
শনিবার বিকেলে ন্যাশনাল ফিল্ম থিয়েটারের বক্স অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। এখন লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভাল চলছে দুই সপ্তাহ ধরে। আমার সামনে এক ভারতীয় ভদ্রমহিলা, তারও সামনে আলজিরিয়ায় জাত দুই ফরাসী, আরও আগে দুই ইজরায়েলি ছাত্রী। পিছনে বৃটিশ দম্পতি। আমি লাইনের পনেরো কি ষোলো নম্বর স্থানে। লাইনের একদম সামনে যারা তারা গ্যাঁট হয়ে মেঝেতে বসে বই পড়ছেন। বাইরে ঝিম্ঝিম্ বৃষ্টি। লন্ডনের তুলনায় বেশ জোরে। আমার পিছনে লেজের মতো লাইন বেড়েই চলেছে। অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে ভলান্টিয়রদের জিজ্ঞাসা করছেন টিকিট আদৌ পাওয়া যাবে কি না। ... ...

রোজ রাতে পাঁচজন বাঁদরের সঙ্গে গল্প করি আমি। গল্প যেরকম হয় আর কি, হ-য-ব-র-ল টাইপের। যেমন ধরুন - পৃথিবীর সব জোকস সর্দারজীদের নিয়ে কেন হয়? বাঙালি মেয়েরা "মা" হয়ে গেলে কেমন একটা হয়ে যায়! চাকরিতে ছেলেদের "মেয়ে বস" আর মেয়েদের "ছেলে বস" কতটা জরুরী, ঘরে বাইরে শাশুড়ি আর বৌ-এর সর্ম্পকের সঙ্গে দিল্লী ও বঙ্গের রাজনীতিতে সিপিএম আর কংগ্রেসের কতখানি মিল ও অমিল, এবছর ইলিশের দামটা কেন এত চড়া, ইত্যাদি ইত্যাদি। ... ...

এই বৃত্তটির নাম মাহে। ক্ষুদ্রাকৃতি বৃত্ত। তার ব্যাস মাত্র নয় কিলোমিটার। বৃত্তটি একটি জনপদ। ভিন্নতর জনপদ। কারণ, বৃত্তের বাইরে যে দেশটি, তার শাসক ইংরেজ। বৃত্তবাসীদের শাসক ফরাসি। পশ্চিমে আরবসাগরের তীরভূমি, পূর্বে ছোটো ছোটো পাহাড়ের ভাঙ্গা আবছা রেখা, আর একটি নদী। নদীটি বৃত্তটির পরিধির গায়ে গা লাগিয়ে। যার জলদর্পণে নারকেলকুঞ্জের জমাট ছায়া ... নদীর নাম মাইয়াঢ়ি। নদীটির নামে মিশে গিয়ে বৃত্তটির নামও মাইয়াঢ়ি। ফরাসিরা যাকে বলে মাহে। ... ...

এই সপ্তাহে মুখ চুলকানো খবরের অভাব নেই- টোটো কাপ হাতে বিশ্বজয়ী ভারত, রিজওয়ানুর রহস্যকান্ড ও পুলিশের অবৈধ জুলুমবাজি, রাহুল গান্ধীর রাজ্যাভিষেক, এবং কলিকাতা ডুবুডুবু, বঙ্গ ভেসে যায় রে। একের পর এক খবর, এক একটি খবর পরিশীলিত, অপরিশীলিত, লিবারেল, অ-লিবারেল, হুল্লোড়ে, গম্ভীর- যাবতীয় বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্তের নিস্তরঙ্গ জীবনে এক একটি আধলা ইঁট। জলতরঙ্গ জন্মায়, জল বুজ্কুড়ি কাটে, তরঙ্গ মিলায় যায়, তরঙ্গ উঠে, তারপর ঘরে ফিরে নিরালা নি:ঝুম অন্ধকার। ... ...

গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তোলাতে চান, অথচ ভেবে পাচ্ছেন না যে এই হাজার হাজার রেকর্ডের মধ্যে কোন্টা আপনি ভাঙবেন? কোন্টাকে ভেঙে চুরে নতুন ইতিহাস গড়বেন আপনি? নিজের ক্ষমতার ওপর নিজেই সন্দিহান আপনি? আত্মবিশ্বাসের অভাব? ... ...

"বাংলা শিশুসাহিত্যের ছোটোমেয়েরা", লেখক শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক গাঙচিল। নেহাৎ ঘটনাচক্রে বইটি প্রকাশ হবার দিন দুই আগেই হাতে আসে। চমৎকার প্রচ্ছদ ও মুদ্রণ পারিপাট্য। তখনও "অপ্রকাশিত" হওয়ায় বইটির প্রতি একটা কৌতুহল জাগেই, আরো বেশী হয় নামটি দেখে। কালো ও হলুদ প্রচ্ছদে হলুদ রঙে অর্ধবৃত্তাকারে লেখা "যখনই ঘুম ভেঙে যায় তখনই দেখি জেগে আছি"। রুমু বলেছিল না? হ্যাঁ রুমুই তো বলেছিল। মনে পড়ে যায় রুমুর মত আরো সব ছোটো ছোটো মেয়েদের কথা। দুর্গা, রাণু, আলি-ভুলি, মিচকিদের কথা। ... ...

শাঁওলী মিত্র গল্পকার হিসাবে খুব পরিচিত নন। কখনও সখনও কিছু কিছু শারদীয় সংখ্যায় তাঁর লেখা গল্প পড়েছি। মন্দ লাগে নি, আবার খুব যে নাড়া দিয়েছে তাও নয়। তাই সেরকম সচেতনভাবে তাঁর লেখা কখনও খুঁজি নি। কিছুদিন আগে হাতে এলো তাঁর এই গল্প সংকলনটি। এই বইটিই এখনও পর্যন্ত প্রকাশিত তাঁর একমাত্র গল্পসংকলন। ... ...

সম্প্রতি, এই ২০০৭ সালের জুন মাসে, গুগলের বড়োকর্তার এক বক্তব্য নিয়ে একটি খুচরো বিতর্ক হয়ে গেল। দূর পাল্লায় গুগলের লক্ষ্য কি, সেটা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে গুগলের চিফ এক্সেকিউটিভ এরিক স্মিট বলেছিলেন, যে, এমন একদিন আসবে, যখন মানুষ আর শুধু ইন্টারনেট থেকে পড়া, দেখা, বা জানার বস্তু খুঁজে বার করার জন্য সার্চ করবেনা, বরং, আরও কিছু "অতি-ব্যক্তিগত" প্রশ্নের উত্তর খুঁজবে। ... ...

আজকাল প্রায়ই সিরিয়াল কিলারেরা খবর হয়। ""মানুষ মারার ১০১ সহজ উপায়"" নামে বই লেখা না হলেও, সহস্র সহজ এবং কঠিন পদ্ধতি আজ আমাদের হাতের মুঠোয়। এইসব হত্যাকাহিনীতে শুধু যে পদ্ধতিগত নতুনত্ব থাকে তাই নয়, খুন করার নিত্যনতুন কারণও আমরা শুনে থাকি। জানতে পারি, কিভাবে সভ্যতার ক্রমবিবর্তনের সাথে, মানসিক জটিলতা আর বিকৃতিও বেড়েছে পাল্লা দিয়ে। এইরকমই আরো একটি তদন্তের কাজ শেষ হল সম্প্রতি। অকুস্থল রাশিয়ার মস্কো। সেখানে জনৈক আলেক্সান্দার পিশকিন মাত্র ৩৩ বছর বয়েসেই ৬২টি খুন করে ফেলেছেন। এবং এর প্রত্যেকটি হত্যাই ঘাতকের আজব ও অসুস্থ খেয়ালের ফসল। দাবা খেলতে খেলতে একদিন আলেক্সান্দারের খেয়াল হয়, কেমন হত যদি দাবার ছকের ৬৪টি ঘরের প্রত্যেকটি কোন না কোন ব্যক্তির নামে উৎসর্গ করে দেওয়া যেত? যেমন ভাবা তেমনি কাজ। ... ...

হিন্দুস্তান কথাটাই বেশ অস্পষ্ট। আরবেরা বলতেন অল হিন্দ, অর্থাৎ সিন্ধুর ঐ পার। অষ্টম খ্রীষ্টাব্দ। ইসলামও বেশ নবীন। কেরালার উপকূলে মালাবারে নিয়মিত আসত আরবেরা। স্থানীয় লোকেদের সাথে তাদের কোনো বিরোধ ছিল না। তাই না তাদের নাম ছিল মোপলা মানে জামাই বা শিশু। তারা তাদের ধর্ম মানতো, স্থানীয়রা তাদের। ... ...

খবরটা পড়েই বেশ চম্কে চমস্কি হয়ে গেলাম। সত্যিই তো, পাপ পুণ্য নির্ধারণ করবার তুমি কে হে? এই সেদিন মাত্তর গ্রাম দেশ থেকে কলকাতায় চাকরি করতে গেলে বামুনের বাচ্চাদের জাত যেত, ওখেনে চামড়ার কলে করে জল দেয় কিনা! তা সে সব ছুঁৎমার্গ আটকে রাখতে পেরেছে কাউকে কলকেতা যাওয়ার থেকে? কলকেতা তো কোন ছাড়, লোকে দিনে দুবার করে কালাপানি পার হচ্ছে আজকাল, প্রয়োজনের খাতিরে, অস্তিত্বরক্ষার তাগিদে নিয়ম চিরদিনই বদলায়। এ কি মোহাব্বতের গুরুকূল নাকি, যে নিয়ম অমোঘ, অপরিবর্তনীয় জিনিস? দরকার পড়লে অনিয়মকে নিয়ম, বেআইনীকে আইনি, পাপকে পুণ্য বানাতে কতক্ষণ? ... ...

সৃষ্টিতত্ত্বে ডার্ক এনার্জির গুরুত্ব অপরিসীম। মহাবিশ্বের তিন-চতুর্থাংশ জুড়ে থাকা রহস্যময় এই ফোর্স প্যারামিটার স্পেস-টাইমের প্রসারণের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। আইনস্টাইনের এক গবেষণায় প্রথম এই ধারণার প্রচলন হয়, এবং প্রাথমিকভাবে পরিত্যক্ত হলেও ১৯৯০ সালে এর অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়। ডার্ক এনার্জি সম্পর্কে আরো বিশদ জানতে NASA র একটি বিশেষ দল কাজ শুরু করছে, নাম দেওয়া হয়েছে Joint Dark Energy Mission (JDEM)। এরকম আরো একগুচ্ছ কর্মসূচী নিয়ে শুরু হতে চলেছে বিয়ন্ড আইনস্টাইন প্রোগ্রাম, যেখানে ঐ কিংবদন্তী বিজ্ঞানীর ভাবনায় ভর করে আমাদের জানাশোনার জগৎকে আরো প্রসারিত করা যাবে। এর মধ্যে আছে কনস্টেলেশান এক্স এবং লেসার ইন্টারফেরোমিটার স্পেস অ্যান্টেনা (সংক্ষেপে লিসা), যা এক্স রে ডিটেকশানের মাধ্যমে প্রকল্পিত "গ্র্যাভিটি ওয়েভ" এর অস্তিত্ব অনুসন্ধান করবে এবং ব্ল্যাক হোল ফাইন্ডার প্রোব ( BHFP )। ... ...

সোমনাথের মন্দিরের তখন মাত্র একশ বছর বয়স। ঘাজনির সুলতান মাহমুদ মূলতানে হাজির করলেন ত্রিশ হাজার পেশাদারী অশ্বারোহী। এ ছাড়াও তার সাথী ভলান্টিয়ার বাহিনী। তাদের দেওয়া হয়েছে মাথা পিছু পঞ্চাশ হাজার দিনার। প্রতিটি সেনার সঙ্গেই দুটি করে উট- রসদ ও জল বইবার জন্য। ... ...

যদিও এখন শহরে এসে গেছেন জর্জ বুশ, কন্ডোলিজা রাইস কিম্বা হু জিনতাও, শিগ্গিরি এসে পড়বেন শিনজো আবে, স্টিফেন হারপার প্রমুখরা, যদিও এই মুহূর্তে সমস্ত অস্ট্রেলিয়া সিডনির দিকে তাকিয়ে, যদিও এই মুহূর্তে শুরু হ'তে চলেছে এশিয়া প্যাসিফিক ইকনমিক কো-অপরেশন ফোরামের সামিট, যদিও এখন মিডিয়া জুড়ে শুধুই নিরাপত্তার বিবরণ আর নেতাদের মুখ, ফাঁকে ফাঁকে উঁকি দিয়ে যাচ্ছে হলদে কেকের রাস্তা এবং ১২৩; আমরা যাব শহর থেকে দূরে, সঙ্গে থাকবে সম্পূর্ণ অন্য সংখ্যাত্রয় -৪৫৭। ... ...

কাল সারাটা দিন হাসপাতালে নানান ঝুট-ঝামেলায় কেটেছে। যেমন আর পাঁচটা কাজের দিন যায়, তার থেকে একটু বেশীই। সাঁঝের ঝোঁকে সোফাতে একটু গা এলালেই নয় যখন, ডক্টর"স রুমে ঢুকতেই কলকল করে বন্ধু ও সহকর্মীরা জানাল - আবার বাংলা বন্ধ। শুক্রবার। কে ডাকল? কে আবার, দিদি ছাড়া? কেন হে? নাকি নন্দীগ্রামে কিসব ঝামেলা-ঝঞ্ঝাট হয়েছে। ... ...

ছোট্ট বেলা থেকে যে কয়েকটা বদভ্যাস নিয়ে আমরা বড় হয়ে উঠি, তার একটা হলো চুইং গাম বা বাবল গাম গুলো খেয়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেয়া। আর সেই জিনিস টাও এমন যে, একবার যেখানে পরবে সেখান থেকে আর উঠবে না সহজে। সব কটা বড় শহরের রাস্তা ঘাট সাফ সুতরো রাখার পক্ষে খুব বড় বাধা এই জিনিস টা। সিঙ্গাপুর সরকার তো বাধ্য হয়ে চুইং গাম বিক্রি করাটাকেই বেআইনি করে দিয়েছে। তো, আমরা কি আমাদের এই বদ অভ্যেসটাকে বদলাতে পারি না? চেষ্টা করলে হয়তো করা যায়, কিন্তু এই বিশেষ অভ্যেস টা আসলে আমাদের মজ্জাগত, অথবা বিশদ ভাবে বললে আমাদের জিনগত। যীশু খ্রীষ্টের জন্মের প্রায় ৩০০০ বছর আগে থেকেই মানুষ এই বদ অভ্যেস টি রপ্ত করেছিল। সম্প্রতি তার ই প্রমাণ পাওয় গেলো ফিনল্যান্ডে। ... ...

এই বই নিয়ে কোনো আলোচনা বা সমালোচনার স্পর্ধা আমার নেই। এমনকি প্রায় এক হাজার তিনশ পাতার বইটির এক-চতুর্থাংশ মাত্র পড়ে উঠেছি। কাজেই এই লেখাটা আমার পড়ার সমান্তরালে গড়ে উঠবে। লেখাটার একটাই মানে হতে পারে। পড়তে পড়তে নিজের মুগ্ধতা, সংশয়, চিন্তা বা জিজ্ঞাসা অন্য অনেকের সাথে ভাগ করে নেওয়া। যে বেইরুটবাসী সাংবাদিক নিজের জীবনের প্রায় পুরোটাই পশ্চিম এশিয়াকে বুঝতে চাইছেন, যিনি আফগানিস্থানের পুশ্তু থেকে আরবের ঠেঁট আরবী ভাষায় সমান দক্ষ, যাঁর তিরিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতার সূত্রে তৈরি প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ ডকুমেন্ট ও ফাইলের ভিত্তিতে এই বই গড়ে উঠেছে ... ...

মনে আছে সেই ছবিটা? সেই যে দুই হাত জড়ো করা, দুচোখ দিয়ে জল পড়ছে, প্রাণভিক্ষা চাইছেন, আমাদের কাছে যিনি গুজরাট দাঙ্গার মুখ বলে পরিচিত। কুতুবউদ্দিন আনসারি -- যাঁর ছবি সর্বভারতীয় মিডিয়ায় তুমুল প্রচারিত হওয়ার সাথে সাথে এই খবরও প্রচারিত হয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গে তাঁকে ডেকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এতে সরাসরি জড়িত না হলেও, প্রধানত: যে রাজনৈতিক দলটি সরকার চালান তাঁদের বহু হোমরাচোমরা ব্যক্তিই এই পূনর্বাসনের প্রক্রিয়াটির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। ... ...

এই মুহুর্তে বিশ্বের বেশ কিছু বিজ্ঞানী এক অভূতপূর্ব গবেষণায় মেতেছেন, যা সফল হলে অদূর ভবিষ্যতে সম্পূর্ণ কৃত্রিম উপায়ে প্রাণ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে। অদ্ভুৎ শোনাচ্ছে? তাহলে আরো শুনুন, বিজ্ঞানীরা এর মধ্যেই সময়সীমাও দিয়ে দিয়েছেন, আগামী ৩-১০ বছরের মধ্যেই তাঁরা ছুঁয়ে ফেলবেন এই মাইলফলক। কৃত্রিমভাবে তৈরী ঐ কোষের ভিত্তি হতে চলেছে ডি এন এ থেকে পাওয়া কিছু রাসায়নিক পদার্থ। কোষের মূল তিনটে অংশ বানানোর ছকও তৈরী। কোষপর্দা, যা একাধারে কোষকে ধরে রাখে, আকৃতি দেয় আর ক্ষতিকর পদার্থদের ঘাড় ধরে বের করে দেয়, সেটা বানানো-ই প্রথম ধাপ। আর হাভার্ড মেডিকেল স্কুলের বিজ্ঞানীরা এই কাজটা করে ফেলতে সময় নিচ্ছেন মাত্র ৬ মাস। তারপরেই শুরু হবে পরের ধাপ, অর্থাৎ কোষীয় বিপাকসমূহের সংযোজন। ... ...

যুদ্ধ এখন আর ঘোষিত হয় না, বরং চলতেই থাকে। এরকমই বলেছিলেন এক জার্মান কবি। বিশেষত গালফ যুদ্ধের পর থেকে দুনিয়ার ভরকেন্দ্র নানা ইক্যুয়েশানে অদল বদল হওয়ায় ক্ষমতা আর আধিপত্যর গল্পটা অনেকটাই অন্যরকম হয়ে গেছে। ঠান্ডা যুদ্ধের অনি:শেষ দশা এখন পৃথিবীর নতুন অবসান দূর্ভাবনা। রাসায়নিক যুদ্ধ, জীবাণু যুদ্ধ, জল ও তেল যুদ্ধ, মহাকাশ যুদ্ধের নিত্যনতুন ফর্মূলা বের হচ্ছে। টেকনোলজিক্যাল বুমের দৌলতে সেই ফর্মূলাকে ডিকোড করা, ভাইরাস ছড়ানো, গোপনে তছনছ করে দেওয়া তথ্যজাল বন্দোবস্ত আজ নতুন নতুন সব যুদ্ধের মধ্য দিয়ে রাজায় রাজায় যুদ্ধের ফর্মূলাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। ... ...