লকডাউনের জানলা মানে আমার জানলা। কোভিড ১৯ এর লকডাউনে বাড়িতে আটকে আছি, আজ দুমাস পেরিয়ে তিন মাসে পড়ল। বাইরে বেরোতে পারছি না বটে, কিন্তু অবাক হয়ে যাচ্ছি, যে আমার বাড়িতে জানলা অনেক বেড়ে গেছে, এতগুলো জানলা আগে কখনও ছিলনা।হাওড়ার ঘিঞ্জি গলিতে দোতলার ছোট ফ্ল্যাট। এক চিলতে বারান্দা, জানলার এক্সটেনশন। যে দিকে চাই, নজর আটকে বড় বড় বাড়ি। খুব কষ্ট করে ফালি আকাশ দেখা যায়। দুটো বাড়ির ফাঁক দিয়ে দেখি একটু রাস্তার আভাস। ঘরে রোদের মুখ দেখিনা তাই দিনেও বিদ্যুতের আলোয় কাজ চালিয়ে নিই। তিনটে ঘরে জানলা সাকুল্যে চারটি। এতদিন এসব নিয়ে মাথা ঘামাইনি, কারণ দরকার হয়নি। ... ...
হাজং উৎসব : প্যাঁক খেলা -- লিখেছেন বিপ্লব রহমানহাজংদের ‘প্যাঁক খেলার’ মতো কক্সবাজার-পটুয়াখালির রাখাইনদের রয়েছে আরেক ঐতিহ্যবাহী পানি-খেলা উৎসব-- সাংগ্রেং। পার্বত্য চট্টগ্রামের মারমারাও পানি খেলার আয়োজন করেন, তারা একে বলেন-- সাংগ্রেই পোয়ে। সেটি অবশ্য বর্ষ বিদায় ও বর্ষ বরণের ভিন্ন এক উৎসব। আর বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলে বসবাসকারী গারো বা মান্দি জাতিগোষ্ঠীর রয়েছে বীজ বপনের উৎসব ‘রঞ্চুগালা’ ও নবান্ন উৎসব ‘ওয়ানগালা’। আর চাকমাদের বর্ষ বরণ ও বর্ষ বিদায় উৎসবের নাম ‘বিঝু’। ত্রিপুরারা তাদের চৈত্র সংক্রান্তির উৎসবকে বলেন ‘বৈসুক’। সাঁওতাল আদিবাসীর রয়েছে নবান্ন উৎসব ‘সোহরাই বাহা’ ও বৃক্ষ বন্দনা ‘কারাম’ উৎসবের ঐতিহ্য। পুরোটা পড়ুন ... ...
স্কুলে আমাদের দুজন বড় গীতাদি ছিলেন। আবার দুজনেই আমার মায়ের শিক্ষয়িত্রী। একজন ছোটোবাড়ির মানে প্রাথমিক বিভাগের, আরএকজন বড়বাড়ির মানে মাধ্যমিক বিভাগের। ছোটোবাড়িতে দুই গীতাদি। সন্ন্যাসিনী প্রব্রাজিকা ত্যাগপ্রাণা - প্রাথমিকের অধ্যক্ষা - তিনি ছোটোবাড়ির বড় গীতাদি। আর যিনি অঙ্ক করান, তিনি হলেন ছোটো গীতাদি। বড় বাড়িতে উল্টো। ব্রহ্মচারিনী গীতাদি গম্ভীর হয়ে অঙ্ক করান তিনি ছোটো গীতাদি। বোর্ডে কিছু লেখার আগে একেবারে ওপরে তিনি কিছু চিহ্ন আঁকতেন বা হয়তো মন্ত্র লিখতেন, সেটা যে কী আমরা বুঝি নি। জিজ্ঞাসা করলেও তিনি বলেন নি। একবার আমরা যখন সিক্সে পড়ি আমাদের ক্লাসের শর্বরী হোস্টেলে ওনার খাটে উঠে নেচেছিল। আসলে শর্বরী তো ছোটো থেকে এই ইস্কুলে পড়ে নি। ... ...
আজ রামনবমী। নিবেদিতা ইস্কুলে তখন আমি প্রাইমারি বিভাগে মানে নিবেদিতা লেনের ছোটোবাড়িতে পড়ি। মনে হয় তখন একটু বড় হয়েছি, মানে এই ক্লাস টু হবে। রামনবমীর একটি স্মৃতি আজও মনের মণিকোঠায় অমলিন। বড়বাড়িতে মানে সেকেন্ডারি কবে যাব এমন একটা ইচ্ছে মনের মধ্যে বেশ জোরালো হয়েছে তখন। আমার বন্ধুরা বড়বাড়ির ভিতরটা কেমন তখন হয়তো সকলে জানতোনা। আমি ছোটো থেকে জানতাম। কারণ আমি ছিলাম কৃষ্ণকুমারীর মেয়ে। সেই ওয়ানে পড়া থেকেই মাঝে মাঝে বড়বাড়িতে আমার ডাক পড়ত। ইস্কুলে ভর্তি হওয়ার পরে কোনো শিক্ষিকা কৃষ্ণকুমারীর মেয়েকে এখনো দেখেননি একথা জানাজানি হলেই মনে হয় আমার ডাক পড়ে যেত। আমি বেণুমাসির পিছন পিছন বড়বাড়িতে স্টাফরুমে যেতাম। সেখানে ... ...
আমাদের ছোট্ট বেলায় খুব মজার ব্যাপার ছিল গরমের ছুটি। এখনকার সদা ব্যস্ত আর পরীক্ষা দিতে দিতে ক্লান্ত ছোট্ট পড়ুয়া রা বোধহয় এর মাধুর্য্য উপভোগ করতে পারবে না। ১৫০টা অঙ্ক, ৩০ পাতা বাংলা আর ৩০ পাতা ইংরেজী হাতের লেখা এই সব দিয়ে আমার মতো ফাঁকিবাজ ছেলেকে আটকানো যাবে? গরমের ছুটি শুরু হলেই আমি চলে যেতাম আমার গ্রামের বাড়িতে। গ্রামের বাড়ি আর মামার বাড়ি একই গ্রামে। হুগলী জেলার তারকেশ্বরর কাছে গোপীনগর বলে একটা গ্রাম। মামার বাড়ি তে আক্ষরিক অর্থেই অনেক মজা। বড়মামা, ছোট মামা, ছাড়াও ঝন্টু মামা, গুপী মামা, টোকন মামা আর সবার থেকে বড় হল দীপু মামা। মায়ের পিসতুতো ভাই রা। ... ...
হলোকস্টে লক্ষ লক্ষ প্রাণের নির্মূলে / নরপিশাচের আত্মহনন তিরিশে এপ্রিলে। / তবে কি যুদ্ধ শেষ! / নাকি ব্রহ্মাস্ত্রের পেশ?
একটা অসাধারণ উপন্যাস পড়লাম। প্রফুল্ল রায়ের লেখা "ক্রান্তিকাল"। পুলিশের তাড়া খেয়ে বেড়ানো বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজীব যে রাজবাড়িতে আশ্রয় নেয় সেটা এক সময় দেশীয় রাজ্য ছিল। প্রতাপপুর। আর বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজীব ভারতের উত্তর পূর্ব অঞ্চলের। আসাম ওই অঞ্চলের। বঞ্চনার প্রতিবাদ হিসাবে ভারত থেকে বেড়িয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র চায়। তার মাথার দাম ৫০ লক্ষ টাকা। এক হৃতগৌরব রাজবাড়িতে আশ্রয় নেওয়া এক বিচ্ছিন্নতাবাদীকে নিয়ে এই গল্প। প্রথম পাতা থেকে শেষ পাতা একবারে টানটান। ... ...
কানাকড়ি বলে দেগে এলেবেলে, / গোঁজামিলে তাকে দিলে কোণে ঠেলে, / আমি তো জানি, আমি থেকে যাবো, / তোমরাই যাবে চলে।।
ঠক ঠক ঠক। দরজায় লাঠি।কে আইজ্ঞা!"দরজা খোলো"।আরে হুজুর আপনে!"হুঁ, ডাক পড়েছে"।কার ডাক?"কাজির"।ক্যান কত্তা? আমি তো কিছু করি নাই!"সে আমি জানিনা। কাল ঠিক তিন পোহোরে কাজির কাছে হাজিরা। ভুল না হয়"--বলতে বলতে পেয়াদা চলে গেল।সারা রাত রহিমের ঘুম হলনা। সকালে মালিকের বাড়ি গিয়ে কাজেও মন লাগেনা। মালিক একবার দুম করে একটা কিল মেরে চলে গেল। এটাই নিয়ম। তবু আজকে মার কম। কেন, কে জানে!"রহিম মোল্লা হাজির?"জী হুজুর।"ঐ ঘরে যাও।"গম্ভীরমুখে কাজি সাহেব বসে। "কি নাম তোমার?আইজ্ঞা রহিম। কিন্তু আমি কিছু করি নাই হুজুর।"দাঁড়াও। ওদিকে তাকাও। চিনতে পারো"?বাপরে, মালিক! খাইসে।"তোমার মালিক তোমাকে খুব মারধর করে"?না হুজুর মানে।..."মালিকের পড়শীরা নালিশ করেছে। মিছে কথা বোলোনা। ... ...
যে-সব কথাবার্তাকে বইয়ের চেহারা দিতে পেরেছি, 'অপরাজিতা'ই তাদের মধ্যে আমার ঘনিষ্ঠতম। দেড় বছরেরও বেশি সময় অপেক্ষার শেষে বইটির সমালোচনা প্রকাশিত হলো। ভাগ করে নিলাম সবার সঙ্গে। চাইলে লেখাটিতে মতামত জানাতে পারেন। Silly পয়েন্ট এবং সমালোচক রোহন রায়কে কৃতজ্ঞতা জানাই।
সমুদ্রের দেশে, বহুদিন পর ...মুখোমুখি -- লিখেছেন শুভংকর ঘোষ রায় চৌধুরীধরে নাও, সমুদ্রতীরের কোনও শহরে আমার আর তোমার দেখা হয়ে গেল, বহুদিন পর, প্রথমবারের মতো। দু'জনেই অন্তরে বেশ অবাক, কিছুটা ক্ষুণ্ণই হলাম একে অন্যকে ভালো থাকতে দেখে, কারণ, আমরা তো ভাবিনি ভালো থাকবে অন্যজন আমাদের ছাড়া। ভালো তো কারুরই থাকার কথা নয়, ভেবেছিলাম, কারণ প্রত্যেকে কারুর সঙ্গে যেমন আছে, কাউকে ছেড়েও তো আছে? তাই মুখে শুধু বলি, "ভালো তো? কতদিন পর...!" পুরোটা পড়ুন ... ...
রাখাইনরা কেন দেশ ছেড়ে যান? -- লিখেছেন বিপ্লব রহমানশেষ বিকেলের আলোয় ডলি রাখাইনের ফর্সা কচিপানা মুখে লালচে আভা। কণ্ঠস্বর বাস্পরূদ্ধ, যেন অস্পষ্ট থেকে অস্পষ্ট হতে থাকে, আচ্ছা, বিপ্লব দা, আপনার তো ঢাকায় অনেক টাকার চাকরি! এ রকম একটা বাড়ি সস্তায় কিনতে পারেন? মানবিক লোকজন এসবের দখল নিলে রাখাইন মালিকটি দেশান্তরে গিয়েও অন্তত নিশ্চিন্ত যে, যাক, পূর্বপুরুষের ভিটেমাটির নিশানাটুকু তো টিকে থাকবে, সেটুকু তো আর একেবারে নিশ্চিহ্ন হচ্ছে না! … পুরোটা পড়ুন ... ...
বড় নদী বাঁধ ও বিপর্যয়।। নিম্নচাপের বৃষ্টি কমে গেলেও পাঞ্চেত- মাইথন এবং মুকুটমণিপুর জলাধার থেকে কয়েকদিন ধরেই গড়ে এক লক্ষ কিউসেক এর বেশি জল ছাড়া হচ্ছে। এই জলে দক্ষিণবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে। ঘাটাল, খানাকুল, আরামবাগ, উদয়নারায়নপুর ব্লকের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জলের তলায়। অতিবৃষ্টি ও বাঁধের জলে শিলাবতী- দামোদর- মুন্ডেশ্বরী- রূপনারায়ন নদীগুলোর জল দু'কূল উপচে ভাসিয়ে দিচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম। রাস্তাগুলো নদীর চেহারা নিয়েছে, সেখানে নৌকা চলছে। হাজার হাজার পরিবারের ঘরে এক তলা পর্যন্ত জল উঠে গেছে। মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন একতলার খোলা ছাদে, দোতলা, তিনতলা বা ত্রাণ শিবিরে। কত। হাজার মাটির বাড়ি ভেঙ্গে পড়েছে তার ইয়ত্তা নেই। এখনও পর্যন্ত এই বন্যায় ... ...
ছোট্ট পুটুস কখনো সখনো মায়ের সাথে বেড়াতে বেরোয় বিকেলে। ও যখন যায় তখন একটা পার্কের পাশ দিয়েই যায়। তাকিয়ে তাকিয়ে দেখে। অনেক.. অনেক দিন আগে ও খেলতে আসত এখানে। কি মজাই না হত। পার্কের পাশ দিয়ে গেলেই ওর সব মনে পড়ে যায়। দোলনা, ঢেঁকি, স্লিপ। মায়ের কাছে বায়না করে একটু নিয়ে যেতে। কিন্তু ওর তো বারণ। ... ...
এখন বর্ষার মরশুম। আর বর্ষার মরশুম মানেই কৃষকেরা জমিতে সারাক্ষণ। এখন আমন ধান রোয়ার সময়। প্রথমে ট্রাক্টরের সাহায্যে জমি চষা তারপর ধান রোয়া হবে। রোদ হোক বা বৃষ্টি, সমস্ত দূর্যোগ উপেক্ষা করে খালি পায়ে কৃষকেরা সারাদিন জমিতে কাজ করেন। আছে বিষধর সাপের ভয়। কয়েক বছর আগে এমন বর্ষাকে উপেক্ষা করে দিন-রাত ট্রাক্টরের সাহায্যে কৃষকেরা জমি চষার কাজ করতেন। তখন কোনো একটা জমির ওপরে বাঁশের মাচা করে তার ওপর তাঁবু খাটিয়ে রাতে পালা করে একজন ঘুমাতেন অন্যজন জমি চষতেন। তারও আগে দেখেছি দুটো বলদের সাহায্যে নাঙল দিয়ে জমি চাষ করতে। দুটো গরুর কাঁধে থাকত একটা কাঠের দণ্ড। দণ্ডের সঙ্গে মাঝে বাঁধা থাকত ... ...
..
কলমে ডঃ শারদা মণ্ডল, অধ্যাপিকা, বিভাগীয় প্রধান, ভূগোল বিভাগ, প্রভু জগদ্বন্ধু কলেজ প্রথম পর্বঃ হাতেনাতে প্রমাণ?কলেজে নেতাজী সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা চলছে। আমি এই সেন্টারের অ্যাসিস্ট্যান্ট কোঅর্ডিনেটর। তাই তদারকিতে থাকতে হবে। মূল কোঅর্ডিনেটর সুমনদা আজ আসবেনা। তাই আমার দায়িত্ব বেশি। আন্দুল বাজার স্টপেজে বাস থেকে নেমে গোলাপ বাগান দিয়ে হেঁটে আসছি। চোখে পড়ল কালার জেরক্সের দোকানটা খোলা আছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল অনার্স ক্লাসের জন্য কয়েকটা ম্যাপ জেরক্স করানোর ছিল। ঘড়িতে দেখলাম দেড়টা বাজে। এন এস ও ইউ এর পরীক্ষা শুরু হতে এখনও আধঘণ্টা বাকি। কাজটা সেরে নিই তাহলে। বাসুবাবু মানে বাসুদেব চ্যাটার্জি আছেন। পাঁচমিনিট পৌঁছতে যদি দেরীও হয় সামলে নেবেন। পদে তিনি ... ...
দুয়ারে দুয়ারে নর্দমার জল প্রকল্পের। আলোচনা যতোই করুক নিন্দুকেরা। মাস খানেক পর এই ইস্যুতে লোক আর ব্যঙ্গ করতে পারবে না। কারণ গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে যাবে। বরং চাপে পড়তে পারে কেন্দ্র সরকার। আসলে মহামারী অর্থনৈতিক অবস্থা নাজেহাল করে দিয়েছে। তেলের দাম থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম আকাশছোঁয়া, আর, আম আদমি পকেট গড়ের মাঠ। তাই বিক্ষোভ ঝড় উঠবেই। সেই ভয় ভুতের মতো তাড়া করে বেড়াচ্ছে পদ্মশিবিরকে। তাই জলজ ফুলের সাথে হাবুডুবু না খেয়ে নিরাপদ স্থলজ ফুলের সাথে বন্ধুত্ব করেছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। এমতবস্থায় কিছু বন্ধু স্বপ্ন দেখতে শুরু করলাম বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর। ... ...
সকালে বেসিনের সামনে দাঁড়িয়ে ব্রাশ করতে করতে খবর পেলাম মাথা নাকি বেচা হয়ে গেছে। মাথা বেচার টা একটু বুঝিয়ে বলি। আমাদের এখানে একদল সুরকার আছে, যারা আমাদের নতুন নতুন সুর শোনায়, তাদের সুরের ঘোরে আমরা স্বপ্ন দেখি। সেই স্বপ্নে আমরা অনেক কিছু দেখি। আমরা দেখি বিশাল একটেবিল, সেই টেবিলে বসে আমরা বিশাল এক ভোজ খাচ্ছি সবাই সমান ভাবে। কেউ আবার আকাশে উড়ার, কেউ কেউ আবার মৃতগাছে আবার ফুল ফোটাবার স্বপ্ন দেখে। অনেকে আরও অনেক কিছুই দেখে থাকতে পারে, সেটা অবশ্য আমার জানা নেই। তাদের সুরের উন্মত্ততায় আমরা সব ভুলে যাই, সব ভুলে নিজেদের মাথা তাদের কাছে জমা দেই। তারা মাথায় ... ...
আপনি নিশ্চয়ই দেখতে পাচ্ছেন,স্কুল-কলেজ বাদে অফিস কাছারি, সিনেমাহল, প্রেক্ষাগৃহ সবই একে একে খুলে যাচ্ছে। সন্তানকে স্কুল-কলেজে পাঠানো নিয়ে সমাজ দ্বিধা বিভক্ত হয়েছে। যাঁদের সামর্থ্য আছে, যাঁরা কিঞ্চিৎ সুবিধাজনক অবস্থানে বিরাজ করেন, তাঁরা অনলাইন শিক্ষাকেই এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন। যাঁদের সামর্থ্য নেই, নিষ্ফল আক্রোশে মাথা কুটে মরলেও শেষমেষ ধার করে হোক, জমি বিক্রি করে হোক, মোবাইলের বন্দোবস্ত করার পরেও, কেউ পাহাড়ের মাথায়, কেউ গাছের উপর চড়ে 'শিক্ষাব্যবস্থা' জারী রাখবার চেষ্টা করছেন। গত দু'দিন আগে বাঁকুড়ার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবী জানানোর জন্য কয়েকজন ছাত্রছাত্রীকে নন-বেলেবল ধারায় আটক করা হয়েছে। মিজোরাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরের অনলাইন সেমিস্টার পরীক্ষা দিতে লুংলে ও মায়ানমার সীমান্তের সিয়াহায় ছাত্রছাত্রীদের খাতা পেন ... ...