এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • মায়ের কর্তব্য ভিন্ন কিছু নাই

    Yashodhara Raychaudhuri লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্যান্য | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | ১০২১০০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:২১722514
  • কি আশ্চর্য্য অর্থনৈতিক অবস্থা বাদ্দিয়ে করা যাবেই বা কী করে!! আজব তো! এমন দাবী আমি আবার কবে করলাম?
    আমি বরং বরাবরই বলে থাকি যাদের আর্থিক স্বাচ্চন্দ্য কিছুটা হলেও আছে তাদের কমপ্রোমাইজ না করাটাই ঠিক। তাঁরা কেন সমানে কমপ্রোমাইজ করে চলেন সেইটে ভাবতে গিয়েই তো সিরিয়ালের প্রভাব আছে কিনা ভাবছি।
  • h | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:২১722503
  • **একক কি স্বীকার করছে
  • π | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:২১722492
  • এটা টিঁকিয়ে রাখার পিছনে মেয়েদের নিজেদের অবদান, বাইরে কাজ না করা বা না খোঁজার চাপ না নিয়ে একটা অপেক্ষাকৃত আরামের ঘরের জীবনে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া, কখনো সেটা বেছে নেওয়া এও আছে। কিন্তু কখনো বা অনেক ক্ষেত্রেই সেটা এই বাড়ির চাপেও হয়ে থাকে। এখনো। মেয়েরা মানেই সংসার সামলাবে, ভালো মা কে ঘরে থাকতে হবে বাচ্চাদের ভালোর জন্য, এই চাপটা বহুদিনের নির্মাণ, বাইরে কাজ করলেও
    এই কাজগুলো মেয়েদেরই ভাল করে করতে হবে, এই চাপও থাকে।
    এই চাপসমূহের থেকে বেরোনোর সুযোগ কম শিক্ষিত হলে কম থাকে, অনেকে এই চাপটা নিতে পারেনা বলে বেরোয় না, আবার বেরোতে না চাওয়ার ইচ্ছা বা বলা ভাল বেরোরে চাওয়ার ইচ্ছার অভাব অনেক উচ্চশিক্ষিত মেয়েদের মধ্যেও থাকেনা, তারা নিজেরাও এই চিন্তাধারাতেই সাবস্ক্রাইব করে বলে, এরকমও হয়, আর অনেকে এই চাপ সত্ত্বেও বেরোয়, নিজেদের ইচ্ছেয়, বহু নিম্নবিত্ত পরিবারে বেরোয় বাধ্য হয়ে, আবার অনেকে বেরিয়েও এই চাপটা নেয়, ঐ নিজেরাই এই চিন্তাধারায় সাবস্ক্রাইব করে বলে। আর করেনা কিন্তু বেরোনোর ফলে এই চাপের জাঁতাকলে না চাইলেও পিষে যায়।

    এই আগের টইগুলোর তর্কের কথাই মনে পড়লো। মানে, ক্রেশ বা ম্যাটার্নিটি লিভের প্রসঙ্গে যে তর্ক হচ্ছিল। অনেকেই তো মেয়েদের লিভ অনেক বেশি করার পক্ষে। তো, এখানে এই কথা তো আসবেই যে এত লিভের প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা। এটা অনেক নেয়েই মনে করেন, এটা আছে। তখন এই প্রশ্নও আসবে, যে তাঁরা অন্য কাজকে তত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন কিনা, বা নিজেদের থাক খুব জরুরি মনে করছেন কিনা। সেটা অন্য কেউ দায়িত্ব নিচ্ছেনা বলে, ক্রেশ ইত্যাদির সুবিধা নেই বলে ব পরিবারের অন্য কেউ কোন দায়িত্ব নিতে চান না বলে বা বাচ্ছার দেখাশুনার জন্য কোন সহায়িকা রাখলে তিনি ঠিকঠাক যত্ন নেন না বলে বাধ্য হয়ে তাঁরা থাকতে চাইছেন, নাকি এগুলোর সুবিধা সুযোগ থাকলেও নিজেরা মনে করছেন এগুলো যথেষ্ট নয়, এবার সেই মনে হওয়াটা অন্যদের 'ভালভাবে' মানুষ করার সংজ্ঞার চাপে, 'ভালো মা' হয়ে ওঠার সত্যি কোন চাপে নাকি নিজেও ওতে সাবস্ক্রাইব করার চাপে, সে সবই ভিন্ন ভিন্ন কেসে ভিন্ন ভিন্ন হতে দেখেছি। প্যাটার্নিটি লিভ বাড়ানো নিয়ে তর্কও তো সেই থেকে। অনেকে মনেই করেন, ওটা বাড়িয়ে তেমন লাভ নেই, কাজগুলো বাবারা 'ভালো' পারবে না, মায়েদেরি করা বেটার। এই অনেকের মধ্যে পরিবারের অন্য লোকজন থেকে শুরু করে মায়েরা, সবাই একসাথে বা আলাদাআলাদাভাবে পড়তে পারেন।

