পাণ্ডে। কালে কালে ইনি বিধায়কও হলেন। ক্ষমতায় থাকলে সৈফুদ্দীনের মত লোককেও বিরোধিতার সাজা কি দিতে পারে এই পার্টি, তা তো দেখেছে প্রত্যেকে। শুভেন্দু মাইতি সেই সময় "অন্য দল"এর সাথে যোগাযোগ করেন আর তাদের সাংস্কৃতিক মঞ্চ করার জন্যও চেষ্টা করেন। স্বাভাবিক কারণে তাতে বেশ দেরী হয়। এই সময় পূর্ব মেদিনীপুরের লক্ষণ শেঠ বিরোধী উপদল পার্টির মধ্যে হইচই শুরু করে আর সদর দপ্তরের সাথে গভীর ঘনিষ্ঠতার ফলে এঁকে গ্রহণ করতে বাধ্য করে আর লক্ষণ বাবুর উপর চাপিয়ে দেয়। গত বছর হয়ে যাওয়া হলদিয়া উৎসব-এ শুভেন্দু মাইতি বড়(অন্যতম প্রধান) ভূমিকা পালন করেন। শোনা যায় যে দেবেশ রায়, আজিজুল হক, শুভেন্দু মাইতি, প্রমুখকে নিয়ে দলের ভিতরের ভাঙন আটকানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী নিজে উদ্যোগী হন। আর নিভৃত বৈঠকে এঁদের নিয়ে একটি কোর কমিটির মত তৈরী করেন। যার ফলশ্রুতি এঁদের লেখা প্রতিবেদন।

    তা এই ব্যক্তিদের নিয়ে কি ধরণের শংসাপত্র দেখতে চান এখানকার কিছু মানুষ বিশেষত: নির্ভীক, সহজ, সরল আর দৃঢ়চেতা অরিজিৎ?
    ******

    এছাড়াও আরও কিছু কথা। যাঁরা জেগেও ঘুমোন, তাঁদের জন্য এ লেখা লিখে কিছু লাভ নেই। তবুও দিলাম ....

    এ লেখাটা আমি তুলে দিলাম সেই ভদ্রলোকের পিটিশনের কপি থেকে, যিনি তাঁর বোনের উপর অত্যাচার আর তাকে মেরে ফেলার বিরুদ্ধে মামলায় কোর্টে দাঁড়িয়েছিলেন। ভদ্রলোকের নাম সৌমেন গুহ, তাঁর বোনের নাম অর্চনা গুহ। আশা করব, মগজে ঠুলি পরা মানুষরাও এই নাম দুটো ভোলেন নি।

    Coronation 1977 with Bluff
    ------------------------------

    After coming into power in 1977, the 'Left Front' Government of West Bengal set up the "Emergency Excesses Inquiry Authority, West Bengal(EEIA), consisting of Hon'ble Haratosh Chakraborti of the West Bengal Higher Judicial Service, which was scheduled to be expired on 31st December, 1978, the same day on which Shah Commission of Inquiry established by the new central government was also to be expired. Then by a notifcation No. 7800-H.S. of 30th December 1978, the Home Department (Special), Government of West Bengal appointed a Commission of Inquiry with effect from 1 January, 1979, again consisting of Hon'ble Haratosh Chakraborti, to deal with the complaints regarding the abuse of power, excesses, malpractices, atrocities, etc. 'committed during the period when the proclamation of Emergency made on 25 Jun, 1975 under Article 352 of the constitution was in force or in days immediately proceeding the said Proclamation' and it's official name was the 'Emergency Excesses Inquiry Commission', popularly known as "Chakraborti Commission(EEIC)", which was to submit its report with the recommendations within June, 1980.

    It was absolutely a false propaganda or mega-myth that the "Chakraborti Commision" was set up to inquire into the complaints of torture and repression in 1970s in West Bengal. On the contrary, the Commission(EEIC) in respect of a matter of March-April 1974 said[EEIC/VII-292/78]
    that it was " long before Emergency was proclaimed, so that this commission had "no jurisdiction to look into the matter".

    In 1877, in spite of tremendous political and mental pressure, I personally never allowed our own family's "Archana Guha Case" (a matter of July, 1974) to be filed before the Inquiry Authority or EEIA, so it narrowly escaped the glittering trap of the "Chakraboti Commission"

    The total number of complaints received by the EEIA and the EEIC was 478, of which 122 cases were received from the Shah Commission of Inquiry, 103 cases from the newly formed State Government and 253 cases were from the members of the Public. Out of all 478 cases, upto 31 December 1978, 289 cases were disposed of by the EEIA, which was not a Commission of Inquiry. The first Interim Report of the EEIA in respect of 76 cases was submitted to the Shah Commission on 20th September 1978[Letter No. 372-EEIA]. Then the Second and Third Interim Reports of the EEIA in respect of 213 cases disposed of upto 28 December 1978, pointed as one combined booklet "For Official Use Only", were submitted to the Govt. of W.B., about which in a very short memorandum of action consisting of only ten lines, the then Chief Minister Jyoti Basu said: "The recommendations of the Authority are being examined by the Government. The Government proposes to initiate suitable action according to law after the process of examination in each case is completed."

    It is also true that in it's reports, Hon'ble Haratosh Chakraborti on behalf of the EEIA rejected most of the 213 cases for this or that reason. Upto 7 May 1979, only 23 cases were disposed of by the 'Chakraborti Commission'(EEIC), which submitted its First Interim Report on 11 May 1979[Letter No. 1269-EEIC], also printed as a booklet "For Official Use Only", while the three Interim Reports of Shah Commission were being sold to the public from open sales counters.

    Interestingly, the very short memorandum of action consisting of Ten lines signed by the then Chief Minister Jyoti Basu was identical to that for the Second and Third Reports of The EEIA. Then the EEIC submitted its second interim report of 21 cases, of which 6 were noted to be examined or considered by the Memorandum of action signed by the Chief Minister on 6 March 1980 and it was said : The remaining cases contained in the Second Interim Report under consideration have been recommended by the said commission for rejection', thus, 'no further action on the remaining cases on the part of the Government of West Bengal. For instance, the Memorandum absolutely ignored the case against malafide detention of Biman Hazra under MISA, where the EEIC unambiguously recommended the prosecution of accused two police officials under various sections of Indian Penal Code[EEIC/VII-2/78]

    How was this mythical commission abolished? All the 'progressive intellectuals and civil-right-mongers deceived people for 27 years. One day, a person, like a piece of wreckage, gave me a type written note and said "Can you do something?" I helplessly read it " A young boy and social worker residing at ......., Calcutta was murdered by the following police officers on 16.8.70 in the night after being arrested and taken to the Shyampukur Police Station. Deceased's mother filed a complaint before the Chakraborti Commission and after the notice being served upon the said police officers by the Commission, they moved the High Court and the police officers were virtually acquitted by the High Court within a few days of moving the writ petition. Name of the police officers ..........

    In West Bengal, an entire "commission" could be stopped once for all by an order of the High Court ontained by a few accused policemen, while the Government did not move the High Court and Supreme Court properly for Justice.


    এই রিপোর্টের ছ পৃষ্ঠা আছে, আমাদের প্রগতিশীল সরকারের অসংখ্য ন্যায়বাদিতা আর সততার ধ্বজার উদাহরণ হয়ে। দেখি বেছে বেছে কিছু বা পুরোটাই তুলে দেওয়া যায় কিনা।

    এ লেখা নন্দীগ্রাম নিয়ে নয়, আবার নন্দীগ্রাম নিয়েও বটে। পাড়ায় পাড়ায় আজ লোকে একটু চোখে চোখ রেখে পার্টি ক্যাডারদের সাথে কথা কইতে পারছে, এই নন্দীগ্রামের জন্য, যারা দেখিয়েছে যে এই সরকারের প্রতিরোধ করার একটাই এবং একমাত্র অবশিষ্ট রাস্তা একটিই।

    তার হাত ধরেই হয়তো এই কেস্‌গুলোও আবার আগামী কোনদিনে গর্ত থেকে বেরিয়ে এসে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাবে এই তথাকথিত মেকি বামপন্থীদের।

    যাঁদের যাঁদের কোন প্রশ্ন আছে, তাঁরা এই ই-মেইলে যোগাযোগ করতে পারেন
    [email protected] অথবা এই ঠিকানায়
    সৌমেন গুহ
    LD-5, Kusthia Housing Estate
    Calcutta 700 039
    Mob: 94331 65936/91-33-23438374
  • B | ১১ মে ২০০৭ ০৫:২৫385171
  • এই তো "উদয়ন"এর হাত ধরে টিপিকাল ক্যাডার সুলভ কথার উদয় হোল।

    তাহলে-এ-এ?

    আরে দাদা, বিভাস, সুমন, .... তো লড়ছেন না, লড়ছে তো নন্দীগ্রামের মানুষ। নেতৃত্ব বা আজকের যে কোন ধান্দাবাজেরা কেউই ফায়দা তুলতে পারবে না। লড়বে তো তারা।

    ও লিস্টিতে শঙ্খ ঘোষ, ঊষা গাঙ্গুলি, তরুন সান্যাল, প্রতুলেরা কি বাদ?

    নাকি আছেন?
  • LCM | ১১ মে ২০০৭ ০৬:৫০385172
  • 'আজকাল' এক পিস সংকলন নামাবে।
    'নন্দীগ্রাম + শিল্পায়ন' - এর ওপর আজিজুল হক থেকে শুরু করে চিন্ময় রায়-দের ভাট সমগ্র।
  • Ishan | ১১ মে ২০০৭ ০৮:৫৮385173
  • বড়ো হাতের বি, তপন মিত্র বা আজিজুল যদি পুলিশি চর হয়েই থাকেন, তাতেই বা কি গেল এল? এখানে তো নন্দীগ্রাম নিয়ে ওনারা কি বলেছেন, সেটুকুই বিবেচ্য হওয়া উচিত। নয় কি?

    বাকি যা কিছু, তা সত্যিই হোক মিথ্যেই হোক, নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গে আসে না।
  • Ishan | ১১ মে ২০০৭ ০৯:১১385174
  • আর বামফ্রন্ট সরকারের দুটো দিকই আছে। একদিকে সত্তরের একটি হত্যাকান্ডেরও কোনো তদন্ত হয়নি, কোনো হত্যাকারী শাস্তি পায়নি, উল্টে প্রতিটি পুলিশ অফিসারের পদোন্নতি হয়েছে, এটা অত্যন্ত খারাপ হয়েছে।

    কিন্তু উল্টোদিকে, সাতাত্তরে প্রতিটি রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। বামফ্রন্টের ঘোষিত সিদ্ধান্ত ছিল, একটিও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নেওয়া হবেনা -- একটিও কংগ্রেসি লোককে তার রাজনৈতিক মতামতের জন্য আক্রান্ত হতে হয়নি।

    আজকে দুহাজার সাত সালের সিপিএমকে দেখলে এসব অলীক মনে হয়, কিন্তু ঐতিহাসিক মূল্যায়ন করার সময়ে এগুলো ভুলে গেলে তো চলবেনা।
  • B | ১১ মে ২০০৭ ১২:৩৪385175
  • ঠিকই ঈশান, এই লেখা লেখার সময় "আমার আপনার নন্দীগ্রাম" থ্রেডের পাতিরাম-পুটিরাম আলাপ আর তোমার হাল্কা সতর্কবাণীও মনে পড়ছিল। যদিও সে ব্যাপারটা একেবারেই ভিন্ন দিকে চলে গিয়েছিল।

    হ্যাঁ, এটাও ঠিক নন্দীগ্রামের উপর নয় হয়তো। তবে যখন এ প্রসঙ্গ আসে তখন প্রায় নিয়ম করেই আজিজুল, দেবেশ রায়, তুষার কাঞ্জিলাল, শুভেন্দু মাইতি, প্রমুখদের প্রতিবেদনের লিঙ্ক এ পাতায় বা এই সংক্রান্ত থ্রেডে আসছিল। কোনটা উপস্থাপকের টুকরো মন্তব্য সমেত, কোনটা শুধুই লিঙ্ক।

    নন্দীগ্রামের উপর তাঁদের পেশ করা, বা প্রতিবেদকের লেখা প্রতিপাদ্যের ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোয়ার্টার থেকে কোন অথেণ্টিসিটির প্রমাণ চাওয়ার বা দেওয়ার তোয়াক্কা কেউ করেন নি। প্রতিবেদনগুলোকে স্বাভাবিকভাবেই সর্বজনসমক্ষে ধ্রুব বলে তুলে ধরার পিছনে কোন যুক্তি কাজ করেছে? তার বহনকারী মাধ্যমের ব্যাপারে অথবা তার প্রতিবেদকের সামাজিক পরিচিতির ব্যাপারে সাধারণ মানুষের গড়ে ওঠা কিছু ধারণা।

    তোমার কি মনে হয়, তুমি যদি ব্যাখ্যা করে বোঝাও তো বুঝি। আজকালের প্রতিবেদকের মধ্যে এঁদের পাশাপাশি অজস্র মানুষ(যাঁরা অবশ্যই পরিচিত বিভিন্ন মানুষের কাছে, বিভিন্ন কারণে) আছেন যেমন মীরাক্কেল-খ্যাত মীর, খেলোয়াড় সুরজিৎ সেনগুপ্ত, মণিপুর-খ্যাত সৌমিত্র দস্তিদার, অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী, চিন্ময় রায়, প্রমুখ অনেক ব্যক্তিই যাঁদের প্রত্যেকের লেখাই সেই একই রোমমুখী ছিল এবং একটি দৈনিক তাদের প্রতিবেদনকে মানুষ গুরুত্ব দেবে ভেবেই প্রকাশ করেছে। কিন্তু গুর্তু-র পাতায় তাঁদের মন্তব্য বা বক্তব্য পেশ করলে হয়তো ততটা ওজনদার হোত না বলে উপস্থাপকেরা মনে করেছেন।

    এই পরিস্থিতিতে বাস্তবে কি তফাৎ চিন্ময় রায় আর তুষার কাঞ্জিলালের মধ্যে দেখেছেন এঁরা, যখন একই মাধ্যম দুজনের লেখাই পেশ করছে, প্রায় একই গতরে একই বহরে? স্বভাবত:ই, এইসব ব্যতিক্রমী ব্যক্তিদের "উঙ্কÄল"(??) অতীত যেমন এসেছে তাঁদের মনে, ঠিক তেমন করেই এঁদের বর্তমান অবস্থানের পিছনের প্রেক্ষাপট এসেছেই আমার মনেও তেমন করেই। তফাত তাঁরা আমার বলা ঘটনাগুলো হয় জানেন না, বা জেনেও বলতে চান নি। সবাই নন, তবে কিছু কিছু উপস্থাপক এ ব্যাপারে অবহিত নন, তা মানতে একটু অসুবিধে আছে।

    সেই কারণেই হয়তো এঁদের বর্তমান অবস্থানের মূল্যায়ন বা সর্বসমক্ষে তা জানানোর জন্যই ও প্রসঙ্গগুলোর অবতারণা।

    ঠিকই যে ঐতিহাসিক মূল্যায়নের সময় উভয়দিকই আসবে। আসা উচিত। তবে পাশাপাশি এটাও বলা দরকার যে রাজনৈতিকভাবেই হোক, স্বাভাবিকভাবেই হোক, পরপর ঘটে যাওয়া বহু বহু ঘটনার ব্যাখ্যাতে তার কার্যকারণ বা দর্শনের ভেতর আর বাইরের সব ঘটনাই আসবে। খুব পরের নয়, ১৯৮০-৮২-রও ঘটনার দিকে তাকালে শুধু সাতাত্তরের একটি ঘটনার দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ করলে আমার মনে হয়, ভুলই হবে। সৌমেন গুহর পিটিশনই হোক বা বিভিন্ন পত্রপত্রিকাই হোক অনেক অনেক লেখা থেকেই দ্বিচারিতার স্পষ্ট আভাস আর পরিচয় বহু আগে থেকেই পেয়ে এসেছি আমরা। সেই ১৯৮২ সালের থেকেই, বা তারও আগে থেকেই। যার প্রথম প্রকাশ হরতোষ চক্রবর্তী কমিশন। সম্ভবত: আটাত্তরের আশপাশ দিয়েই ঘটে যাওয়া এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক এবং বাটা ইণ্ডিয়ার আন্দোলনের সময়ও তার ইঙ্গিত পেয়ে গিয়েছিলাম আমরা। যার সাথে আজকের হিন্দমোটর বা সে অর্থে প্রতিটি বিরোধী শ্রমিক-কৃষক-ছাত্র বিক্ষোভেও তাদের অবস্থান নেহাতই পুরোনো, কখনই হঠাৎ নয়। অলীক তো নয়ই।

    সেই কারণেই তোমার দু হাজার সাত সালের ...... অলীক মনে হয় মন্তব্যে অবাক লাগলো। বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমার কাছে অলীক মনে হয় না, হয়নিও কখনই।

    ফিরে যাই প্রথম বক্তব্যে। মাননীয় ব্যক্তিদের প্রতিবেদন পেশ ইত্যাদিতে। একটা বইয়ের কিছু অংশ বহুদিন আগে পড়েছিলাম, ১৯৮৭-তে, তখন অবধি বামফ্রণ্ট আর তার নতুন গড়ে ওঠা শুভানুধ্যায়ীদের সম্বন্ধে আলোচনা শুনতে গিয়ে। তার একটা নির্বাচিত অংশ তুলে দিলাম -

    "The intelligence tasks they performed could, however, suffer from adverse publicity. Hate piled up against Himmler and Heydrich; after Jun 30 the murderers bearing the signature "Avengers of Roehm' showed the need for creating a "parallel" secret network. It was in this spirit that Heydrich gave an impetus to the recruitment of 'well wishers'..... These camouflaged agents were recruited from every class of the community....At the end of war women formed the majority of these networks. The well wishers had been baptised 'V.Manner', in the other words 'men of trust'." - (Jacques Delarue : The History of Gestapo, Corgi Books, 1966, page - 129)
  • B | ১১ মে ২০০৭ ১২:৩৭385177
  • গুর্তু নয় গুরু হবে। দু:খিত।
  • Arijit | ১১ মে ২০০৭ ১৪:২৫385178
  • (১) খুড়ো - সহজ কথাকে সহজভাবে নিতে হয় - এবং এটা শেখার বিষয়। র‌্যাগিং থ্রেডে শুধুমাত্র একটা কথার পিঠে কথা হিসেবে বলা ছিলো, সেখানে কোথাও কোন আদর্শ ইত্যাদি নিয়ে প্রশ্ন ছিলো না। খেয়াল করে দ্যাখো ওই পোস্টের পরেই তোমার পোস্টের উত্তরেই ছিলো "এত কথা ধরলে মুশকিল'। সব জায়গায় চক্রান্তের চিহ্ন খোঁজ কেন?

    (২) এবং কথাগুলো সহজভাবে লিখলে বুঝতে সুবিধা হয়। আর দলভারী হওয়ার আনন্দ তো দেখতেই পাচ্ছি...একটু আয়না নিয়ে দেখো খুড়ো। নন্দীগ্রাম ঘটনার দিন থেকে আজ অবধি প্রতিটা পোস্টে শ্লেষের মধ্যেই উত্তর খোঁজ না। কেন? কারণটা তো রবিন হুড তোমার কথায় সায় দেয়নি বলে। তাই নয় কি?

    (৩) তৃতীয় কথাটা অর্পণকে (এবং খুড়োকেও) - মাঝ থেকে কয়েকটা শব্দ বাদ দিয়ে বাক্যটার অন্য মানে উকিলেরা করে থাকেন। বাংলায় বলে ম্যানিপুলেশন। পুরো বাক্যটার মধ্যে কোন অসংগতি চোখে পড়ছে না। বাক্যটার মানে এটাই ছিলো যে নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গে কে কি লিখছেন সেখানে কে খোচর, কার সাথে কার কি সম্পর্ক, বা কে কটা ব্যঘ্রশাবক মেরেছেন - এই কথাগুলোর কোন প্রাসঙ্গিকতা নেই - এবং সেই জন্যেই এগুলো "এই মুহুর্তে' কুৎসা বই কিছু নয়। তপন মিত্রের ইতিহাস কি বা সৌমেন গুহ-র পিটিশনে কি আছে সেগুলোও এখানে দেখার বিষয় কি?

    (৪) আবার খুড়োকেই - হ্যাঁ গুরুর পাতায় আজিজুল বা শুভেন্দু মাইতিদের লেখার লিংক দিয়েছি, আমি কেন, আরো অনেকেই। এরকম কোন নিয়ম আছে নাকি যে শুধু কাফিলা বা সংহতির লিংক দিতে হবে? বা যেগুলো বামফ্রন্টকে খিস্তি মেরা লেখা শুধু সেই লিংকগুলোই দিতে হবে? এই লোকগুলো অন্যরকম ভাবছে বা বলছে বলে - এবং গুরুতে সংখ্যাগরিষ্ঠের উল্টো মত সেগুলো - তাই লিংক দেওয়া অপরাধ বা সেগুলো নিয়ে কথা বলা অপরাধ - এই নিয়মটা কবে থেকে তৈরী হল? এক এক জায়গায় এক এক রকম বিশ্লেষণ আছে বলেই লিংকগুলো দেওয়া - কোনটাইকেই ধ্রুবসত্য বলে তোলা হয়নি। যেমন মল্লিকা সেনগুপ্তের লেখা - কেউ বলেছে ভালো লেখা নয়, আমার মনে হয়েছে আমি যা ভাবছি তার সাথে এই লেখাটার মিল আছে। বা আবাপ-তে জয়দেব বসুর লেখা...

    এখনও তোমার এই পোস্টগুলো থেকে এই জিনিসটাই বেরোয়ে আসছে খুড়ো - এই লোকগুলো তোমার পছন্দের কথা বলছে না তাই লেখাগুলোর কোন মূল্য নেই। আমি তোমার কথায় সায় দিচ্ছি না, তাই আমিও সৎ নই (আর)...
  • Arijit | ১১ মে ২০০৭ ১৪:৪২385179
  • আর ইয়ে - প্রতুলের নাম বললে - কিন্তু যদ্দুর মনে পড়ছে প্রতুল মুখোপাধ্যায় সম্পর্কে আরো একটা কথা তুমিই বলেছিলে - ভদ্রলোকের আপিস যাওয়া বিষয়ে...

    সুমন বা শাঁওলী মিত্র বা আরো সকলের এই গোটা ঘটনায় তাঁদের মতপ্রকাশ নিয়ে তো কোন বক্তব্য নেই। সুমনের ক্ষেত্রে দুটো কথা ছাড়া - এক) "একটা মারলে চারটে মারুন' - এটা খুব বিপজ্জনক কথা (বিনয় কোঙারের মতনই) এবং দুই) মমতার মঞ্চে বসা মেনে নিতে পারছি না (একইভাবে যেভাবে সুমনের গানের সাথে তার ধর্মপরিবর্তন মানতে পারিনি - তাই বলে লোকটাকে এও বলতে যাবো না যে "এবার থেকে লুঙ্গি পরে গান গাইবি' - কারণটা কি বলে দিতে হবে?)

    এবং আরো একটা ব্যাপার নিয়ে বলার আছে - কৃষিজমি বা কৃষি নিয়ে এঁদের বেশ কিছু বক্তব্যের অসারতা নিয়ে - এবং সেটা পিওর এগ্রিকালচারের দিক থেকে, রাজনৈতিক দিক থেকে নয় - যদিও হতেই পারে তাঁরা যা বলতে চাননি উৎসুক মিডিয়া সেই মানেটাই করেছে বা তাঁদের মুখে কথা বসিয়ে দিয়েছে। ইচ্ছে ছিলো এই ব্যাপারে হাতেকলমে কাজ করা লোকের বক্তব্য তুলে দেওয়ার - সেটা হবে কিনা জানি না। প্রসঙ্গত, দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জাস্ট আমলাই, নিজের হাতে কাজ করা লোক নন।
  • Arpan | ১১ মে ২০০৭ ১৫:৩৮385180
  • অরিজিৎ,
    কুৎসা অর্থ আমি ধরে ছিলাম অপপ্রচার বা মিথ্যা কথা বলে চরিত্রহনন। যা "অথেন্টিক' নয়। আমার কাছে কুৎসা অর্থ তাই। সেই হিসাবে তোমার বাক্য দুটি বা তিনটি যাই নিই না কেন পরস্পরবিরোধী লাগছে। এখনো।

    তবে "অপ্রাসঙ্গিক' শব্দটা কাল তোমার পোস্টে ছিল না (7:10 PM এবং 7:34 PM'এ করা এই দুটো পোস্টে)। থাকলে হয়ত এত তর্ক হত না। কারণ একথা মানছি এসব কথা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। কারণ তাতে মূল বিষয়ের ফোকাস নড়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রেই আবার ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয় অতি সুকৌশলে, মূল বিষয়টা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে দেবার জন্য।

    তুমি আমি দুজনেই মনে করছি ব্যক্তিগত আক্রমণ অপ্রাসঙ্গিক। তাই এই বিতর্ক এইখানে থামুক।
  • Arijit | ১১ মে ২০০৭ ১৫:৪৯385181
  • তাহলে আমার ভুল। আমি "এই মুহুর্তে কুৎসা ছাড়া কিছু নয়' বলতে বুঝিয়েছিলাম "এখন এই কথাগুলো অপ্রাসঙ্গিক, এবং তাই শুধুমাত্র এদের খিস্তি মারা ছাড়া আর কিছু নয়, এবং সেই খিস্তির যৌক্তিকতা এই মুহুর্তে নেই'।
  • Arijit | ১১ মে ২০০৭ ১৬:৪১385182
  • বাই দ্য ওয়ে খুড়ো - তুমিও ভাববাচ্যে ছিলে, তাই আমিও। নইলে এটা আমি পছন্দ করি না।
  • Suvajit | ১১ মে ২০০৭ ১৮:৫২385183
  • নন্দীগ্রাম নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক হবার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, ভালো কথা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যে এই বৈঠকে কি কি আলোচনা হতে পারে। ঘরছাড়া গ্রামবাসীরা কিভাবে ফিরবে, নিহত আহতদের কতটা ও কিভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে, মায় অস্ত্রসমর্পন শুদ্ধু আলোচনায় উঠতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক দলের বৈঠকে কি মূল সমস্যাটা অর্থাৎ শিল্পের জন্য কিভাবে এবং কোথায় জমি অধিগ্রহন করা উচিৎ সেটা নিয়ে গঠনমূলক কিছু আলোচনা হবে কি? সন্দেহ আছে।
    নন্দীগ্রাম নিয়ে যে খবরগুলো পড়েছি বা ভিডিওগুলো দেখেছি তার থেকে একটা জিনিস মনে হয়েছে যে কৃষকেরা তাদের জমি বিক্রি করতে চাইছে না কারণ জমি তাদের রুজি রোজগারের একটা নিশ্চিত জায়গা। তার বদলে তারা শুধু টাকা পেয়ে এবং ভবিষ্যতে কর্মসংস্থাপনের প্রতিশ্রুতি পেয়ে কোনো ভরসা পাচ্ছে না।
    তাহলে যদি ধরা যাক নন্দীগ্রামের একজন চাষীর ১০ বিঘা জমি নেওয়া হলো, উপযুক্ত দাম দিয়ে। আবার কাঁথির একজন কৃষকের কাছ থেকে ৪/৫ বিঘা জমি নিয়ে নন্দীগ্রামের কৃষকটিকে বিক্রি করা হলো। জমিটির চরিত্র মোটামুটি একরকম হতে হবে। তাহলে মোদ্দা কথায় দাঁড়াল যে নন্দীগ্রামের চাষীটার কাছেও কিছু জমি থাকল, আবার সে কিছু টাকাও পেল। তবে তাকে হয়ত অন্য গ্রামে গিয়ে থাকতে হল।
    জানি না এই ব্যবস্থা বাস্তবসন্মত কিনা। নিশ্চয়ই এর পক্ষে বিপক্ষে অনেক যুক্তি থাকবে। জমি নেওয়ার ব্যাপারটাও অনেক জটিল হয়ে যাবে। আবার শুধু একটা অঞ্চল এই জমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না ক্ষতিটা বিভিন্ন অঞ্চলে বিভাজিত হয়ে যাবে। নিয়ম করা যেতে পারে চাষীদের তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ৪০-৬০% জমি অন্যত্র পুনর্বাসন দেওয়া হবে।
    এর সঙ্গে ভবিষ্যতের কর্মসংস্থাপনের আশ্বাস থাকলে, প্যাকেজটা মনে হয় নেহাৎ মন্দ হবে না।
  • Binary | ১২ মে ২০০৭ ০২:১৩385184
  • খুব-ই আর্শ্চয্য লাগলো এই ভেবে, যে, আমার কিছু নিরামীষ পোস্টিঙ-এ কেউ কেউ এতোটা উত্তেজিত হতে পারেন, যে ধৈর্য্য ধরে, অতো বড়ো একটা পোস্টিঙ আসতে পারে (কতটা প্রাসঙ্গিক আর কতোটা ব্যক্তিগত, সেই বিতর্কে যাচ্ছি না)।

    অর্চনা গুহ-র পিটিসনটা নেট খুঁজলে পাওয়া যায়, তবে, নন্দিগ্রাম প্রসঙ্গে কতটা ফিট করে, সেটা উপস্থাপক-ই বলবেন। তবে,সৌমন গুহ-র ইতিহাসের অরিজিনেসন, কি ন্তু ১৯৭০-৭৭, তখন কোনো বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় ছিলো না, আর যাদের ক্ষমতায়, তারা অনেকে-ই ভুমিরক্ষা কমিটি-র ভুইফোড় নেতা, আজকে। ইনটারন্যাশনাল পবলিসিটি না পাওয়া এরকম, অনেক, হিসাবটা পরেই দেওয়া যাবে, ঘটনা ইত্তিহাসে বিলীন হয়ে গেছে।

    ১৯৭১-এ, সোদ্‌পুরে, (আমার তখন নিতন্তই শিশু বয়স), অতি পরিচিত একজনের খুন হওয়া-র ঘটনা আজ-ও মনে আছে, আতঙ্ক-টা ঐ বয়সে-ও চেপে বসেছিলো। অনেক অনেক পড়ে শুনেছি, তিনি কোনো কালে কোনো পুলিশের ইনফর্মার ছিলেন না, সুধু-ই সন্দেহ-র বসে তাঁর গলা কাটা হয়েছিলো। বলার উদ্দশ্য-ট, এই যে, ১৯৬৭-৭৭ এর খুনের রাজনিতী-র সমগ্র দায়, বর্তমান সরকারের, কোন লজিকে জানিনা।

    ণন্দিগ্রামের নয়, তবে মেদিনীপুরের কিচু রাজনৈতীক ছেলের সঙ্গে পরিচয় ছিলো, একসময় (তারা নিতান্ত-ই ত্রিনমূল স্তরের)। যারা যারা 'ভুমি রক্ষা কমিটি'-তে বন্দূক ধরে আছে, নিতন্ত-ই গরীব কৃষক, সেটা প্রশ্ন সাপেক্ষ।
  • Ishan | ১৫ মে ২০০৭ ০৮:৫৬385185
  • শুভজিতের আগের প্যাকেজ সংক্রান্ত পোস্টিংটা সম্পর্কে:

    SEZ বস্তুটিতেই অনেক রকম ঘাপলা আছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয়, গোটা দেশেই আছে।

    SEZ এর কি দরকার সেটাই বোঝা যাচ্ছেনা। শিল্পে উৎসাহ দেবার জন্য সব ইনফ্রাস্ট্রাকচার সরকার বানিয়ে দেবে, সস্তায় জল, বিদ্যুত ইত্যাদি ইত্যাদি সরবরাহ করবে, বাংলা ভাষায় রেগুলেটারি বডি নয়, প্রোমোটার হিসাবে কাজ করবে কেন, সেটা বোঝা শিবের অসাধ্য।

    এই করতে গিয়ে কোষাগার ফাঁকা হবে, যে সরকার অধিগ্রহণের জন্য একটু ভালো প্যাকেজ দিতে চায় তাদের একটু বেশিই ফাঁকা হবে, শিল্পে অনুন্নত যে রাজ্যগুলো পশ্চিমবঙ্গের মতো বিনিয়োগ আনতে একটু বেশিই মরিয়া, তাদের ট্যাঁক একেবারে গড়ের মাঠ হবে, সেটা মেক আপ দিতে বিভিন্নরকম অদ্ভুত প্রকল্প হবে। রিয়েল এস্টেট বিজনেস হবে। যেমন, তোমাকে চারশো একর জমি দিচ্ছি, তুমি একশ একরে একটা ব্রিজ কি ট্রাক টার্মিনাল বানিয়ে দাও, বাকি জায়গাটাতে ফ্ল্যাট বাড়ি বানিয়ে পয়সা তুলে নাও...

    এ এক্কেবারে ক্লাসিকাল প্রোমোটারি ... আপনার জমিতে ফ্ল্যাট বানাবো, আপনাকে কিছু ক্যাশ দেব প্লাস দুটো ফ্ল্যাট -- এইরকম। খালি তফাতটা এই, ফ্ল্যাট বানাতে লোকে নিজের জমি বেচে, প্রোমোটার নিজে টুপি দেবার কাজটা করে, আর এখানে সরকার প্রয়োজনে লাঠৌষধি, প্রয়োজনে মিষ্টি কথা বলে প্রোমোটারের পরিশ্রম লাঘব করবে। সরকার প্রোমোটার হবে, চাট্টি লোক জমিহারা হবে, বিনিময়ে কর্মসংস্থানের কোনো গ্যারান্টি নেই।

    ভারতবর্ষে যে শিল্পের জয়ধ্বনিতে কান পাতা দায়, সেই আইটি বা আইটিআইএস ইন্ডাস্ট্রিতে এরকম সরকারি প্রোমোটারি মুফতে মেলেনি। অন্য শিল্পে এইটা করে কি ঘোড়াড্ডিম লাভটা হবে, আমার অন্তত: মাথায় ঢোকেনি।
  • Arijit | ১৫ মে ২০০৭ ১৪:৩৭385186
  • এই রিয়েল এস্টেটের ব্যাপারটা ঘটনা। বাড়ি-আবাসন প্রকল্প, আর ওদিকে তাকে ঘিরে নাইটক্লাব-পাব-শপিং মল। উন্নয়নের ডেফিনেশন এরকম হলে বলতে হবে খারাপ সময় আসছে।

    সেদিন চ্যানেল ফোরে একটা ডকুমেন্টারি দেখালো - ভারতের নবজাগরণ (!!!) বা এই বিরাট শিল্পায়ন ইত্যাদি নিয়ে - সেখানে দিল্লীর আশেপাশে জমি-অধিগ্রহণের ইস্যুও ছিলো, আরো ছিলো মুম্বইতে মুসলমান হওয়ার দরুন ফ্ল্যাট না পাওয়ার ঘটনার কথা, আর ওই মুম্বইয়ের পাশেই কোথাও একটা সেল্ফ-সাফিশিয়েন্ট শহর - শুধু NRI-দের জন্যে - এক একটা বাড়ি মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি বা তারও বেশি...
  • dri | ১৬ মে ২০০৭ ০৪:৩৯385188
  • কোষগার ফাঁকা হওয়া নিয়ে আমার ছোট্ট একটা বক্তব্য ছিল।

    ইন্ডাস্ট্রি আনতে গিয়ে শর্ট টার্মে কোষাগার ফাঁকা হবে ঠিকই। কিন্তু লং টার্মে এটা কোষাগারের পক্ষে ভালো। কারন এই ইন্ডাস্ট্রিগুলো ট্যাক্স দেবে। চাষজমি থেকে তো সরকারের ঘরে খুব সামান্যই ট্যাক্স আসে। ইন্ডাস্ট্রি হবে ট্যাক্স বেস অনেক ভালো হবে।

    উচিত ছিল ফেডেরাল সিস্টেম। স্টেট ট্যাক্স সরাসরি স্টেটের খাতায় জমা পড়া।

    কিন্তু তা না হলেও সেন্টারের কাছে বেশী ট্যাক্স মানি হবে। হলে তখন স্টেট বায়না করলে বেশী টাকা পাবে।

    ইন্ডাস্ট্রি আনার জন্য টাকা ওয়ান টাইম। ট্যাক্স প্রতি বছরের ব্যাপার।
  • Ishan | ১৬ মে ২০০৭ ০৯:০২385189
  • ট্যাক্স:

    এক, বিশেষ অঞ্চলে আমদানি রপ্তানির উপর সমস্ত শুল্ক মকুব।

    দুই, ভারতবর্ষ থেকে বিশেষ অঞ্চলে আনা (শুনতে ব্যাপক লাগে, যেন SEZ ভারতের বাইরে) জিনিস পত্তরের উপর সেলস ট্যাক্স, সার্ভিস ট্যাক্স, আরও কি কি সব ট্যাক্স মকুব।
    তিন, পনেরো বছর পর্যন্ত ইনকাম ট্যাক্সে ছাড়। ডেভেলাপরদের জন্য ১০ বছরের সম্পূর্ণ ছাড়, বাকি পাঁচ বছর আংশিক।

    ফলে ট্যাক্সের গুড়ে বালি।

    এবার রিয়েল এস্টেট:

    যাঁরা SEZ বানাবেন, তাঁদের নাম ডেভেলাপার। যথা নন্দীগ্রামে SEZ হলে সালিমরা হতেন ডেভেলপার।
    ডেভেলপারদের জন্য আইনী শর্ত হল, SEZএর পঁচিশ শতাংশ জমিতে (ক্ষেত্রবিশেষে পঞ্চাশ শতাংশ) জমিতে "শিল্প' বানালেই চলবে। বাকি জমিতে যা যা চলতে পারে, তা হল, আবাসন, দোকান-বাজার, মাল্টিপ্লেক্স, ক্লাবহাউস, শপিং মল, স্কুল, ইত্যাদি।

    সরকার নিজেই ইচ্ছে করলে ডেভেলপর হতে পারে, তাতে রিয়েল এস্টেট বিজনেসের লাহের গুড়টা সরকারের খাতায় আসবে। এটা একটা সম্ভাব্য ইনকামের রাস্তা।
  • S | ১৬ মে ২০০৭ ১৭:৩১385190
  • এই সুতোয় হয় তো এটা অপ্রাসঙ্গিক, তবে অন্য সুতো খোঁজার চাপ আর নিলাম না।

    আজিজুল যাঁকে নিম্ফোম্যানিয়াক বলেছিলেন, সেই কবি সুমনা সান্যালের জবাব, অর্কুটের এক কমিউনিটির পাতায়। আমি কপি পেস্ট করে দিলাম।

    Ajijul Haque
    4.03 07 er Aajkaal e sri Ajijul Haque je jouno-atripto "KOBINI"ke sambodhon kore likhechen je sei kobini 17th march er protibadmonche swechchay dhorshita hote cheyechilo..ebong Ajijulbabur bomi pachchilo..ami,sei "kobini"jante chai..jouno-atriptir sange protibader birodhta thik kothay?ei tathyo onake ke dilo?manipure monorama dharshon o hotyar por asonkhyo meyeder mayera nagno-protibad janiechilen..tara sabai tahole nymphomaniac?Ajijul bhule gelen Tapasi Malik er dhorshito mritodeho?bhule gelen nandigramer Sumita Mandalke?bhule gelen jorayute bibhotshobhabe lathi dhukie debar prosango?takhon bomi pelona?ami aj bomi kore dilam onar ei bikrito moukhik dharshanke...ami,sei "KOBINI"bomi korlam apnar mukhosher oporeo..Ajijul
  • dri | ১৭ মে ২০০৭ ০০:৫১385191
  • নব্বইয়ের গোড়ার দিকে আইটির জন্যও ইকনমিক জোনের মত ব্যাপার ছিল। সেখানেও বোধ হয় সাত বছর ট্যাক্স ছাড় ছিল। এখন সেই সব ইন্ডাস্ট্রি, তাদের কর্মীরা সব ট্যাক্স দেয়।

    লং টার্মে লাভই হয়েছে।
  • Ishan | ১৭ মে ২০০৭ ০২:০৫385192
  • অ্যাকচুয়ালি সরকারের পয়েন্ট দুটো।

    এক, যেটা দ্রি বলেছেন। যে, আপাতত: কোম্পানিগুলোকে ছাড় দিলে, আখেরে কোষাগার ভর্তিই হবে।লং টার্মে।

    দুই, জাতীয় আয় বাড়লে সেটা কোনোভাবে চুঁইয়ে নামবেই নিচে। একটা এলাকায় বড়ো ইকনমিক অ্যাকটিভিটি শুরু হলে এলাকার সমস্ত লোকই কোনো না কোনো ভাবে উপকৃত হবে, সবারই উপার্জন বাড়বে।

    এই যুক্তি ঠিক না বেঠিক, সে নিয়ে অনেক তক্ক আছে, সেখানে ঢুকছিনা। কিন্তু এই যুক্তিকে ইমপ্লিমেন্ট করার জন্য যে বস্তুগুলি করা হচ্ছে, সেটা করছাড়ের চেয়ে অনেক ব্যাপক। আইটিকে দেওয়া ছাড়ের সঙ্গে তার কোনো তুলনা হয়না।

    এক। শিল্প এলাকা নয়, প্রকৃত অর্থে নতুন শহর বানানো হচ্ছে। এবং সেটা লাভজনক ভাবে, সেখানে শিল্পের জন্য নির্দিষ্ট এলাকা খুবই কম। অর্থাৎ শহরের মধ্যে একটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক টাইপের ব্যাপার থাকবে।

    দুই। এই কাজের জন্য ডিসপ্লেস করা হচ্ছে অজস্র মানুষকে। তাদের কনসেন্টের কোনো প্রশ্নই নেই।

    তিন। এর পরে দেওয়া হচ্ছে করছাড়।

    সত্যি কথা বলতে কি প্রশ্নটা শুধু করছাড়ের হলে এটাকে একটা এক্সপেরিমেন্ট বলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতেই দেখা যেত। পরীক্ষায় সফল হলে আইটির সাফল্যের মতো SEZ এর সাফল্য নিয়েও আমরা সবাই হাততালি দিতাম।

    কিন্তু সেটা করা যাচ্ছেনা, কারণ, তিন নম্বর পয়েন্ট, অর্থাৎ করছাড়ের সঙ্গেই আছে এক ও দুই। অর্থাৎ শিল্প নয়, শহর বানানো হচ্ছে, এবং মোস্ট ইম্পর্ট্যান্টলি ডিসপ্লেসমেন্টের প্রশ্ন এসে যাচ্ছে। গণতন্ত্রকে বিসর্জন দিয়ে ডেভেলাপমেন্ট করার চেষ্টা হচ্ছে। ন্যাচারালি, এই উন্নয়নের ধারণায় গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নটা নেইই, শুধু বলপূর্বক উচ্ছেদ নয়, সঙ্গে আছে উনবিংশ শতাব্দীর ধাঁচের লেবার ল, ইত্যাদি ইত্যাদি।

    কাজেই আপত্তিটা এক্সপেরিমেন্টে না, গণতন্ত্রের মূল্যে উন্নয়নের বিরুদ্ধে, যেরকম একটা মডেল আমরা দেখেছিলাম জরুরি অবস্থার সময়ে।
  • B | ১৭ মে ২০০৭ ০২:১২385193
  • কদিন পরে এলাম, সব পড়া হয় নি। ছোট করে (আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব :-I ) দুটো উত্তর :
    ১) অরিজিৎকে - পয়েণ্ট অনুযায়ী উত্তর দিলাম না। র‌্যাগিংএর থ্রেডে একটা চিঠির শেষে "এবং এগুলো সব রংটা জানাজানি হওয়ার পরেই" দেখে আমি হাল্কা প্রশ্নই করেছিলাম। তবু বলে নিই যে এবার থেকে এ ধরণের পাদপূরণকে "সাদা চোখে" দেখতে শেখা শুরু করছি। যথা আজ্ঞা!! দল ভারী, বক্তব্যের ভেতর থেকে কথা তুলে দেওয়া, এই দুটো বক্তব্যের উত্তর দেওয়া নিরর্থক বলে বিরত রইলাম। আজিজুল, শুভেন্দু মাইতি এবং তপন মিত্র সম্বন্ধে সরাসরি লেখার কারণ ঈশানকে লেখা চিঠিতে উল্লেখ করেছি। রাজনীতির আলোচনা বা দলীয় রাজনীতির আলোচনায় অথবা যে কোনো আলোচনায় এরকম বক্তব্য রাখা বক্তাদের ব্যাপারে তাদের পশ্চাৎপটের বিশ্লেষণ আমার কাছে প্রাসঙ্গিক মনে হয়, উভয় তরফেই, এখনও। আর তা আমরা প্রত্যেকেই করেছি বহু সময়ে। উদাহরণ দিয়ে ভার বাড়াবো না।

    সৌমেন গুহ, বা পিটিশনের কথা আসে রে বাবা, আসে। কারণ ১৪-ই মার্চের পর ধীরে ধীরে তো হাইকোর্টও দেখতে হবেই বাঙালকে শুধু নয়, অবাঙালকেও। তা তাতে এই মহান সরকারের ইতিহাস প্রসঙ্গ আসবে না?

    মল্লিকা সেনগুপ্তের ব্যাপারে আমার বক্তব্য ছিলো না, নেইও। :-))
    কিছু বক্তব্য উদ্ধৃতি চিহ্ন দিয়ে দেখানো, যেগুলো কার বলা দেখে নিস। এতে কিছু মানুষ বিভ্রান্ত হয় না কি? প্রতুলের নাম এসেছিলো জনৈকের প্রশ্নে বা উত্তরে। বুদ্ধিজীবীদের বক্তব্য তুলে তুলে কোন লিঙ্ক মনে হয় আমি দিই নি এখনও। উল্লেখ করেছিলাম আজকালে কৌশিক সেনের চিঠির গায়ে গায়ে দেবেশ রায়ের উত্তর বার করার ব্যাপার। তাই সুমন বা প্রতুল কেন এলো বোধগম্য হলো না।

    এটা বলে রাখা ভালো যে এরকম সর্বজনব্যাপী তোলপাড়ে যদি কোন ভালো দিকও বেরোতে পারার সম্ভাবনা থাকে, তা ব্যাহত হয় সুমনের সুমন-সুলভ খেউড়ে অথবা মহাশ্বেতা দেবীর অপ্রয়োজনীয় বিনয় কোঙার-সুলভ "পশ্চাদ্দেশ-প্রতিশব্দ-সম্ভার" জ্ঞানবর্ষণে।

    (অর্পণ, ইদানীং ট্রেনে বা বাসে লোকে কাউকে সরে বসতে বলতে চাইলে এখন বলতে শুরু করেছে, "দাদা, আপনার 'বিনয়'-টা একটু সরাবেন"। মানে বুঝে নিও। তা সেই প্রতিবেদনে এই "বিনয়"-এর অজস্র প্রতিশব্দ দিয়ে মহাশ্বেতা দেবী 'দৈনিক স্টেট্‌স্‌ম্যান'্‌-এ একটা লেখা লিখেছিলেন, যেটা খুঁজে চলেছি এখনও। খুবই রুচিহীন প্রতিবেদন, সন্দেহ নেই। তবে পেলে দেবো নিশ্চয়ই)।

    আমাকে সমর্থন বা না সমর্থনে কিছু হেরফের হয়েছে কি? সততা বা অসততা নিয়ে প্রশ্ন করি নি। সদা জাহির করার ব্যাপারে মন্তব্য করেছিলাম। ব্যাপারটা এরকম। একটা অন্যরকম উদাহরণ দিই। তোর বা আমার প্রিয় ফুটবল দিয়ে। ১৯৮০-র ষোলই আগস্ট ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ম্যাচে ইডেনে বহু সমর্থক মারা যায়। যার মধ্যে একজন বাদে সবাই মোহনবাগান সমর্থক ছিলেন। ঘটনাটা উল্টো দিকের গ্যালারিতে বসে দেখেছিলাম সেদিন, প্রথমে বুঝি নি যে মারা গেছে কেউ, পরে মাঠ থেকে বেরোনোর সময় জানতে পারি। এ ঘটনার পর তোর বক্তব্যগুলো অনেকটা সেদিন বা তারপরে কিছু '....' ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মত, মানে "কেন দিলীপ পালিতকে বিদেশ বসু উঠে জোড়া পায়ে লাথি মারলো" অথবা "প্রথমে তো একজন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকই মারা গিয়েছিলো"। আমার স্ট্যাণ্ড সেদিনও যা ছিলো আজও তাই আছে, যেটা তোর এই ঘটনার পর সেভাবে দেখলাম না। তোর মনোভাব অবশ্য মল্লিকা সেনগুপ্তর প্রতিবেদন পেশের পরে তুই লিখেও দিয়েছিলি।

    অবশ্যই সৎ ও নির্ভীক উত্তর। এ নিয়ে আর কোন প্রশ্ন নেই আমার।
    *********
    ২) Binary ইয়ে-কে,

    ওই বড় উত্তর আপনাকে লিখেছি ভেবে অহেতুক, এখানকার ভাষায় কি বলে, চাপ নেবেন না। আপনার সেই শালগ্রামশিলা, থুড়ি, পচা শালপাতাটা তো পড়ে চেটে নিয়েছি আগেই। দেখেন নি বুঝি ইয়ে, মানে, বাইনারি??
  • B | ১৭ মে ২০০৭ ০২:২৩385194
  • সেজ্‌ নিয়ে কথা যখন নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গে এসেই পড়লো, অনিবার্যভাবে আরও অনেক কিছুর মতই, তখন এই নিয়ে কটি কথা।
    ------------------

    সেজ-এর আর্থিক সুবিধের দিক -

    সেজ সংক্রান্ত আইনের ষষ্ঠ অধ্যায়ের ২৬-তম ধারায়, শুল্ক ছাড়ের বিস্তৃত বিবরণ দেওয়া আছে। বিভিন্ন গণ আন্দোলনের চাপ, শাসকদলের নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ইত্যাদির জন্য শুল্কের হার এবং তার বহু ক্ষেত্রেই, গ্যাট চুক্তির আগে, এমনভাবে ধার্য করা ছিল, যে অনেকক্ষেত্রেই তা একচেটিয়া বাণিজ্যের প্রবণতাকে বাধা দিতো। কিন্তু গ্যাট মোতাবেক শুল্ক ব্যবস্থার গুরুতর পরিবর্তন ভারত সরকারের কাছে বাধ্যতামূলক ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এই সেজ আইন দিয়ে ভারত সরকার তা এক ধাক্কায় অনুমোদন করে নিয়েছে।

    শুল্ক সংক্রান্ত ছাড় দিতে গিয়ে একগাদা আইনের একগুচ্ছ ধারাকে এড়িয়ে এই কাজ করেছে তারা। সেজ আইন তৈরী হবার আগেই এই কাজ করা শুরু করেছে তারা। নানা ধরণের বিজ্ঞপ্তি, অর্ডিন্যান্স জারি করে একে একে ১) কাস্টম্‌স্‌ আইন, ১৯৬২, ২) কাস্টম্‌স্‌ ট্যারিফ আইন, ১৯৭৫ ৩) সে¸ট্রাল এক্সাইজ অ্যাণ্ড ট্যারিফ অ্যাক্ট, ১৯৪৪, ৪) সার্ভিস ট্যাক্স আইন, ১৯৯৪, ৫) ফিনান্স আইন(সংশোধনী), ১৯৯৪ এবং ২০০৪(সংশোধনী), ৬) সেল্‌স্‌ ট্যাক্স আইন, ১৯৫৬ পরিবর্তন করেছে। বৃটিশ আমলের জমি অধিগ্রহন আইনকে পরিবর্তন না করে যেগুলো সেই বৃটিশ আমলেও প্রয়োগ করা হোত না, এখন নিয়মিত প্রয়োগ করা হচ্ছে।

    সেজ্‌ অঞ্চলের আর্থিক সুবিধেগুলোকে ঘাঁটাঘাঁটি করে যা পাওয়া যায়

    ১)কাস্টম্‌স্‌ আইন(১৯৬২) এবং কাস্টম্‌স্‌ ট্যারিফ আইন(১৯৬২) অনুসারে পণ্য আমদানি-রপ্তানি পরিষেবা ক্ষেত্রে প্রদেয় বাধ্যতামূলক শুল্ক সেয অঞ্চলের শিল্পের উপর প্রযোজ্য হবে না।

    ২)এসমস্ত শিল্পোদ্যোগ যদি দেশীয় বাজার থেকে কোনো পণ্য বা পরিষেবা সংগ্রহ করে, তবে সে¸ট্রাল এক্সাইজ অ্যাণ্ড ট্যারিফ আইন(১৯৪৪) অনুযায়ী যে বাধ্যতামূলক ডোমেস্টিক ট্যারিফ তার সরকারকে দেওয়ার কথা, সে এই বিষয়টিতেও ছাড় পাবে।

    ৩)যে শিল্পটি ভারতের কোন সেজ্‌ অঞ্চলে অবস্থিত, তার যদি বিদেশে কোন কারখানা থেকে থাকে, তবে এই কারখানা থেকে সেই বিদেশের কারখানার মধ্যে সমস্ত আমদানি-রপ্তানির জন্য বাড়তি আর্থিক ছাড় পাবে।

    ৪)সমস্ত পরিষেবা কর মকুব হয়ে যাবে।

    ৫)সেজ্‌ অঞ্চলে যদি ট্রেডিং চলে, তবে শেয়ার ইত্যাদি বেচাকেনাতে, ফিনান্স আইন(২০০৪) (সংশোধনী) মতে যে সিকিউরিটি ট্র্যান্‌জাক্‌শন কর দেওয়ার কথা, তা মকুব হয়ে যাবে।

    ৬)সমস্ত ধরণের বিক্রয় কর মকুব হবে।
    (৯০ দশকের মাঝামাঝি বহু বন্ধ বা রুগ্ন কারখানার শ্রমিকেরা সমবায়ের মাধ্যমে কারখানা পুনরুজ্জেবনের কথা বলে কিছুদিনের জন্য এই বিক্রয় কর দেওয়া থেকে রেহাই চেয়েছিলেন। সরকার তখন এই বিক্রয় কর আইন(১৯৪৬)এর কয়েকটি ধারা উল্লেখ করে বলেছিলেন যে এই ছাড় দেওয়াটা সংবিধান বিরোধী হবে। ঊদাহরণ স্বরূপ মহারাষ্ট্রের কামানি টিউব, পশ্চিমবঙ্গের ওয়ারহাউস কোম্পানি, ইত্যাদি।
    আমাদের সংবিধানের গোড়ার কথা এই যে নানান ধরণের আইন, তাদের বিভিন্ন ধারা-উপধারার মধ্যে যদি স্ববিরোধিতা দেখা দেয়, তবে ওঈ বিষয়ে সংবিধান যে দিশা সূচীত করবে, তাকেই আইন বলে মান্যতা দিতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট এইভাবে অজস্র দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়েছেন। তাই সেজ্‌এর সাংবিধানিক ন্যায্যতা নিয়েই যেখানে প্রশ্ন উঠেছে, সেখানে কীসে কতটা ছাড়, তার পরিবর্তে কি করলে পরিস্থিতি আরও সহনীয় হোত, এই বিতর্ক অর্থহীন। এই একই কারণে বাম পার্টিগুলোর সেজ্‌ আইনের সংশোধনীগুলো মূলত: অসার ছাড়া কিছুই নয়।

    ৭)যে আইন এই অন্যায্য ক্রিয়াকলাপকে বানিজ্য-র স্বীকৃতি দেয়, সে আইন আমাদের বৃটিশ আমলের ম্যাঞ্চেস্টারের কাপড় ভারতের বাজারে বন্দুকের ডগায় আইনসিদ্ধ পদ্ধতিতে বানিজ্যর কথাই মনে পড়িয়ে দেবে।
    সেজ্‌ আইন অনুযায়ী সেজ্‌ অঞ্চলের সমস্ত শিল্পপতিদের সমস্ত ধরণের আয়কর এবং মুনাফা করে দীর্ঘমেয়াদি ছাড় দেওয়া হবে।
    যেসব শিল্পপতি সেজ্‌ অঞ্চলে উৎপাদন/পরিষেবা/বানিজ্য চালিয়ে মুনাফা অর্জন করবেন, তারা তাদের মুনাফা/পুঁজি বৃদ্ধির ওপর আগামী ৫ বছরের জন্য সমস্ত ধরণের আয়কর ইত্যাদির উপর ছাড় পাবেন। পরের পাঁচটি বছরে সেই ছাড়ের পরিমাণ হবে শতকরা ৫০ ভাগ।

    এ আইনের রকমসকম এটাই বলে যে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, যার থেকে এর জন্ম, সেখানে সময়সীমা অতিক্রান্ত হবার পরেও ছাড় দেবার যে খেলা চালু আছে, তা এখানেও হবেই।

    ৮)বলা হয়েছিলো, গ্যাট চুক্তি একচেটিয়া বানিজ্যকে সরিয়ে মুক্ত বানিজ্য ব্যবস্থার প্রবর্তন করবে। ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা আমাদের এই দেখিয়েছে যে অ্যাণ্টি ডাম্পিং ডিউটি, কাউণ্টারভেইলিং-এণ্ড সেফ্‌গার্ড্‌ ডিউটি প্রভৃতি গালভরা নামের আড়ালে বিশেষ দেশের বিশেষ পণ্য ছাড়া অন্য সব দেশের সব পণ্যের ওপর চড়া হরে শুল্ক ধার্য করাটাই যেন শুল্ক সংক্রান্ত সাধারণ সমঝোতার মূল মন্ত্র।
    কোন অজ্ঞাত কারণে সেজ্‌এর অভ্যন্তরে ভারত সরকার এই সমস্ত শুল্ক ব্যবস্থা মানবে না। গ্যাট অনুযায়ী তা বাধ্যতামূলক হলেও। ফলে ভারতের মাটিতেই সব কিছুর ছাড় পেয়ে তৈরী করা পণ্য বাজারে ছাড়লে অন্য যে কোন ভারতীয় সংস্থা সে পণ্য সেজ্‌এর বাইরে ভারতের মূল বাজারে আনলেই তার উপর গ্যাট অনুযায়ী সমস্ত শুল্ক দেওয়ার দায় বর্তাবে। স্বদেশে প্রবাস??

    আইনের ৫৩তম ধারাটি বলে যে সেজ্‌ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দিন থেকে সে এলাকাটি মূল ভূখণ্ডের কাস্টম্‌স্‌ এলাকার বহির্ভূত বলে গন্য হবে।
    মায়ানমার-এ এই ঘটনা বোধহয় আমরা দেখেছি যে "শেল" তার এরিয়া অফ অপারেশনকে মায়ানমারের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করে না। তারা কেবল নিজেদের মুদ্রাব্যবস্থা চালু করে নি। কিন্তু নিজস্ব পরিবহন, সৈন্য, আলাদা শ্রম আইন, অভিবাসন এবং দেশের বাইরে যাতায়াত সংক্রান্ত সমস্ত কিছু নিজস্ব কায়দায়, মায়ানমারের আইনব্যবস্থাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই করে থাকে।
    ইরাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই একই কাজ করছে। ভূপালে ভারত সরকারও সামান্য হলেও সেই পথে পা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলো।

    আজ অবশ্য সারা দেশকে সে গ্যাসের থেকেও মারাত্মক গ্যাসে ঢেকে দেবার কাজ শুরু হয়েছে।

    নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষ সেই গ্যাস-চেম্বার থেকে বেরোনোর লড়াইয়ে সারা পৃথিবীর মধ্যেই অন্যতম প্রধান এবং অবশ্যই প্রথম সারিতে থাকবেন।

    (এ লেখার বহু তথ্যর জন্য আমার বন্ধু সমরেশ মিত্রর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আজ এই অবধি। দীর্ঘমেয়াদি ছাড়ের প্রহসন আর অন্যান্য ব্যাপারে পরে আরও কিছু তথ্য দেওয়া হবে)
  • Arijit | ১৭ মে ২০০৭ ০৩:২০385195
  • "নন্দীগ্রামের মানুষ সেই গ্যাস চেম্বার থেকে...'

    তাই কি? যারা সত্যি সত্যি জমি না দেবার আন্দোলন করছেন তাঁদের মতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি (পদ্ধতি এবং মতের সাথে একমত না হয়েই) - এটা কি সত্যিই সেই আন্দোলন? নাকি অন্য কিছু? স্পেশ্যালি, যখন এর মধ্যে এমন লোকজন যুক্ত যারা গোটা জমিবন্টন প্রক্রিয়ার বিরোধীতাই করে এসেছে আজন্মকাল...সেই তাঁরাই যখন আন্দোলনের পুরোধা, চিরকাল কৃষকবিরোধী থেকে আজ হঠাৎ কৃষকবন্ধু...তখন সেটা নিয়ে...

    এই কথাটা অনেকেই বলছেন...ফেলে দেওয়ার মত যুক্তি বলে মনে হয় না।
  • B | ১৭ মে ২০০৭ ১০:৫২385196
  • :-))))))))
  • B | ১৭ মে ২০০৭ ১১:০০385197
  • সেজ্‌
    ------
    গতকাল একটা কথা লেখা হয় নি।

    ভারত সরকারের কোন আইনই চালু হয় না, যদি না তার নীতি নির্দ্ধারক নিয়ম বিধি চালু না হয়। এরকমও ঘটেছে যে আইন পাশ হওয়ার দশ বছর পরে সরকার তার নিয়মবিধি বিধিবদ্ধ করেছে। উদাহরণস্বরূপ জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ আইন যা গ্যাট মোতাবেক পেটেণ্ট আইনের সাথে সাথেই ভারত সরকারের করার কথা, ৯ বছর পরেও তা করা হয়ে ওঠে নি।

    অথচ ২০০৪-এর মাঝামাঝি সময়ে সেজ্‌ আইনের খসড়া তৈরি হয়ে রেকর্ড সময়ে তা পাস হয়ে যায় এবং এই সেজ্‌এর বিধিসম্মত নিয়মাবলী ফেব্রুয়ারী ২০০৬-এই লিপিবদ্ধ হয়ে যায়, যে নিয়মাবলী যে কোন আইন রূপায়নের আদর্শ।
  • LCM | ১৭ মে ২০০৭ ১১:১২385199
  • সেজ্‌ অর্থাৎ SEZ = Special Economic Zone
    প্রথমে শুনে ভেবেছিলাম, যে অর্থনৈতিক ভাবে যারা পিছিয়ে তাদের জন্য একটা special জায়গা।
    পরে বুঝলাম, যে এসব জায়গায় পেরাইভেট কোম্পানীরা অনেক সুযোগ সুবিধে প্রায় ফ্রি তে পাবেন।

    কিন্তু, সিঙ্গুর কি সেজ্‌ ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন