এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • মায়ের কর্তব্য ভিন্ন কিছু নাই

    Yashodhara Raychaudhuri লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্যান্য | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | ১০২১০৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sayantani | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:৪৬721983
  • মেরি স্টোপ্স নিয়ে একটা প্রশ্ন মাথায় এলো
    প্রো চয়েস লবি র মতে বাচ্ছা রাখবে না এবর্ট করবে সেই সিদ্ধান্ত একা মায়ের। কিন্তু বাবা রা এবং দাদু ঠাকুমা দিদিমা রা সেটা মানবেন তো? মানে ওই সিদ্ধান্ত কার্যকরী করে এলে, বাড়ির অমতে মেয়েটি কে অত্যাচারিত হতে হবেনা তো?
  • কুমড়োপটাশ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:৫২721984
  • সকলের অনুমতি ও আশীর্বাদ নিয়ে অ্যাবরশানে গেলেই ল্যাটা চুকে যাবে।
  • কুমড়োপটাশ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:৫৬721985
  • যে সমাজে "বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস" করে, পরে মত পাল্টালে প্রতারণার দোষে অভিযুক্ত হয়ে বাই ফোর্স বিয়ে করতে বাধ্য করা হয় পুরুষদের, সেখানে সবই সম্ভব।
  • Sayantani | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:৫৭721986
  • সেই সব অনুমতি পাওয়া যাবে নিশ্চই। মেয়ে গুলো পাজি তাই ন্যাকামি করে নেয় না। :)
  • Sayantani | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:০৩721987
  • বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস গোলমেলে প্রশ্ন। বিশেষত এমন মহিলাদের কাছে যারা নিজেদের নারীবাদী বলে দাবি করবেন। কিন্তু যাদের সমাজে অবস্থান নড়বড়ে তাদের কাছে ওটা এক ধরণের রক্ষাকবচ হতে পারে। তার একাধিক কারন আছে এবং প্রতিটি কারণের পিছনে পুরুষতন্ত্রের রক্তচক্ষু আছে।
  • কুমড়োপটাশ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:১০721988
  • গুরুজনদের আশীর্বাদ নিয়ে অ্যাবরশানে যাবার চল আছে তো, তবে সেগুলো অধিকাংশন ফিমেল ফিটাস কে উৎখাত করতে। ;-)))
  • কুমড়োপটাশ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:১১721989
  • রক্ষাকবচটা কী শুনি?
  • Sayantani | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:২৬721991
  • অনেক ডিটেল লিখতে হবে। শর্ট এ লিখছি। কোনো মহিলা স্বেচ্ছায় কোনো পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্কে জড়িয়েছেন এটা সমাজে খুব সহজে এক্সেপ্টেবল নয়। আর মেয়েদের ভালো মেয়ে থাকতে হবে।তাই বিবাহ বহির্ভূত সন্তান সম্ভবনা দেখা দিলে হয় হাতুরে নয় বিয়ে। এটা আমার আপনার শ্রেণীর বাইরে বললাম। যেখানে মেয়েদের বিয়ে মাস্ট সেই অংশের কথা বলছি। সেখানে সিঙ্গেল মা ভাবাও মুশকিল
    তাই সেখানে হয়তো যৌনতার আগে এই ধরণের আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়। এই আইনটার সমস্যা হলো এর অপপ্রয়োগ। উদ্দেশ্য কিন্তু কাউকে ফাসান নয়।
  • Sayantani | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:২৬721990
  • অনেক ডিটেল লিখতে হবে। শর্ট এ লিখছি। কোনো মহিলা স্বেচ্ছায় কোনো পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্কে জড়িয়েছেন এটা সমাজে খুব সহজে এক্সেপ্টেবল নয়। আর মেয়েদের ভালো মেয়ে থাকতে হবে।তাই বিবাহ বহির্ভূত সন্তান সম্ভবনা দেখা দিলে হয় হাতুরে নয় বিয়ে। এটা আমার আপনার শ্রেণীর বাইরে বললাম। যেখানে মেয়েদের বিয়ে মাস্ট সেই অংশের কথা বলছি। সেখানে সিঙ্গেল মা ভাবাও মুশকিল
    তাই সেখানে হয়তো যৌনতার আগে এই ধরণের আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়। এই আইনটার সমস্যা হলো এর অপপ্রয়োগ। উদ্দেশ্য কিন্তু কাউকে ফাসান নয়।
  • Sayantani | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৩৪721993
  • এখানে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে। আমার বা আপনার কাছে যৌনতা = বিয়ে নাই হতে পারে, মানে হবেই বা কেন। কিন্তু সমাজের একটা অংশের কাছে এখনো তাই। ফলে ভার্জিন বৌ খোঁজার ব্যাপার থাকে। এবং মেয়েদের একাংশের মনেও এই ধারণাটা গেঁথে দেওয়া হয়েছে, ফলে, সে যখন যৌন সম্পর্কে যাচ্ছে, তার দাবি থাকছে, ভবিষ্যতে বিয়ের। এই আইন সেই দাবীটাকেই আবার কিছু অংশে কেটার করছে।
  • কুমড়োপটাশ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৪৪721994
  • জানি। :-)
  • bip | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৫৯721995
  • সায়ন্তনী যেহেতু ইতিহাসের ছাত্রী-ও নিশ্চয় বলতে পারবে কিভাবে এমন সামাজিক বিবর্তন হল যে মেয়েরাও যৌনতা= বিবাহ এই ফাঁদে এল। কারন ক্রীটের ব্রোঞ্চ যুগের ইতিহাসে দেখা যাচ্ছে মেয়েরা যৌনতার প্রশ্নে স্বাধীন এবং যাকে বিয়ে করবে তার সাথেই যৌনতায় যেতে হবে-বিবাহের আগে বা পরে এমন ট্রাডিশন ছিল না। শিশুজন্ম দিতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু ছিল খুব স্বাভাবিক ঘটনা-ফলে সমাজ চাইত- বিয়ে করে বা না করে যাতে মেয়েটা কিছু সন্তান দিয়ে যেতে পারে টসকানোর আগে। ফলে বরের সাথেই সন্তান দিতে হবে এমন আইন আদিম কালের কোন সমাজেই ছিল না। মেসোপটেমিয়ার ইতিহাসে দেখা যাচ্ছে খৃঃপূ ১২০০ সালে এডাল্ট্রির বিরুদ্ধে প্রথম কোন আইন এসেছে। অর্থাৎ কৃষি সমাজেই প্রথম যৌনতাকে বিবাহের মধ্যে ঢোকানো হল-বা বিবাহের জন্ম হল মেয়েদেরকে একজন পুরুষের সাথে বাঁধতে। খুব সম্ভবত উত্তরাধিকার আইনের জন্য-যার জন্ম কৃষিসমাজ এবং কৃষি জমির সত্ত্বের জন্য।

    তবে মূল লেখাটা বড়ই প্যান প্যানে। লেখিকা এঙ্গেলেস একটু পড়ে এসে লিখতেন বিবাহের উৎপত্তি নিয়ে। কমিউনিটি মাতৃত্ব ও ত ছিল আগে বৈবাহিক মাতৃত্বের আগে যেখানে স্বামী ছিল গোটা কমিউনিটির যেকোন পুরুষ।
  • cm | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:৪৬721996
  • “ কিভাবে এমন সামাজিক বিবর্তন হল যে মেয়েরাও যৌনতা= বিবাহ এই ফাঁদে এল” একেবারে আদত প্রশ্নে গেছেন।
  • Abhyu | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:৫৫721997
  • "তবে মূল লেখাটা বড়ই প্যান প্যানে। লেখিকা এঙ্গেলেস একটু পড়ে এসে লিখতেন " :))
  • d | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৪:৪১721998
  • এই 'সমস্যাসঙ্কুলতা' সম্পর্কে হাসান আজিজুল হকের 'সাবিত্রী উপাখ্যান' মনে পড়ল। দে'জ থেকে প্রকাশিত। হাসান আজিজুল হক, বর্ধমানের গল্প। আশচর্য্য হল এপারের কারো লেখায় ঐরকম গল্প আমি পাই নি গত ৭-৮ বছরে।
  • h | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৪:৫৫721999
  • কুমড়ো (IP Address : 198.155.168.109 (*) Date:26 Sep 2016 -- 12:07 AM)

    কুমড়ো বাজে বকছেন মাইরি। রিসার্চ লবি হাতে নাই কথাটার মানে টা কি। আমার কি রিসার্চ লবি হাতে আছে নাকি? নাকি আমার চেনা লোক গুরুচন্ডালি তে আমার তক্ক করতে সুবিধে হবে বলে, গ্লাস সিলিং নিয়ে রিপোর্ট বের করছে, অজীব কথা!!!!

    রঞ্জন দা মানুষ টা গোল গাল, কি বলেছেন তার দায়িত্ত্ব ওনার ঃ-))) কুমড়ো বলুন ইনকাম ইনইকুয়ালিটি আসে না নাই? মিড কেরিয়ার ড্রপ আউট আসে না নাই? গ্লাস সিলিং আসে না নাই।? ওয়ার্ক প্লেস স্যানিটেশন প্রবলেম আসে না নাই? লো ওয়েজ ওয়ার্কার দের ক্রেশ কটা আসে? সোয়েট শপে কাজ করে তো মেয়েরা তো তাদের তো সমাজতন্ত্রী বালের চীনে আর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে আর মহান ভারতবস্সে কোথাও তো ক্রেশ ও নাই, প্রেগনান্সি লিভ নাই। খুঅব রেয়ার কেস ছাড়া ওয়েজ গ্যাপ ও রয়েছে। বলা হয় যে চা/কার্পেট/আর ধান রোয়ার কাজে অনেক মহিলারা নাকি ছেলেদের থেকে বেশি মাইনে পান।

    গল্পটা কিসু হয় নি, সেটা ছাড়েন, এখন বলেন এই সব প্রশ্নের প্রেক্ষিতে কুমড়োর কি মনে হচ্ছে, উদ্যোগ আর পরিশ্রম, আরামে থাকার লোভ না থাগলেই ডিসক্রিমিনেশনের সমস্যা মিটবে?

    রঞ্জন দা -- একটা কথা ভাইব্যা বলেন, লো ওয়েজ মেয়েদের নিয়ে কোরিয়া হংকং লাতিন আমেরিকা তো ছেড়েই দিন, ভারতেও ভালো ভালো সিনেমা তৈরী হচ্ছে বই লেখা হচ্ছে, সবটাই র‌্যাডিকাল নারীবাদী পারস্পেকটিভ থেকে না হলেও হচ্ছে, এবং সলিড হচ্ছে, সেইটা বাংলা সাহিত্যে (বড় পত্রিকায় জায়গা পাওয়া) সাহিত্যে দেখি না ক্যান? এই ডিস্কানেক্টের দায় কার, মানে সিপিএম এর ধরে নিচ্চি, তার পরের টা বলেন ঃ-)))))
  • h | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:০০722000
  • *বলা হয় মানে হল সার্ভে দেখি নাই বা এক্ষুনি রেফার করতে পারছি না।
  • h | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:০৫722001

  • (IP Address : 144.159.168.72 (*) Date:26 Sep 2016 -- 02:41 PM)

    দমু মানুষটা ভালো, একটু গুচিয়ে ক্যাম্পেন করলে তার অনেক কিসু বইয়ের কথা মনে পড়ে, যেটা সে লিবেরেল হতে গিয়ে ভুলে মেরে দিয়েছিল ;-) এর পরে বলবে, ম্যালা ফ্যাচ ফ্যাচ কোরো বা পাগলা জগাইপনা কোরো না, এসব বইয়ের কথা তোমাদের বয়সে অনেক বলিচি। এখন এই তো নতুন সমস্যা তাই নতুন গদ্য নতুন দৃষ্টিভংগী ইত্যাদি।

    মানে জঘইন্য আর কি ঃ-)
  • kc | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:৩০722002
  • আবুল বাশার - ফুল বউ।
  • sinfaut | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:৩৫722004
  • খাপছাড়া পড়েছি। তবে ঐ ব্যক্তিগত উদ্যোগ, ছিনিয়ে নিতে হবে এসব শুনলেই হলিউডের স্ক্রিপ্ট মনে হয়। একজন আছেই সাধারনের মাঝে অসাধারন। পরিস্থিতি তাকে সুপারম্যান বানাইলো। একাই অংক কষে বা কুস্তি লড়ে জগত উদ্ধার করে দিল। এমন গল্প বা সিনেমা আসলে কোটরের অরাজনীতি। ওতে একলা দলিত মহিলা সফল ব্যবসায়ী হওয়ার গল্প ফিট করে। সে শুনতেও ভালো। কিন্তু তিনি যদি এন্ডিটিভিতে এসে বলেন দলিতরা উদ্যোগি হলেই চৌহানরা ক্যালাবে না তাইলে হাসি পায়।
  • d | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:৫০722005
  • হনু বলছে

    "রঞ্জন দা -- একটা কথা ভাইব্যা বলেন, লো ওয়েজ মেয়েদের নিয়ে কোরিয়া হংকং লাতিন আমেরিকা তো ছেড়েই দিন, ভারতেও ভালো ভালো সিনেমা তৈরী হচ্ছে বই লেখা হচ্ছে, সবটাই র‌্যাডিকাল নারীবাদী পারস্পেকটিভ থেকে না হলেও হচ্ছে, এবং সলিড হচ্ছে, সেইটা বাংলা সাহিত্যে (বড় পত্রিকায় জায়গা পাওয়া) সাহিত্যে দেখি না ক্যান? এই ডিস্কানেক্টের দায় কার, মানে সিপিএম এর ধরে নিচ্চি, তার পরের টা বলেন"

    এই প্রসঙ্গে একটা বই। বড্ড দাম যদিও।

    ডোমেস্টিক ডেজ/ উইমেন, ওয়ার্ক, অ্যান্ড পলিটিক্স ইন কনটেম্পোরারি কলকাতা। শমিতা সেন, নীলাঞ্জনা সেনগুপ্ত। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ৯৯৫।০০
  • d | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:৫৭722006
  • আর ইসে যশোধরার এইটে গল্প নয়। অন্তত আমার কাছে মনে হয় নি উনি গল্প লিখেছেন এখানে। এটাকে একটা আলোচনার জন্য টীজার বলা যেতে পারে।
  • h | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৬:০৬722007
  • তো আমি যখন 'ওয়ার্কশপ ফর্মাট' বল্লাম তখন এট্টু সমর্থন করলে, গরীবের ছেলে প্রাণে হাওয়া পেতাম। তো টিজারের উদ্দেশ্য তো সফল, অনেক লোক আলোচনা করেছে, ডিসি কনফেসনাল অব্দি লিখে ফেলেছে, তুমি এটা খুব ই গুরুত্ত্বপূর্ণ বলে আই এ এস মার্কা কমেন্ট কোরোচো, কিন্তু ভালো মন্দ কিসু বল নাই, রঞ্জন দা আহা রাগো কেন এই তো শ্মশান গোছের দরদী কমেন করেও বাঁচতে পারলো না, আমি আর কেউ যথেষ্ট এনগেজ করছে না বলে কুমড়োর সংগেই একটা ঝগড়া বাধানোর একটা শেষ চেষ্টা করছি ইত্যাদি, কেসি পরিণত ওয়াইজক্র্যাকিং করে দুটি বইয়ের নাম বলেছে এবং আর কিছু বলে নি আর কি, প্রথম পর্ব কি আপাতত সমাপ্ত?
  • ranjan roy | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:০৮722008
  • এই হনু, এটা কী হচ্ছে মাইরি!
    যশোধরা কোন গল্প লেখেন নি, একটি প্রবন্ধ লিখে্ছেন। তাই আমি আমার গত কয়েকবছরে কাছ থেকে দেখা কাজের মেয়েদের সমস্যা দূর থেকে যেটুকু দেখে কথা বলে বুয়েচি তাই লিখেছি। সমাধান জানি না। এগুলো খালি অবজার্ভেশন!
    আর সাহিত্যে বা সিনেমায় কতটুকু কি এসেছে কি আসে নি আমি কী করে জানব? আমি তো বালস্য বাল, হরিদাস পাল!

    কুমড়ো,
    আপনার স্পিরিটের সঙ্গে আছি। সল্যুশন স্বাগত, কিন্তু যে অসংখ্য ফ্যাক্টরের মধ্যে এই মেয়েরা জড়িয়ে মড়িয়ে বেঁচে থাকে -- সামাজিক, ধার্মিক, আর্থিক ও পিতৃতন্ত্র -- তার মধ্যে একাঅ স্পষ্ট ভাবে ভেবে অমন স্টেপ নেওয়া বেশ কঠিন। সমস্যাটি এত লিনিয়ার বলে মনে হয় না।
    ওদের রিয়েলিটি একটু আলাদা।

    অভ্যু,
    অনেক ধন্যবাদ। এত খুঁটিয়ে লীলাপ্রসঙ্গ পড়ি নি, এবার পড়ব।
    এই তথ্যটি ভাবাচ্ছে। এ নিয়ে কোন বিজ্ঞানের, মানে বায়োসায়েন্সের, কেউ বললে ভাল লাগবে।
  • কুমড়োপটাশ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:১১722009
  • হনুবাবু,
    শুনুন, ফার্স্ট লাইনে কমা বসাইনি। (রিসার্চ, সার্ভে, লবি) এইভাবে পড়ুন।
    এবার আমিও ঐ স্টাইলে আপনার লেখা টেক্স্ট পড়তে পারতাম। যেমন আপনি লিখছেন, "আসে না নাই", "কটা আসে", ইত্যাদির উত্তরে আমি বলতেই পারি যে, আসেনি, চলে গেছে, কটা গেছে, ইত্যাদি। কিন্তু ওরকম করে বললে লোকে আমাকে হারামি বলে ডাকবে (যারা ওপেনলি এতক্ষণ বলতে পারছে না, তারা) তাই টেক্সটটা কষ্ট করে পড়লাম এবং বাংলা করবার চেষ্টা করলাম।
    এবার শুনুন, ওয়েজ ডিফারেন্স আছে কি নেই, সেটা একজন মাগী হিসেবে আমি নিজে যতটা জানার ততটাই জানি। সেটা দুনিয়ার সব দেশেই আছে। ইয়োরোপে খুব বেশি সেটাও জানি। তা এসব কথা আমাকে জিগ্যেস করছেন কেন? আমার নলেজবেসে বাড়ি মেরে জানতে চাচ্ছেন কতটা জানি? লাভ নেই। বইপত্র পেপার ইত্যাদি কিস্যু পড়িনি। সমস্তটা জীবন যে যে অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে নিয়ে যায় সেই সব থেকে হাতে কলমে শিখি। পুঁথিগতবিদ্যা নাই। থাকলে তো পেপার পাবলিশ করে কনফারেন্সে যেতাম। বাকি কথাগুলোও আমি বলিনি। আমি যেটা বারবার বলতে চাই, খেটে খেতে হবে (আরাম করে থাকবে কি কষ্ট করে থাকবে সেটা ডিপেন্ড করছে), বলেছি সাহসের দরকার। মুশকিল হচ্ছে যে কথাগুলোয় সাইটেশন নেই, তাই এলেবেলে মনে হবে। শুনুন, একটা কথা বলি। খুব মজার কথা, দারুণ হাসির কথা। কারণ আমার নিজের জীবন থেকে তা নেওয়া। এবং যতই তা ডিসকার্ড করে দিতে চান বা আমাকেই ডিসকোয়ালিফাই করে দিতে চান না কেন, সাইটেশনহীন কথাগুলো আমি বলবই। সেই হাসির কথাটা হচ্ছে যে, সাহস বা প্রতিবাদের জন্য ঝগড়া চেঁচামেচির দরকার নেই। প্রতিবাদ অন্যভাবেও হয়। মেয়েদের কমকম মাইনে দিচ্ছে আর খুব করে ঠকাচ্ছে মালিক। তাইত? একই কাজের জন্য ছেলেদের বেশি টাকা দিচ্ছে। রাইট? মালিকের সবার আগে দরকার মুনাফা। পুরুষ এম্পলয়িরা তার জামাই (বাংলা ভাষায় যাকে "সান ইন ল" বলে, "হাজব্যান্ড" নয় কিন্তু) নয়। দলেদলে মেয়ে কম বেতনে কাজ করুক। সবাই কাজ করুক। যতটা পারে। ওয়েজ ডিফারেন্স কমে যেতে বাধ্য। বেশি ওয়েজ দিয়ে পুরুষ কর্মচারী পুষবার দরকার হবে না। মজার কথা না? আচ্ছা, আরেকটা মজার কথা বলি। আজকের দিনে বাই ফোর্স কোনো মেয়েকে প্রেগন্যান্ট করা যায় না, গেলেও তার প্রতিকার আছে। যারা গর্ভধারণ করছে জেনে বুঝেই করছে। যেসব কাজের ক্ষেত্রে ম্যাটারনিটি লীভ নেই, সেখানে নানানভাবে প্রতিবাদ করা যায় (এখন বলব না)। কিন্তু আমার বক্তব্য হচ্ছে, মা যদি হতে চাও তো নিজের ইচ্ছেয় হও। কেউ তোমাকে জোর করছে না। কেউ তোমাকে জোর করতে পারেই না। তুমি প্রতিবাদ করতে ভয় পেয়েছো তাই অনিচ্ছায় মা হয়েছো। মাতৃত্বকে শাস্তির সমতুল্য করে দেখানো হলে তার পেছনে যে মেয়েটি মা হচ্ছে তার অবদান ভালই। প্রচুর মেয়ে বিয়ে সংসার করে ভবিষ্যতের খাওয়া পরা থাকার (এগুলোর মধ্যেও কমা হবে) ব্যবস্থা করে নিতে চায়। এরকমই মানসিকতা তৈরী হয়ে গেছে। সংসারের মূল রোজগারটা করবে পুরুষ/স্বামী, এবং বৌটি করবে অ্যাডিশনাল ইনকাম। হঠাৎ বিধবা হয়ে পড়লে যাতে ঝামেলা কম হয়। সমাজের যাদের মূল ইমেজই অ্যাডিশনাল ইনকাম করনেওয়ালী হিসেবে, তারা কোনোকালেই ফুল স্যালারি দাবী করতে পারেনি। সবাই কাজ করুক, তেমন মনের জোর দিয়ে কাজ করুক যে কাল আমার হাতে কাজ না থাকলে রোজগার থাকবে না, খেতে পাবো না। বরের ঘাড়ে বসে খেতে হবে। সেটার গ্লানি আছে। উল্টো কেসটা হলে যে গ্লানি একজন পুরুষের হতো। যতক্ষণ এইটুকু আত্মসম্মানবোধ তৈরী হচ্ছে, ততদিনে সাফার করবে।
    স্যানিটেশন, টয়লেট, এসব কথা আমাকে যেই শোনালেন, ফিক করে হেসে ফেলেছি। কেন? হিহিঃ, এখন বলব না।
    কাল লিখেছিলাম, নির্ভয়া কে নিয়ে মিটিং মিছিল সিনিমা উপন্যাস কোনোকিছুই বাদ যায় নি। যে যার তালে ছিল। দিল্লির মেয়েগুলো যদি প্রতিবাদ করত। বড়োবড়ো প্ল্যাকার্ড মোমবাতি মিডিয়েকে দেখানো (এখানেও কিছু কমা দিতে পারতাম, দিই নি) এসমস্ত না করে যদি নিয়ম করে প্রত্যেক রাতে সব মেয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ত। আর কিচ্ছু না। নিজেদের নিরাপত্তা সবাই মিলে আদায় করে নিতে পারত। বাজি রেখে বলতে পারি যে রাত বারোটা থেকে ভোর চারটে অবধি একটা শহরের সমস্ত মেয়ে যদি রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে দিনের পর দিন, সে শহরের বাসিন্দাদের সব তেড়িবেড়ি বেরিয়ে যাবে। কিন্তু রোজ রোজ কে ই বা এসব করবে? কার অত সময়? সব কিছুতো আর আরাম করে হয় না। কোরো না। রাত বিরেতে হিংসাও জারি থাকবে।
    নিন, এবার সবাই জোরে জোরে হেসে উঠুন।
    ডিঃ - এই লেখার কোনো সাইটেশন ও বিবলিওগ্রাফি নাই।
  • h | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:১২722010
  • লেঃ পঃ।
  • কুমড়ো | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:২২722011
  • থেংকু। তারমানে পড়েছেন লেখাটা।
  • কুমড়ো | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:৩১722012
  • রঞ্জনদার কমেন্টের উত্তর পরে লিখব। এখন হাত ব্যথা করছে।
  • h | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:৩৪722013
  • ওকে কুমড়ো, বোঝা গেছে, তো অনেক কষ্ট করে মানতে পেরেছেন যে জেন্ডার ডিসক্রিমিনেশন আছে। গুড দিলাম।

    অভিজ্ঞতা ইত্যাদি তো ভালো কথা। আপনার ডিসক্রিমিনেশন সম্পর্কে অভিজ্ঞতা আর বিভিন্ন সার্ভের সিদ্ধান্ত তো আলাদা কিসু না। যেটা আলাদা সেটা হচ্ছে উত্তরণের পথ সংক্রান্ত। আপনি একাকী বীরত্ত্ব চাইছেন মেয়েদের মধ্যে, আমি বলছি সেটা যথেষ্ট না, বিশেষতঃ পাবলিক স্পেসে, ওয়ার্ক্স্পেস টা কে পাবলিক স্পেস বলেই ধরছি।

    এবার বলেন, আগে সাফ্রেজ থেকে শুরু করে, প্রেগনান্সি লিভ পর্যন্ত এই গুলি তো ছিল না, ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনের পরে পরেই তো এগুলো আসে নি, এগুলো তো কখনো বড় মুভমেন্ট, কখনো ট্রেড ইউনিয়ন মুভমেন্ট করে এসেছে, মিনিমাম ওয়েজ, বেসিক ওয়ার্ক আওয়ার্স এর লিগাল অ্যাকসেপটেন্স, এগুলো তো মেয়েরাই মেয়েদের আন্দোলন করে এনেছে, কেউ তো দয়া করে দেয় নি, বীরত্ত্ব দেখলে আপনার ভাল্লাগে ভালো কথা, কিন্তু সংগঠিত বীরত্ত্ব তে ভরসা এতো কম পাচ্ছেন কেন? এটা স্বীকার করতে আপনার অসুবিধে কোথায়?

    সাইটেশন বিবলিওগ্রাফি সম্পর্কে এত অসুবিধে টা ঠিক কোথায়, অজ্ঞতা সকলের ই আছে, সাইটেশন আর বিবলিওগ্রাফি টা একটা বিষয়ে কি কাজ হয়েছে তার তালিকা মাত্র, আপনার কাছে কিছু চাই নি। শুধু বলছিলাম সার্ভে গুলো যদি মিথ্যে বলে মনে হয় আপনার তার কারণ কি?

    কিন্তু আপনি এখনো বোঝাতে পারেন নি, সংঘবদ্ধ আন্দোলন এবং নেগোশিয়েশন, অর্গানাইজ্ড বার্গেনিং, বা আইন সভার ভেতরের ঐক্য [জনপ্রইতিনিধিত্ত্বে মেয়েদের প্রতিনিধিত্ত্বের শতকরা ভাগের ঐতিহাসিক আইন গুলি, স্কুলের বাধ্যতামূল মেয়েদের আলাদা টয়লেট এর আইন/ওয়ার্ক অর্ডার ইত্যাদি] এগুলো দিয়ে যা এগোনো গেছে, ব্যক্তিগত বীরত্ত্ব দিয়ে উদাহরণ তৈরী করা গেছে মাত্র যখন, তখন আপনার ব্যক্তিগত সাহসিকতা, উদ্যোগ ইত্যাদির ওভারল ভূমিকা কতটুকু। আইন, এম্প্লয়মেন্ট ট্রাইবুনাল, বিশাখা কমিটি গুলো কি তুলে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করছেন? মানে মিনিমাম এজেন্ডা কি প্রস্তাব করছেন, জেন্ডার ডিসক্রিমিনেশন কমানোর জন্য? কিছুই ক্লিয়ার না আপনার পোস্ট গুলো থেকে।

    আরেকটা কনভিনিয়েন্ট পদ্ধতি নিচ্ছেন,, সেটা হল এই লেখাটার প্রোটাগোনিস্ট এর সিদ্ধান্ত গুলো কে আপনার ন্যাকা মনে হয়েছে, তার সঙ্গে ভায়োলেন্ট ক্রাইমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের পদ্ধতি, তার সঙ্গে ওয়ার্ক প্লেস জেন্ডার ডিসক্রিমিনেশন এর সমস্যা এই তিনটে জিনিস কে এক সংগে এনে লজিক খাড়া করার চেষ্টা করছেন, সেটা একেবারেই হচ্ছে না, মানে রেটোরিক ও হচ্ছে না, তাচ্চেয়ে আলাদা করেই ট্রিট করুন, তাহলে আপনার ই অভিজ্ঞতার নিরীখে বিচার করতে, আর্গুমেন্ট গড়তে আপনারি অনেক সুবিধে হবে।
  • h | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:৩৬722015
  • নানা লে পচা টা রঞ্জনদাকে বললাম ঃ-))))) আমার পরের পোস্ট টা আপনার পোস্ট টা পড়ে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন