আমাদের পরাধীনতার ইতিহাস যত বড় তেমনি স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসও দীর্ঘ। কত শত, সহস্র ভারতবাসী স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তার কোনো হিসেব নেই আমাদের ইতিহাসে। প্রত্যেকেরই লক্ষ্য ছিল পরাধীন মাতৃভূমিকে শৃঙ্খলামুক্ত করা। প্রত্যেকেই তাঁদের নিজস্ব ক্ষমতা অনুযায়ী অবদান রেখে গেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে। আমাদের মানে প্রতিটি ভারতবাসীর অতীব লজ্জার বিষয় যে, এঁদের বেশীরভাগেরই নাম ইতিহাসের অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছে। ইতিহাসের পাতায় তাঁদের নামটুকুও খুঁজে পাওয়া যায় না। আমরা যখন আমাদের স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষপূর্তি পালন করছি বিগত এক বছর ধরে, তখন কিছু কিছু স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম ও পরিচয় সামনে আনছি "অজ্ঞাত স্বাধীনতা সংগ্রামী" শিরোনাম দিয়ে। এটাও এক ধরণের অসম্মান বলেই মনে হয়। ... ...
(২৬/১১ কে মনে করে... ) 'সন্ত্রাসবাদ' কী আর কেনই বা এই সন্ত্রাসবাদের শিকার হচ্ছি আমরা - ভাবতে মাথার মধ্যে অসংখ্য প্রশ্ন কিলবিল করে ওঠে। আতঙ্কের একটা কালো চেহারা সমানে গ্রাস করে চলে আমাদের। বুধবার ২৬/১১ র ভয়ানক হামলা যখন মুম্বাইকে গ্রাস করল আবার নতুন করে নড়ে চড়ে বসলাম এই সন্ত্রাসবাদ নিয়ে। রাতারাতি মুম্বাইয়ের পাঁচটি ল্যান্ডমার্কে একসাথে জঙ্গি হামলা, ও ভয়াবহ গুলিবাজি সহ ত্রাস আবারও প্রমাণ করে গেল যে দেশকে এখনও ততটা সুরক্ষিত করা যায়নি। সর্বোপরি ভারত তথা পৃথিবীর ইতিহাসে ২৬/১১ র এই কালো রাতটাকে মনে রাখবেন অনেকেই, মনে থাকবে চারপাশের বারুদ গন্ধ, চাপ চাপ রক্ত ও ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কত শত মৃতদেহ, চোখের জল আর ... ...
শিরোনামটা দেখেই সকলের দুটো শব্দের কথা মাথায় আসবে, দ্বান্দিকতা আর প্যারাডক্স। দ্বান্দ্বিকতার অর্থ হল, দুটি পরস্পর বিরোধী সংঘাতজনিত প্রক্রিয়া। আর প্যারাডক্স কথার অর্থ হলো, যে উক্তি আপাতদৃষ্টিতে স্ববিরোধী মনে হলেও সত্য বর্জিত নয়। এককথায় সভ্যতা শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে বলতে হয়, সভ্যতার ইংরেজি শব্দ হল civilization যা ল্যাটিন শব্দ civis থেকে এসেছে এবং যার অর্থ হলো, নগরে বসবাসরত কোন ব্যক্তি। অর্থাৎ মানব ক্রমবিকাশের যে ইতিহাস আমরা জানি, আদিম থেকে ক্রমশঃ গোষ্ঠীবদ্ধ জীব, খোলা আকাশ থেকে ক্রমশঃ বাসস্থান তৈরী, উলঙ্গ থেকে ক্রমশঃ নিজের লজ্জা নিবারণ করা, গাছের ফল আর কাঁচা মাংস খাওয়া থেকে ক্রমশঃ চাষ-আবাদ করে খাদ্যদ্রব্য তৈরী ও ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ, গোষ্ঠী থেকে ... ...
পরের ধন লোয়ো না, তাহাতে বিপদ। চোরের ধন লৈতে পারো, অতি নিরাপদ। ।
চারঘোলাসুদীপ ঘোষালস্কুল থেকে ফেরে বিজু ঠিক পাঁচটার মধ্যে। কিন্তু তার স্ত্রী খুব চিন্তিত। সাতটা বেজে গেলো এখনও বিজু ফিরে এল না। বিজুর স্ত্রী পাড়ার সব প্রতিবেশীদের বলল,দেখুন আটটা বেজে গেল এখনও আমার স্বামী ঘরে ফেরে নি।পাড়ার ছেলে পিরু বলল, চিন্তা নেই। আমি আছি। দেখছি ফোন করে। ফোন নাম্বার ছিল পিরুর কাছে। কিন্তু ফোনের রিং হয়ে যাচ্ছে। কোন উত্তর নেই। বার বার বারোবার ফোন করেও কোন উত্তর পাওয়া গেল না।বিজু আর রাজু- মাষ্টার দুই বন্ধু। তারা দুজনে মোটর সাইকেলে স্কুলে যায়। তাই বিজুর স্ত্রী নিশ্চিত হল, রাত আটটা বেজে গেল। তার মানে কোন দুর্ঘটনা ঘটেছে। রাজু- মাষ্টারমশাইয়ের মোটর সাইকেল আ্যক্সিডেন্ট হয়েছে ... ...
তিন
পূজাসুদীপ ঘোষাল তুমুল বৃষ্টির দিনে খোলা আকাশের নিচে চারকাঁধে চলেছে বাবার শবদেহ।বাবা চিরকাল রবীন্দ্রসংগীতের সুরে ভিজে যেতেন।প্রত্যেক বাইশে শ্রাবণে বাবা বাড়ির সামনের ফাঁকা মাঠে কবিসম্মেলনে বিশ্বকবির গলায় ভেজা চোখে মালা দিতেন।নিজে গান গাইতেন, " যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে"...। গান শুনে ভিজে যেত আমার চোখ।আজ বাবা চলেছেন চার কাঁধে শবদেহ হয়ে,ঠিক তার কবিগুরুর মত।বৃষ্টিভিজে বাবা মাথা দুলিয়ে শুনছেন বোধহয় রবীন্দ্রনাথের গান।দূর থেকে মাইকে ভেসে আসছে রবিঠাকুরের গানের সুর, "আমার ব্যথার পূজা হয় নি সমাপন।" ... ...
ঘড়াসুদীপ ঘোষাল সাতন গাজনে সন্ন্যাসী হওয়ার আগে গঙ্গায় স্নান সেরে একঘড়া গঙ্গার জল নিয়ে বাসে উঠল।বাসে খুব ভিড়।হাতে তার বেতের লাঠি।কাঁধে গামছা।কোনোরকমে দাঁড়িয়ে থাকল এক ঘন্টা। কন্ডাকটরের দেখা নেই ভিড়ে।সাতন গন্তব্যে পৌঁছে বাস থেকে নামল।বাস থেকে নামার পর সাতনের বন্ধু বলল,তোর ঘড়া কই?সাতন বলল,ঘড়া নামাতে ভুলে গেছি রে।বন্ধুর কাছে তিরস্কৃত হয়ে সে বলে ওঠে,ঘড়া গেছে যাক, ভাড়া তো দিই নাই। ... ...
দুই
দুই
ধারাবাহিক আরশীর ওপাড়ে পড়শীর বাগিচাসুদীপ ঘোষালএকবর্ধমান জেলার পূর্ব অংশে কেতুগ্রাম থানা। হিন্দু ও মুসলমানের মিলিত মেলায় গড়ে উঠেছে এই জীবন মাঠ। এই থানার অন্তর্গত অনেকগুলি গ্রামের এই ইতিহাস। এখানে সতীপীঠ আছে দুটি। একটি নিরোলের কাছে অট্টহাস আর দ্বিতীয়টি কেতুগ্রামের বহুলা মায়ের মন্দির। কতকগুলি বর্ধিষ্ণু গ্রাম এখানে আছে। নিরোল, পাঁচুন্দি। গোমাই, কেতুগ্রাম, পুরুলিয়া, কোপা, কোমডাঙ্গা, ভুলকুড়ি, চরখী, শিবলুন, বেলুন, অম্বলগ্রাম প্রভৃতি আরও অনেক গ্রাম নিয়ে এই বিশাল এলাকা।কেতুগ্রামের মসজিদের আজানের সুর ছড়িয়ে পড়ে এলাকার গ্রামে গ্রামে। সকলের মঙ্গলের স্বার্থে এই ব্যবস্থা। গঙ্গাটিকুরি গ্রামে আর পুরুলিয়া গ্রামে এখনও গেলে অনেক পুরোনো রাজবাড়ি দেখা যাবে। প্রতিটি গ্রামের আনাচে কানাচে মোগল সাম্রাজ্যের ইতিহাস ফিস ফাস করে ... ...
মেছোপেত্নি ও দুটি তেচোখা মাছসুদীপ ঘোষালসুনীল বড় হয়েছে বন জঙ্গলের আদর পেয়ে। সুনীল জানে, মা মাঠের বাড়ির ফাঁকা জায়গায় গাছ লাগাতেন অবসর সময়ে। মায়ের সারাদিন শুধু কাজ আর কাজ। মায়ের বাবার অফিসের মত ছুটি নেই। বিশ্রাম নেই। বৈকালিক ভ্রমণ নেই। বাবা অফিস থেকে এসেই জলখাবার খান। মা রান্নাঘরে। তারপর রাতের রান্নার ফাঁকে আমাকে পড়ানো। সুনীল দেখে আর ভাবে, মায়ের কেন ছুটি নেই। মুখে হাসি নেই। বাবা পান থেকে চূণ খসলেই ধমকের সুরে মাকে বকেন। মাঝে মাঝে গায়ে হাত তোলেন। বাবা বলেন, আমার পিঠে দুটো নয় তিনটে তেচোখা মাছের মত চোখ আছে। তুমি পাশের বাড়ি ভূতটার সঙ্গে প্রেম করো। ... ...
ভালবাসি মা কে, বাবা কে, তারা আমার হৃদয়ে আছে, পাশেই আছে, সবসময়।ভালবাসি আমার পরিবার কে।ভালবাসি আমার বন্ধু, বান্ধবীদের, আমার বান্ধবীসম স্ত্রীকে।ভালবাসি নীল আকাশে সাদা মেঘ, সবুজ গাছ গাছালি, ছোট্ট নদী, যারা সমুদ্র এড়িয়ে চলে। ভালবাসি বৃষ্টির বড় ফোটাতে ভিজতে, অথবা দুপুর রোদে ছুটতে।ভালবাসি শব্দ, অথবা ভালবেসে নি:স্তব্ধতা কে আপন করে রাখতে।ভালবাসি ছোট বেলা, কফি হাউসের অশান্ত যৌবন, ফিরে তাকান বার্ধক্য, দখিনের জানলা ধরে।ভালবাসি একা একা নিজের মনে কথা বলা, গল্প বলা।ভালবাসি যা খুশি পড়তে, লিখতে।ভালবাসি সবার সঙ্গে মিছিলে পায়ে পা মেলাতে, প্রতিবাদে মুখর হতে।ভালবাসি তোমায়, ভালবাসি তোমাদের সবাইকে, এই পৃথিবীকে, সব মানুষ কে।ভালবাসা, তুমি আমাকে ছেড়ে যেওনা, তুমি আমার একান্ত আপন, ... ...
ফুটবল খেলায় দেখবেন, মাঠের দর্শকরা বাধ্যতামূলকভাবে খিস্তি দেয়। সে দুনিয়ার সবাই কোনো-না-কোনো সময়ে দেয়, কিন্তু মাঠের খিস্তি ট্রাম-বাস-টেম্পো-কলেজ-ইশকুল-পিকনিক সবার থেকে মোটামুটি একশগুণ চড়া। "অমুকের মায়ের অমুক জায়গায় বলটা ঢুকিয়ে দে" -- রাগারাগি ছাড়াই, এসব মাঠের স্বাভাবিক লব্জ। জিজ্ঞাসা করলে বলবে, "মাঠে খিস্তি দেব না তো কোথায় দেব।" আরেকটা জিনিস দেখবেন, সমর্থকরা পারলেই মারপিট করে। মাঠে এবং বাইরে। খেলার সময় তারা জার্সি পরে দলবদ্ধ ভাবে ঘোরে। মদ-টদ খায়। সুযোগ পেলেই অন্য জার্সিধারীদের পিটিয়ে দেয়। এটা অবশ্য ইউরোপেই বেশি হয়। এখন পুলিশি নজরদারিতে বোধহয় কমে গেছে। খবর পাইনা। খেলার খবর রাখিনা বলেও হতে পারে। তা, এইগুলো কিন্তু আজকের গপ্পো না। এসব ইউরোপের পুরোনো প্রথা। ... ...
সোনার হরিণের সন্ধানে বাংলা নাটক একটা প্রবল আক্ষেপ ছিল, বাংলাদেশের নাটকে মুক্তিযুদ্ধ, দেশপ্রেম ততটা আসে আমাদের সাম্প্রতিক নাটকে তা প্রায় অনুপস্থিত কেন? আর তার ফলে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পদলেহী রয়াল সিক্রেট সার্ভিসের লয়াল বা অনুগত খোচর/ টিকটিকিরা নিজেদের দ্বেষপ্রেম কে দেশপ্রেম বলে দাগিয়ে দিয়ে জনমনের ৩৯% কে দখল করতে পারে। আর পয়সা ছড়িয়ে প্রচার মাধ্যমের এক বড় অংশকে। তার ফলে, খেলা হয়ে যায় যুদ্ধ।১৫ আগস্ট উপলক্ষে যে-সব চলচ্চিত্র দেখানো হয়, তাতে মনে হয়, স্বাধীনতা সংগ্রামটা পাকিস্তানের বিপক্ষে হয়ে ছিল।ভারতের বহু বিপ্লবী যে বর্তমান পাকিস্তানের সন্তান তা আড়াল করে রাখা হয়।আর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে লড়াকু উধম সিং কে সাম্প্রতিক ভারতীয় চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ ছবি --সর্দার ... ...
ঘুম থেকে উঠে চোখ কচলাতে কচলাতে বউ বা মায়ের কাছে 'বেড টি’ চাওয়া কিংবা নিজের পরা জামা-কাপড় কাচবার জন্যে মায়ের অপেক্ষায় বাথরুমের এক কোণে ডাঁই করে রেখে দেওয়া- শিশুর দল এখন মোল্লা দেশের নারী মুক্তি নিয়ে মত্ত। এমনকি আমাদের ঘরের বাপ-কাকা'রা যারা নিজেদের মেয়েদের রুটিন মাফিক জীবন ও শরীর ঢাকা পোশাক পরার বিধান দেন, তা না হলেই নিজের “স্ত্রী” মানে মেয়ের মায়ের গায়ে হাত তুলতেও পিছু হটেন না, তারাও আজ ইরানের মোল্লা সরকার কে- নারী স্বাধীনতা হরণকারী বলে সেলফোনের ভেতরে কেটে কুচিয়ে দিতে ব্যস্ত। বেশ মজার বিষয় না! এতটা দ্বিচারী চেতনা সম্পন্ন কেন এরা? এতেও কি কেবল তাদের দোষ? না! ... ...
পৃথিবীতে দুরকম মৌলবাদ আছে। কাতারি মৌলবাদ ভালো। কাতার নিয়ে সমালোচনার জবাবে ফিফা সভাপতি বলেছেন, ইউরোপিয়ানরা গত ৩০০০ বছর পৃথিবীতে যা করেছে, তাতে নীতিশিক্ষা দেবার আগে, আগামী ৩০০০ বছর তাদের ক্ষমা চেয়ে যাওয়া উচিত। খুবই খাঁটি কথা, কিন্তু কেবল কাতারকে সমর্থন করার সময়ই এসব মনে পড়ে। ইরাক গুঁড়িয়ে দেবার সময় না।কাতার ছাড়ুন, সৌদি আরবও ভালো। আমেরিকার বাসিন্দা প্রভাবশালী সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে মনে আছে? যিনি গণতন্ত্রের সমর্থক, এবং সৌদি রাজতন্ত্রের কট্টর বিরোধী ছিলেন, এবং ইস্তাম্বুলে সৌদি দূতাবাসে, হ্যাঁ দূতাবাসের ভিতরেই, ঢুকে খুন হয়ে যান? মৃতদেহও পাওয়া যায়নি। খোদ সিআইএ জানিয়েছিল (নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্টের খবর), সৌদির যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনের নির্দেশেই এই ... ...
রাত হলেই শহরের বুকে হয়ে চলেছে একের পর এক খুন। আর তার নৃশংসতা বড়ই অদ্ভুত। শুধুমাত্র শহরবাসী নয় এই অস্বাভাবিকতায় তটস্থ লালবাজার ও। কিছুতেই হয়ে উঠছে না কুল কিনারা। কি হবে তাহলে? তাহলে কি আবার প্রাণ যাবে আরেক নিরপরাধের? কে বাঁচাবে তাদের? আগামী ২রা ডিসেম্বর আসতে চলেছে ডিজিপ্লেক্স (Digiplex) নিবেদিত পাসওয়ার্ড এন্টারটেইনমেন্ট (Password Entertainment) ও ভেঞ্চার ফিল্মস্ (Venture Films) প্রোডাকশনের ওয়েব সিরিজ 'সাইন অফ ফাইভ (SIGN OF FIVE)' ... ...
প্রতি রাতে অন্ধকার আমায় গ্রাস করে।পরিবেশের সমগ্র দূষন একত্রিত হয়,কিছু আবদার আর মুঠো ভরা নালিশ নিয়ে।তারা চিৎকার করে জানায় তাদের দাবি,দূষনমুক্ত, সৃজনশীল পৃথিবীর দাবি।আমি নিরুপায়, তাদের বৃথা আশ্বাস দিয়ে শান্ত রাখি। পৃথিবীকে প্রতি নিয়ত বাঁচিয়ে যাই,মহাপ্রলয়ের হাত থেকে।তারা সত্য জেনেও চুপ করে থাকে। যেভাবে চুপ ছিল সমগ্র ভারতবাসী,দুশোবছর ধরে।হয়ত এ মহাপ্রলয়ের বাঁধ একদিন ভাঙবে, ভাঙবেই।।মহাপ্রলয়ের স্রোতে তলিয়ে যাবে,বিশ্বব্রহ্মাণ্ড। তবু আমি এক,আমি এক নিরুপায় যাত্রী।বৃথা আশ্বাস দিয়ে শান্ত রাখি। ... ...