এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • শিশু টক(৩)

    raatri
    অন্যান্য | ২৬ ডিসেম্বর ২০০৯ | ৫৪৬২১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • san | ১১ মে ২০১০ ১০:৫০440122
  • ঋতিকে একবার কোনো একটা লাইভ ভাটে নিয়ে এসো :-))))
  • de | ১১ মে ২০১০ ১১:০৯440123
  • :))))))
    সবগুলোর জন্য!
  • aka | ১৪ মে ২০১০ ০১:৪৪440124
  • সেদিন স্কুল থেকে আমি আনতে গেছি। অন্যদিন মা যায়। আমি গেলেই প্রথম প্রশ্ন ""মামী কি বাড়িতে""?

    আমি: না, মামীর স্টুডেন্টদের সাথে মিটিং আছে।

    পুত্র: আমাকেও রোজ সকাল তিনটেয় উঠে বাসে করে পড়াতে যেতে হয়।

    আমি: তাই, গ্রুম বাস (শাটল সার্ভিস কলম্বাস টু আটলান্টা)?

    পুত্র: না, গ্রে হাউন্ড করে এয়ারপোর্টে যেতে হয়।

    আমি: আটলান্টা এয়ারপোর্ট?

    পুত্র: না কলম্বাসে। ওখানে আমাকে গ্র্যাজুয়েট করাতে হয়। আমার অনেক স্টুডেন্ট।

    আমি: তোমার স্টুডেন্টরা কি গ্রোন আপ?

    পুত্র: হ্যাঁ, গ্রোন আপ কিন্তু ওরা সবাই ফোর ইয়ার্স ওল্ড। শুধু ফোর ইয়ার্স ওল্ড গ্রোন আপরাই অ্যালাওড। গ্র্যাজুয়েট করা খুবই কঠিন। আমি শেখাই কি করে ইমেল করতে হয়, ছবি ইন্টারনেটে আপলোড করতে হয়, এইসব। আমি ওদের প্রফেসর।
  • pi | ১৪ মে ২০১০ ০১:৫৭440125
  • :D
  • Lama | ১৭ মে ২০১০ ০৭:০৭440126
  • ছোট বোনের জন্য তুষ্টু দুটো নাম ভেবেছে। একটা নাম হল "টুপাই'।

    আর অন্য নামটাও টুপাই।
  • Kartuj | ১৭ মে ২০১০ ১১:৫৩440127
  • মানে ২ X ২২/৭ = ৪৪/৭

    একক ব্যাসার্ধের বৃত্তের পরিধি।
    বেশ জ্যামিতিক ব্যাপার হবে তো।
  • Kartuj | ১৭ মে ২০১০ ১১:৫৫440128
  • মানে যখন হামাগুড়ি দেবে।
  • rimi | ২৫ মে ২০১০ ০০:৪৪440129
  • ছেলে যাতে বাবা মার মতন অর্থনৈতিক বিষয়ে কান্ডজ্ঞানহীন না হয়, বাবা সে ব্যপারে সবিশেষ চিন্তাশীল। অনেক চিন্তাভাবনা করে তিনি কিনে আনলেন একখানি পিগি ব্যাংক। ঠিক হল, প্রতিদিন বাবার যা খুচরো বাঁচবে ছেলেকে সেটা দেওয়া হবে, ছেলে সেটা পিগি ব্যাংকে গুঁজে দেবে। প্রথম দুদিন সোৎসাহে প্রচুর কয়েন ভরা হল। কিন্তু জেনেটিক প্রোফাইল কি আর অত সহজে বদলানো যায়? তৃতীয় দিন বাবাও ভুলে গেলেন কয়েন দিতে। আর ছেলেও কয়েন ভরার থেকে ঢোকানো কয়েনগুলো বের করার ব্যপারেই বেশি উৎসাহী হয়ে পড়ল। আর চার পাঁচদিন বাদে বাবা ছেলে দুজনেরই পিগি ব্যাংক সম্পর্কে সব উৎসাহ হারিয়ে গেল।

    প্রায় মাস চারেক বাদে ছেলে পুরোনো পিগি ব্যাংকখানা পুনরাবিষ্কার করে পিগির পেটের তলার ছিপি, যেটা খুলে কয়েনগুলো বের করতে হয়, সেটা খুলে সব কয়েন বের করে আনল। প্রচুর পেনি, কিছু ডাইম আর পাঁচ সেন্ট, আর কিছু কোয়ার্টার - ছেলে সেগুলোকে রং অনুযায়ী বিছানায় পরপর সাজালো। বেশ লম্বা একখানা লাইন হল তামার পয়সার, আর আরেকটা লাইন হল সব রুপোলী পয়সার। সাম্পান বেজায় উত্তেজিত, নিশ্চয়ই ওর "থাউজ্যান্ড টু থাউজ্যান্ড ডলার" হয়ে গেছে জমানো!! এই অবধি সব বেশ চমৎকার চলছিলো। বাবা এসেই গন্ডোগোল পাকালেন। "দে, তোর কত টাকা আছে গুণে দিই" বলে গোণা শুরু হল। দেখা হল ৬ ডলার জমেছে। যেই না ছেলেকে বলা তার মোটে ৬ ডলার জমেছে, সে তো মেঝেতে পড়ে হাত পা ছুঁড়ে চ্যাঁচাতে লাগল "লায়ন ভুল গুণেছে, আমার থাউজ্যান্ড ডলার আছে আর লায়ন বলছে ৬"!!!
    তখন বাবা ছেলের কাছে নিজের গাণিতিক ফান্ডা প্রমাণ করার জন্যে ব্যস্ত হয়ে "আচ্ছা আমি গুণে দেখিয়ে দিচ্ছি আবার" বলে নতুন করে গুণতে শুরু করলেন। এবারে ছেলে যাতে সহজে বোঝে তার জন্যে পেনির একটা স্ট্যাক করা হল, ডাইমের একটা, পাঁচ সেন্টের একটা আর কোয়ার্টারের একটা। পেনির স্ট্যাক গোণা হল "ওয়ান, টু, থ্রি ... এইট", তারপরে ডাইমের স্ট্যাক গোণা শুরু হল, "ওয়ান, টু, থ্রি...." !! ব্যাস, আবার চিল চিৎকার ছেলের, "নাআআআআ, আবার লায়ন ভুল গুণছে", এবং সে মেঝেতে পড়ে হাউমাউ করে কান্না জুড়ে দিল, আর তার সঙ্গে পা দাপাতে লাগল। অনেক কষ্টে তাকে শান্ত করে জানতে চাওয়া হল যে তার অত দু:খ এবং রাগ কেন হয়েছিল।
    "লায়ন গুণতে জানে না, ভুল গুণেছে।"
    "কিরকম?"
    "ওয়ান টু থ্রি করে গুণতে গুণতে এইটের পর থেকে আবার ওয়ান টু শুরু করেছে। নাইন টেন গোণে নি। সেই জন্যেই এত কম টাকা জমেছে আমার", বলেই ঠোঁট ফুলিয়ে আবার কান্না!
    বাবা বেচারা একেবারে যাকে বলে "কিংকর্তব্যবিমূড়" :-(((
  • Blank | ২৫ মে ২০১০ ০১:১০440130
  • ঠিক ঠিক, লায়ন কিচ্ছু অঙ্ক পারে না :-D
  • a x | ২৫ মে ২০১০ ০২:০১440132
  • :-)) কি মজার!
  • pi | ২৫ মে ২০১০ ০৫:৫৮440133
  • হুম। লায়ন কেবল অঙ্কের ধাঁধা জানে, অঙ্ক মোটেও জানে না :D
  • Shuchismita | ২৫ মে ২০১০ ০৯:০৩440134
  • হাহা হাহা!!!!
  • sana | ২৫ মে ২০১০ ০৯:৪৬440135
  • এই সব দিন গুলো,এই সব সরলতা গুলো বাঁধিয়ে রাখতে ইচ্ছে হয়!
  • san | ২৫ মে ২০১০ ১০:৫০440136
  • কি সুইট :-)
  • Arpan | ০৬ জুন ২০১০ ১১:৫৮440137
  • রোব্বারের সকাল। রাজ্যের বাজারটাজার সেরে বাবা মা হা-ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরে পাখা চালিয়ে বসে আছে। ইতিমধ্যে ঠিক হয়ে আছে আজকে আর রান্নাটান্নার সময় নেই। কাজেই বাইরে খেয়ে নেওয়া ভাল।

    কিন্তু শিশুটিকে হায় সে কথা সবাই বলতে ভুলে গেছে। এদিকে ঘড়ির কাঁটা বারোটা ছুঁইছুঁই। বাপ মাকে হাত পা ছড়িয়ে ল্যাদ খেতে দেখে তার মনে শঙ্কার মেঘ উঁকিঝুঁকি মারে। টেন্‌শনের চোটে থাকতে না পেরে সে অবশেষে প্রশ্নই করে ফেলে, "মা, আমরা আজ চান করে কী খাবো?'
  • sana | ০৬ জুন ২০১০ ১৫:৫৫440138
  • অথচ এমনিতে হয়তো খেতেই চায় না----কিন্তু,রুটিনের অন্য রকম হতে দেখেই সংশয় হয়েছে মনে,বাচ্চাদের এই সব ভাবনা গুলো খুব নাড়া দিয়ে যায়,একটু চিন্তা করলেই। কি অপরুপ ভাবে innocent ওরা!
  • sana | ০৬ জুন ২০১০ ১৫:৫৭440139
  • *অপরূপ
  • Sourav | ০৬ জুন ২০১০ ১৮:০৬440140
  • ছেলের তখন সাড়ে তিন বছর বয়স | ওকে একদিন জিজ্ঞাসা করলাম - বুলগা, তোর গায়ে এত সুন্দর গন্ধ কেন রে ? ছেলে একটু ভেবে সরল ভাবে উত্তর দিল, কাল রাতে বিছানায় হিসি করেছিলাম তাই |
  • rimi | ১৮ জুন ২০১০ ০১:৩৯440141
  • স্কুলে টিচার বলেছেন "যারা অস্ট্রিচ পাখিদের দেখাশুনো করে" তাদের সাহায্যের জন্যে টাকা নিয়ে যেতে। পরপর দুদিন একই কথা শুনে বুঝলাম যে সত্যিই টাকা পাঠাতে হবে (যদিও যারা অস্ট্রিচ পাখিদের দেখাশুনো করে কেন তাদেরই সাহায্য করতে হবে সেটা মাথায় ঢুকলো না)।
    যাই হোক, সাম্পানকে একখানা পাঁচ ডলারের নোট দিয়ে বল্লাম এইটা দিস। ওমা!! সে গম্ভীরভাবে বল্ল, "তোমাকে দিতে হবে না। আমি নিজেই যথেষ্ট রিচ"।
    এই বলে চেয়ার টেনে নিয়ে আলমারির মাথা থেকে নিজের পিগি ব্যাংক খান নামালো। ঘ্যাঁচ করে পিগির পেটের ছিপিটা খুলে আনল (এই কাজে সে সিদ্ধহস্ত)। তারপরে পিগি ব্যাংক উপুড় করে সব কয়েনগুলো মেঝেতে ফেলল। বেশির ভাগ-ই তামার এক সেন্ট। কিছু ডাইম, কোয়ার্টার ইত্যাদি। তামার কয়েনগুলো দেখিয়ে সাম্পান বলল "এগুলো গোল্ড পিস।" গুণে গুণে ঠিক ১৬টা এক সেন্টের কয়েন নিয়ে একটা প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরে সেটা ব্যাগে পুরল। "১৬টা গোল্ড পিস আমি টিচারকে দেব।" বাকি কয়েনগুলো পিগি ব্যাংকে ঢুকিয়ে দিল।
    আমি অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলাম যে ওগুলো এক সেন্ট, এত কম টাকা দিলে টিচার রেগে যাবেন। কিন্তু সাম্পানের দৃঢ় বিশ্বাস ওগুলো গোল্ড পিস, সেই বিশ্বাস থেকে তাকে কিছুতেই নড়ানো গেল না। আমি তখন বললাম যে ঐ কয়েনের সঙ্গে তাহলে কিছু নোটও নিয়ে যা। কিন্তু সে তাতেও রাজী নয়। "আমি গোল্ড পিসই শুধু দিতে চাই।" আর কোনো উপায় না দেখে আমি বললাম তাহলে যত গোল্ড পিস জমিয়েছ সবগুলো দিয়ে দাও (হয়ত তাতে মেরে কেটে এক ডলার হবে, এই ছিল আশা)। কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে সাম্পান বলল, "১৬টার বেশি গোল্ড পিস দিলে আমি ততো বেশি রিচ থাকব না।"

    অতএব সে ঐ ষোলোটা "গোল্ড পিস"ই দিয়ে এসেছে অস্ট্রিচের সাহায্যকারীদের জন্যে!
    টিচার কি ভাবলেন কে জানে!
  • sana | ১৮ জুন ২০১০ ০৫:৫০440143
  • গল্প শুনে শুনে সাম্পান কে খুব খুব চট্‌কাতে ইচ্ছে করে,আমার হয়ে তুমি একটু 'রিচ সাম্পান' কে চটকে দিও, please, রিমি?
  • Shuchismita | ১৮ জুন ২০১০ ০৮:৪৬440144
  • গোল্ডপিসের বদলে রিমিদি সাম্পানকে কাগজের টুকরো গছাতে চাইছিলো। সাম্পান কি এতোই বোকা!
  • Abhyu | ২০ জুন ২০১০ ২২:৪১440145
  • name:Lamamail:country:

    IPAddress:203.99.212.54Date:16Jun2010 -- 02:18PM

    তুষ্টু তার মায়ের সঙ্গে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিল। অফিস থেকে ফিরে জিজ্ঞাসা করলাম, "কি বললেন ডাক্তারবাবু?'

    তুষ্টু: "আপনার বাবাকে বলবেন, তেতো ওষুধ আপনার স্যুট করে না। শুধু মিষ্টি ওষুধ খাবেন। না হলে বড় হবেন কেমন করে?'
  • Abhyu | ২০ জুন ২০১০ ২২:৪৬440146
  • কে জানে এখানে লেখাটা ঠিক হচ্ছে কি না (নইলে আগাম দু:খ্‌প্‌রকাশ)। ভালো লেগেছিল তাই তুলে দিচ্ছি।

    -------------
    Name:LamaMail:Country:

    IPAddress:117.194.224.99Date:18Mar2010 -- 12:33AM

    তুষ্টু, তুমি কি করছ?

    কাজ করছি, বাবা।

    ও, কাজ করছ? কি কাজ?

    আন্টি হয়ে বুঁচু, কিম্ভু, এলমো, বার্বি এদের পড়াচ্ছি।

    বা: পড়ানো খুব ভালো কাজ।

    কিন্তু এলমো আর আওয়াজ করছে না, বাবা।

    তাহলে ওর ব্যাটারী ফুরিয়ে গেছে। আমি নতুন ব্যাটারী কিনে আনব।

    তাহলে কি সেদিন লক্ষ্মনদাদার ব্যাটারী ফুরিয়ে গিয়েছিল? তাই কথা বলছিল না?

    না না, আমরা মানুষ, আমাদের ব্যাটারী লাগে না। ওটা শুধু পুতুলদের দরকার হয়।

    জানো বাবা, আমি বংশীকাকাকে বললাম "লক্ষ্মণদাদা কথা বলছে না কেন?' বংশীকাকা বলল, "লক্ষ্মণদাদার মন খারাপ।' মন খারাপ কাকে বলে বাবা?

    মন খারাপ? মন খারাপ ... উম্ম ... মন খারাপ ... আচ্ছা বলো তো, তুমি সেদিন কাঁদছিলে কেন?

    মা কেন আমাকে বাইরে খেলতে যেতে দিচ্ছিল না?

    তখন তো বৃষ্টি হচ্ছিল। মনে নেই কেমন অন্ধকার হয়েছিল বাইরে? তখন বাইরে খেললে তোমার ঠান্ডা লেগে জ্বর হত, তখন তেতো ওষুধ খেতে হত। সেই জন্য মা খেলতে দেয় নি।

    ও, বৃষ্টি মানে মন খারাপ?

    না না, তা বলি নি।

    ও, বুঝেছি। অন্ধকার মানে মন খারাপ।

    উম্ম ... অনেকটা সেইরকম।

    তাহলে আলো মানে মন ভালো?

    বলা যেতে পারে।

    জানো বাবা, বৃষ্টির পর আবার ধনুরাম উঠেছিল।

    ধনুরাম নয়। রামধনু।

    হ্যাঁ হ্যাঁ রামধনু। ঝর্ণামাসি জালানা বন্ধ করে দিল বলে আর দেখতে পেলাম না। বাবা, অন্ধকার আর মন খারাপ কেন হয়? তুমি বারন করে দিও।

    অন্ধকার আর মনখারাপকে বারন করা যায় না। অন্ধকারকে এত ভয় পাও কেন? সেদিন যখন বৃষ্টি হয়েছিল তখন কি সারাদিন অন্ধকার ছিল? বিকেলে একটুখানি অন্ধকার ছিল শুধু। তারপর তো রামধনু উঠে গেল। কি মজা জল রামধনু দেখে, বলো?

    ও, বুঝেছি।

    কি বুঝলে?

    সবসময় মন ভালো থাকে, কখনো কখনো একটু একটু মন খারাপ হয়। একটু পরে আবার ভালো হয়ে যায়। জানালা সব সময় খুলে রাখতে হয়, না হলে রামধনু দেখা যায় না।
  • Shuchismita | ২১ জুন ২০১০ ০০:২৪440147
  • বুদ্ধদেব বসু ওনার মেয়েকে নিয়ে যে গল্পগুলো লিখতেন, শেষ গল্পটা পড়ে সেগুলোর কথা মনে পড়ে গেল। বিশেষ করে একটা গল্প খুব মনে পড়ে - আলোর ফুলকিতে ছিল সেটা - প্রথম দু:খ। সেই গল্পটার মতই অদ্ভুত ভালো তুষ্টুর এই মন খারাপের গল্প।
  • sana | ২১ জুন ২০১০ ০৬:২৭440148
  • তুষ্টুর মতো করে আমরা কেন এতো সহজে বুঝতে পারি না,যে,'জান্‌লা সবসময় খোলা রাখতে হয়',নইলে,'রামধনু দেখা যায় না'।
  • Lama | ২৫ জুন ২০১০ ১০:০১440149
  • আজকাল "স্কুল স্কুল খেলা' খুব চলছে। বাবা, মা, দাদা (ঠাকুর্দা), দিদিভাই (ঠাকুমা) এরাই সব ছাত্র, একটু বড় হলে বোনও ভর্তি হবে বলে শোনা যাচ্ছে। রোল কল, টিফিন খাওয়া থেকে শুরু করে শাস্তি দেওয়া ইত্যাদি যথাবিহিত।

    গত সপ্তাহ থেকে কল্পনাশক্তির চুড়ান্ত নমুনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অন্য ক্লাসের কাল্পনিক শিক্ষিকার সঙ্গে নিম্নরূপ কাল্পনিক সংলাপ শোনা গেল:

    "তোমার ক্লাসের বাচ্চাগুলো কেমন?"
    ".......'
    "আমারগুলো ভালো, তবে নার্সারী টু বি সেকশনে "বাবা' বলে একটা খুব দুষ্টু বাচ্চা আছে, একদম কথা শোনে না।'
  • byaang | ২৫ জুন ২০১০ ১০:১৬440150
  • :-)))
  • de | ২৫ জুন ২০১০ ১০:৪৮440151
  • :))))
  • aka | ২৫ জুন ২০১০ ১৮:০৪440152
  • :)))

    দেশ, কাল, সময় পেরিয়ে এই স্কুল স্কুল খেলা চলেইছে।
  • Arpan | ২৫ জুন ২০১০ ১৮:৪০440154
  • :-)))

    আমাদের মাঝে মাঝেই হুমকি শুনতে হয় - "কিপ কোয়ায়েট অর লক ইউ ইন বাথরুম'।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু প্রতিক্রিয়া দিন