এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হাতে কুদর্শন জ্যোতিষ আংটি - পার্ট থ্রি

    Samik
    অন্যান্য | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ | ৪৫৬৮১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • siki | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৪৬506212
  • আমি আর না। :)
  • rimi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৫২506323
  • পাইকে,
    আমি আয়ুর্বেদ বিশ্বাস করি কোথায় বললাম? আমার মা যান। সেই সূত্রে যা অভিজ্ঞতা হয়েছে তা তো লিখেছি। তোমার কি বক্তব্য সেইটা বলো আগে।
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৫৭506434
  • সেকী ? আগের টইতে, ( মানে প্রথম টই) তো লিখেছিলে এটা অবশ্যই বিজ্ঞান !

    আর রেগে গেলে নাকি ? তুমি তুমি শুরু করলে কেন ? :)
  • aka | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:০৪506562
  • যাই করো, ডাক্তারিটা বিজ্ঞান কিনা জানিয়ে দিও নরশুর মধ্যে নইলে বড় বিপদ।
  • rimi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:০৪506545
  • আরে আগে যে তোকে তুই বলতাম এইটাই ভুলে গেছি, রাত হয়েছে, রাত জাগার অভ্যেস নেই তো!! :-)

    দেখ, আয়ুর্বেদ বিজ্ঞান কি বিজ্ঞান নয় এমন কোনো কথাই বলি নি আমি। কিন্তু কমন সেন্স দিয়ে ব্যাখ্যার অতীত এমন কিছু এখনো পর্যন্ত পাই নি। লেডাম পল ধনুষ্টংকারের জীবানু পায়ে বেঁধে রাখে জাতীয় কোনো ঘটনা প্রত্যক্ষ করি নি বা শুনি নি। এটুকুই।
    আর ড: ত্রিবেদীর ক্ষেত্রে, রুবাবুর থেকে যা শুনলাম, যিনি নিজের ওষুধের ফর্মূলা অন্য ওষুধকোম্পানীকে দিতে প্রস্তুত, তাঁর ওষুধে ব্যাখ্যার অতীত কিছু না থাকাই সম্ভব।
  • pinaki | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:১৭506573
  • কৈনসিডেন্সের যুক্তির সম্মস্যাটা হল তার এক্সট্রীমে গেলে দুটো শালিখ দেখলে দিন ভালো যায় থেকে শুরু করে সাত নম্বর জার্সি পড়লে রান আসবে, এমনকি বেরোনোর আগে হাঁচি হলে খারাপ কিছু ঘটবে - এসবকেই মান্যতা দিয়ে চলতে হবে।

    তাহলে কি এগুলোকেও বিজ্ঞান বলব?

    যদি না বলি কেন নয়? এগুলোও পার্ট অফ ট্র্যাডিশনাল উইজডম। বহু লোক নিশ্চই দীর্ঘদিন ধরে এই কৈনসিডেন্স লক্ষ্য করেছেন, তবেই না এগুলো ট্র্যাডিশনাল উইজডমের পার্ট হয়েছে। তাহলে জ্যোতিষ বিজ্ঞান হলে এরা কি দোষ করল? বা ধরুণ ডাইনি হত্যা?

    যদি বলেন এগুলো কুসংস্কার, কিন্তু জ্যোতিষ তা নয় - তাহলে প্রমাণ করুন কেন দুটো শালিখের কৈনসিডেন্সের চেয়ে জ্যোতিষের কৈনসিডেন্সকে বেশী গুরুত্ব দিতে হবে?

    আর যদি বলেন দুটো শালিখ বা হাঁচির উদাহরণ গুলো কুসম্‌স্‌কার নয়, তাহলে আর এই টই তে কথা বাড়াবো না। :-)

    (ডানদিকে বাংলা আসছে না :-()
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:১৮506584
  • ব্যাখ্যার অতীত কিছু না মানে তাকে বিজ্ঞান ধরতে পারি কি?

    জ্যোতিষ বিজ্ঞান কিনা এই প্রশ্ন যে পয়েন্টগুলো তুলে করছো, তার বেশিরভাগই আয়ুর্বেদের জন্য ভ্যালিড হতে পারে।
    আয়ুর্বেদে তো নাড়ি দেখে মৃত্যুর সময়ও বলে দেওয়া যেত শুনেছি। সেগুলো ব্যাখ্যা করতে পারো ? বায়ু, পিত্ত, কফ থেকে সব রোগ নির্ধারণ ?

    আর আয়ুর্বেদ বিজ্ঞান কিনা সেটা নিয়ে যদি বদারড না হও বলো, এদিকে মনে করো তাতে কাজ হয়, তার মানে দাঁড়াচ্ছে, বিজ্ঞান না হয়েও কাজ হওয়া সম্ভব ? :)
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:২২506595
  • ও হ্যাঁ, প্রশ্ন করার কারণ হল অনুরূপ। আয়ুর্বেদের কিছু গবেষণা খুব পরিচিত কিছু লোকজন করেন। ঐ বিভিন্ন ওষুধপত্রের, মানে যেগুলো আয়ুর্বেদ মতে বহুদিন ধরে ওষুধ হিসেবে চলে আসছে, সেগুলোর ফিজিওকেমিক্যাল ক্যারেক্টাইজেশন, তার সাথে বায়ো অ্যাক্টিভিটির কোরিলেশন ইত্যাদি। তো,এইধরণের কাজকম্ম তো এই সবে শুরু হয়েছে। এনিয়ে এদের যা কিছু পাবলিকেশন আছে, সবেতেই লেখা, এধরণের স্টাডির অভাব আছে।
    তোমার কিছু পোস্টে দেখেছি, এধরণের স্টাডি থাকলে তবে তাকে বিজ্ঞান বলে মানবে। তাই জিগালাম।
  • rimi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৪৪506102
  • এধরনের স্টাডি থাকলেই তাকে বিজ্ঞান বলে মানব এমন কথা বলি নি। বিজ্ঞান কি না সে প্রশ্ন থাক।

    বাজে তর্কই যদি করতে হয়, তাহলে তাই করি।

    ১। নাড়ি দেখে মৃত্যুর সময় বলে দেবার মধ্যে ব্যাখ্যার অতীত কি আছে? নাড়ি মানে হার্টবিট। মৃত্যুর আগে হৃৎপিন্ডের গতি ক্ষীণ হয়ে আসে।

    ২। বায়ু কফ পিত্ত থেকে সব রোগ নির্ধারণ হয় - এইটায় বিশ্বাস করি না।

    কিন্তু এই উদাহরণগুলো কেন দিচ্ছিস? গবেষণা কি এইগুলো নিয়ে হচ্ছে? বল্লি তো হচ্ছে ওষুধের ইনগ্রেডিয়েন্ট নিয়ে। হার্বাল জিনিষপত্তর অ্যালোপ্যাথিক ওষুধেও ব্যবহার করা হয়। ওষুধ নিয়ে গবেষণা করা মানেই কি লোকজন প্রমাণ করছেন যে বায়ু কফ পিত্ত থেকেই সব রোগ নির্ধারণ হয়? কিম্বা নাড়ি দেখে মৃত্যুর সময় বলা যায়?
  • rimi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৪৬506113
  • তবে হ্যাঁ, রা:বাবু কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর ধৈর্য্য রাখতে পারেন নি। রিদ্ধিকে বিলো দ্য বেল্ট হিট করে দিয়েছেন :-)))
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৫৪506124
  • আরোগ্য নিকেতন মনে করে দেখো। ছ মাস, এক বছর আগে বলে দিচ্ছেন :)

    এই রিসার্চটা হচ্ছে জানি বলে বল্লাম। অন্যগুলো হচ্ছে কিনা জানা নেই।

    কিন্তু বিজ্ঞান হলে তবেই মানবো কিনা, আর বিজ্ঞান কিনা, হলে কীসের ভিত্তিতে সেটা এখনো ক্লিয়ার হল না।
  • rimi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:০০506135
  • পাই শেষে সিনেমার উদাহরণ টানলি? হায় তোর উপরে আমার কত ভরোসা ছিল!! :-(

    সে তো সাই ফাই মুভিতেও কত কি দেখায় টেখায়! একখানায় দেখিয়েছিলো, বিরাট এক মানুষখেকো মাকড়সা!!!

    বিজ্ঞান হলেই মানবো টানবো এগুলো কি বল্লি ক্লিয়ার হল না। মানামানি কি নিয়ে?? আমার শুধু জ্যোতিষ সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন আছে ব্যস। সেগুলোর উত্তর পেলেই হল। সেই উত্তর না দিয়ে কেবল ডাক্তারি নিয়ে টানাটানি - এইটা একটু সন্দেহজনক কিন্তু!!!
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:০৬506146
  • এখানে পিটিদাই লিখেছিলেন, প্রচুর আয়ুর্বেদিক ওষুধ নিয়ে ওঁরা কাজ করে দেখেছেন, কোন বায়ো অ্যাক্টিভিটি পান নি। তাহলে কী ধরতে হবে ?

    দ্যাখো, জ্যোতিশ নিয়ে আমারো প্রশ্ন আছে।এখনো অব্দি নেটে যা কিছু দেখেছি ভুলভাল মনে হয়েছে, তাই নিয়ে বিস্তর খিল্লিও করেছি। প্রথম টইতেই করেছি।

    কিন্তু তোমাদের এখনকার অনেক পোস্টের বিজ্ঞান নিয়ে নানা যুক্তিতে আটকে যাচ্ছি। মানে সেগুলোকে এক্সট্রাপোলেট করতে গেলে এই প্রশ্নগুলোও চলে আসছে যে :)
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:০৯506157
  • না:, নিশি বা কাউকে জিগিয়ে দ্যাখো, যাদের বাড়িতে আয়ুর্বেদ নিয়ে চর্চা আছে। এগুলো করা হয় তো। ওটা তারাশঙ্করের উপন্যাস ছিল। একধরণের ডকুমেন্টেশন তো বটেই। এধরণের কবিরাজ তো ছিলেন।
  • GHANADA | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:১১506168
  • @ রিমি
    আমি কাউকে বিলো দ্য বেল্ট হিট কোরি নি। আর, মারাবার কথা বললে তো বিলো দ্য বেল্টই হয়।
    এই টইতে সূর্য্য নিয়ে পরের পোষ্টে পোষ্টানোর জন্য লিখছি।
  • romi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:১৩506179
  • আরে সেইটা পিটিদাকে জিজ্ঞেস কর কেন উনি পান নি? কিম্বা এখন যাঁরা পাচ্ছেন তাঁদের ডেটা নিয়ে পিটিদারে ক্রস কর? আমাকে কেন?

    কিন্তু বিজ্ঞানের যুক্তিতে আটকে যাচ্ছিস বলে সিনেমার উদাহরণ দিবি, এইটা কোনো কথা হল???? :-))

    ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ডাক্তারি ইত্যাদিতে এমন কাঁড়ি কাঁড়ি জিনিষপত্তর আছে, যেগুলোতে একসময়ে কাজ করেও কিছু পাওয়া যায় নি, কিন্তু পরবর্তী এক্সপরিমেন্টে পাওয়া গেছে। সেই ছাগল আর রবীন্দ্রনাথের যুক্তি!!!! এর থেকে নাই কি কোনো মুক্তি?
  • rimi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:২৩506190
  • দেখ পাই, আমার আয়ুর্বেদের অভিজ্ঞতা শুধু কোট্টাকলের। সেইখানে নাড়ির গতি ধরে ৬ মাস আগে মৃত্যুর সময় বলে দেওয়া জাতীয় ব্যপার স্যপার দেখি নি। এমনকি বায়ু কফ থেকে রি: আ: হয়েছে এমন কথাও কেউ বলে নি। সবরকমের প্যাথোলজিকাল টেস্ট করিয়ে তবে ওষুধ দেওয়া হয়ে থাকে, বলেছি তো আগে। আর ওষুধের সব ইনগ্রেডিয়েন্ট বোতলের গায়ে লেখা থাকে।'

    এবার প্রাচীনকালে কি হত তাই নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই। প্রাচীনকালে তো অ্যানাস্থেশিয়া ব্যবহার না করেই অপারেশন হত অ্যালোপ্যাথিতে। তো??

    যাঁরা আয়ুর্বেদিক ওষুধ নিয়ে গবেষণা করছেন তাঁদের বরং জিজ্ঞেস কর যে এই গুলো সত্যিই হতে পারে কি না, হলে কেন হতে পারে ইত্যাদি।

    আর যদি কেউ "বায়ু কফ পিত্ত থেকে সকল রোগ নির্ণয়" বিষয়ে গবেষণা করছেন বলে জানিস, তাহলে সেইটা বরম এখানে জানিয়ে যাস।
  • dukhe | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:২৪506201
  • আমার গিন্নির গণনা বলছে - এই টই তৃপবুভূকেও ছাড়িয়ে যাবে। কাল অবধি আমার সন্দেহ ছিল, কিন্তু আজ এসে যা দেখছি, মনে হচ্ছে উহাই বিজ্ঞান। বড়জোর ভদ্রতার খাতিরে ৯৫% কনফিডেন্স ইন্টারভ্যাল ছিটিয়ে শোধন করে নেওয়া যেতে পারে।
    অনেক পিছিয়ে পড়েছি। ঘনাদা লিখছেন তো ?
  • GHANADA | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:৩১506213
  • আমি আগের টইতে যেটা লিখেছি, সেটা এখানে হুবাহু তুলে দিলাম।
    আর হ্যাঁ, দুখে- ভাই, আমি লিখছি।
    কান্তিদা,
    আপনি আমার বয়োজ্যেষ্ঠ। এঁদের সন্মান দিতে আমাদের সংস্কৃতি শিখিয়েছে। তাই আমার প্রণাম জানিয়েছি।
    বাকীদের জন্য,
    আমি লিখছি, এর মধ্যে যে যার মত করে বলুক। আমার কোনো আপত্তি নেই।
    ডকুমেন্টশনের কথা বলা হয়েছে দেখলাম। হ্যাঁ! ডকুমেন্টশন আছে। পাঞ্জাবের হোশিয়ারপুরে ভৃগুর ( এই ভৃগু একটি ছদ্মনাম, এরা আসলে ঐ ঘটকর্পর, শঙ্কুর বংশধর) বংশের লোকেরা আছে। বহরমপুর, মুর্শিদাবাদেও আছে। এনাদের কাছে ৩২৬ রকম ছক আছে। পৃথিবীর কোনো ব্যক্তি এর বাইরে নেই। সেই ছকগুলো থেকেই গবেষণা এখনও চলেছে। মুশকিল হলো, এঁদের কোনো খবরই মুষ্টিমেয় কিছু লোক ছাড়া আর কেউ রাখেন না। তথাকথিত জ্যোতিষীরাও রাখেন না। সাধারণ লোকেদের কথা বাদই দিলাম।
    পরের পোষ্টে আমি সূর্য্য নিয়ে লিখবো। এর মধ্যে আপনারা যার যার খুশি মত বলুন। আমার কিছু মারলেও আপত্তি নেই। আজকাল তো কত লোকই বাপের মারছে। তাতে কার কি এসে যায়? সংস্কৃতির অবক্ষয় ছাড়া!!!!!!!
    ঋদ্ধি কথাটা সংস্কৃত। ব্যকরণ অনুযায়ী এটা স্ত্রী লিঙ্গ। বুৎপত্তি- ঋধ-ধে-ক্তি। এই শব্দটার অনেক অর্থ আছে। একটা অর্থই শুধু বললাম- ভাঙ। মান ( ক্লীব লিঙ্গ) = অহঙ্কার।( অন্যান্য অর্থও আছে)। ভাঙ খেয়ে একটু অহংকার হয় বইকি।
    এরা সরবে নিজেদের কাজ করে চলুন।
    ডিসক্লেমার : - এটা কারও প্রতি ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়

    কান্তিদা,আপনি আমার বয়োজ্যেষ্ঠ। এঁদের সন্মান দিতে আমাদের সংস্কৃতি শিখিয়েছে। তাই আমার প্রণাম জানিয়েছি।অবাকীদের জন্য,আমি লিখছি, এর মধ্যে যে যার মত করে বলুক। আমার কোনো আপত্তি নেই।
    ডকুমেন্টশনের কথা বলা হয়েছে দেখলাম। হ্যাঁ! ডকুমেন্টশন আছে। পাঞ্জাবের হোশিয়ারপুরে ভৃগুর ( এই ভৃগু একটি ছদ্মনাম, এরা আসলে ঐ ঘটকর্পর, শঙ্কুর বংশধর) বংশের লোকেরা আছে। বহরমপুর, মুর্শিদাবাদেও আছে। এনাদের কাছে ৩২৬ রকম ছক আছে। পৃথিবীর কোনো ব্যক্তি এর বাইরে নেই। সেই ছকগুলো থেকেই গবেষণা এখনও চলেছে। মুশকিল হলো, এঁদের কোনো খবরই মুষ্টিমেয় কিছু লোক ছাড়া আর কেউ রাখেন না। তথাকথিত জ্যোতিষীরাও রাখেন না। সাধারণ লোকেদের কথা বাদই দিলাম।
    পরের পোষ্টে আমি সূর্য্য নিয়ে লিখবো। এর মধ্যে আপনারা যার যার খুশি মত বলুন। আমার কিছু মারলেও আপত্তি নেই। আজকাল তো কত লোকই বাপের মারছে। তাতে কার কি এসে যায়? সংস্কৃতির অবক্ষয় ছাড়া!!!!!!!
    ঋদ্ধি কথাটা সংস্কৃত। ব্যকরণ অনুযায়ী এটা স্ত্রী লিঙ্গ। বুৎপত্তি- ঋধ-ধে-ক্তি। এই শব্দটার অনেক অর্থ আছে। একটা অর্থই শুধু বললাম- ভাঙ। মান ( ক্লীব লিঙ্গ) = অহঙ্কার।( অন্যান্য অর্থও আছে)। ভাঙ খেয়ে একটু অহংকার হয় বইকি।
    এরা সরবে নিজেদের কাজ করে চলুন।
    ডিসক্লেমার : - এটা কারও প্রতি ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়
  • siki | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:৩৩506224
  • ও: ঘনাদা। দাঁড়ির পরে একটা স্পেস ছাড়ুন। নইলে এক্সট্রা "অ' পড়ে যাবে। সেদিন বল্লাম না? :-)
  • GHANADA | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:০৪506235
  • আমি, বারবার বলেছি, আবার বলছি- এই লেখার মধ্যে আমি কোথাও বলিনি, এই শাস্ত্র বিশ্বাস করুন। আমি, প্রাচীন ভারতের একটি শাস্ত্র নিয়ে আলোচনা করছি মাত্র। তাতে কি কিছু ক্ষতিবৃদ্ধি হবে? ক্ষতি যেটা হচ্ছে, সেটা হলো- কেউ কেউ,নিজেকে ডিফেণ্ড করতে গিয়ে অহেতুক একটা অস্থিরতার বাতাবরণ তৈরী করছেন, যেটা মোটেই কাম্য নয়। সাহেবরা সব জানে আর আমাদের প্রাচীন লোকেরা বোকা..... ছিলেন, এই ধারণার ভিত্তি কি? সাহেবরা নিজেদের গৌরবান্বিত কোরতে গিয়ে আমাদের বারবার হেয় করেছেন, সেটা ইতিহাস পড়লেই জানা যায়।
    কি জানি? বলতে পারবো না, কেউ সেভাবে প্রাচীন ভারতের ইতিহাস পড়েছেন কিনা! এখানে আয়াতো শিক্ষিত ব্যক্তি আছেন, তাদের আচার আচরণ এরকম কেন? তারা তো স্ব স্ব ক্ষেত্রে সুনামের অধিকারী। ( অবশ্য, তাঁদের কর্মক্ষেত্রে উপর-ওয়ালার প্রতি তাঁদের আচরণ কি রকম আমার জানা নেই!!!!!)
    যাক, সে সব কথা! আসল বিষয়ে আসি।

    আমরা জানি, আমাদের যাবতীয় শক্তির কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে- সূর্য্য। এটি একটি সাধারণ তারা বা নক্ষত্র। আমরা যে সব গ্রহ- উপগ্রহের কথা বলি, সেইগুলো সূর্য্য থেকে তাপ এবং আলো পায়। সূর্য্যের আকর্ষণে, কেবল পৃথিবী নয়, অন্যান্য গ্রহ- উপগ্রহ গুলো সূর্য্যকে কেন্দ্র করে ঘুরপাক খাচ্ছে। এর একটা নিয়ম- শৃঙ্খলা আছে। সেই নিয়ম- শৃঙ্খলা গুলো আবিস্কৃত হয়েছে, বহু প্রাচীন যুগে।
    জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে সেইজন্য সূর্য্যকে দেশনায়ক, রাষ্ট্রপতি, রাজা বা সম্রাট- এরকম নানা উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।
    জ্যোতির্বিজ্ঞান আকাশে গ্রহনক্ষত্রের নিয়ম প্রভৃতি নিয়ে কথা বললেও, মানুষের ওপর সূর্য্যের প্রভাবকে স্বীকার করে না।
    এবার আধুনিক বিজ্ঞানে দেখা যাচ্ছে, যখন সূর্য্যে কলঙ্ক বা বিষ্ফোরণ ঘটছে, তখন প্রকৃতির আবহওয়ার তারতম্য বা বেতার তরঙ্গের গোলমালও দেখা যাচ্ছে।
    আবার এ কথাও বলছেন:- সূর্য্য যেমন মহাকাশে সমস্ত গতিবিধির নিয়ামক ( আমাদের সৌরমণ্ডলে), তেমনই প্রাকৃতিক গতিবিধিরও প্রধান নিয়ামক।
    বেশ, মেনে নিলাম এই কথা। এবার আমার বিনীত প্রশ্ন:-
    তবে, মানুষ কি প্রকৃতি থেকে পৃথক? প্রকৃতির বিবর্তনে কি মানুষ তথা তাদের জীবনের গতিবিধির বা চলাফেরার, আচার আচরণ, আহার-বিহার, শষ্য উৎপাদন, শিল্পে কি কোনো বিবর্তন ঘটে না?
    প্রকৃতি কি, মানুষ বা তার সভ্যতা ছাড়াই এই পৃথিবীতে বর্তমান?
    জ্যোতিষের মধ্যে সত্য প্রকাশ করতে হলে, দৃশ্য সূর্য্য কে নাভিবিন্দু ( এপিসেন্টার বোঝাতে, কারণ আবর্তনের কক্ষপথ ডিম্বাকৃতি বা ওভাল, আর এদের নাভি হয়, কেন্দ্র হয় না।) করে প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য করে আগাম ফলাফল বা অতীত বলতে হবে।
    ( চলবে)
  • GHANADA | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:১২506246
  • @ সিকি
    হ্যাঁ! বলেছিলে। তবে সব সময় মনে থাকছে না! বইমেলা আসছে। তাই বেশ কয়েকটা লেখার অনুরোধ এসেছে। মূলত: রম্যরচনার। কিন্তু, তোমার তৈরী এই টইটা আমার সব কাজকর্ম সিকেয় তুলে দিয়েছে।
    সেখান থেকেও ভদ্রভাবে বিষ্ফোরণ হচ্ছে আমার দূরভাষে।
    কি যে করি!!!!!!!! ( কান্না)
  • siki | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:১৪506257
  • দূরভাষে? টু মাচ। এটা জাস্ট মেনে নেওয়া যায় না।

    কাঁদেন না, ছোলাভাজা দিমু 'নে, রম্যরচনা লিখুন, আমি আপনার রম্যরচনার বেশ পাখা হয়ে গেছি।
  • PM | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:১৫506268
  • মানে!!!! টই -এর লোক লোকে কি আপনাকে ফোনে-এ গাল পারছে নাকি?
  • dd | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:১৮506279
  • সে কি কথা ঘনাদা ?

    ভৃগু র ৩২৬ (কোনো কোনো মতে প্রায় বারোশো)ছকের কথা জানেনা অথচ হিন্দু জ্যোতিষে একটু ও ইন্টেরেস্ট আছে - এ রকম লোক হয় না কি ? আপনি যে কইলেন - মুষ্টিমেয় লোক জানে,.... জ্যোতিষীরাও জানে না - এইটা ক্যামন পছন্দ হোলো না। এমন কি আম্মো জানি।

    যে সব অল্প কয়জন আছেন যারা এই স্কুলের কথা শোনেন নি তাঁদের বলি, গল্পোটা হচ্ছে এই, ভৃগু ঋষি পৃথিবীর সকলের জন্য ছক করে গেছেন। এর বাইরে আর কিছু নেই। কিন্তু অর্জিনালের সামান্য ছকই কিছু লোকের কাছে এখনো টিঁকে আছে, সেই ছক গুলির সাথে আপনার ছক মিলে গেলে আপনার নাম ঠিকানা সবই বলে দেবে। ১০০% সঠিক।

    এই হচ্ছে গুল্পো! কাশীতে অমন বেশ কয়েকজন ভৃগু জ্যোতিষী আছে। অনত্রও থাকতে পারেন।

    যদি বলেন তো এ সব নিয়ে নিশ্চয়ই খুব ডকুমেন্টেড রিরার্চ হয়েছে, নেটেও হয়তো পেতে পারি? কোন কোন ইউনি তে এই নিয়ে পেপার লেখা হয়েছে? কোন পুঁথিতে লেখা আছে এই সব ছকের কথা? প্রকাশ্য করলেই বা ক্ষতি কি? হাজার বছর ধরে সযত্নে রক্ষিত এই সব ভুর্জপত্র ঠিক ঠাক প্রিসার্ভড হচ্ছে তো? কোন মিউসিআমে/লাইব্রেরীতে অন্তত: কপির ও হদীশ পাবো?

    এর উত্তরে হ্যা হ্যা করে হাসা ছাড়া উপায় কি? ফাগোল। গুল্পের বাইরে এই ভৃগু জ্যোতিষের আর কোনো ঠাঁই নেই।
  • GHANADA | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:৩০506290
  • @P.M
    না! না! টইয়ের লোক আমার দূরভাষের অস্তিঙ্কÄ জানে না। তবে, একজন জানে, সেটা হলো pi। সে আমাকে সুদূর আমেরিকা থেকে এখানে লিখতে উৎসাহ না দিলে, এই লেখা লিখতাম না।
    বেগার খাটার কোনো মানে নেই! তবুও, লিখছি। কারণ, লেখাটা থাকুক।
    @dd
    আপনি বেশ জ্ঞানী ব্যক্তি, এটা আগেই বুঝেছি। যদিও বোঝার ব্যাপারে আমার দেরী হয়। আমার মস্তিস্কে সবই FATFile
    হাসুন। হাসা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো!!!!!
  • GHANADA | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:৪৭506301
  • @ সিকি
    দূরভাষে? টু মাচ। এটা জাস্ট মেনে নেওয়া যায় না।
    এই বাক্যটার অর্থ কি? ( অবাক স্মাইলি)
  • GHANADA | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:২১506312
  • @dd
    আপনি যখন জানেন, তখন এটাও জানেন যে ভারতে সবই গুরুমুখী বিদ্যা। এই বিদ্যা তাই এখনও গোপোন।
    কাশীর ভৃগুর বংশের লোকেরা সবই জালি। এটা অবশ্য আমার নিজের অভিজ্ঞতা।
    একটা গোপোন বিদ্যার কথা বলি। ফাগোল বলে ওড়ালেও ওড়াতে পারেন। তবে, যেহেতু এটা আমি নিজের চোখে দেখেছি, তাই লিখছি।
    কোচবিহারে আমার শ্বশুর বাড়ী।
    আমি ১৯৭৪ সালে বিয়ে করি। জুলাই মাসে।
    সেই বছর শীতের সময় ছুটি নিয়ে ঐতিহ্যময় কোচবিহার শহরকে দেখা ও বোঝার জন্য কোচবিহার যাই।
    বাণেশ্বর বলে একটা জায়গা আছে। সেখান থেকে, ১০ কি মি দূরে একটা গ্রামের ভেতর সাইকেল চালিয়ে যাই, কিছু ঐতিহ্যময় ঢিপি দেখার জন্য। সাথে আরও দুজন ছিলেন। দুজনেই কোচবিহারের বাসিন্দা।
    ঐ গ্রামে পৌঁছতে, রাত নেমে আসে। গ্রামের মুখিয়া আমাদের অনুরোধ করেন রাতে, তার বাড়ীতে থেকে যাওয়ার জন্য।
    ওনাদের ইচ্ছে হলো আমাদের কচি পাঁঠার মাংস খাওয়াবেন। কিন্তু, মাংস পাওয়া যাবে, সেই বাণেশ্বরে! আলপথ ধরে যাওয়া- আসা বেশ কষ্টকর। সেই সময়, মুখিয়ার ৮০ বছরের অশক্ত বাবা তার ঘর থেকে বেরিয়ে এসে তার ছেলেকে বলেন টাকা দিতে। আমরাও ওনাকে একটা চিরকুট দেই, অন্যান্য মালপত্র আনতে। মানে, তেল, মশলা, পেয়াঁজ, রসুন, আদা ইত্যাদি। মুখিয়ার বউ তার আগে বলেছিল, ঐ সব জিনিস কম আছে।
    টাকাটা দিলে, তিনি ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। ৪৫ মিনিট পর তিনি দরজা খুলে, ঐ জিনিসপত্র সহ মাংস দেন।
    আমার বেশ সন্দেহ হয়। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলেছিলাম, আপনার ঘরেই ঐ জিনিসপত্র ছিল। আপনি খামাকা এই নাটক করলেন।
    যাঁরা আমার সঙ্গে গিয়েছিলেন, তারা আমায় এই সব চ্যালেঞ্জ করতে বারণ করেছিলেন।
    বৃদ্ধ বলেছিলেন ( কোচবিহারের রাজবংশী ভাষায়)- বেশ, আপনার চিরকুটটা অমুক দোকানে রেখে এসেছি। কাল সকালে ঐখান থেকে দেখে নেবেন।
    পরের দিন- আমার প্রথম কাজ ছিল, ঐ দোকানে আগে যাওয়া। দোকানদারকে বলতেই আমার নিজের হাতে লেখা চিরকুটটি বের করে দেখান।
    আমি অবাক হয়ে যাই। কারণ, ঐ অশক্ত বৃদ্ধের পক্ষে হাঁটা তো দূরের কথা, বসাও কষ্টকর ছিল ঐ সময়।
    কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাই নি। পরে জেনেছিলাম, ঐ বিদ্যা অত্যন্ত গুপ্ত বিদ্যা। পরে ঐ মুখিয়া শহরে এসে আমার শ্বশুরবাড়ীতে এলে আমি বলি, আপনি কি ঐ বিদ্যা জানেন?
    উত্তর এসেছিল- না! বাবা দ্যান নি। বলেছেন- ঐ বিদ্যা আমার হাতে এলে অপপ্রয়োগ হবে।
    আমি তখনও বিশ্বাস করি নি, এখনও বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়।
    কিন্তু, ঘটনাটা ১০০% সঠিক।
    এবারে, এটা গাঁজাখুরি বলে উড়িয়ে দিন, আমার আপত্তি নেই।
    ভেবে নিন, আমার মাথা সত্যিই খারাপ।
  • siki | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:২৭506324
  • মানে, পিএমের মত আমিও মনে করেছি যে কেউ আপনাকে দুরভাষে দুর্ভাষা বলছে। সেরকম হয়ে থাকলে সেটা কোনওমতেই মেনে নেওয়া যায় না। সেটুকুই বললাম।

    সেটা না হলে, বাদ দিন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন