এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • প্রাইভেট হাসপাতালের ওপর নজরদারি - প্র্যাক্টিকালি কী করা যায়?

    pinaki
    অন্যান্য | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ | ২২৭৮৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sm | ০৩ মার্চ ২০১৭ ১৯:৪৭728189
  • শিক্ষা সত্য যদি সরকার দেখে ও নো প্রফিট মোটিভে চলতে দেওয়া উচিত বলে মনে হয় তাহলে ওকালতি ও প্রোমোটারি তে ছাড় কেন?
    এরা তো সর্বদাই বাইশ বাজনা বাজিয়ে চলেছে।
  • sm | ০৩ মার্চ ২০১৭ ১৯:৪৭728190
  • #স্বাস্থ্য
  • dc | ০৩ মার্চ ২০১৭ ১৯:৪৮728191
  • হ্যাঁ, ডাক্তারদের ডিগ্রি আর সেই ডিগ্রি কোত্থেকে সে তো বেশীর ভাগ সময়ে লেটার প্যাড বা কার্ডে লেখা থাকে দেখেছি।
  • dc | ০৩ মার্চ ২০১৭ ১৯:৫১728192
  • কারন শিক্ষা আর স্বাস্থ্য এই দুটো বেসিক প্যারামিটার বা বেসিক রাইট। আর হিউম্যান ক্যাপিটাল ফর্মেশানেও এদুটোর রোল সবথেকে বেশী। শিক্ষা, স্বাস্থ্য আর ইনফ্রা ডেভেলপমেন্ট, এই তিনটে ছাড়া আর কোথাও সরকারের থাকা উচিত না। আর হ্যাঁ, বড়ো সায়েন্স প্রোজেক্টগুলোতে। চারটে সেক্টরে সরকারের থাকা উচিত।
  • avi | ০৩ মার্চ ২০১৭ ২০:২৯728193
  • এটাও থাক। লেখকের নাম খুঁজে পেলাম না।

    পিশাচ ডাক্তার।।

    প্রায়শই আমরা এই শব্দ যুগল ব্যবহার করে থাকি।।। কি কি কারনে তারা পিশাচ, তার কারন গুলি একটু দেখে নেওয়া যাক।।।

    ১. মাত্রাতিরিক্ত ফিজ।।

    ২. মাত্রাতিরিক্ত টেস্ট করায়।।। যে গুলি দরকার নেই সেগুলিও করায়।।।

    ৩. একদম কথা বলতে চায় না, বড্ড মেজাজ।।।

    ৪. দামি দামি ওষুধ দেন, বেশী বেশী ওষুধ দেন।।।

    ৫. দামী গাড়ী চড়েন।।। সব ই আমাদের ঘাড় মটকে।।।

    ৬.এত দিন দেখিয়েও কোন উপকার পেলাম না, একের পর এক ওষুধ পাল্টি করে গেলেন।।।

    ৭. রাত এ ফোন তোলেন না।। এমারজেন্সি হলে কোথায় যাব।।

    ইত্যাদি ইত্যাদি।।।।।

    এবার দেখে নেওয়া যাক ঠিক এর উল্টো যদি কোন ডাক্তার হন তার সম্পর্কিত আলোচনা।।।

    ১. "আরে ১০০ টাকা ফিজ, ভাল ডাক্তার তো?? " তাও তো পাতি এমবিবিএস দেখছি" ভাল তো?? রুগী হয় চেম্বার এ?? "

    ২. "ধুর পেট টিপে, হাত টিপে ওষুধ লিখে দিল, এভাবে চিকিৎসা হয়?? বলছি পেটে ব্যাথা, ইউ এস জি ছাড়া উনি ধরবেন কিভাবে?? এই তো কদিন আগে কুনাল এর বুকে ব্যাথা ব্যাথা বলছে, আমি বল্লাম একদম ইকো করে ডাক্তার এর কাছে যা।।"

    ৩. "বড্ড বেশী বকে, এতক্ষণ ধরে রুগী দেখলে হয়?? কত ওয়েট করব ধুরর।। সব টুকে পাশ মাল, তাই এত কিছু জানতে হয়, সে ছিল বিধান রায় কপালের ঘাম দেখেই প্রেসক্রিপশন রেডি।। "

    ৪. "কিসব জুপিটার, ম্যাডোনা কম্পানি র ওষুধ দিয়েছে, কাজ হবে তো?? নিশ্চিত ওই বেচু গুলির কাছে কমিশন খায়"।।

    ৫. "বেশী পসার নেই, ওনাকে তো দেখি বাসেই যাতায়াত করে, ছিল ডাক্তার মিত্র, ওহ হন্ডা সিটি থেকে নামতো, সত্যি যেন ডাক্তার নামছে।। "

    ৬. "এই নিচের তিনটে খাওয়ার দরকার নেই, তুই উপরের তিনটে শুধু খা,ও ডাক্তার রা একটু বেশী বেশী লেখে, দোকান এ গিয়ে বলবি যে শুধু উপরের তিনটে দিন।। নিচের তিনটে একটা সাপ্লিমেন্টারী, ও না খেলেও হবে।। অ্যান্টিবায়োটিক ও ৬ টা দরকার নেই।।। ৪ টে তেই কাজ হবে। "

    ৭. "হ্যালো ডাক্তারবাবু বলছেন?? আমি অদ্রীশ এর মা বলছি, আমার ছেলে রাতে বড্ড গ্যাস হয়েছে,ল্যাঞ্জল কি একটু বেশী করে খাওয়াবো??, ধুরর ফোন ই কেটে দিল।। ডাক্তার হয়েছ যখন তখন ফোন তুলবে তানা"...

    পরের দিন ছেলের স্কুল এ

    হ্যাঁ রে ছেলে ঠিক আছে?? "হ্যাঁ, ওই একটু হয়েছিল ভুটুস ভাটুস,ডাক্তার কে ফোন করেছিলাম রাত দুটোয়, ফোন ই তুল্লেন না "

    ওই জন্যই বল্লাম ড. বিশ্বাস কে দেখা।। "ধুরর ওতো পাতি ডিপ্লোমা, তার উপর যখন ই ফোন করি তোলে, আরে ওর অতো পসার নেই, আমি দেখাতাম বলেছিলাম না।।। "

    যে পয়েন্ট গুলি দিলাম জাস্ট কয়েকটা উদাহরণ, এবং এগুলি কাল্পনিক নয়।।। সমাজ এর উপাদান পারস্পরিক মিথোস্ক্রিয়ায় তৈরী হয়।।। কোন একটি উপাদান নিজে বিচ্ছিন্ন ভাবে খারাপ হতে পারে না।।। অবনমন সামগ্রিক, একটা বিশেষ ক্ষেত্রে নয়।।। ডাক্তার আমার, আপনার পরিবারেও আছে।।। তারাও আমাদের ই মত।।। আমাদের মধ্যে ভাল মন্দ আছে, তেমনি তাদের মধ্যেও।।।
  • pi | ০৩ মার্চ ২০১৭ ২১:০৩728194
  • একেবারেই তাই। বিষচক্র।
    ঐ স্কুলের ব্যাপারেও এটা মনে হয়। স্কুলের দেওয়া চাপ, অভিভাবকের চাওয়া চাপ, একইরকম বিষচক্র মনে হয়। সমাজের উপাদান পারস্পরিক মিথষ্ক্রিয়ায় তৈরি।
  • dc | ০৩ মার্চ ২০১৭ ২১:২৬728195
  • একমত।
  • sch | ০৩ মার্চ ২০১৭ ২১:৫৮728196
  • বেসরকারী হাসপাতালের সমস্যা কিন্তু ডাক্তারদের নিয়ে যতোটা তার থেকে বেশী কর্পোরেটদের নিয়ে। ওই রূপালীর সাকরেদ সুচেতার যে লেখাটা সেদিন দিয়েছিলাম তার প্রতি লাইনেও ওই কথা - আমি ব্যবসা করতে এসেছি - পারলে পয়সা দিয়ে করাও - না হলে যাও। অনেক ক্ষেত্রেই কিন্তু ডাক্তারেরা এই

    কিন্তু ব্যবসারও কিছু নিয়ম থাকে - বিশেষ করে মানুষের প্রাণ নিয়ে ব্ব্যবয়ায়। আর যারা ডাক্তারদের সাথে অন্য পেশার তুলনা করছেন - তাদের বলি - একদম বাজে তুলনা। একটা ডাক্তারের ডিসিসানে মানুষের প্রান চলে যায় - অন্য আর কোনো পেশায় সেটা হয় না
  • sch | ০৩ মার্চ ২০১৭ ২২:০৭728197
  • * অনেক ক্ষেত্রেই কিন্তু ডাক্তারেরা এই যাঁতাকলে পড়ে মেনে নেন সবকিছু
  • avi | ০৩ মার্চ ২০১৭ ২২:১৬728199
  • হক কথা। এবারেই তো এটা দেখে বেশ মজা পেলাম। ঝামেলা শুরু হলে কর্পো ব্যবসা ইত্যাদি নিয়ে। ডাক্তারের গল্প তো ছিলই না। হঠাৎ কোত্থেকে এত ডাক্তার রিলেটেড ব্যাপার চলে এল। যাগ্গে, ওদিকে উনি নাকি আজ বলেছেন, অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো যাবে না। তারপর নাকি প্রাঞ্জল উদাহরণ দিয়েছেন, যেমন ধরুন ডেঙ্গু না হলে ডেঙ্গুর জন্য রক্ত পরীক্ষা করানো যাবে না। সুতরাং রক্ত পাঠানোর আগে নিশ্চিত থাকতে হবে যে রিপোর্ট পজিটিভ আসবে। ঃ)
  • sch | ০৩ মার্চ ২০১৭ ২২:২৪728200
  • যে ব্যাপারটা হতে পারে যে রুগীকে দাক্তার প্রয়োজনীয় টেস্টের তালিকা দেবেন - খরচা শুদ্ধু - কোন টেস্ট না করালে ডাক্তার লিখে দেবেন ডায়াগোনিসিস ভুল হলে তাঁর দায়িত্ব নেই। সিম্পল। অনেক সময় লংটার্ম জলের কোয়ালিটি ডাটা ছাড়া ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ডিজাইল করতে বাধ্য হয় কন্ট্রাকটর। সেক্ষেত্রে প্রসেস গ্যারাণতির দায় হিসেবে অনেক বেশী চার্জ করে। এও সেই রকম
  • sch | ০৩ মার্চ ২০১৭ ২২:৩২728201
  • আমার ঘনিষ্ঠ এক আত্মীয়ের কাশি হচ্ছিল - সারছে না কিছুতেই - ডাক্তার ইসিজি করালো হঠাৎ - দেখা গেল হার্তের সমস্যা আছে - তার মানে কাশি হলে ইসি জি করাতে বললে সেটা এই একুশে আইনে হবে না?
  • PT | ০৪ মার্চ ২০১৭ ০০:৩২728202
  • কল্লোলদা
    আমার মনে হয় যে আমরা এমন একট বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি তার ব্যাপারে আমরা প্রায় কিছুই জানিনা। আমার এক আত্মীয় দীর্ঘকাল ইউকেতে NHS-এর জিপি ছিলেন। এখন অবসর নিয়েছেন। তিনি যখন শীতের ৪/৬ মাস কলকাতায় কাটাতে আসেন তখন অচেনা মহলে নিজের পরিচয় গোপন রাখেন। "কেননা বাঙালীরা চিকিৎসার ব্যাপারে সব কিছু জানে!!" আর চেনা মহলে রসিয়ে রসিয়ে চিকিৎসার ব্যাপারে শিক্ষিত, নাশিক্ষিত বাঙালীর সবজান্তা নির্বুদ্ধিতার গপ্প করেন।

    এই সমস্যাটাকে পব-র বাঙালী ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র করতে করতে এমন জায়গায় এনে ফেলেছে যেন মনে হচ্ছে যে গোটাকতক নার্সিংহোমের ডাক্তার বা পরিচালকদের কানের গোড়ায় চাপাটি মারলেই পব-র স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে!!

    কিন্তু এত বিপ্লবের পরে (সিঙ্গুর এখন পাঠ্য-পুস্তকে) "প্রাইভেট হাসপাতালের সিস্টেমটাই দায়ী" না প্রাইভেটের হাতে স্বাস্থ্য-ব্যবস্থাটা তুলে দেওয়াটাই সম্পুর্ণ ভুল সিদ্ধান্ত? বিশেষতঃ ভারতের মত দেশে। কিন্তু ১৯৯১-এর পরে আমরা তো সারা দেশ জুড়েই সিদ্ধান্ত নিয়েছি সরকার খুব কম ব্যাপারেই নাক গলাবে। তাহলে ট্রাম্পের ক্ষমতারোহনের মত বল যে ঢালু পথে গড়ানোর সেদিকেই গড়িয়েছে।

    তাহলে এখন এত কান্না -কাটি কিসের? নাকি তিনি কান্নার জন্যে ডাক দিয়েছেন বলে আমরা সবাই আপাততঃ রুদালী হয়েছি?

    "এখানে তো ডাক্তারেরা কথাই বলতে চান না।"-দীর্ঘকাল বাংলার বাইরে থাকার কারণে ভুল বলছ। শুধু ডাক্তাররা নয়, পব-র প্রায় সকল বাঙালীই আজকাল ঐভাবেই চেনা না থাকলে "কথাই বলতে চায় না"। আজকে রেলের টিকিট হাতে নিয়ে প্রায় কিছুই পড়তে পারছিলাম না। পরিষ্কার যে রিবনে আর কালি নেই। কিন্তু কাউন্টারের লোকটিকে সেটা বলতেই সে দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে লাফিয়ে উঠল আমার দৃষ্টিশক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলে।

    আগেও বলেছি আর আবার-ও বলি। জনঘনত্বের চাপে সব কিছুই ফাটো-ফাটো অবস্থা। হাওড়ায় রাত ৮-টার পরেও পাঁশকুড়া লোকালেই সিট দখলের জন্যে মানুষের হিংস্রতা দেখেছি আজকেই। রাত নটার পরেও মেট্রোর ভীড় অমানুষিক। এমতাবস্থায় চিকিৎসার মত একটি অত্যন্ত জটিল বিষয় সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম স্টাইলে মোট্টে সমাধান করা যাবেনা।
  • s | ০৪ মার্চ ২০১৭ ০০:৪৬728203
  • পিটিদার ফার্স্ট প্যারার সংগে সম্পুর্ণ সহমত।
    বাঙা৯ ব্যাপক পোঁদপাকা জাতি।
  • SS | ০৪ মার্চ ২০১৭ ০২:৪৯728205
  • ডিসি,
    চারটে কেন, কোনো সেক্টরেই সরকারের থাকার দরকার নেই। খালি প্রাইভেট কোম্পানিকে দাবড়ানি দেওয়ার জন্যে সব সেক্টরে একটা করে শক্ত সমর্থ রেগুলটরি এজেন্সি রাখা উচিৎ। তাহলেই চলবে।
  • Ekak | ০৪ মার্চ ২০১৭ ০৪:৩০728206
  • এসব ইউটোপিয়া যবে হবে হবে আপাতত হাসিনার চাপে পশ্চিমবঙ্গে কিছু পরিবর্তন হোক।
  • dc | ০৪ মার্চ ২০১৭ ০৭:৩৭728207
  • সেই, এসব কোনদিনই হবার নয়। তবে কালকে আনন্দবাজারে দেখলাম মমতা কয়েকটা হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেছেন। মাঝেমাঝে এরকম দুয়েকটা ধাক্কা দিলে ভালো।
  • Atoz | ০৪ মার্চ ২০১৭ ০৭:৪২728208
  • এটাও কি ঐ কী যেন বলে, ডিসরাপটিভ না কী, সেই? ঃ-)
  • dc | ০৪ মার্চ ২০১৭ ০৭:৪৫728210
  • ঃ)
  • আপনারা কী বাংলা পড়তে পারেন না? | ০৪ মার্চ ২০১৭ ০৮:৫১728211
  • 'প্রাইভেট হাসপাতালের' ওপর 'নজরদারি' - 'প্র্যাক্টিকালি' 'কী করা যায়'?

    এখানে আছে

    ১) প্রাইভেট হাসপাতাল

    ২) নজরদারি

    ৩) প্র্যাক্টিকালি

    ৪)কী করা যায়?

    ভেঙ্গে ভেঙ্গে দিলাম। আলুচোনা হৌক।
  • PT | ০৪ মার্চ ২০১৭ ০৯:৩৪728212
  • সরকার নজরদারি করলে সরকারকে "জ্যাঠামশাই" বলে গাল দিয়ে সম্পাদকীয় লেখা হয়। জবরদখল করা রাস্তা পুনরুদ্ধার করতে গেলে সরকারের পুলিশের ছবি দেখিয়ে পেছনে "হাল্লা চলেছে যুদ্ধে" গান বাজানো হয়। তাহলে এখন এত কান্না-কাটি কেন? আর যেখানে আমার পয়সা দেওয়ার ক্ষমতা নেই সেখানেই শুধু সরকার নজরদারি করুক - সেটাই বা কেমন মামার বাড়ির আবদার?

    যে সরকারের মাথা ও একদা রেলের ভাগ্যবিধাতা দিবারাত্র "পিপিপি মডেল" নিয়ে নাওয়া-খাওয়া মাথায় করেছিল তার হঠাৎ প্রাইভেটের বিরুদ্ধে যুদ্ধ-ঘোষণার কারণ কি? সরকার কি তবে ৬ বছর ধরে বিস্তর ঢপ দেওয়ার পরে এখন বুঝতে পেরেছে যে স্বাস্থ্য আর শিক্ষা নিয়ে এই আর্থ-সামাজিক কাঠামোয় সরকার আর বিশেষ কিছুই করতে পারবে না? তাই এই নাচন-কোঁদন? নাকি নোটবন্দির নাটক পাবলিক একেবারেই খায়নি তাই নতুন কোন ইমোশানাল নাটকের সন্ধান চলছে?
  • rabaahuta | ১৭ মার্চ ২০১৭ ০৮:০০728213
  • রোগী/ডাক্তারের হুড়যুদ্ধটা কি রোগী ডাক্তারের, না আইন শৃঙ্খলার? মানে ধরুন যখন পেনশনের বা জমির দলিলের তদ্বীর করতে গেলে দাঁত খোঁচাতে খোঁচাতে ঘুষ চায়, বা থানায় অভিযোগ করতে গেলে খিল্লী করে, বা তাজমহল দেখতে গেলে নিরাপত্তাবাহিনী হাঁটু অব্দি প্যান্ট গোটাতে বলে, তখনও কি লোকের ইচ্ছে করে না একটা হেস্তনেস্ত করে ফেলি এইবার? পারেনা কারন বাটামের ভয়। চিকিৎসাপত্রে অসহায়তা আরো বেশী কিন্তু রাগের পাত্র তুলনায় শস্তা। তাছাড়া আগের জমা রাগগুলোও তো থাকেই। দুনিয়ার সকল বাসনা যাদের মুঠিতে তারা কি আর ভাংচুর করে, তাদের বিপর্যয় হলেও ব্যতিক্রম হিসেবে মেনে নেয়। এই যেমন আমার বাবা তিনমাস ধরে জ্বর হয়ে হয়ে ডাক্তারের কাছে গেল, ডাক্তারবাবু কেবলই জ্বরের ওষুধ দিয়ে গেলেন, তিনমাস পরে আর বাঁচতেই পারলো না। অন্য ডাক্তাররা বললেন একমাস জ্বর না কমলে তো হাসপাতালে ভর্তি হতে পরামর্শ দেওয়া উচিত ছিল। আমরা কি আর ভাংচুর করতে গেছি? গেলেও পারতাম না সে অন্য কথা, কিন্তু দুঃখ থাকলেও ইচ্ছাকৃত ষড় মনে করিনি, আগে আগে তো ভালো হয়েছে। অনেক দুর্বোধ্য ভয়াবহ অসুস্থতা ডাক্তাররা পুরো ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ নিয়ে সারাই করে দিয়েছেন। এই যে মায়ের হার্ণিয়া সার্জারীর জন্যে মহেশ গোয়েঙ্কা তিন লক্ষ টাকার বাজেট বলেও আজ নয় কাল বলে ধানাই পানাই করায় বন্ড টন্ড লিখে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে ষাট হাজার টাকায় সুস্থ হয়ে গেল, তাতে সেই অন্যত্রর প্রতি কৃতজ্ঞতা আর মহেশ গোয়েঙ্কাকে, এরা বাপু বড়লোকের ডাক্তার, যাওয়াই উচিত হয়নি এইসব ভেবে চুপচাপ। (যাওয়ার প্ল্যানও ছিলনা, পাকে চক্রে হয়ে গেছে)। তারপর সুকন্যাকে যখন ভাঙা পা নিয়ে মাঝরাতে দেড়্ঘন্টা ফেলে রেখে বল্লও এক্সরের টাকা না দিলে চিকিৎসা শুরু হবে না, এদিকে তখন টাকা নেওয়ার জানলা বন্ধ - আমাদের ক্ষমতা ছিল, অন্য জায়গায় বেরিয়ে গেছি, আবার, আরো কম খর্চার জায়গায় (পিয়ারলেস গেলাম), যেখানে কদিন আগেই তুলকালাম ভাংচুর হয়েছে। শেষরাত, বিনা প্রশ্নে অত্যন্ত সহৃদয়তার সঙ্গে ভর্তি, চিকিৎসা শুরু এইসব হয়ে গেল। ইন্সুরেন্স আছে কিনা জিজ্ঞেস করেছিল বটে, তবে ঐটুকুই, আর ঐটুকু তো করবেই।
    তারপর মিনুর ছেলের ভাঙা চোয়ালের লাখটাকার অপারেশন যখন প্রাইভেট নার্সিংহোমে (নামটাই ভুলে গেছি) বিনে পয়সায় করলেন সার্জনরা, সেইসব কি আর ভোলা যায়।
    কিন্তু আবার অনেক লোকের বিপর্যয়টাই নিয়ম, পদে পদে ঠোক্কর, ডাক্তারেরা হাজার রোগী নিয়ে ব্যস্ত, রোগী পার্টিরতো একটিই রোগী। মিনুর ছেলের চোয়াল-ইতো, ঠিক চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগে বাঙ্গুর হাসপাতালের মেঝেতে দু'দিন, - মরেই যেত। আর তাছাড়া দুনিয়া জোড়া অবিচারের মধ্যে নিরীহ অলরেডি বা অলমোস্ট বা সম্ভাব্য উঁচুতলার প্রতিনিধি পাঞ্চিং ব্যাগ পেলে কি আর লোকে ছেড়ে দেবে। জাস্টিফাই করছিনা, করার প্রশ্নই নেই - কিন্তু লোকজন জানে দল বেঁধে একজনকে ক্যালালে আর একটু ভাংচুর করলে কি আর পুলিশে ধরবে। তা এটা তো আইন শৃংখলার প্রশ্ন মনে হয় আমার। তাছাড়া করারই বা কি আছে? কুণাল সাহার মত দীর্ঘস্থায়ী মোকদ্দমা করার ক্ষমতা তো আর এমনি লোকের নেই। কোথায় নালিশ করবে? তারমধ্যে মিডিয়া। খবরের কাগজের বাণিজ্য দেখি, পপুলার কালচার? নচিকেতা যখন ডাক্তার ও ডাক্তার বা সরকারী কর্মচারী গান লিখেছিল শুনে গা রি রি করতো। তা লোকে নচিকেতার গান শুনে, আনন্দবাজার পড়ে, হোয়াটসঅয়াপ মেসেজ ফেসবুক মিম (আমি কিন্তু মেমে-ই বলি বাপু) পড়ে সংস্কৃত হয়েছে, হচ্ছে। কি আর করা। কিন্তু বাওয়ালিটা আসলে ডাক্তার/রোগীর নয় মনে হয়।

    রোগী তো আর কর্পোরেট নার্সিং হোমের বোর্ড বা ম্যানেজমেন্ট স্বাস্থ্যদপ্তরের আমলা বা বাণিজ্যপিপাসু কাগজমালিককে দেখেনা, ডাক্তারকে দেখে। ডাক্তাররা বোধয় মারকুটে রোগীর বদলে এই লোকদের ওপর রাগ করলে মন্দ হয় না। ডাক্তাররা যেমন প্রাণপনে রোগীকে সুস্থ করতে চায়, রোগীরাও মরে গিয়ে ডাক্তারকে ক্যাল খাওয়াতে চায় না।

    এইসব মনে হলো আরকি এই বাজারে।
  • sm | ১৭ মার্চ ২০১৭ ০৯:৫৯728214
  • ভারী চমৎকার লেখা। সময়োপযোগী।
  • Ekak | ১৭ মার্চ ২০১৭ ১০:০৯728215
  • চারপাশে অনেক লেখা পড়লুম। এখনো অবধি একটাই রাস্তা দেখছি। সরকার সমস্ত ডায়াগনস্টিক টেস্ট এর দাম বেঁধে দিক। এখন থেকেই যত সমস্যা তৈরী হচ্ছে। টেস্ট করালে রোগী বলবে অকারণ টেস্ট করাচ্ছে। না করলে চান্স থেকে যাবে বিপদের এবং বিপদ হলেই ভাংচুর -মারপিট। গত কয়েক বছরে প্রচুর আধুনিক গ্যাজেট এসেছে যাতে টেস্ট সস্তা হয় উচিত কিন্তু সেই মুনাফা পুরোটাই পকেটে পুড়ছে বেসরকারি হাসপাতাল মালিকরা।

    হয় সমস্ত টেস্ট এর দাম খরচ বেঁধে দিক নইলে নিয়ম করে দিক হাসপাতালের বাইরে থেকে টেস্ট করালেও হবে। এটা করলেই ওপেন মার্কেটে কেও না কেও সস্তায় টেস্ট প্রোভাইড করবে। এখনকার পরিস্থিতে মার্কেট ও ওপেন নয় এদিকে সরকারের ও নিয়ন্ত্রণ নেই। যে কোনো একটা নৌকোতে পা রাখা জরুরি।
  • চহার মগজ শিকন | ১৭ মার্চ ২০১৭ ১০:১৬728216
  • ফেবুতে ডাক্তারের লেখাটা পড়ুন।
  • sm | ১৭ মার্চ ২০১৭ ১০:২৩728217
  • কিছু কথা বলে যাই।বেসরকারি হাসপাতালের বিলিং সংক্রান্ত দোষ ত্রুটি ও অমানবিকতা কড়া হাতে
    প্রশাসনিক ভাবে দমন করা হোক।
    অন্য দিকে যেকোনো ছুতো নাতায় কেস করার বিপক্ষেও যুক্তি আছে।ইউ কে তেও দেখা গেছে ; এএন হেইচ এস এর এগেনস্টে প্রচুর কেস হয়েছে। এবং প্রায় বিলিয়ন পাউন্ডের ওপর জরিমানা ধার্য্য হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে উকিলরা কেস করে ভিকটিম এর পরিবার কে একটা অংশ দিয়ে নিজেরা বাকিটা আত্মসাৎ করেছে। এর পেছনে রয়েছে জনগণ কে প্রলুব্ধ করার চক্র।
    আমাদের দেশে এমন অবস্থা চালু হলে মুশকিল। পদে পদে কেস হবে ও বিচার ব্যবস্থা অতিরিক্ত ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়বে।
    অধিকাংশ ঘটনা যাতে স্থানীয় স্তরে মিটিয়ে ফেলা যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। জরিমানার পরিমাণেও ক্যাপ আনতে হবে।
    এবং ফলস কেস হলে অভিযুক্ত চিকিৎসক ও যেন বিচার চাইতে পারেন; তার প্রভিশন যেন থাকে।সবটাই একতরফা না হয় যেন।
    দুই সরকারি হাসপাতাল গুলোর পরিষেবার মানেও উন্নতি করতে হবে। খালি বিল্ডিং করলে চলবে না। সাফ সুতরো রাখতে হবে।ওয়ার্ড যেন পরিচ্ছন্ন থাকে। লোকে যেন টয়লেট ইউজ করতে ভয় না পায়। অনেকটা স্টেশনে রেল এর টয়লেট আর পে এন্ড ইউজ টয়লেট এর পার্থক্যের মতন।
    আগে স্টেশনে টয়লেট পেলে যেতে ভয় পেতাম। কারণ ওটা নরক দর্শন হবে। এখন ও যাই না। কিন্তু পে এন্ড ইউজ টয়লেটে অন্তত যেতে ভয় পাবো না।
    সরকারি হাসপাতালেও বিনা চিকিৎস্যায় রোগী ফেলে রাখা ও অবহেলার যেন সেম শাস্তি হয়।
    কোনো বাড়তি ছাড় না দেওয়া হয়।
  • sm | ১৭ মার্চ ২০১৭ ১০:২৬728218
  • কিছু কথা বলে যাই।বেসরকারি হাসপাতালের বিলিং সংক্রান্ত দোষ ত্রুটি ও অমানবিকতা কড়া হাতে
    প্রশাসনিক ভাবে দমন করা হোক।
    অন্য দিকে যেকোনো ছুতো নাতায় কেস করার বিপক্ষেও যুক্তি আছে।ইউ কে তেও দেখা গেছে ; এএন হেইচ এস এর এগেনস্টে প্রচুর কেস হয়েছে। এবং প্রায় বিলিয়ন পাউন্ডের ওপর জরিমানা ধার্য্য হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে উকিলরা কেস করে ভিকটিম এর পরিবার কে একটা অংশ দিয়ে নিজেরা বাকিটা আত্মসাৎ করেছে। এর পেছনে রয়েছে জনগণ কে প্রলুব্ধ করার চক্র।
    আমাদের দেশে এমন অবস্থা চালু হলে মুশকিল। পদে পদে কেস হবে ও বিচার ব্যবস্থা অতিরিক্ত ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়বে।
    অধিকাংশ ঘটনা যাতে স্থানীয় স্তরে মিটিয়ে ফেলা যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। জরিমানার পরিমাণেও ক্যাপ আনতে হবে।
    এবং ফলস কেস হলে অভিযুক্ত চিকিৎসক ও যেন বিচার চাইতে পারেন; তার প্রভিশন যেন থাকে।সবটাই একতরফা না হয় যেন।
    দুই সরকারি হাসপাতাল গুলোর পরিষেবার মানেও উন্নতি করতে হবে। খালি বিল্ডিং করলে চলবে না। সাফ সুতরো রাখতে হবে।ওয়ার্ড যেন পরিচ্ছন্ন থাকে। লোকে যেন টয়লেট ইউজ করতে ভয় না পায়। অনেকটা স্টেশনে রেল এর টয়লেট আর পে এন্ড ইউজ টয়লেট এর পার্থক্যের মতন।
    আগে স্টেশনে টয়লেট পেলে যেতে ভয় পেতাম। কারণ ওটা নরক দর্শন হবে। এখন ও যাই না। কিন্তু পে এন্ড ইউজ টয়লেটে অন্তত যেতে ভয় পাবো না।
    সরকারি হাসপাতালেও বিনা চিকিৎস্যায় রোগী ফেলে রাখা ও অবহেলার যেন সেম শাস্তি হয়।
    কোনো বাড়তি ছাড় না দেওয়া হয়।
  • sm | ১৭ মার্চ ২০১৭ ১০:২৭728219
  • কিছু কথা বলে যাই।বেসরকারি হাসপাতালের বিলিং সংক্রান্ত দোষ ত্রুটি ও অমানবিকতা কড়া হাতে
    প্রশাসনিক ভাবে দমন করা হোক।
    অন্য দিকে যেকোনো ছুতো নাতায় কেস করার বিপক্ষেও যুক্তি আছে।ইউ কে তেও দেখা গেছে ; এএন হেইচ এস এর এগেনস্টে প্রচুর কেস হয়েছে। এবং প্রায় বিলিয়ন পাউন্ডের ওপর জরিমানা ধার্য্য হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে উকিলরা কেস করে ভিকটিম এর পরিবার কে একটা অংশ দিয়ে নিজেরা বাকিটা আত্মসাৎ করেছে। এর পেছনে রয়েছে জনগণ কে প্রলুব্ধ করার চক্র।
    আমাদের দেশে এমন অবস্থা চালু হলে মুশকিল। পদে পদে কেস হবে ও বিচার ব্যবস্থা অতিরিক্ত ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়বে।
    অধিকাংশ ঘটনা যাতে স্থানীয় স্তরে মিটিয়ে ফেলা যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। জরিমানার পরিমাণেও ক্যাপ আনতে হবে।
    এবং ফলস কেস হলে অভিযুক্ত চিকিৎসক ও যেন বিচার চাইতে পারেন; তার প্রভিশন যেন থাকে।সবটাই একতরফা না হয় যেন।
    দুই সরকারি হাসপাতাল গুলোর পরিষেবার মানেও উন্নতি করতে হবে। খালি বিল্ডিং করলে চলবে না। সাফ সুতরো রাখতে হবে।ওয়ার্ড যেন পরিচ্ছন্ন থাকে। লোকে যেন টয়লেট ইউজ করতে ভয় না পায়। অনেকটা স্টেশনে রেল এর টয়লেট আর পে এন্ড ইউজ টয়লেট এর পার্থক্যের মতন।
    আগে স্টেশনে টয়লেট পেলে যেতে ভয় পেতাম। কারণ ওটা নরক দর্শন হবে। এখন ও যাই না। কিন্তু পে এন্ড ইউজ টয়লেটে অন্তত যেতে ভয় পাবো না।
    সরকারি হাসপাতালেও বিনা চিকিৎস্যায় রোগী ফেলে রাখা ও অবহেলার যেন সেম শাস্তি হয়।
    কোনো বাড়তি ছাড় না দেওয়া হয়।
  • sm | ১৭ মার্চ ২০১৭ ১০:২৯728221
  • কিছু কথা বলে যাই।বেসরকারি হাসপাতালের বিলিং সংক্রান্ত দোষ ত্রুটি ও অমানবিকতা কড়া হাতে
    প্রশাসনিক ভাবে দমন করা হোক।
    অন্য দিকে যেকোনো ছুতো নাতায় কেস করার বিপক্ষেও যুক্তি আছে।ইউ কে তেও দেখা গেছে ; এএন হেইচ এস এর এগেনস্টে প্রচুর কেস হয়েছে। এবং প্রায় বিলিয়ন পাউন্ডের ওপর জরিমানা ধার্য্য হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে উকিলরা কেস করে ভিকটিম এর পরিবার কে একটা অংশ দিয়ে নিজেরা বাকিটা আত্মসাৎ করেছে। এর পেছনে রয়েছে জনগণ কে প্রলুব্ধ করার চক্র।
    আমাদের দেশে এমন অবস্থা চালু হলে মুশকিল। পদে পদে কেস হবে ও বিচার ব্যবস্থা অতিরিক্ত ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়বে।
    অধিকাংশ ঘটনা যাতে স্থানীয় স্তরে মিটিয়ে ফেলা যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। জরিমানার পরিমাণেও ক্যাপ আনতে হবে।
    এবং ফলস কেস হলে অভিযুক্ত চিকিৎসক ও যেন বিচার চাইতে পারেন; তার প্রভিশন যেন থাকে।সবটাই একতরফা না হয় যেন।
    দুই সরকারি হাসপাতাল গুলোর পরিষেবার মানেও উন্নতি করতে হবে। খালি বিল্ডিং করলে চলবে না। সাফ সুতরো রাখতে হবে।ওয়ার্ড যেন পরিচ্ছন্ন থাকে। লোকে যেন টয়লেট ইউজ করতে ভয় না পায়। অনেকটা স্টেশনে রেল এর টয়লেট আর পে এন্ড ইউজ টয়লেট এর পার্থক্যের মতন।
    আগে স্টেশনে টয়লেট পেলে যেতে ভয় পেতাম। কারণ ওটা নরক দর্শন হবে। এখন ও যাই না। কিন্তু পে এন্ড ইউজ টয়লেটে অন্তত যেতে ভয় পাবো না।
    সরকারি হাসপাতালেও বিনা চিকিৎস্যায় রোগী ফেলে রাখা ও অবহেলার যেন সেম শাস্তি হয়।
    কোনো বাড়তি ছাড় না দেওয়া হয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত প্রতিক্রিয়া দিন