    তো, কথা হল, এই সবরকমই তো আছে। আর সব সেটেই এই সবেরই ব্যতিক্রমেরও ঃ)
    কোন একটা সেট অন্যটার ব্যতিক্রম হয়ে যায়না ঠিক কারণ পরিস্থিতি ও মাইণ্ডসেট সব সেটে ভিন্ন। আর সেই কারণেই কোনোদিন 'আমরা মেয়েরা' নামক কোন সমসত্ত্ব সেটে কোনোদিন বিলং করতে পারিনি, এই আপ্রোচে অসুবিধেও হয়।

    এই লেখায় কিন্তু চাপটার কথা বলা হয়েছিল মনে হয়, যেটা থাকার কথা অস্বীকার করা যায়না। কাটানো সম্ভব হলেও আর কেউ কেউ কাটালেও। কারণ কাটানোটাও চাপের ঃ)। যারা কাটিয়েছে, তাদের কথা এলেও কাটানোর কথা আকনলেজ করেই আসুক। ঃ)
    আর হ্যাঁ, আমি মনে করি শিক্ষা, দক্ষতা থাকলে কাটানোই উচিত। চাপ নিয়েও। অন্ততঃ বেশ কিছু ক্ষেত্রে এখন যা অবস্থা, তাতে নিজে মনে করলে কাটানো যায়। অনেক বেশি বেশি মেয়েরা বাংলা চাপ নিয়ে এই চাপটা কাটানোর চেষ্টা না করলে এই অবস্থা থেকে বেরোনোর রাস্তাও খুব দেখিনা। সবার চিন্তাধারা দুমদাম বদলে যাবে, এমন অত হয়না। লোকজন এটাকে চাপ হিসেবে আর নিচ্ছে না, এগুলোকে পাত্তা দিচ্ছে না, মানছে না, নিজেরা এরকম ভাবছে না তো বটেই, এগুলো যত হবে, তত সহজ হবে এসব।
  • | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:২৩722547
  • *স্বাচ্ছন্দ্য

    আমার পোস্ট হনুর উত্তরে
  • অভি | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:২৩722536
  • দমুদি, যেটা জানা গেছে সেটা হল এই উজ্জ্বল স্ক্রিনের আলো মাথায় মেলাটোনিন কমিয়ে অ্যালার্টনেস বাড়িয়ে দেয়, এবং ঘুম কাটিয়ে দেয়। আর যেকোনো প্লেজারেবল কাজ ব্রেইনের রিওয়ার্ড সেন্টারে কাজ করে, খাওয়া, খেলা, সেক্স, মদ, কোকেন ইত্যাদি। পার্থক্য বলতে নেশায় একটা স্থায়ী পরিবর্তন চলে আসে মলিকিউলার লেভেলে। এবার এই টিভি সেলফোন বা সেলফি তোলা আদৌ সেই লেভেলে কিছু করে কিনা তা নিয়ে হার্ড এভিডেন্স বা কনশেনসাস নেই। কিছু বিক্ষিপ্ত এপিডেমিওলজিক্যাল স্টাডি হয়, সেগুলো আবার যত না সায়েন্টিফিক জার্নালে বেরোয়, তারচেয়ে বেশি বেরোয় খবরের কাগজে। :)
  • h | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:২৩722525
  • **জেমেসন রা নতুন ক্যাপিটলিজম বোঝেনি বলে চিল্লোচ্চে
  • | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:২৪722558
  • আচ্ছা অভি। বুঝলাম।
    হ্যাঁ আমি তো কোনও একটা খবরের কাগজেই পড়লাম।
  • h | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:২৬722569
  • জেন্ডার থিয়োরেটিশিয়ান রা ক্লাস কে অ্যাড্রে স অনেকেই করতে অস্বীকার করেছেন তার লজিক নির্মানের দৈনোন্দিন ওভিগ্যোতা ব্যাবহ্রিত হয় সেই প্রতিকর অর্থে বলা হয়েছে।
  • | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:৩৮722580
  • আবার ক্ল্যাসিকাল মার্ক্সবাদীরা জেন্ডারকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে ক্লাসকেই একমাত্র বিচার্য্য বিষয় ভাবেন।

