এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • প্রসঙ্গ জে এন ইউ

    রৌহিন লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্যান্য | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ | ৭৯৯৯২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রৌহিন | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:০৬691483
  • "ভারত কি বরবাদী" ইত্যাদি স্লোগান নিয়েই আগে বলি - যেহেতু ফোরেন এবং একক দুজনেই এটা নিয়ে দুই ধরণের প্রশ্ন তুলেছেন। স্লোগান হিসাবে "ভারত কি বরবাদী" বা "টুকরে হোঙ্গে হাজার" এসব ভালো না খারাপ, মানুষের ওপর তার ইম্প্যাক্ট কী হবে, এই তর্কটা চলে এল কেন বুঝলাম না। ধরা যাক ওগুলো অত্যন্ত জঘণ্য এবং তা মানুষের মধ্যে নেগেটিভ ধারণা তৈরী করবে বাম দলগুলো সম্বন্ধে। বেশ তো। প্রশ্নটা তো এই যে শুধু এই সব "স্লোগান" দেবার অপরাধে পুলিশ এভাবে ক্যাম্পাসে ঢুকে গ্রেফতার করতে পারে কি না - সিডিশনের চার্জ লাগানো যায় কি না। ওই ছাত্ররা তো কেউ এমন কি সশস্ত্রও ছিল না। শুধু স্লোগান দিচ্ছিল। নাকি এ বিষয়ে মুখ খোলাই যথেষ্ট অপরাধ? জনগণমন তে উঠে দাঁড়ানোর ইস্যুতে বামপন্থী (মানে সিপিএম, সিপিয়াই ইত্যাদি - কারণ এরাই তো ভারতে "বামপন্থার" হেরাল্ড বিয়ারার) নেতারা প্রতিবাদ করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে এই ইস্যুতেও প্রতিবাদ করতে পারবেন না?
    এবার - "আমাদের দেশে CPI CPM এর সাংসদ বিধায়ক মন্ত্রী রা যখন "সত্যনিষ্ঠার সহিত" শপথ নেন তখন তো বলেন "I will uphold the sovereignty and integrity of India that I will faithfully and conscientiously discharge my duties "। সেটা কি জেনে বুঝে মিথ্যে বলা ?" - মিথ্যে আদৌ নয় - আর জেনে বুঝে তো অবশ্যই নয়। CPI CPM বিধায়কেরা মন্ত্রীরা যখনই পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি মেনে নিয়েছেন, তখনই, জেনে বা না জেনে, তারা রাষ্ট্রের বিলোপ এর দাবীটা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। সোভিয়েত, কিউবা তেও তাই। কেন বলুন তো? কারণ ওই যে - আমরা এখনো রাষ্ট্রবিহীন, শাসনবিহীন জীবনের জন্য প্রস্তুত নই। কারণ রাষ্ট্রের বিলোপ মানে সিস্টেমেরও বিলোপ - এবং আমরা সেই সিস্টেম ছাড়া বাঁচতে এখনো শিখিনি। সুতরাং ওই ম্যানিফেস্টো আপাততঃ মূলতুবী আছে। কিন্তু মূলতুবী মানে নেই হয়ে যাওয়া নয়। ওটা কিছু মানুষের চিন্তায় বেঁচে আছে - সেটাকে যতই আমরা ইউটোপিক বলে ঠাট্টা করি না কেন। আর এই ধরণের পাগলামি যে ছাত্রদের মধ্যেই বেশি থাকবে এটাও আশ্চর্য কিছু নয় - কাজেই ছাত্ররা মাঝে মাঝে এই রকম স্লোগান দেবেই। সেটাকে কনডেম করা যেতে পারতো রাজনৈতিকভাবে - কিন্তু চাড্ডিরা তো রাজনৈতিকভাবে বহুদিন আগেই দেউলিয়া - তাই পাব্লিকের আবেগ নিয়ে খেলা ছাড়া তাদের উপায় নেই।
    এবার আর্মি প্রসঙ্গে। হ্যালো দিয়ে "বার খাইয়ে" আর্মি জয়েন করানোর তত্ত্ব নিয়ে আমার কিছুই বলার নেই। তত্ত্বটা শুনতে চমকপ্রদ হলেও এর বাস্তবতা নিয়ে সন্দিহান রইলাম। কিন্তু ঐ রাষ্ট্রের ব্যর্থতা কেন, সেটা আরেকটু বলি। কারণ আধ ঘন্টার নোটিশে রাস্তা বানানো, ডিনামাইট দিয়ে ফাটানো, নিজেরা শুয়ে সেতু হয়ে মানুষ পার করানো - এগুলো তো পেশাদার বিশেষজ্ঞদেরই কাজ হওয়া উচিৎ - যাকে "বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী" বলে। তাদের এগুলোর জন্য বিশেষ ট্রেনিংও দেওয়া হয়। এখন এরা আর্মির একটি শাখা হতে পারে - সেটা অন্য বিষয়। না হলেও অসুবিধা নেই। কিন্তু ব্যবস্থাটা যদি এই হয় যে একটা লোক আজ নদীতে শুয়ে নিজের বুকের ওপর দিয়ে মানুষকে হাঁটিয়ে পার করে দিচ্ছে আবার কাল সকালে সেই লোকটাই কার্গিলে গিয়ে বিপক্ষের সীমানায় ক্ষেত জ্বালিয়ে দিচ্ছে (যুদ্ধের স্ট্র্যাটেজিক কারণে এবং ওপরোয়ালার নির্দেশ অবশ্যই), তাহলে সেটা সিস্টেমেরই অদক্ষতা এবং ব্যররথতা বলব বই কি। রাষ্ট্রের ব্যর্থতা।
    আর্মি জওয়ানদের আরো বেশি রেস্ক্যু অপারেশানে কাজে লাগালে আমার আপত্তি নেই - কিন্তু তাদের সেজন্যই ট্রেইন করা দরকার এবং ডেডিকেটেড করা দরকার।
  • T | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:১৩691484
  • অ, তা আর্মি জওয়ানরাই বুঝি দেশটাকে বাঁচিয়ে রেখেছে! তা জওয়ানরা কি খালি হাতেই লড়াই করে বুঝি! অস্ত্র শস্ত্র এগুলো যারা ম্যানুফ্যাকচার করে তারা বোধহয় কিসু নয়। সে অস্ত্রসস্ত্র কেনার টাকা যে ইকোনমি থেকে উঠে আসে তার সাথে জড়িত লোকেরাও কিসু নয় তাহলে। যে ডাক্তাররা জওয়ানদের জান বাঁচালো তারাও তাহলে কিসু নয়। একটা গোটা দেশের অগুনতি মানুষের কন্ট্রিবিউশন না দেখতে পেয়ে আর্মি আর্মি বলে লাফানো ইয়ে গুলোকে...যাক গে, কী আর বলব।

    দেশপ্রেম স্রেফ আর্মির জওয়ানদেরই নেই...এটা মাথায় রাখবেন। আর দেশপ্রেমের মানে স্রেফ আপনিই বোঝেন, এটা মাথায় রাখবেন না।
  • avi | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:১৪691485
  • পৃথিবীর সব দেশে আর্মি সবচেয়ে বেশি দেশপ্রেমী। শুধু কেন কী কারণে আর্মি রুল চালু হলে সবাই খুব ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে। অকৃতজ্ঞ জনতা বেসিক্যালি। সব দেশেই।
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:১৯691487
  • ধুর মশাই, যারা দেশ আর রাষ্ট্রের তফাত করতে পারে না, তাদের কাছে দেশপ্রেম শিখতে হবে নাকি?
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:১৯691486
  • ধুর মশাই, যারা দেশ আর রাষ্ট্রের তফাত করতে পারে না, তাদের কাছে দেশপ্রেম শিখতে হবে নাকি?
  • Ekak | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:৩২691488
  • " ধরা যাক ওগুলো অত্যন্ত জঘণ্য এবং তা মানুষের মধ্যে নেগেটিভ ধারণা তৈরী করবে বাম দলগুলো সম্বন্ধে। বেশ তো। প্রশ্নটা তো এই যে শুধু এই সব "স্লোগান" দেবার অপরাধে পুলিশ এভাবে ক্যাম্পাসে ঢুকে গ্রেফতার করতে পারে কি না - সিডিশনের চার্জ লাগানো যায় কি না। ওই ছাত্ররা তো কেউ এমন কি সশস্ত্রও ছিল না। শুধু স্লোগান দিচ্ছিল। নাকি এ বিষয়ে মুখ খোলাই যথেষ্ট অপরাধ?"

    এই প্রশ্ন আমাকে করে কি লাভ ? সীডিসন রুল টাই তো ভুলভাল জাস্ট লাইক সডোমী ল্য। সেখানে দাঁড়িয়ে আপনি আইদার রুল মানতে পারেন অথবা লোক জুটিয়ে আন্দোলন করতে অপ্রেন রুল বদলানোর জন্যে। কিন্তু আইনত চার্জ করা হলে কি করার থাকতে পারে ?

    আর প্রাক্টিসেও নেই আর মুল্তুবিও ও নেই, এইটাই সবচে গোলমেলে স্ট্যনদ এবং এই কারণেই এরা সবচে বেশি গালাগাল খায়। সবাই মেনে নিয়ে ছাত্রসমাজ মানেনি এই কথাটার মানে কি ? ছাত্ররা ইম্ম্যাচীয়র আর বাকিরা ম্যাচিওর তাই ? মানেটা কি পরিস্কার করে এই কথা টার ?

    গোলমাল টা ঐখান থেকেই শুরু। জনৈক লেনিন কুমার কে যখন অর্ণব জিগায় সে লেনিন নাম বহন করছে কিকরে, তখন সে পাল্টা বলার সাহস রাখেনা যে হে উল্লুক অর্ণব তোমার বাড়িতে তে গরুর পাল আছে যে নামের পেছনে গোস্বামী ? বাম পন্থা নিয়ে ঠাট্টা তামাশা করার পর ও তাদের মুখ দিয়ে বেরয় না যে বাম আদর্শে যুগে যুগে এমন এখাধিক চরিত্র আছে যারা রাষ্ট্র বিরোধিতা করেছে। সিপুএম এর জ্যোতিবাবু ই একমাত্র বাম আদর্শ নন। এমনকি রাস্ত্রবিরধিতার গলা টিপে ধরা লেনিন ও নন। কেন বলতে পারেনা ? পারেনা কারণ এরাও ওই পার্লামেন্টারিয়ান পলিটিক্স এর ল্যাডার এর অংশ। এরা জানে টাইমস নাও তে মুখ দেখালে সেই ল্যাদারে কিছুটা এগিয়ে যাওয়া যায়। কাজেই ওখানে বসে অর্ণব কে মক করা বা বিরোধিতা করা যায়না। তাই এদের কে শেষ অবধি বেরিয়ে এসে সোশাল মিডিয়ায় কান্নাকাটি করতে হয়। এভরি ফাকিং ইন্ডিভিজুয়াল হু ইস একটিভ ইন পলিটিক্স ইস পার্ট অফ দিস পাওয়ার স্ট্রাকচার। সেখানে ওই ন্যাকা ন্যাকা এটাও মানি সেটাও মানি চলেনা।
  • মিকটেক্স | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:৩৬691489
  • . দেখলাম আমার আগের প্রশ্নটার উত্তর দিলেন না। আরেকটা প্রশ্ন করি। ভারতবর্ষ যে একটা ডেমোক্র্যাটিক দেশ এটা জানেন তো? হয়তো আপনাদের মতো লোকেদের বিশেষ অপছন্দ, তাও এখানে কথায় কথায় আর্মির রুল বা ইমার্জেন্সিও ডিক্লেয়ার করা যায়না তাও জানেন নিশ্চয়ই। এবার সফল ডেমোক্র্যাসির অন্য কিছু ডেফিনিশানের মধ্যে বাকস্বাধীনতাও যে পড়ে তাও জানা আছে মনে হয়। তাহলে ভারতবর্ষে দাঁড়িয়ে এমনকি স্লোগানও দেওয়া যাবেনা, সে স্লোগান যদি ভারতকে টুকড়ে...ও হয়, সেই স্লোগানটুকুও দেওয়া যাবেনা, এরকম উদ্ভট দাবীই বা কিকরে করছেন? স্লোগান দেওয়ার অপরাধে কাউকে জেলে পুরে দেওয়া হচ্ছে, একে গণতন্ত্র বলে মানতে পারেন? তাহলে নর্থ কোরিয়ার সাথে কি পার্থক্য রইল?
  • মিকটেক্স | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:৪২691490
  • শুধু এটুকুর জবাব দিলেও হবে - স্রেফ স্লোগান দেওয়ার অপরাধে কাউকে জেলে পোরা হচ্ছে, এটা কিভাবে জাস্টিফাই করছেন।

    ট্রাম্পড আপ চার্জ ইত্যাদি কিছুর মধ্যে যাচ্ছি না। ধরুন আমি আমার দেশের বিরোধিতা করে স্লোগান দিলাম আর তার ফলে পুলিশ আমায় ধরে নিয়ে গেল। এটা কিভাবে জাস্টিফাই করবেন?
  • Ekak | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:৪৪691491
  • "কারণ আধ ঘন্টার নোটিশে রাস্তা বানানো, ডিনামাইট দিয়ে ফাটানো, নিজেরা শুয়ে সেতু হয়ে মানুষ পার করানো - এগুলো তো পেশাদার বিশেষজ্ঞদেরই কাজ হওয়া উচিৎ - যাকে "বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী" বলে। তাদের এগুলোর জন্য বিশেষ ট্রেনিংও দেওয়া হয়। "

    একটু খোঁজ খবর নিয়ে কথা বলুন। কাজে দেবে। গত পাঁচ বছরে ডিসাসটার ম্যানেজমেন্ট এ কত টাকা ঢালা হয়েছে কিসে কিসে খোঁজ নিন। ফায়ার সার্ভিসে রিসেন্টলি রোবট কেনা হচ্ছে কারণ লো অক্সিজেন এরিয়া তে ঢুকে কোনো ফায়ার অফিসার কাজ করতে চায় না। মানুষ রিপ্লেস করা শুরু হয়ে গেছে মেশিন দিয়ে।

    একমাত্র আর্মি যেখানে অর্ডার এর বিরুদ্ধে কিছু বলা যায়না। সিভিলিয়ান ধরে "ট্রেনিং " দিলেই হবে এরকম নয়। বহু ক্ষেত্রে প্রাণহানির আশংকা নিয়ে আর্মি কাজে ঝাঁপ দেয়, না দিলে চাকরি যাবে। আপনি যখন এত পরিবর্তন চান, এক কাজ করুন বরং, আর্মি তে এই অর্ডার নেওয়ার সিস্টেম টার বিরুদ্ধে আন্দোলন করুন :) যেন বিপদ বুঝলে আর্মি তার কর্তব্য প্রত্যাখ্যান করতে পারে। জাস্ট এইটুকু আইন হোক। এটাও তো যারে কয় "মানবতা " না কি ?

    "দেশপ্রেম " একরকম মদ। এই মদ না খাওয়ালে চূড়ান্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ, সমস্ত "মানবতাবাদী" -"শ্রম আইন" বাঁচিয়ে কেও করবেনা। নো ওয়ান। সেসব কাজ রোবট দিয়ে করানো ও সম্ভব না। এটাই একটা বড় কারণ যে আর্মি র লোকজন "মানবিক অধিকার" নিয়ে সচেতন নয়, কারণ তাদের ও কোনো "মানবিক অধিকার" আমরা দি না। দিলে চলবেনা।

    আর্মির লোক ধর্ষণ করে, ঘুষ খায়, অত্যাচার করে এগুলো ঘটনা। তার জন্যে মিটিগেশন সিস্টেম দরকার। দ্রুত বিচার দরকার। আর্মি দরকার নেই এটা এতটা হাস্যকর কথা যে উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ জাগে।
  • Ekak | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:৪৬691493
  • আলাদা করে জাস্টিফাই এর কি আছে মশাই ? পাঁচটা লোক একজায়গায় দাঁড়িয়ে হ্যাজানো ভারতে নিষিদ্ধ। এটা নিয়ে কেও আন্দোলন করেনা। কেন বলুন তো ? কারণ যে যখন ক্ষমতায় থাকে তখন এই আইন তাকে ইউস করে বিরোধী দের মিছিল ভাঙ্গার জন্যে :)))) এর আবার জাস্টিফাই কি। এরকম বিদঘুটে ছাগ্লাতে অসংখ্য আইন অআছে এদেশে। জাস্ট যখন যার স্বার্থে ঘা পরে চেঁচিয়ে ওঠে।
  • মিকটেক্স | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:৫১691494
  • একক হুঁ, এটাও ঠিক যে বিদঘুটে আইনে আমাদের দেশ ভর্তি। এই সিডিশন আইনটা বাই ইটসেল্ফ একটা বিদঘুটে আইন। আবার এটাও দেখছি যেভাবে এই আইনগুলোকে খুঁচিয়ে তোলা হচ্ছে আর একের পর এক ব্যবহার হচ্ছে, সেটা বোধায় আগের কয়েকটা গভর্নমেন্ট করেনি (আমার ভুল হতে পারে)।
  • . | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৫:৫৭691495
  • "সেটা বোধায় আগের কয়েকটা গভর্নমেন্ট করেনি"

    হো হো হো হো হা হা হা...ওরে বাবারে হেসে পেট ব্যথা হয়ে গেল রে। খোরাক কি গাছে ফলে?
  • মিকটেক্স | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:০২691496
  • খোরাক কোথায় ফলে দেখতেই পাচ্ছি। তবে শুধু ভাঁড়ামো না করে প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারলে ভালো হয়।
  • cb | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:০৩691497
  • কন্টিনিউয়েশন অফ প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান .......

    http://www.indiaresists.com/what-acually-happend-in-jnu/

    নাউ ফার্স্ট থিংস ফার্স্ট,

    আচ্ছা, আপনাদের কি মনে হয়, এরা ঐ কাশ্মীরের ইস্যুগুলি নিয়ে মিটিং ওর্গানাইজ করে খুব অন্যায় করেছে? কাশ্মীর কি আমাদের কাছে এতটাই স্যাক্রেড যে এই নিয়ে কোন আলোচনাই করা যাবে না? নাকি আমাদের মাথা নাজী ন্যাশনালিসম স্টাইলে এতটাই ব্রেনওয়াশড হয়ে গেছে যে কাশ্মীরের ব্যাপারে কাশ্মীরিদের কাছ থেকে কিছু শুনতে এত অনীহা জন্মায়?

    প্রশ্নঃ আমি কি কাশ্মীরের ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া সমর্থন করি?

    উত্তরঃ না

    আমি এই ব্যাপারে এত বিশাল রাজনীতির নিটিগ্রিটি সম্বন্ধে অবহিত নই, কিন্তু আমি জানতে চাই। আমি জানতে চাই, শুনতে চাই, ডিবেটে আগ্রহী, স্পেশালি যাঁরা ওখানে বসবাস করেছেন বা করেন তাদের কাছ থেকে।

    আচ্ছা এবার বলুন, আয়োজকেরা আফজল গুরু আর মকবুল ভাটের এক্সিকিউশনকে "জুডিশীয়াল কিলিং" বলে কি ভয়ানক কাজটা করেছেন? জীবনে প্রথম দেখলেন যে কোর্ট রুলিং আর ক্যাপিটাল পানিশমেন্টের বিরুদ্ধে মানুষ আওয়াজ ওঠাচ্ছেন?

    আফজল গুরুর ফাঁসির পরে, বহু মানবাধিকার কর্মী ফাঁসির কড়া কনডেম করেছিল। এই যে পিডিপি, যাদের সাথে বিজেপি দিব্যি মিলেমিশে J&K এর সরকার গঠন করেছে, তারা তো রীতিমত এই ফাঁসিকে " ট্র্যাভেস্টি অফ জাস্টিস" আখ্যা দিয়েছিল। অরুন্ধতী রায়, শশী থারুর, কাটজু প্রত্যেকেই চরম নিন্দা করেছিলেন।

    প্রভীন স্বামী, একজন জার্নালিস্ট, অ্যানলিস্ট ও লেখক। এনার স্পেশালইজেশন হল ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি আর সিকিওরিটি। ইনি দা হিন্দু পত্রিকায় লিখেছিলেন

    "সুপ্রিম কোর্টের রায় শেষ কথা নয়, ইনফ্যাক্ট শেষ কথা হওয়া উচিতও নয়। এই আফজল গুরুর কেসটাতেই এত গভীর অ্যাম্বিগুইটি/ গোঁজামিল আছে যে এই কেসটাই বাধ্য করে মৃত্যুদন্ড সম্পর্কে আবার আর একবার নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে"

    প্রাক্তন চিফ জাস্টিস, দিল্লী হাইকোর্ট, এ পি শাহের মতে আফজল আর ইয়াকুব মেমনের মৃত্যুদন্ড একেবারেই পলিটিকালি মোটিভেটেড।

    তা কি মনে হচ্ছে? এনারা সবাই অ্যান্টি ন্যাশনাল, টেররিস্ট, জিহাদী?

    এর উত্তরের ভার আপনাদের উপরেই ছেড়ে দিলাম, আপনাদের ধীশক্তি সম্বন্ধে আমার আস্থা আছে :)
  • Ekak | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:২৮691499
  • @সিবি
    মিটিং ওর্গনাইস করে কোনো অন্যায় করেনি। প্রশ্নটা তো মিটিং ওর্গনাইস নয়। প্রশ্ন হলো ওখানে "ভারত কি বরবাদী " স্লোগান তোলা হয়েছিল যাকে এরা কনডেম করেনি। কাজেই এদের একটা পরিস্কার স্ট্যান্ড নিতেই হবে যে এই স্ট্যান্ড তারা সমর্থন করে কি করে না। স্লোগান অন্য কে দিয়েছিল কি ঝামেলা পাকানোর উদ্দেশ্যে এসব বলেও পার পাওয়া মুশকিল। এদের বিন্দুমাত্র পলিটিকাল ম্যাচীয়ৃতি থাকলে ঐমুহুর্তে কনডেম করত। সেটা করেনি বলেই এটা ইস্যু হয়েছে। এই মামলা গুলো বিতর্কিত এবং সরকারপক্ষ চেষ্টা করে যাচ্ছে তাদের রায় সবাইকে গেলাবার এটা তো ঘটনা। কিন্তু কোথায় কি স্টেপ নিলে বিরোধিতার জমি টা পোক্ত বা দুর্বল হয় সেটুকু বুদ্ধি তো রাখতে হবে না কি ?
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:৩১691500
  • এককের জন্যেঃ

    http://scroll.in/article/803497/jnu-student-union-president-arrested-even-though-organisation-had-condemned-seditious-slogans

    But all the outrage against Leftist leaders on the campus misses an important point: The JNU Student Union, as well as a number of Leftist campus outfits, had actually condemned the allegedly divisive slogans chanted at that event.

    In a statement issued on Thursday, members of the JNU Students’ Union criticised the sloganeering and claimed that the slogans were shouted by people who were not some outsiders.
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:৩৬691501
  • এটাও থাক।

  • Ekak | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:৪০691502
  • নন্দবাবুর র জন্যে :

    তো তাই যদি হবে তাহলে ওই লেনিন আর ওমর, অর্ণব এর ফ্লোর এ বসে বারবার আমতা আমতা কচ্ছিল কেন আর বলছিল ক্যানো যে না না ওরা আমাদের লোক নয় কিন্তু ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন এর জন্যে আমরা কিছু বলিনি :))) একে বুঝি কনডেম করা বলে ? দেখুন, রাজনীতি টা ফেসবুক এ হয়না। হয়, হীট অফ দ্য মোমেন্ট এ। ওরা যদি ওই মুহুর্তে "ভারত কি বরবাদী " বলা লোকগুলো ( সে যে দলের ই হোক ) কে ঘার্ধাক্কা দিয়ে বের করে দিত এবং থানায় অভিযোগ আন্ত ভারত বিরোধী স্লোগান দেওয়ার জন্যে তাহলে রাজনীতি আজ অন্যদিকে ঘুরত। সেটা ওরা পারেনি, রক্ত গরম ছিল, বরবাদী ফর্বাদী শুনে বেশ একটা রাষ্ট্র বিরোধী হ্যালু র মধ্যে মজা নিয়েছে।

    দে মিসড দ্য ট্রেইন। এটাই বলতে চাইছি। এই টিপিকাল ফেসবুক প্রজন্ম ভুলে গ্যাছে যে মাঠ ফাঁকা ছেড়ে দিয়ে এসে তারপর চিঠি -চাপাটি- ডিজিটাল বয়ান এসব লিখে কিস্যু হয়না। কেও কোনো পয়েন্ট মিস করেনি স্যার। মাঠে রাজনীতি করার বেসিক পয়েন্ট, যে মুহুর্তে খেলা ঘোরানো সেটা এই ডিজিটাল প্রজন্ম জানেনা। পয়েন্ট ওরাই মিস করেছে। সবই যদি শেয়ার আর লাইক দিয়ে হত :)
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:৪৪691504
  • টাইমস নাওয়ের ভিডিওটা দেখেছি। অর্ণবের ষাঁড়ের মত চেঁচানো আর বুলিয়িং-এর সামনে বক্তব্য বা বক্তব্যের অনুপস্থিতি দিয়ে যদি জাজ্‌ করতে হয় তাহলে মুশকিল।
  • Ekak | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:৫১691505
  • ওত ষাঁড় এর মতই চেঁচায়। ওর যুক্তিগুলোই ফক্স নিউস জার্নালিস্ম ঘরানার। সে বললে আমাদের মন্ত্রীসভায় কি হয়। চেন্ছানো -কাগজ দলা পাকিয়ে ছোঁড়া -টেবিল চাপড়ে বলতে না দেওয়া। এই ছেলেগুলো তো সেই পার্লামেন্তেরিয়ান ল্যাদার এই যাবে কোনদিন। সামন্য অর্ণব কে ডীল না করতে পারলে তো সেখেন গিয়ে মুখে ললিপপ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। বিরক্তি টা এই কারণেই লাগছে যে রহিত ভেমুলা র পর যে আক্রোশ -বিরোধিতা গুলো দানা বাঁধছিল সেটা ভুলভাল খেলে কমপ্লিট চ্যানেল এর বাইরে চলে গ্যালো। অর্ণব একটা করে ফাঁদ পেতেছে ওরা সেগুলোতে পা দিয়েছে। এখন হাজার টা লিংক আর পবন্ধ দিয়ে কি হবা :|
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৬:৫৭691506
  • হতে পারে, তবে তার জন্যে এদের বিশেষ দোষ দিয়ে লাভ নেই। অর্ণব অনেক বড় ঘুঘু। আর ওকে একটা শিক্ষা দেওয়া খুব জরুরী।
  • Ekak | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৭:০৫691507
  • ওকে শিক্ষা সেই দিতে পারে যার হারানোর কিস্যু নেই। ফ্লোর ছেড়ে বেড়িয়ে যাওয়ার পর কোনো হাউস না ডাকলেও যায় আসেনা। একটা পাগ্লাচদা লেভেলের "সর্বহারা " দরকার। সেন্ট্রাল কমিটির কথা শুনে চলা উঠতি লিডার না।

    বা, এমন কেও যার পেছনে আরও বড় লবি আছে।
  • নন্দকিশোর মুন্সী | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৭:০৮691508
  • বা যে আরো জোরে চেঁচাতে পারে, অথবা তুমুল খিল্লি করতে পারে - তবে নিজের চ্যানেলে অর্ণব সুপ্রীম ক্ষমতাশালী, মনোমত লোক না হলে সুইচ অফ করে দেবে।
  • রৌহিন | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৭:০৯691509
  • একক, আমি ঠিক বুঝতে পারছি না আপনি তর্কটা কী বিষয়ে করছেন। বা আমনও হতে পারে আপনি আদৌ কোন তর্ক করছেন না শুধু ডিসকাসনই করছেন। যাই হোক - "গোলমাল টা ঐখান থেকেই শুরু। জনৈক লেনিন কুমার কে যখন অর্ণব জিগায় সে লেনিন নাম বহন করছে কিকরে, তখন সে পাল্টা বলার সাহস রাখেনা যে হে উল্লুক অর্ণব তোমার বাড়িতে তে গরুর পাল আছে যে নামের পেছনে গোস্বামী ? বাম পন্থা নিয়ে ঠাট্টা তামাশা করার পর ও তাদের মুখ দিয়ে বেরয় না যে বাম আদর্শে যুগে যুগে এমন এখাধিক চরিত্র আছে যারা রাষ্ট্র বিরোধিতা করেছে। সিপুএম এর জ্যোতিবাবু ই একমাত্র বাম আদর্শ নন। এমনকি রাস্ত্রবিরধিতার গলা টিপে ধরা লেনিন ও নন। কেন বলতে পারেনা ? পারেনা কারণ এরাও ওই পার্লামেন্টারিয়ান পলিটিক্স এর ল্যাডার এর অংশ। এরা জানে টাইমস নাও তে মুখ দেখালে সেই ল্যাদারে কিছুটা এগিয়ে যাওয়া যায়। কাজেই ওখানে বসে অর্ণব কে মক করা বা বিরোধিতা করা যায়না। তাই এদের কে শেষ অবধি বেরিয়ে এসে সোশাল মিডিয়ায় কান্নাকাটি করতে হয়। এভরি ফাকিং ইন্ডিভিজুয়াল হু ইস একটিভ ইন পলিটিক্স ইস পার্ট অফ দিস পাওয়ার স্ট্রাকচার। সেখানে ওই ন্যাকা ন্যাকা এটাও মানি সেটাও মানি চলেনা।" - এটার প্রতিটা লাইনের সাথেই একমত।
    "একটু খোঁজ খবর নিয়ে কথা বলুন। কাজে দেবে। গত পাঁচ বছরে ডিসাসটার ম্যানেজমেন্ট এ কত টাকা ঢালা হয়েছে কিসে কিসে খোঁজ নিন। ফায়ার সার্ভিসে রিসেন্টলি রোবট কেনা হচ্ছে কারণ লো অক্সিজেন এরিয়া তে ঢুকে কোনো ফায়ার অফিসার কাজ করতে চায় না। মানুষ রিপ্লেস করা শুরু হয়ে গেছে মেশিন দিয়ে।" - এটায় খুবই অবাক হলাম। এটাই তো আমার বক্তব্য যে এত টাকা খরচ করেও, রোবট টোবট এনেও শেষ অবধি যদি ট্রেইন করা গেলনা বলে আর্মিকেই যেতে হয় (আর্মিরাও তো আর্মি হবার আগে সিভিলিয়ানই থাকে বোধ হয় - যদিও পারিবারিক আর্মিও অনেক হয় জানি) তবে সেটাকে সেই সিস্টেমের ব্যর্থতা ছাড়া কী-বা বলতে পারি বলুন দেখি?
    ""দেশপ্রেম " একরকম মদ। এই মদ না খাওয়ালে চূড়ান্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ, সমস্ত "মানবতাবাদী" -"শ্রম আইন" বাঁচিয়ে কেও করবেনা। নো ওয়ান। সেসব কাজ রোবট দিয়ে করানো ও সম্ভব না। এটাই একটা বড় কারণ যে আর্মি র লোকজন "মানবিক অধিকার" নিয়ে সচেতন নয়, কারণ তাদের ও কোনো "মানবিক অধিকার" আমরা দি না। দিলে চলবেনা।" - এটা নিয়ে সম্পূর্ণ একমত।
    "আর্মির লোক ধর্ষণ করে, ঘুষ খায়, অত্যাচার করে এগুলো ঘটনা। তার জন্যে মিটিগেশন সিস্টেম দরকার। দ্রুত বিচার দরকার। আর্মি দরকার নেই এটা এতটা হাস্যকর কথা যে উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ জাগে।" - এটায় সবচেয়ে অবাক হলাম। "আর্মি দরকার নেই" এ কথাটা কখন বললাম? রাষ্ট্রের এবোলিশনের কথা বলেছি - সঙ্গে এটাও বলেছি যে বাস্তবে জানি যে সেটা ইউটোপিক ভাবনা। বর্তমানে। মূলতুবীই - সেটা বলেছি, কারণ কিছু লোক, যাদের রোমান্টিক ফুল বলা হয়, এখনো স্বপ্নটা দেখেই (শুধু ছাত্ররা নয় - আর ইম্ম্যাচিওর বলেও নয়), এবং সেটা দেখেই যাবে কেউ কেউ। কিন্তু তাই বলে বর্তমান সিস্টেমে, যার আমিও একজন অংশীদার, মিলিটারি থাকবে না, একথা বলব কেন? আমি পরিবর্তনও চাইনি - কারণ পরিবর্তন কেউ চাইলে সেটা তাকে নিজেকেই আনার দায়িত্ব নিতে হয় বলে বিশ্বাস করি। আমি এখনো পরিবর্তনের উপযুক্ত হইনি নিজে। শুধু আর্মির কথা উঠলো বলে (কি করে যে উঠলো ডট বাবুই জানেন) বললাম যে আর্মিকে গ্লোরিফাই করাটা আমাদের অনেক বদভ্যাসের একটা। যে মদ খাওয়ানোর থিয়োরির কথা আপনি বলছেন, আমি ভাবছি, আন্ডারগ্রাউন্ড ড্রেনে নামা লোকটাকে সেই দেশপ্রেমের মদ না খাইয়েই কি করে নামাতে পারা যায়।
    তবে সব শেষে মনে হচ্ছে আমরা শুধু তর্কের খাতিরেই তর্ক করে চলেছি অনেক্ষণ ধরে। আপাততঃ এসব বিষয়ে এটাই আমার শেষ বক্তব্য।
  • Ekak | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৭:২৬691510
  • মদ না খাওআলে কেও নাব্বেনা কোনো নর্দমায়। "সিস্টেমের ব্যর্থতা " আপনার পক্ষে বলে দেওয়া সহজ কারণ আপনি ধরেই নিয়েছেন সিস্টেমের সাফল্য বলে কিছু এক্সিস্ট করে। আমি ধরে নিই নি। আমাদের বক্তব্য এক না। কোনো সিস্টেম তার বিষ্ঠা কে গ্রহণ করেনা। যা হজম করা যায়না, যা সংশ্লেষ হয়না , যুগে যুগে সিস্টেমের শরীর ভালো রাখার জন্যে সিস্টেমের ই কিছু অংশ কে কৃত্রিম ভাবে কোনো একটা ইদীয়লোজি মাথায় ঢুকিয়ে মোটিভেট করে নোংরা পরিস্কারের দায়ীত্ব দিতে হয়। রোবট এলেও দিতে হবে। সফল সিস্টেম বলেই কিস্যু হয়না। আমি আমার জায়গাতেই থাকলুম যে আর্মি কে গ্লোরিফাই করার -ছাত্রদের "বৈপ্লবিক" ধারণার দিকে ঠেলে দেওয়ার (এগুলো সবই এককেটা শুঁড়ি খানা ) প্রথা চালু থাকতে হবে। আমি ওটা সমর্থন করি। পার্ট অফ দ্য গেম। আপনি প্রথম থেকেই যেটা বলছেন সেটা হলো : কনশাসনেস ইস আ হোল সাম গেম। মানে আপনার ভাষায় " মদ না খাইয়ে কিভাবে "। আমি ওটার ই বিপক্ষে। কনশাসনেস এর গেম টাকে হোলসাম করে প্রচুর প্রচুর অন্ধকার। যা আমরা বুঝিনা এবং গায়ের ওপর পড়লে ভয় পেয়ে যাই। তাই মদ। তাই মাতানো। আমি অন্তত তর্কের খাতিরে বলি নি। স্পষ্টতই বিরোধী অবস্থান :)
  • রৌহিন | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৭:৩৯691511
  • আর কিছু লিখবো না বলেও আপনার শেষ বক্তব্যের পর একটা কথা বলতে আসতেই হল। "আপনি প্রথম থেকেই যেটা বলছেন সেটা হলো : কনশাসনেস ইস আ হোল সাম গেম। মানে আপনার ভাষায় " মদ না খাইয়ে কিভাবে " " - এই লাইনটার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিতে। আমরা একমত না-ই হতে পারি, কিন্তু আমার বক্তব্যটা আপনি সঠিকভাবেই বুঝেছেন এবং পক্ষাবলম্বনটাও। আন্তরিকভাবেই ধন্যবাদ।
  • freedom of expression law | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৭:৪৩691512
  • Article 19 in The Constitution Of India 1949
    19. Protection of certain rights regarding freedom of speech etc
    (1) All citizens shall have the right
    (a) to freedom of speech and expression;
    (b) to assemble peaceably and without arms;
    (c) to form associations or unions;
    (d) to move freely throughout the territory of India;
    (e) to reside and settle in any part of the territory of India; and
    (f) omitted
    (g) to practise any profession, or to carry on any occupation, trade or business
    (2) Nothing in sub clause (a) of clause ( 1 ) shall affect the operation of any existing law, or prevent the State from making any law, in so far as such law imposes reasonable restrictions on the exercise of the right conferred by the said sub clause in the interests of the sovereignty and integrity of India, the security of the State, friendly relations with foreign States, public order, decency or morality or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence
    (3) Nothing in sub clause (b) of the said clause shall affect the operation of any existing law in so far as it imposes, or prevent the State from making any law imposing, in the interests of the sovereignty and integrity of India or public order, reasonable restrictions on the exercise of the right conferred by the said sub clause
    (4) Nothing in sub clause (c) of the said clause shall affect the operation of any existing law in so far as it imposes, or prevent the State from making any law imposing, in the interests of the sovereignty and integrity of India or public order or morality, reasonable restrictions on the exercise of the right conferred by the said sub clause
    (5) Nothing in sub clauses (d) and (e) of the said clause shall affect the operation of any existing law in so far as it imposes, or prevent the State from making any law imposing, reasonable restrictions on the exercise of any of the rights conferred by the said sub clauses either in the interests of the general public or for the protection of the interests of any Scheduled Tribe
    (6) Nothing in sub clause (g) of the said clause shall affect the operation of any existing law in so far as it imposes, or prevent the State from making any law imposing, in the interests of the general public, reasonable restrictions on the exercise of the right conferred by the said sub clause, and, in particular, nothing in the said sub clause shall affect the operation of any existing law in so far as it relates to, or prevent the State from making any law relating to,
    (i) the professional or technical qualifications necessary for practising any profession or carrying on any occupation, trade or business, or
    (ii) the carrying on by the State, or by a corporation owned or controlled by the State, of any trade, business, industry or service, whether to the exclusion, complete or partial, of citizens or otherwise
  • Div0 | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২০:০০691513
  • গোটা থ্রেডটা এখনও পড়া হয়নি, আর লিঙ্কে ক্লিক করলে শেষ পাতাটাই খোলে, এখন যার উপরে এককের ২ঃ২৯ পিএম এর পোস্ট, যেটা অবাক করল খুব। ডেভিল'স অ্যাডভোকেসি করছ নাকি? রেস্কিউ টীম, কুইক রেসপন্স টীম, ডিজাস্টার রিকভারি টীম - এগুলো আর্মি ছাড়া গঠন করা যায় না! বা গেলেও তারা আর্মিমেনদের মত ইনস্পায়ার্ড থাকে না! নাহ, খুব যায়। ইনফ্যাক্ট এইধরণের টীমের ফর্মেশন না করাটাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাষ্ট্রের ডিগবাজি। যদি কোনওদিন সত্যি এগুলো হয় (ইনশাল্লাহ), সেদিন দেখা যাবে আর্মির মত একটা করাপ্ট, ক্রিমিন্যাল ক্ল্যানের প্রতি সো-কলড দেশবাসীদের রেস্পেক্ট কোন্‌ তলানিতে এসে ঠেকে।
  • Ekak | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ২০:১৯691515
  • না, কোনো এডভোকেসি করছিনা। আর্মি কে এই কাজগুলো করতে দেখেছি। ডিসাসতার রিকভারির ও কিঞ্চিত খবর রাখি। দেয়ার আর থিংস যেখানে আর্মি ছাড়া কেও রাজি ই হবেনা মৃত্যু নিশ্চিত জেনে ঝাঁপাতে। এডভেঞ্চার টুরিং করা এক-দুজন আর আর্মি ট্রুপ এক জিনিস না। ওদের ব্রেইন ওয়াশ করা আছে বলেই ঝাঁপায়। তাও সিনিয়র অফিসার গুলো না, ওগুলো গলফ খেলে দিন কাটায়।
    ব্যাপারটা এত সাদ-কালো নয়। আর্মি মানেই রাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র ইরিকিরিমিরি এরম্ভআবে ভাবলে বেশ গা গরম ফিলিং হয় বটে, কিন্তু সেটা একদেশদর্শী :) আর্মির হাতে অসীএম ক্ষমতা যেটা ওরা বহু ক্ষেত্রে এবিউস করে, বাজেট ওপেন নয়, গুচ্ছের চুরি করে....সব কিছুর পরেও আর্মি যা পারে তা রেগুলার বেসিসে কোনো সিভিলিয়ান করতে পারেনা। এটা শুধু শারীরিক কুশলতার ব্যাপার নয়। প্রচন্ড একটা প্রেসার এর মুখে রাখা হয়। ফেসবুকে একটা গোলমেলে পোস্ট "লাইক " করার আগে একজন যতটা পীয়ার প্রেসারে ভোগে যে তার "দল এর লোকেরা " কি বলবে, তার চেও মিলিয়ন টাইমস প্রেসার থাকে একজন আর্মি জোয়ান এর মাথায় যে সে অপরয়ালা র অর্ডার এ "কুঁদ" বলতেই না কুঁদলে কি শুধু কোর্ট মার্শাল নয় -গাঁও থেকে দেশ জুড়ে কিরকম ছিচ্চিক্কার পরে যাবে। এটাই ব্রেইন ওয়াশ। এন্ড ইত অযর্ক্স। সমস্ত অর্ডার ঠিক রাখতে গেলে কিছু লোক লাগে যারা বিনা প্রশ্নে অর্ডার নেয়। ওই টা ওরকম "টিম তৈরী " করে আসেনা।

    আমি তো ওপেনলি বলছি .......যাঁদের কাছে আর্মি মানেই দুষ্টু লোক এবং যাঁরা হিউম্যান রাইটস এর পুজারী তাঁরা আর্মি ইন্ফিল্ত্রেত দিয়েই শুরু করুন। আর্মি হলো সেই জায়গা যেখানে সিভিলিয়ান দের হিউম্যান রাইট এর কোনো সজ্ঞা খাটে না। প্রত্যেকে অর্ডার মানতে বিনা প্রশ্নে বাধ্য। ওয়ার্কিং কন্ডিশন সবহিউম্যান। মাসের পর মাস বরফে -জঙ্গলের মধ্যে জোঁক অগ্রাহ্য করে পরে থাকে স্নাইপার রা। কিরকম বাজে অবস্থা বলুন তো ! ওদের দিয়েই হিউম্যান রাইটস শুরু করুন। অর্ডার এর সঙ্গে সঙ্গে ক্লারিফিকেশন আসতে হবে। বেশ গুছিয়ে কে টি দেবে লীড তবেই না কাজ ? এগুলো এপ্লাই করলেই কিন্তু আপনারা যা চাইছেন তাই হবে :) আর্মি ব্যাপারটাই গাঁড় মারা যাবে :)) অথচ কোনো সো কল্ড রক্তক্ষয়ী বিপ্লব ও লাগেবনা। আসমাকে দেখো :)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন