শ্রী অরিজিৎ সিং এর গাওয়া রামপ্রসাদী শুনলাম। এমনিতে কিছু বলার নেই, সুরেলা গলা, নড়েচড়েও খুবই ভাল, কিন্তু গান শুনে এবং দেখে মনে হল, রামপ্রসাদী নয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যান্থেম হচ্ছে। ভিডিওতে দেখা গেল, প্রথমেই সবুজ ধান্যক্ষেত্র, যেখানে চাষবাস হয়েছে। তারপর আলপথ দিয়ে হেঁটে এলেন নায়ক ও নায়িকা, যেমন সূর্যমুখী ক্ষেতের মধ্যে দিয়ে একদা আসতেন শারুক্ষান। তবে পিছনে লারেলাপ্পা নয়, বাজছে সংস্কৃতিমনস্ক কৃষিকাজ-সম্পর্কিত গান, "মন রে কৃষিকাজ জানোনা"। অর্থাৎ, ক্ষেত সবুজ হলে কী হবে, অশিক্ষার ফলে চাষবাস কিন্তু মোটেও ভালো হচ্ছেনা। এই না-জানায় নায়ক-নায়িকা খুশিও একেবারেই না। বরং ব্যর্থ মাস্টারের মতোই খুবই তিতিবিরক্ত। চাষবাসের নামে হচ্ছে টা কী? সঙ্গে আছে আফশোষ, একটু ... ...
শীত-বিকেলে মানুষের ঢল সাহেবপাড়ায়। যেন লন্ডনের রাস্তা। রঙিন বেলুন উড়ছে। হরেক খেলনা। কত রকমের শীতের খাবার। বুড়ির চুল। ঘটিগরম। শিশুদের নিয়ে বাবা-মা ঢুকে পড়ছে গির্জায়। প্রেমিক প্রেমিকারাও হাত ধরে। ঢং বাজল। পাখিরা উড়ে গেল। আকাশে ধোঁয়ার চাদর। সাদা কুয়াশা। দ্বিতীয় হুগলিতে আলো জ্বলল। ময়দানে ভিড়। গঙ্গার ধারে গা ঘেঁষে বসল যুগল। ডালহৌসি পাড়ায় অফিস ছুটি। এ বার প্রার্থনা শুরু হবে। শহরময় আলো। মদের দোকানে ভিড়। তিনতলার পুরনো সাহেব বারান্দায় মায়াবি হলুদ আলো স্ট্রিটল্যাম্পের। অদ্ভুত আভা! সাহেবপাড়ায় শীত এসেছে কালিঝুলি মাখা পোড়ো বাড়িগুলোয়.. নানা প্রজন্মের শিল্পীদের বোহেমিয়ান হওয়ার আবহমান আঁতুড়ঘর মধ্য কলকাতার এই সাহেবপাড়া। প্রখ্যাত চিত্রকর থেকে কবি বা পরিচালক, সকলেই কোনও-না-কোনও ... ...
১অ বিমু, বিমু ... বিম্মু রাআআনী....চট করে ভেঙে গেল ঘুমটা। স্বরটা কেমন চেনা চেনা ঠেকল। এ নামে বিমলাকে শুধু দু জন ডাকত। ঘাড় ঘুরিয়ে জানালার দিকে তাকালো বিমলা। পর্দাটা তখনও এলোপাথারি উড়ছে।আবারও ঘুমের ঘোরে ভুলভাল বকছে ভেবে চোখ বন্ধ করল। এবার মনে হলো ফ্যানের ওপর কেউ পা ঝুলিয়ে বসে। ঘচাং করে বিছানায় উঠে বসল। মোবাইলের আলো ফেলল ওপরে। দেখল, ব্লেড তিনটে ঘটঘট আওয়াজ করতে করতে বন্ধ হয়ে গেল। সেই সময় যত রাগ গেল আগরওয়ালের ওপর। নির্ঘাত লোকটা লাইট ফ্যানের একটা কাজও করেনি। পই পই করে বলেছিলাম, সব সার্ভিসিং করিয়ে তবে বাড়িটা দেবেন। টেবিলে রাখা গ্লাস থেকে কিছুটা জল খেয়ে বাইরে এসে ... ...
সাধারণত ছবির পেছনে এক্স যে টাকা খরচ করেন, জনসমক্ষে সেই বাজেট কিছুটা কমিয়ে বলা হয়। একদিন সকালে উঠে আপনি সকালের খবরের কাগজে দেখলেন - পুজোর সময় আপনার দেখা সেই বাজে ছবিটার সত্তর লাখের বাজেট ছিল, বক্স অফিসে করেছে চল্লিশ লাখ। মানে ছবি ফ্লপ। আপনি মনে মনে বললেন বেশ হয়েছে, বা জিভ দিয়ে সহানুভূতিমূলক চুক চুক আওয়াজ করলেন বেচারাদের ক্ষতির জন্য। কিন্তু আসলে সবাই টাকা ফেরত পেয়ে গেছে, অল্প হলেও লাভ হয়েছে। যদিও এই মডেলে চার পাঁচটা ছবি এরকম ফ্লপ করলে তারপর আর প্রযোজনা সংস্থা ছবি বানাতে পারবে না, কারণ ফাইনান্সার পাওয়া সমস্যা হবে। নায়ক নায়িকাদের টিআরপি কমতে থাকলে স্যাটেলাইট স্বত্ত্বর দাম কমে ... ...
বিতানআশিস বন্দোপাধ্যায়----------------------অন্তরে দ্বন্দ্বের বাস, অন্ত হয় না।উদম হাওয়া বহে পলাশ বনে,পিপাসিত এ চিত্ত ব্যর্থ প্রকাশে, খোঁজে গহনে সেই সমাধান তার,যদি কিছু দিতে পারি তাহা উপহারে।আ@অকপটে দিয়েছো অকুন্ঠিত সর্বস্ব,যদি দিতে পারি এক কণা তার,নিরসন করে যদি এ সত্য,প্রয়াস,তাই দিতে পারি কোন অর্ঘ্য-অন্ত হোক অন্তে নিত্য প্রহার অন্তরে। নিস্ফল ভেবে বসে থাকা বিস্বাদে,ব্যর্থ যত ভাবনা চিত্র চিত্তে আঁকা,আবরণ,অলঙ্কার আভরণ ভরে না চিত্ত কেন হয় না ভাবনার উদ্ভাবন, নির্ণয়, তাহা উপায়ন তরে ? তোমারে দিতে চাই বরং যাহা- দুঃখ সন্তাপ সতত করবে হরণ, সংসার দাব দাহে চির আশ্রয়ে, জাগাবে প্রাণ শক্তি নির্ভয়ে , আলো কিরণ- ঘুচাবে অন্ধকারে। দুঃখ কষ্টে যা পথ দিসারি,আনন্দ ধ্বনি ... ...
।।অবহেলা।।আশিস।।------------------সময়ের অযত্নে অবয়ব, আঁখি মেলা। অভ্যাসের সেই মোড়ক, কলরব সব, যায় বেলা। শৈশব থাকে যত্নে, জননীর স্বপ্নে, এখন তো সহি সবদূরে বাস, মনে অবহেলা।
বিজয়াআশিস বন্দ্যোপাধ্যায়দূর থেকে বলিলে-ভা -ল -বা -সি--, আগে নাহি বুঝি, এক স্বপ্ন মেখে বসেছিলাম কিনারায় আকাশ ছিল ভরা তারায় তারায়দূর থেকে গুনগুন গান আস ছিল ভাসি। স্নিগ্ধ বাতাস বয়ে আনে ফুলের সুবাস চলে ভাবনা, রেখে যায় তার এক রেস। হটাৎ ফ্রিজ খুলে নিয়ে এলে ভাল বাসি পায়েস ও লুচি। ... ...
ধরে নেওয়া যাক, 'ক' একটা ছবির চিত্রনাট্য লিখলেন এবং একজন এক্সের[প্রযোজনা সংস্থা] কাছে সেটা জমা দিয়ে বললেন আমি এই ছবিটা পরিচালনা করতে চাই। এক্স সেটা পড়ে বললেন আমি ছবিটা বানাতে রাজি আছি। ক এবং এক্স তারপর একসঙ্গে বসে বাকি সমস্ত কিছু ঠিক করলেন, কাকে কোন চরিত্রে নেওয়া হবে, কোথায় শুটিং হবে, ছবির সম্পাদনা কে করবে, সংগীত পরিচালনা কে করবে এসমস্ত কিছু। সেই অনুযায়ী হিসেব করে এক্স দেখলেন ছবির বাজেট হচ্ছে এক কোটি টাকা। পয়লা ফেব্রুয়ারী এক্স ক এবং বাকিদের বলে দিলেন শুটিং শুরু মে মাসের ১৫ তারিখ থেকে । সবাই সেইমত প্রস্তুতি নিতে লাগল। কিন্তু এক্স আরো দেখলেন তার কাছে খরচ করার মত ... ...
সিনেমা দেখতে যেকোনো বয়সের মানুষ ভালোবাসে, কারণ অন্য অনেক শিল্প মাধ্যমের (বই, আঁকা ছবি, শাস্ত্রীয় সংগীত) তুলনায় ছবি অনেক সহজে মানুষের কাছে পৌঁছে যায় এবং দৃশ্যশ্রাব্য মাধ্যম হওয়াতে যেকোনো বয়সের মানুষের [যিনি লিখতে পড়তে জানেন না তার ক্ষেত্রেও] ছবিটার গল্প বুঝতে অসুবিধা হয়না। কিন্তু অনেকসময় একটা ছবি দেখে পছন্দ না হলেও আমরা দেখি ছবিটা বিপুল ব্যবসা করছে। আবার উল্টোটাও ঘটে, ভালো ছবি ব্যবসা করতে পারে না। আবার অনেক সময় বহু ছবি দারুণ ব্যবসা করলেও আমরা শুনতে পাই সেই ছবির প্রযোজক আর কোনো ছবি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর পিছনে রহস্য কি? ছবির পিছনে যে ব্যবসার মডেল আছে তা কিভাবে কাজ করে? প্রথমে যদি ... ...
টিফিনের সময় অন্যান্য সহপাঠী সুনীল, সুবীর, তাপস, প্রণব'দের সাথে একসঙ্গে ক্যাম্পাসে ঘুরতাম। কোনো কোনো দিন আমরা গাছপালা ঘেরা প্রিন্সিপালের বাড়িতে যেতাম। ওখানে গেলেই খুব ভয় লাগত। এত গাছ এবং অন্ধকার, সূর্যের আলো গাছ ভেদ করে ভিতরে ঢোকার সুযোগই পেত না। আমাদের ক্লাসে প্রায় জনা-আটেক মেয়ে পড়ত। আমার তিনজনের নাম মনে আছে। কবিতা, সুপর্ণা ছাড়া আরেকজন মীনাক্ষী ছিল। মীনাক্ষীর নাম মনে আছে কারণ ও আমাদের সাথে ঘুরতে, টিফিন শেয়ার করতে, খেলতে পছন্দ করত। এমনকি, পিটি স্যারকে জোরাজুরি করে আমাদের সাথে ক্রিকেট পর্যন্ত খেলত। বেশ ডানপিটে টাইপের ছিল। বেশ লম্বা এবং সবল চেহারার ছিল। কবিতার সাথে আমাদের জমতো না বলে, ও আরও ... ...
কবিতা ও কিছু কথাসুদীপ ঘোষাল কবিতা ছড়িয়ে আছে জীবনে,প্রকৃতির মাঝে।তবে সবসময় সে ধরা দেয় না।প্রত্যকের অন্তরে জাগ্রত একজন, সদা কথা বলে নিজের সঙ্গে। তার জন্য আবেগ আর, সাধনার প্রয়োজন। কবিতালেখক, লিখতেই পারেন কিন্তু কবিতা হল কি না পাঠক বলবেন।প্রেম করা যায় না,হয়ে যায়। একজন কবির মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, মনের ভিতর ভীষণভাবে অনুরণনশীল বস্তুর বহিঃপ্রকাশ কবিতা লেখায় সমৃদ্ধ হচ্ছে কী?লেখার সময়ে সচেতন ভাবে লেখনীর মধ্যে কবিতার ভাব অনুভব করি না! অবচেতন মন থেকে উঠে আসা দিনলিপির বোধকে প্রকাশ করি কি শব্দচয়নে? শব্দচয়ন সঠিক হচ্ছে কি? কবিতা লেখার কি কোন নিয়ম হয়। কবিতার কি ব্যাকরণ হয়? নানা মুনি নানা মত? অনেকে বলেন, প্রচুর পড়াশোনা না করলে কবি হওয়া যায় না। আবার বাস্তবে দেখি নিরক্ষর ... ...
আজকের সমৃদ্ধ ইউরোপ গড়ে উঠেছে কলোনিয়াল যুগে সারা বিশ্ব থেকে লুট করে আনা সম্পদের উপর ভিত্তি করে।,সমৃদ্ধি অর্জন করে তারা এখন দু'চারটি ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু করে লিবারেল সাজতে চায় আর কলোনিয়াল যুগের রক্তাক্ত ইতিহাস ধামাচাপা দিতে চায়।,কিন্তু তাদের ভেতরে সেই ঘৃণ্য বর্ণবাদ আগের মতই রয়ে গেছে। একটু সুযোগ পেলেই তা বেরিয়ে আসে।,মেসুত ওজিল একবার দুঃখ করে বলেছিলেন তিনি যখন জেতেন তখন হয়ে যান জার্মান, আর যখন হারেন তখন হয়ে যান তার্কিশ ইমিগ্র্যান্ট। বর্ণবাদী আচরণের কারণে তিনি জার্মানি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।,বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে শ্বেতাঙ্গ হ্যারি কেইন পেনাল্টি মিস করলে ব্রিটিশরা টু শব্দ করেনি। কিন্তু ইউরোর ফাইনালে পেনাল্টি শুট আউট মিস করায় ... ...
প্রথম দিকে যখন আমি ছোট ছিলাম, আমাকে নিতো না দাদারা এবং বেশির ভাগ সময়েই মাঠের বাইরে দাঁড়িয়ে খেলা দেখতাম। পঞ্চম শ্রেণী থেকে, বড়রা (সুখেন-দা, সুধীর-দা এবং অন্যান্যরা) আমাকে দলে নেয়।প্রাথমিকভাবে তাদের দিক থেকে অনিচ্ছা ছিল, কারণ এটি সিনিয়রদের একটি দল ছিল। সবাই সপ্তম, অষ্টম অথবা নবম শ্রেণীতে পড়ত। আমার পীড়াপীড়িতে একদিন তারা আমাকে একটি চলমান ক্রিকেট ম্যাচে বল করতে বলে এবং আমার বল করা দেখে তারপরে আমাকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।আমাদের বাড়ির পিছনে একটি আমার বয়সী ছোটদের গ্রুপ ছিল। আমি তাদের সাথে প্রথমে ক্রিকেট, ফুটবল খেলতাম। কিন্তু আমার ইচ্ছা ছিল, সামনের মাঠে বড়দের সাথে খেলার। কারণ বাড়ির পিছনের ছোটদের গ্রুপটাতে বেশিজন ... ...
চতুর্থ পর্ব দুই
সেই দিনগুলিতে, স্কুল ছুটির সময় মেজোপিসি ওনার মেয়ে ঝুমঝুম এবং ভজুকে এবং মাঝেমাঝে শান্তুকে নিয়ে শান্তিনিকেতন থেকে ঘন ঘন আমাদের বাড়িতে আসতেন এবং আমরাও প্রায়ই শান্তিনিকেতনে যেতাম। ঝুমঝুম আর আমার মধ্যে সেই সময় থেকেই ভাইবোন সম্পর্ক ছাড়াও একটি বন্ধুত্বের সম্পর্ক হয়। ঝুমঝুম আর আমি প্রায় সমবয়সী। ঝুমঝুম খুব শান্ত ছিল, আর পড়াশোনায় খুব ভালো ছিল। তার শান্ত স্বভাবের কারণে আমার সমস্ত দুষ্টুমি কান্ডকারখানা সহ্য করত। যদিও আমি সেই সময় একটু দুষ্টু ছিলাম, কিন্তু আমাদের দুজনের স্বভাবের অনেক মিল ছিল। অন্তর্মুখী, পড়াশোনার ব্যাপারে সিরিয়াস, লোকজনের কোলাহলের থেকে দূরে থাকা, গল্পের বই পড়া।এক সন্ধ্যায়, ঝুমঝুম আর আমি বাইরের বারান্দায় একটা মাদুরে ... ...
তিন
হাকুমুতো তাকাশাকি আজ সকালেই কলকাতা বিমানবন্দরে নেমেছেন। কয়েকটা ব্যবসায়িক মিটিং সেরে রাত্রি বেলায় হোটেলে ফিরে খাওয়া দাওয়া সেরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। মাঝ রাতে ঘুম ভেঙে গেল। প্রচণ্ড বোমের আওয়াজ! সর্বনাশ, ইন্ডিয়াকে কেউ কি এ্যাটাক করল? যুদ্ধ লেগে গেল কি? ভাবতে ভাবতেই তিন চারটে বোমার আওয়াজ। সারাদিন তো ঠিকঠাকই ছিল। ক্লায়েন্টদের সঙ্গে কথাবার্তায় সেরকম কিছু আভাস পাননি তো! বিদেশে বিভূঁয়ে একা মানুষ! তাড়াতাড়ি গাউনটা চাপিয়ে রিসেপশনে নেমে এলেন। চার পাঁচজন কর্মী টিভি দেখছেন, দু একজন বিমর্ষ বাকিরা হৈহৈ করছে। বাইরে থেকে ক্রমাগত বোমা বিস্ফোরণের শব্দ আসছে। তাকাশাকিকে দেখেই তাঁরা সন্ত্রস্ত হয়ে গেলেন। রিসেপশনের সদা হাস্যমুখি ছেলেটি অভিবাদন জানিয়ে বলে উঠলো - আর্জেন্টিনা ... ...
দ্বিতীয় পর্ব দুইদু
কবি জয়দেব থেকে শুরু করে কত কবি লেখকের বাস এই নদীর পাড়ে। তাছাড়া বিভিন্ন পেশার লোকেরা মিলেমিশে থাকেন এখানে।তাদের সুখদুখমাখা গাথা এই উপন্যাসে বিবৃত হয়েছে। প্রথম পর্ব অজয়পাড়ের উপকথাসুদীপ ঘোষাল একঅজয়নদের পাড়ে অবস্থিত কয়েকটি গ্রাম বর্ধিষ্ণু। সেইসব গ্রামের ছেলেরা ধনীর দুলাল।তারা কানডা,সিঙ্গাপুর,সুইজারল্যান্ড প্রভৃতি দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে কিন্তু এখানকার বেশিরভাগ লোক গরীবের দলে। আর অজয়নদের আশেপাশের গ্রামগুলিতে কবি জয়দেব থেকে শুরু করে কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের বাসস্থল। আমাদের বন্ধু সোমনাথ কমার্শিয়াল আর্টস দু-একটা করেন শিল্পী। পার্থপ্রতিম দেবের কাছে এখন শিক্ষারত। গুরুদেব ছিলেন বাসুদেব চট্টোপাধ্যায়, শান্তিনিকেতন।শিব চন্দ্র হাই স্কুলে পড়তেন। অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়, এইচএস অব্দি পড়াশোনা করেছেন। সেভেন, এইটে পড়তে পড়তে আঁকা শুরু।একদম বালক ... ...
লাতিন আমেরিকান রূপকথার জন্ম এক বাঙালির হাতে। সে অনেক কাল আগের কথা। তখন বাঙালিরা তারকা হত, আর আর্জেন্তিনিয়ানরা হত ভক্ত। এরকম একজন বাঙালি তারকার নাম ছিল রবীন্দ্রনাথ, আর তাঁর এক বিখ্যাত আর্জেন্তিনিয় মরশুমী ভক্তের নাম ছিল ভিক্তোরিয়া ওকাম্পো। তিনি সকাল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত জয়ধ্বনি দিয়েও কিছুতেই রবীন্দ্রনাথের মন পাননা। একদিন রেগেমেগে কথাটা বলেই ফেললেন। তখন বুয়েনস আইরেস থেকে জাহাজে করে তাঁরা রিও এসেছেন। রিওর এক পার্কে সেদিন রবীন্দ্রনাথ আর এক বাঙালির সঙ্গে বসে, সামনে একটি শিশু খেলা করছে। শিশুটি একটি বল ছুঁড়ল, সোজা ওকাম্পোর গায়ে। যেন বলের উপরেই রাগ, ওকাম্পো দুম করে তাতে এক লাথি কষিয়ে, রবীন্দ্রনাথকে সোজাসুজি বললেন, "নাথ, এক ... ...