    আমি এর কোনওটাই ধ্রুবসত্য মনে করি না। এবার আমার মানা না মানায় দুনিয়ার কি আসে যায় সে প্রশ্ন উঠতেই পারে। তো উঠলে উঠুক। কি আর করা।

    আমার যেমন কবিতা কৃষ্ণানের চেয়ে কমলা ভাসিন অনেক বেশী পছন্দের।
  • Ekak | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:৪১722590
  • "রিটেল পারছেজ পাওয়ার আর সোশাল মেডিয়ার মধ্যে এক ধরনের ফল্স এম্পাওয়ারমেন্ট আছে এবঙ্গ সেটাও যে রাজনৈতিক ভাবে নির্মিতো এটা কি লিবের্টারিয়ান রা স্বীকার করছে"

    হ্যাঁ অবসসই করছে। তবে এই টেকনোলজি গুলো একদম বাডিং স্টেজে। এরকম থাকবেনা। প্রচুর চেঞ্জ আসবে। প্রপার এমপাওয়ারমেন্ট ও আসবে। এখন জাস্ট মুদিখানা টা বা পাড়ার ভাটবাজির রক যেমনকার তেমন হয়ে ইন্টারনেট এ এসেছে বলে এমন হচ্ছে। এটা জাস্ট লিগ্যাসি মডেলের ডিজিটাল ফর্মে কপি পেস্ট উইথ লট অফ মোর স্পিড। একচুয়াল এনহ্যাসনমেন্ট এখন্ব শুরুই হয়নি।
  • π | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:৪২722591
  • একটা প্রশ্ন ছিল। এইসব স্টাডি খবরের কাগজে আসে কীকরে ? মানে জার্নালে পাবলিশ হলে আসে, সেটা তো বুঝি। না হতেই আসে কীকরে, আর বেশিরভাগ সময় কোন রেফারেন্সও থাকেনা, কাদের স্টাডি। ঐ 'বৈজ্ঞানিক গবেষণা' বলেছে বলে বের করেই দিলেই হল।
  • Ekak | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:৪৭722592
  • "প্যাশন ফর্ম করতে গেলেও যে জেন্ডার ইকুয়ালিটি লাগে সেটা কি এককি শেয়র করছে? "

    হ্যা এটা লাগে। সেই সঙ্গে কন্ডিশনিং ও লাগে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্যাশনের কন্ডিশনিং ই নেই। এটা আগেই বলেছি। মেয়েদের দোষ দিই নি। ছেলে -মেয়ে কারো ক্ষেত্রেই প্যাশন এর কন্ডিশনিং নেই। "রোজগার " এর আছে। যেই রোজগার টা আর দরকার হচ্ছে না অমনি বিশাল ফাঁকা স্পেস।
  • Ekak | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:৫১722593
  • একটা বেসিক জায়গায় আমি সে -র সঙ্গে একমত। এবং দ -র সঙ্গেও।

    সেটা হলো ঐতিহাসিকতাকে অজুহাত বানানো চলবে না। মেয়েরা কেন অমুক অমুক জায়গায় পিছিয়ে তার পাঁচ হাজার ছাপান্ন খানা কারন থাকতে পারে, আছেও। কিন্তু এটা কোনো ব্যক্তিবিশেষের অজুহাত হতে পারেনা। এই জায়গাটা শুনতে অবাস্তব লাগে ঠিক ই, কিন্তু ওই অবাস্তবতার জাম্প টা না দিলে কোনোদিন ই লুপ থেকে বেরোনো যায় না। শুধুই ঐতিহাসিকতা দেখিয়ে জীবন কেটে যায়। বরং ইতিহাস থেকে এইটুকুই শেখার যে আমার যেহেতু শত্রু বেশি আমাকে মারতেও হবে অনেক জোরে দৌড়তেও হবে জোরে। ক্যানো শত্রু বেশি বলে গান গেয়ে লাভ নাই।
  • | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:০২722594
  • হুঁ এই প্যাশনের অভাব এবং চাকরিকেন্দ্রিক জীবন সম্পর্কে এককের অবজার্ভেশানটা আর বাঙালির আবার একটু 'কলচর' বাতিক আছে। ঐজন্য হাতে একটু পয়সা হলেই পুজো কমিটির সেক্রেটারি ইঃ হওয়ার জন্য ক্ষেপে ওঠে। এরই হলধর ভার্সান হল বঙ্গ সম্মেলন ইত্যাদি। :-p
  • | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:০৩722595
  • *এককের অবজার্ভেশানটা ঠিক
  • অভি | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:০৮722596
  • সর্বত্র কিভাবে বেরোয় জানি না। জার্নালে বেরোনোর পর দেখে ছাপতে পারে, অন্য কিছুও হতে পারে। আমাদের এখানে হামেশাই পাবলিক রিলেশনের ওপর নির্ভর করতে দেখেছি। ধরুন আপনি একজন হনু, নিয়মিত মিডিয়া কামড়ান, পার্সোনাল যোগাযোগ আছে। আপনি নিজের বা কোনো ছাত্রের এরকম কোনো ক্যাচি বিষয়ের খবর করতে চান। জাস্ট ডেকে একটু ভেগ জার্গন ব্যবহার করে জানান, বেরিয়ে যাবে। সংবাদে থাকবে 'বৈজ্ঞানিকভাবে দেখা গেছে', 'সাম্প্রতিক গবেষণায় এসেছে', 'বিশেষজ্ঞদের অভিমত' এবং 'বিশ্বস্তসূত্রে জানা গেছে'। শেষে থাকে 'তবে অনেকে দ্বিমত পোষণ করেন'।
  • π | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:১৫722597
  • হুম্ম ঃ)

    আর এও দেখেছি, মিডিয়া হাউসদের এরকম কিছু বাঁধা হনু চিকিৎসক, বিজ্ঞানী থাকেন। যেকোন কিছু হলেই সেই 'বিশেষজ্ঞরা' মতামতও দেন, সে ভুলহ্ভাল হলেও। অবশ্য রিপোর্টিং এও এতটা মিশেল আসে কে জানে।
  • cm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:১৯722598
  • “ কারন, তাঁদের ওরকম কোনো প্যাশন নেই। ” কোনটা প্যাশন কোনটা নয় ঠিক করার আমি কোন হনু। কে কর্তব্যের তাগিদে করছে আর কে প্যাশনের জন্য করছে কে ঠিক করে। সবাইকেই এই ইঁদুর দৌড়ে নামতেই হবে? আপনারা সব বুঝি ইচ্ছেতে করেন। আমার অভিজ্ঞতা বলে যখন যেরকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হয় সেই বুঝে মানুষ কর্মপন্থা ঠিক করে। সকলের হাতে গোছাগোছা অপশন থাকেনা, থাকতে পারেনা। আর আপিসে বা স্কুলে দশটা পাঁচটা কেন ঘরে রান্না করার চেয়ে মহান তা কিছুতেই মগজে ঢোকেনা। যে যার অবস্থা মত খেটেখায় এদের আলাদা করা কেন?
  • π | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:২৫722599
  • মেয়েদের উপর রোজগারের চাপ না থাকলে ( নিম্নবিত্ত, খেটে খাওয়া পরিবারের কথা বলছিনা, সেখানে থাকে), মেয়েদের তো প্যাশন পারসু করার সুযোগ বেশি থাকা উচিত। কিছু ক্ষেত্রে চাকরি বা ব্যবসাই প্যাশনপ্রসূত হতে পারে, সে বাদ দিয়ে বলছি। ঘর সংসার, রান্নাবান্না, ছেলেমেয়ে মানুষ বাদ দিলে সেই প্যাশন কজন পারসু করেন ?
  • π | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:২৬722601
  • তবে একক, সবই ঐতিহাসিকতা নয়, বর্তমানেও অনেক বাধা অনেক ক্ষেত্রেই বর্তমান।
  • Ekak | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:৩৭722602
  • কোনো ফিল্ডে প্যাশন আছে কিং বোঝার জন্যে হনু হতে হয়না :) ওটা কোনো ভাসা ভাসা নৈর্ব্যক্তিক ব্যাপার নয়। কোনো ফিল্ডে ক্রিয়েটিভ কাজকর্ম হচ্ছেনা অনেকদিন ধরে দেখলেই সন্দেহ হয় ওখানে কোনো প্যাশন নেই। যে কাজগুলো দিয়ে ঘরেলু মেয়েদের "মহ্বত্ব" ডিফাইন হয় যথা রান্নাবাড়ি -ঘর গোছানো বা আসন বোনা তার একটাতেও কোনো ক্রিয়েটিভিটি উঠে আসেনি আদার দ্যান বাইরে থেকে মেকানাইস করে কার্যপদ্ধতি দ্রুত হওয়া। নতুন রেসিপি আসছে কুলিনারি ইন্ডাস্ট্রি থেকে। কারো ঘর থেকে নয়। ঘর পরিষ্কার হচ্ছে মেশিন দিয়ে। বা নিজের হাতে পুঁছে। একটা সময় অবধি এগুলোতে প্যাশন ছিল তখন ডিজাইনার বড়ি থেকে নতুন নতুন শৈল্পিক সেলাই সবই হয়েছে, গত বিশ তিরিশ বছরে আউটপুট কী এই ফিল্ডগুলোর ?? নতুন কী পাওয়া যাচ্ছে যে এগুলোকে প্যাশন বলে দাবি করলেই মেনে নেবো ?

    ফিউচারিস্ট ফ্লোর ডিজাইন নিয়ে কাজ করছেন এই ব্যাঙ্গালোরের একজন মেয়ে। ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশনে। এটা প্যাশন। শত শত বছর ধরে চালগুঁড়ি দিয়ে ঠাকুমাকে দেখাদেখি লক্ষীর পা আঁকা প্যাশন নয়। নিজের জায়গা টিঁকিয়ে রাখতে কাজ চালানো। এই হলো পার্থক্য।
  • | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:৪৩722603
  • 'ঘরের কাজ', 'মাতৃমহিমা' এইসব জাস্টিফাই করার জন্য, আরো মহিমান্বিত করার জন্য যে কতরকম ইসে চলে! দশটা পাঁচটার চাকরি আর প্যাশান এক জিনিষ নয় এই বেসিক বোধটুকু না থাকলে শুধু ফাল পাড়াই সার হবে কি আর করা!
  • cm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:০৩722604
  • কোনটা ক্রিয়েটিভ সেটাই তো জানতে চাইছি? আমার নোলার আনন্দবর্ধনার্থে নতুন পদ সৃষ্টি নাকি নিজের সন্তানের আনন্দ? কে সার্টিফিকেট দেবে? আর যে যেচে দিচ্ছে তাকে এই দায়িত্বই বা কে দিল? যে যার নিজ নিজ প্যাশন পালন করে সুখে থাকুন, অপরের অবদান মাপামাপির চেষ্টা কম করাই ভাল।
  • cm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:০৫722605
  • দশটা পাঁচটার চাকরি আর প্যাশন আবার কে করল! তবে সেটাও যে প্যাশনেটলি করা যায়না তা নয়। শ্রমের প্রচ্ছন্ন ক্যাটেগোরিফিকেশনে আপত্তি থাকবে।
  • π | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:১১722606
  • তবে দশটা পাঁচটার চাকরি নিজের প্যাশন অনুযায়ী বা সেই কাজটাও প্যাশন ঢেলে করা, এমন লোকও তো কম নেই।
    শিক্ষকতা, ডাক্তারি, গবেষণা, সাংবাদিকতা, প্রশাসন.. এসব অনেক চাকরিতেই লোকে প্যাশন থেকে আসেন। আবার প্যশনমফিক কাজ না হলেও যে কাজ করছেন, সেটা শুধু দায়িত্ব কর্তব্যের খাতিরে না, প্যাশন ঢেলেই করছেন, এমনও দেখেছি।
    ব্যবসাতেও আছে।
    চাকরি না হলেও অনেক পেশাতেই এমন হয়, যেমন চাষবাসও। দইওয়ালারাও আছেন ঃ)
    সুধীর চক্রবর্তীর একটা দারুণ লেখা ছিল। পুরসভা না কোথায় করণিকের চাকুরি, সেই কাজটা একজন কী দারুণভাবে করেন, পুরো আপিসের কাজই কেমন বদলে দিয়েছেন, কী মজা করেই না করেন, কত কাজ চলে মজার মজার ছড়া লিখে, আর তেমনি মজা করে পাবলিক রিলেশন চলে, সেইসব নিয়ে লেখাটা ছিল। অবশ্য ওনার লেখার প্রসাদেও একটু বেশি ভাল লাগে, সেও হতে পারে।
  • Ekak | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:১৪722607
  • সিএম নাগাড়ে সেলফ ডিফিটিং লজিক দিয়ে যাচ্ছেন :):)

    যার কোনো কমন ইয়ার্ডসটিক নেই তা আবার "শ্রম " হয় কীকরে ? একী ঘরে বসে বৌকে কবিতা লিখে শোনানো নাকি ? আর যদি অটোটাই ব্যক্তিগত যে তার গুণগত মান ও স্নেহের সন্তান চেহারা কেও বিচার করতে পারবেনা তাহলে তো সেটা আদৌ শ্রম ই নয় কাজেই কোনো ক্যাটাগরিতেই পড়েনা :)

    এ সেই "আমি আমার মতো লিখি " ক্যাটেগরি। সেক্ষেত্রে পত্রিকায় আছেপ থুড়ি "শ্রম " হিসেবে কাউন্টেবল হবার দানি না জানালেই হয়। ব্যাস, ঝামেলা খতম। এবার যত খুশি নিজের ধর্ম পালন করুন। দুদিক একসঙ্গে হয়না :)
  • Ekak | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:১৯722608
  • পরিষ্কার করে লিখে দি।

    গৃহকর্মকে যদি শ্রম বলেন তাহলে গুণগত মানের তুলনা -বিচার এসব আসবেই। ওসব স্নেহের সন্তান ফন্তান দিয়ে কিছু দাঁড়াবেনা।

    আর যদি, বলেন ওসব স্নেহের সম্পর্ক ওর মধ্যে আবার শ্রম টমের মতো কঠিন কথা আনার কী দক্কার, তাহলে কোনো আপত্তি নেই :) কোনো তুলনায় টানবো না।

    দুদিক একসঙ্গে ছিভি করার চেষ্টা করলে টান পড়বেই।
  • cm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:২৩722610
  • কমন ইয়ার্ডস্টিক যখন নেই তখন কোনটা গ্রাহ্য হবে সেটা তর্কযোগ্য কিন্তু বাতিল করা যায়কি? এর সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে সেই তথাকথিত উন্নয়নের মানে। জীবনকে ভীষণভাবে একমাত্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার প্রবণতা।
  • Ekak | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:২৩722609
  • একচুয়ালি একটা ফিউডাল সমাজের শোষণের চেয়ে একটা হাফ লিবারাল সমাজের শোষণ অনেক বেশি বিপজ্জনক। যে ফিউডাল সে চাছাপোনছা বলে দেয় তুমি মা তোমার পেট থেকে হয়েছেঃ এই তোমার মাতৃধর্মের কর্তব্য। এটাকে শ্রম হিসেবেই কাউন্ট করেনা। সেক্ষেত্রে শোষণ সনাক্ত করা অনেক সহজ।

    লিবারাল পুরোটাকে নিজের সুবিধেমতো মাখায়।
  • avi | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:২৫722612
  • পাইদি, হ্যাঁ, পোষা হনু অনেক আছেন তো, যাঁরা মুখে ভাত থেকে উল্কাপাত সর্বত্র বক্তব্য রাখেন। অবশ্য পোষা মানে পাবলিক রিলেশন ভালো এই অর্থেই, কোনো অর্থকরী সম্পর্কে জড়িয়ে আছেন, এমন না বলেই মনে হয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন