এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির আন্দোলনের ইতিবৃত্ত

    htar91
    অন্যান্য | ২৪ আগস্ট ২০১৫ | ৩২৮৪০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • htar91 | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০০:০৭685243
  • ২১শে আগস্ট থেকে প্রেসিডেন্সিতে যে স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়েছে তা নিয়ে বৃহত্তর অংশের মিডিয়া ও প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক প্রচার চালাচ্ছে। এই আন্দোলন কেন শুরু হয়েছে, এবং তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কি তা পরিষ্কার করার জন্যই এই খোলা চিঠির অবতারণা।
    এই বিক্ষোভ কে বুঝতে হলে পিছিয়ে যেতে হবে দু’বছর আগের ২০১৩ সালের ১০ই এপ্রিল দিনটিতে, যেদিন তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী। বিনা প্ররোচনায় প্রেসিডেন্সিতে বর্বরোচিত হামলা চালায়, ঐতিহ্যবাহী বেকার ল্যাবে ভাঙচুর চালায়। ছাত্রছাত্রীদের মারধোর এবং শ্লীলতাহানি করা হয় এবং শিক্ষিকা দের ধর্ষণ এর হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে তৎকালীন উপাচার্য, রেজিস্ট্রার থেকে শুরু করে আপামর ছাত্রছাত্রী ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলে। সরকারি ভাবে এই হামলা কে অস্বীকার করা হয়, ছাত্র এবং অশিক্ষক কর্মচারীদের মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। এবং সরকারি মন্ত্রী অশ্লীল ভাবে প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানান যে তার উপাচার্যের ইতিহাস-ভূগোল জানা আছে। মানবাধিকার কমিশন নিযুক্ত অমল মুখোপাধ্যায় এর কমিটির রিপোর্ট সুস্পষ্ট ভাবে তৃণমূলী হামলার উল্লেখ থাকলেও তা নিয়ে প্রশাসন আইনি পথে একচুলও অগ্রসর হয় না। সেদিনকার দুষ্কৃতিরা আজও মুক্ত, কেউ কেউ তৃনমূল ছাত্র পরিষদের পদাধিকারীও বটে।
    সুতরাং, প্রেসিডেন্সির এই আক্রান্ত হবার ঘটনা, যার বিচার এখনও হয়নি, তাতে ছাত্রছাত্রী স্বভাবতই আজও বিক্ষুব্ধ। তাই ২১ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন প্রেসিডেন্সিতে আসেন তখন ছাত্রছাত্রীরা স্বতস্ফুর্ত ভাবে রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায় যা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। এর পাশাপাশি যোগ করুন দুর্নীতিগ্রস্ত অপদার্থ প্রশাসক অনুরাধা লোহিয়া এর বিগত এক বছর এর কার্যকলাপ। তিনি প্রেসিডেন্সিতে এল্ক সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছেন। ছাত্রদেরকে কখনও ক্লাসের ভয় দেখিয়ে, কখনও ফেল করিয়ে দেবার হুমকিতে আটকে রেখেছেন স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলন থেকে। তার আমলে বদলি হয়ে গেছেন একের পর এক শিক্ষক, স্পষ্টতই দেখা গেছে যে যে শিক্ষক তার মেগালোম্যানিয়াক আচরণের বিরুদ্ধে সামান্যতম আওয়াজ তুলেছেন, তাদের কেই বদলি হয়ে জেতে হয়েছে। শিক্ষকদের প্রতি তার এই জঘন্য আচরণের ট্র্যাডিশন শুরু হয়েছিল তৎকালীন রেজিস্ট্রার প্রবীর দাশগুপ্ত কে সরানোর মধ্যে দিয়ে এবং তার সর্বশেষ নিদর্শন হল ডঃ দেবশ্রুতি রায়চৌধুরি এবং সব্যসাচী ভট্টাচার্য এর পদত্যাগ। অনুরাধা লোহিয়ার আচরণ এর আরেক জ্বলন্ত উদাহরণ হল প্রবেশিকা পরীক্ষা সংক্রান্ত জটিলতা। একদম ব্যক্তিগত ইচ্ছেয় প্রবেশিকা পরীক্ষা তুলে দেওয়ার জন্য কখনও তিনি গভর্নিং বডিতে মিথ্যাভাষণ করেছেন, কখনও শিক্ষকদের সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন তারা যেন এ বিষয়ে মুখ না খোলেন। ছাত্রদের টানা আন্দোলনের চাপে তিনি বাধ্য হন প্রবেশিকা পরীক্ষা নিতে। কিন্তু গোটা রাজ্যের মানুষ দেখেছেন এবারে প্রেসিডেন্সির প্রবেশিকা পরীক্ষার চূড়ান্ত অব্যবস্থা ও বিশৃঙ্খলার প্রমাণ। এই দুই শতাব্দীর প্রাচীন প্রতিষ্ঠানকে অনুরাধা লোহিয়া তার ক্ষমতা ব্যবহার করে তিলে তিলে শেষ করে দিচ্ছেন। এককালের ভারতবর্ষের শ্রেষ্ঠ আন্ডার-গ্র্যাজুয়েট কলেজ প্রেসিডেন্সিকে আজ যে অবস্থায় এনে দাঁড় করানো হয়েছে তার সম্পূর্ণ দায় এই রাজ্য সরকার এবং তার পদলেহনকারী উপাচার্যা কে নিতে হবে।
    তাই ক্ষোভ ছিলই। গত ২১ তারিখ যা হয়েছে তা অগ্ন্যুৎপাত। মুখ্যমন্ত্রী আসবেন এটা যখন দিন কয়েক আগে ছত্র ইউনিয়ন জানতে পারে তখন তারা সিদ্ধান্ত নেয় মুখ্যমন্ত্রীকে এই বিষয়গুলি নিয়ে একটি ডেপুটেশান দেওয়া হবে। কিন্তু এই ডেপুটেশন গণরোষে বদলে গেল শ্রীমতী লোহিয়ার আর একটি অগণতান্ত্রিক আচরণের কারণে। তিনি বিভাগে বিভাগে নোটিশ পাঠিয়ে প্রথম বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ শোনা বাধ্যতামূলক করে দিলেন। স্বভাবতই যে প্রেসিডেন্সি কোনোদিন কারো কাছে মাথা নোয়াতে শেখেনি, তারা এই অগণতান্ত্রিক আচরণকে মেনে নেয়নি। তাই স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ছাত্রছাত্রীরা মুখ্যমন্ত্রীর সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। কিন্তু এরপর যে নৃশংস কায়দায় পুলিশ এবং তৃনমূলের গুণ্ডারা ছাত্রদের মেরে সরিয়ে দেয় তা ন্যাক্কারজনক এবং ছাত্র ইউনিয়ন দ্ব্যার্থহীন ভাষায় এই ফ্যাসিস্ট আক্রমণের নিন্দা করছে। ছাত্রছাত্রীরা এরপর উপাচার্যকে ঘেরাও করলে তা কখনই অপরাধ হতে পারে না কারণ এই উপাচার্য ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। যেভাবে প্রেসিডেন্সিকে তৃনমূলের দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করবার চেষ্টা মমতার লন্ডন সফরসঙ্গী অনুরাধা লোহিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন তা এই দ্বিশতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যময় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক।
    কিছু মুষ্টিমেয় ছাত্রকে দেখিয়ে কিছু মানুষ প্রমাণ করবার চেষ্টা করছেন যে প্রেসিডেন্সির ছাত্রছাত্রীরা উপাচার্যের পাশে আছেন। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এটা খুব স্পষ্ট বাইরে তৃণমূল ছাত্রপরিষদ যা বলছে ভিতরে এরা ঠিক তাই বলছে। ১০ই এপ্রিলের পরে তৃণমূলের ছাত্রপরিষদের পক্ষে প্রেসিডেন্সিতে কাজ করা সম্ভব নয় বলে এরা নাম ভাঁড়িয়ে কিংবা নিজেদের ব্যক্তিবর্গ বলে অভিহিত করে উপাচার্য এবং রাজ্যসরকারের দুর্নীতিকে সমর্থন করছে। আমরা দুঃখিত যে এই কয়েকজন ছাত্রের জন্য প্রেসিডেন্সির সম্মান ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে।
    আমরা প্রেসিডেন্সির সমস্ত ছাত্রছাত্রীকে, শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মচারীদের, প্রেসিডেন্সির প্রাক্তনীদের এবং সর্বোপরি রাজ্যের শুভবুদ্ধি সম্পন্ন ছাত্রছাত্রী ও জনগণের কাছে আবেদন করছি- আসুন, এই প্রতিষ্ঠানটিকে বাঁচানোর আন্দোলনকে সুদৃঢ় করে তুলি।"
  • lcm | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০০:২১685354
  • যাক, একজন গুছিয়ে লিখেছে ব্যাপারটা।

    কিন্তু এটা তো বড় প্রবলেম। এটা বোধহয় শুধু প্রেসিডেন্সির ব্যাপার নয়। পলিটিসাইজিং এডুকেশন্যাল ইন্‌স্টিটিউট, ইউজিং দেম ফর ডিরেক্ট পলিটিক্যাল অ্যাড্‌ভান্‌টেজ - এটার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো উচিত। তার মানে এই নয়, ছাত্র সংগঠন বা ছাত্র রাজনীতি থাকবে না, বা, ইনভাইটেড মন্ত্রী বা কোনো গর্ভর্নমেন্ট অফিস বিয়ারার কোনো অনুষ্ঠানে আসতে পারবে না।
  • sm | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০০:৩১685465
  • বেশ সরেশ লেখা! ছাত্র ছাত্রী দের ওপর ধরাযাক পুলিশ, আক্রমন চালিয়েছে ও ভিসি তাদের নিরাপত্তা দিতে অপারগ; তাই ঘেরাও। হক কথা! কোথায় যশ আছে।
    কিন্তু প্রশ্ন হলো,নিরাপত্তা তো ভিসি দুহাত দিয়ে করবে না; তাকে পুলিশ বা অন্য কাউকে ডাকতে হবে। এখানে যদি, পুলিশই অত্যাচার করে থাকে তো ভিসি কি পুলিশ আটকাতে ডাকাত ডাকবে নাকি?
    জদুপুর থেকে আবার ছাত্রদের গাইড লাইন করে দেওয়া আছে, ইউনি চত্বরে কোনো মতেই পুলিশ ডাকা চলবে না। তাহলে কি করা যাবে?
  • sch | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০১:১৩685576
  • কতগুলো জিনিস বুঝলাম না ইতিবৃত্ত পড়েঃ

    ১) ২০১৪ সালের ভাংচুড় নিন্দ্যনীয়। কিন্তু তার জন্য দু বছর অপেক্ষা কেন? মাঝে কেন আন্দোলন হল না? নাকি আমরা জানি না?

    আচ্ছা প্রেসির জন্য আন্ডোলনে FTII এর সমর্থন মিছিল চলে এল। নো প্রব্লেম - সন আন্দোলনই লিঙ্কড। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী যখন যাদবপুরে গিয়ে ছাত্রদরদী হয়ে ভিসির পদত্যাগ ঘোষণা করালেন তখন এটা নিইয়ে কেন প্রতিবাদ হল না - সেখানে তো বড়ো জমায়েত ছিল

    ২) "ছাত্রদেরকে কখনও ক্লাসের ভয় দেখিয়ে, কখনও ফেল করিয়ে দেবার হুমকিতে আটকে রেখেছেন স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলন থেকে। " - এটা কি বললেন বুঝলাম না। যা স্বতঃস্ফুর্ত তাকে কি আটকাত্তে পেরেছে কেউ কোনো দিন?

    ৩) সব আন্দোলনে ভিসি কেন ঘেরাও হয়? একজন আচার্য তো আছেন - তাকে ঘেরাও করেও তো ভিসির পদত্যাগ চাওয়া যায়?

    এইগুলো জানার খুব ইচ্ছে
  • sch | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০২:২৪685738
  • এটা তো পার্টী পেপার - গণশক্তির মতো
  • lcm | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০৪:৪৩685749
  • ঠিক আছে, রোববারের দুপুরবেলা, টাইম পাস-এর সময়, একটু দেখা যাক htar91 কি লিখেছে উপাচার্যের বিরুদ্ধে --

    ----
    "...দুর্নীতিগ্রস্ত অপদার্থ প্রশাসক অনুরাধা লোহিয়া এর বিগত এক বছর এর কার্যকলাপ..."

    কিন্তু কিসের দুর্নীতি? গত এক বছর ধরে অনুরাধা প্রেসিডেন্সির তহবিল থেকে টাকাপয়সা নিয়ে নিয়েছেন? টাকাপয়সা সংক্রান্ত যদি না হয় তাহলে ঠিক কী? দুর্নীতির অভিযোগ তো জোরালো অভিযোগ। সেগুলো না জানালে তো ...
    অপদার্থ প্রশাসক-ই বা ইনি কেনো? এর আগের ভিসি-দের তুলনায় ইনি কি করেছেন যা এনার অপদার্থতার পরিচয় দেয়।

    ----
    "...তিনি প্রেসিডেন্সিতে এল্ক সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছেন।..."
    অনুরাধা কিভাবে কিসের সন্ত্রাস করছেন? সন্ত্রাস কিন্তু একটা ভারী শব্দ। বন্দুক নিয়ে কলেজে আসছেন? মানে অভিযোগটা ঠিক কিসের?

    ----
    "... ছাত্রদেরকে কখনও ক্লাসের ভয় দেখিয়ে ..."
    ছাত্রদের ক্লাসের ভয়!! ছাত্ররা ক্লাস করতে ভয় পাচ্ছে! কেন? আর এটা সন্ত্রাসই বা হবে কেন।

    ----
    "...কখনও ফেল করিয়ে দেবার হুমকিতে আটকে রেখেছেন স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলন থেকে..."
    উপাচার্য কি করে ফেল করিয়ে দেবেন? ঠিকঠাক ক্লাস করলে, পরীক্ষা ভালোভাবে দিলে তো স্টুডেন্ট পাশ করবেই। ভেরি কনফিউজিং।

    ----
    "...তার আমলে বদলি হয়ে গেছেন একের পর এক শিক্ষক, স্পষ্টতই দেখা গেছে যে যে শিক্ষক তার মেগালোম্যানিয়াক আচরণের বিরুদ্ধে সামান্যতম আওয়াজ তুলেছেন, তাদের কেই বদলি হয়ে জেতে হয়েছে। ..."

    অনুরাধা কি কোনো প্রফেসরকে অন্যায়ভাবে ফায়ার করেছেন। তা যদি হয়, তাহলে যে প্রফেসর এই আচরণের শিকার হয়েছেন, তার অভিযোগ না শুনলে তো হবে না। তবু এই অভিযোগটা বরং আগের গুলোর থেকে একটু বেটার।
    ---

    "...শিক্ষকদের প্রতি তার এই জঘন্য আচরণের ট্র্যাডিশন শুরু হয়েছিল..."
    অনুরাধা যদি তার সহকর্মীদের সঙ্গে জঘন্য আচরণ করেন, তার প্রতিবাদ তো তারা করবেন। তারা কি কোনো কমপ্লেইন্ট ফাইল করেছেন, নইলে তো...

    ----
    "...অনুরাধা লোহিয়ার আচরণ এর আরেক জ্বলন্ত উদাহরণ হল প্রবেশিকা পরীক্ষা সংক্রান্ত জটিলতা।..."

    বছর বছর প্রচুর অ্যাপ্লিকেশন জমা পড়লে প্রত্যেক বছর প্রবেশিকা পরীক্ষা পরিচালন করা ক্রমশ সময় এবং ব্যয় সাপেক্ষ হয়ে উঠতে পারে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরী করা, উত্তরপত্র দেখে মান নির্ধারণ করা - এগুলো তো একটা কাজ, অনেক প্রফেসর এসবে সময় দিতে নাও চাইতে পারেন। তখন উত্তরপত্রগুলি ইভ্যালুয়েট করানো একটি বড় মুশকিলের কাজ হয়ে উঠতে পারে। এইসব প্রশাসনিক ঝামেলার জন্য হয়ত প্রবেশিকা পরীক্ষা তুলে দিয়ে, বোর্ডের নম্বরের ভিত্তিতে অ্যাডমিশনের ব্যব্স্থার কথা হয়ত ভেবেছে। মানে বলতে চাইছি, পুরোটাই স্রেফ পাগলামো নাও হতে পারে।
    ---

    "...এই দুই শতাব্দীর প্রাচীন প্রতিষ্ঠানকে অনুরাধা লোহিয়া তার ক্ষমতা ব্যবহার করে তিলে তিলে শেষ করে দিচ্ছেন।..."

    কিন্তু অনুরাধা এরকম তিলে তিলে শেষ করবেন ক্যানো - তিনি নিজেও তো অ্যালামনাই। মানে একটা কারণ তো চাই, একটা র‌্যাশনাল।
    ----

    "... তিনি বিভাগে বিভাগে নোটিশ পাঠিয়ে প্রথম বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ শোনা বাধ্যতামূলক করে দিলেন। ..."

    মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের দিনক্ষণ দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করতেই পারেন, কিন্তু বাধ্যতামূলক! অর্থাৎ, এই ভাষণ অ্যাটেন্ড না করলে করলে শাস্তি পেতে হবে, ফেস দ্য কনসিকোয়েন্স - কিন্তু না এলে কি হবে, সেটা কি ঐ নোটিশে লেখা ছিল। সেরকম কিছু থাকলে ব্যাপারটা নিঃসন্দেহে ভুলভাল।
    ---

    "... নৃশংস কায়দায় পুলিশ এবং তৃনমূলের গুণ্ডারা ছাত্রদের মেরে সরিয়ে দেয় তা ন্যাক্কারজনক এবং ছাত্র ইউনিয়ন দ্ব্যার্থহীন ভাষায় এই ফ্যাসিস্ট আক্রমণের নিন্দা করছে।..."

    জেনারেলি যেমন হয়, প্রতিবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা থাকে, সেখানে প্রতিবাদী ছাত্রছাত্রীরা প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকে এবং স্লোগান দেয়। কিন্তু যদি উদ্দেশ্য হয়, কাউকে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া, তখন ধস্তাধস্তি এবং একটা কনফ্রন্টেশনাল এনভায়রনমেন্ট তৈরী হয়।
    তবুও, পুলিশ যদি এখানে ব্রুটালি লাঠি চালায় সেটা নিন্দনীয় কাজ। মুশকিল হচ্ছে, ঐ ভিড়ের মধ্যে আবার মুখ্যমন্ত্রীর সিকিওরিটি বজায় রাখাও তাদের কাজ, বিশেষ করে গেটে যখন কোনো চেকিং নেই, যে কেউ ভেতরে ঢুকে আসতে পারে। তবুও, পুলিশ যদি নৃশংসভাবে লাঠি চালায় বা শারীরিক্ভাবে আঘাত করে সেটা অনভিপ্রেত।

    ---
    "...ছাত্রছাত্রীরা এরপর উপাচার্যকে ঘেরাও করলে তা কখনই অপরাধ হতে পারে না কারণ এই উপাচার্য ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ।.."

    এইখানে আমার আপত্তি। ঘেরাও করে কি হবে? উপাচার্য কি করবেন। নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিতে ইউনিভার্সিটির নিজেদের সিকিওরিটি টিম বানানোর অনুরোধ করবেন, এখানে যেমন ক্যাম্পাস পুলিশ থাকে। পুলিশের লাঠিচালনার প্রতিবাদ করবেন - কিন্তু পুলিশ যদি বলে সিএম-এর সিকিওরিটি দেখাও তাদের কাজ।

    ---
    "...যেভাবে প্রেসিডেন্সিকে তৃনমূলের দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করবার চেষ্টা মমতার লন্ডন সফরসঙ্গী অনুরাধা লোহিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন তা এই দ্বিশতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যময় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক।..."

    তৃণমূলের অ্যানুয়াল মিটিং/গ্যাদারিং, কি কলেজের হলে বা চত্বরে হচ্ছে? যদি তা হয় তাহলে ঠিক নয়, দলীয় কার্যালয় কথাটি সেক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

    আর অনুরাধা তৃণমূলের লোক, বা, অমুকে বুদ্ধবাবুর লোক, পল্টুবাবু বিজেপির লোক - এ নিয়ে দু পয়সা দিই।

    ধরা যাক, অনুরাধা মমতাকে পছন্দ করেন, বা মমতার অনুরাগী বা তৃণমূল পার্টির সমর্থক। তাতে অসুবিধে কোথায়। বাম আমলে অনেকে অভিযোগ করতেন - বুদ্ধবাবুর পেয়ারের লোক বা সিপিএমের লোক। তাতেই বা অসুবিধে কোথায় ছিল।

    যতক্ষণ পর্যন্ত, অনুরাধা উপাচার্য হিসেবে তার প্রশাসনিক দায়িত্ব বা অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনার কাজ ঠিকভাবে করছেন ততক্ষণ তিনি কার প্রিয়্ভাজন বা কার অনুরাগী তাতে কি অসুবিধে।

    একটি কলেজের অনুষ্ঠানে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান আমন্ত্রিত হয়ে এলেই বা কি আসে যায়। অন্য ইউনিভার্সিটির তো কিছু হয় না। ছাত্ররা তার বিরুদ্ধে স্লোগান দিলেও অসুবিধে কিছু নেই। কিন্তু কাউকে ঢুকতে বাধা দিলে ধাক্কাধাক্কি হয়, প্রধান অতিথির যদি সিকিওরিটি থাকে তারা এসে ভিড় সরিয়ে জায়গা করে দেয়।

    কোনো উপাচার্য যদি লোকাল গভর্নমেন্টের আমন্ত্রনে অন্য দেশে ট্যুরে যান তাতেই বা অসুবিধে কোথায়।

    অনুরাধা আপিসে নিয়মিত আসেন না, তার কাজ ঠিকভাবে করেন না, ফাঁকি মেরে কলেজের কাজের সময় নিজের পছন্দের পার্টির রাজনৈতিক কাজে যুক্ত থাকেন, কলেজের রিসোর্স ব্যক্তিগত বা প্রিয় পার্টির কাজে লাগান। বা, অনুরাধা উপাচার্য হবার যোগ্য প্রার্থী ছিলেন না, সম বা উচ্চ মানের যোগ্য প্রার্থীকে বঞ্চিত করে অনুরাধাকে উপাচার্য করা হয়েছে -- এইসব অভিযোগ হলে তার জোরালো ভিত্তি আছে।

    আর, ইউনিভার্সিটি বা কলেজের প্রধান যদি সরাসরি রাজনৈতিক ব্যক্তিও হন, তাতেই বা অসুবিধে কোথায়। এমন তো সারা পৃথিবী জুড়েই আছে। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া নেটওয়ার্ক (বার্কেলে, ইউসিএলএ... এরকম ১০ টি ক্যাম্পাসের প্রায় আড়াই লাখ ছাত্র, প্রায় দু লক্ষ এম্‌প্লয়ি নিয়ে যে নেটওয়ার্ক)-এর প্রেসিডেন্ট এখন জ্যানেট নাপোলিটানো - তিনি ছিলেন ওবামার মন্ত্রিসভার সদস্য। তাতে কিছু অসুবিধে হয় নি তো।
  • topon | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০৪:৫৮685760
  • lcm, এই তো অনেকগুলো যুক্তিযুক্ত, কিন্তু অপ্রিয় প্রশ্ন করে ফেললেন। যুক্তি দিয়ে ভাবতে গেলেই তো মুস্কিল, তখন-ই উল্টোদিক থেকে ভেসে আসবে, ছাত্ররা যুক্তি দিয়ে চলে না, আবেগ দিয়ে চলে, বেগ দিয়ে ছড়ায়, ইত্যাদি ইত্যাদি। সবসময়-ই কেও না কেও দাড়িয়ে আছে যেকোনো রকম ননসেন্স-কে জাস্টিফাই করার জন্য। তারা আবার তাদেরকে ব্যাগরাপন্থী বললে রেগে যান।

    যেটা আমার গোলা মাথায় আসে না, বিদেশ ছেড়ে দিন, ইন্ডিয়া তে বাকি জায়গায় ছাত্ররা এরকম ভাবেনা কেন ?
  • lcm | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০৫:২২685771
  • তপন,
    অনেকে তর্কের খাতিরে এক পক্ষ নেন।
    আর, ছাত্রদের পক্ষে কোনো যুক্তি নেই সেটা মোটেও ঠিক নয়। সেই যুক্তি সলিড হতে পারে, নাও হতে পারে। বায়াস্‌ড হতে পারে, সাবস্ট্যান্স কম এবং বেশি লাউড হতে পারে, ছাত্রদের ভয়েস-এর প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হতে পারে অন্য উদ্দেশ্যে, যাকে বলে বিইং ইউজ্‌ড। এবং, সবথেকে বড় কথা রিপ্রেজেন্টেটিভ নাও হতে পারে, অর্থাৎ, এইখানে যা যা অভিযোগ করা হচ্ছে সেগুলো প্রেসিডেন্সির মেজরিটি স্টুডেন্টের ওপিনিয়ন নাও হতে পারে। অথাৎ, ইলেক্টেড স্টুডেন্ট বডি-র ভিউ মে নট বি রাইট রিপ্রেজেন্টেশন অফ ওভারঅল স্টুডেন্ট ভয়েস। ঠিক যেমন, ভোটে জেতা রাজনৈতিক দলের পলিসি মে নট রিপ্রেজেন্ট দ্য মেজরিটি অফ ভোটার্স চয়েস, এমনকি যারা সমর্থক ভোটার তাদেরও নয়।

    সুতরাং, ইউ হ্যাভ টু টেক এভরিথিং উইথ এ পিঞ্চ অফ্‌ সল্ট।

    আগে একটা পোস্ট দেখলাম, একটা কথা মনে হচ্ছে, বলেই ফেলি - এই যে ব্যাগড়াপন্থী বা চাবকে সিধে করে দেওয়া -- এগুলো ওভারইউজ্‌ড, অতি ব্যবহারে ক্লিশে হয়ে যাওয়া শব্দ বা শব্দবন্ধ। যাকে তুমি ভাবছো ব্যাগড়া তা অন্যের কাছে জীবনদায়ী ব্যাপার হতে পারে, যে কাজ মনে হচ্ছে চাবুকপেটাযোগ্য শাস্তির যোগ্য হয়ত সেই কাজ হয়ত কাউকে বাঁচাচ্ছে - এভাবে বলা মুশকিল।
  • sch | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০৫:৫০685244
  • lcm আপনার একটা প্রশ্নের উত্তর আছে "কিন্তু কিসের দুর্নীতি?"

    "
    এ দিনও ফেসবুক বিবৃতিতে উপাচার্যকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত ’ বলে দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক তৃষা চন্দ৷ যদিও পরে যখন তাঁকে ফোন করে জিজ্ঞেস করা হয় কেন উপাচার্য দুর্নীতিগ্রস্ত ? জবাবে তিনি বলেন, ‘ভিসির ঘরের আসবাব, ক্যাবিনেট সব ঝাঁ চকচকে৷ পাঁচতারা হোটেলের মতো৷ এ দিকে শিক্ষকরা সঠিক সময় বেতন পান না৷ বহু বিভাগের ছাদ ফুটো হয়ে জল পড়ে বহু টাকার যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে৷ তাই উপাচার্য দুর্নীতিগ্রস্ত৷ ’

    "
  • topon | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০৫:৫২685255
  • lcm, আপনার কথা গুলো একদম সত্যি। ধন্যবাদ। কিন্তু সবকিছুতে মনে হয় কোথাও একটা লিমিট দরকার, প্রতিবাদ হোক, কিন্তু তার সীমা মেনে, ছাত্ররা বুঝুক আগে কোথায় তাদের অধিকার এবং কোথায় তাদের দায়বদ্ধতা, তারপর আন্দোলন করুক।

    আজকাল যে এই সব কিছুতেই একটা কলরবের ঝোক, যেকোনো একটা ইসু নিয়ে সোজা উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি তোলা বারবার, সব কিছুতে একটা এক্সট্রিম অবস্থান, এই ভাবে চলতে থাকলে শেষে কোথায় যাব আমরা ? আর এই গুলোকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা হলে যে প্রকারান্তরে তাদেরকে সমর্থন করা হয়, আরো বেসি এনার্কি-কে ডেকে আনা হয়, সেটা এত বছর এ ভালো করে দেখা গেছে।

    চাবকানোর কথাটা মুখ থেকে বেরিয়ে গেছে, তার জন্য আমি অত্যন্ত দুঃক্ষিত, কিন্তু আমার উদ্দেশ্যটা আদৌ অসৎ নয়। আজকে বাইরের কথা ছেড়ে দিচ্ছি, ইভেন ইন্ডিয়া তে পব-এর কলেজ গুলোর যা ইমেজ, দেখে কষ্ট লাগে। নিজে পাবলিক সেক্টর এ চাকরি করতে গিয়ে দেখেছি, যাদবপুর, শিবপুর এর থেকে সাউথ এর অনেক সাধারণ কলেজ থেকে ডাইরেক্ট রিক্রুট করা হয়, প্রশ্ন করলে সোজা HR-এর উত্তর আসে, আমরা কাজের লোক চাই, মিছিল এর জন্য নয়। এই অন্ধকার থেকে বেরোতে গেলে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।
  • আগন্তুক | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০৫:৫৭685266
  • ফেসবুকে দেখলাম ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রছাত্রীদের আমত্রণ জানানো হয়েছিল উচু ক্লাসের ছাত্রছাত্রীদের করা হয়নি তাই ক্ষোভ। এখানে উল্টো কথা পড়ছি। confusing। back calculation মনে হোচ্ছে।
    আর মুখ্যমন্ত্রীকে আটকালে পুলিশ ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে কি ভুল করেছে বুঝিনি।
  • lcm | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০৬:২৩685277
  • sch আর অগন্তুক-এর পোস্ট থেকে আরো কয়েকটা তথ্য জানা গেল।

    "...ভিসির ঘরের আসবাব, ক্যাবিনেট সব ঝাঁ চকচকে৷ পাঁচতারা হোটেলের মতো৷ এ দিকে শিক্ষকরা সঠিক সময় বেতন পান না৷ বহু বিভাগের ছাদ ফুটো হয়ে জল পড়ে বহু টাকার যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে৷ তাই উপাচার্য দুর্নীতিগ্রস্ত..."

    বিল্ডিং মেরামত-এর উদ্যোগ এবং তার জন্যে ফান্ড জোগাড় করতে উদ্যোগী হওয়া উপাচার্যের কাজ। উপাচার্য যদি অন্যান্য জরুরী সারাই থামিয়ে রেখে, সেই কাজের জন্য পূর্ব নির্ধারিত ফান্ড শুধু নিজের ঘরের জন্য যদি অ্যালোকেট করে থাকেন তাহলে সেটাকে মিস-অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বা মিস-অ্যালোকেশন অফ ফান্ড - এই অভিযোগে বোধহয় ফেলা যায়। এখন এই ডিটেইল্‌স-টা অভিযোগে বলা নেই।

    শিক্ষকদের বেতন সময়মতন দেবার কন্ট্রোল বোধহয় উপাচার্যের হাতে থাকে না। এই প্রসঙ্গে, এদিককার একটি ঘটনা বলি, ২০০৮ এর গ্রেট রিসেশনের পরে ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার প্রফেসররা এক বছর মাইনে ১০% কম পান, এর জন্য টাইম অফ্‌ (furlough) নেওয়া যেত, কিন্তু অনেক ডিপার্টমেন্টে অধ্যাপকরা ১০০% টাইম কাজ করেন, ক্লাস কাট হয় নি, জাতীয় আর্থিক বিপর্যয়ের সময় সবাই একসঙ্গে এর মোকাবিলা করবার জন্যে।

    শুধু ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রছাত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, এটা কি স্পেসের কথা ভেবে। মানে যদি হলের মধ্যে হয়ে থাকে, এবং সেখানে যথেষ্ট স্পেস না থাকে। কিন্তু তাও, সেটা বোধহয় ঠিক নয়। ডিসক্রিমিনেশন।
  • lcm | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০৬:৩৫685288
  • সোসেনের লিংক থেকে
    http://www.telegraphindia.com/1150824/jsp/frontpage/story_38826.jsp

    অনুরাধা টেলিগ্রাফে বলেছেন,
    FUNDS DEPENDENCE DOESN'T MEAN IDEOLOGICAL ALIGNMENT

    ইন্সটিটিউটের প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে উপাচার্যের দেখা উচিত কিভাবে গভর্নমেন্ট ফান্ড এনসিওর করা যায়।
    A state-funded university like Presidency is largely dependent on funds from the state government and, to a small extent, on funds from UGC, extramural research funding agencies and a very, very small amount of money from private donors.

    কিন্তু, ঘরের দেওয়ালে গ্রাফিতি করার কি মানে তা ভগাই জানে,
    It was shocking to see students climbing on sofas and chairs and writing graffiti on the walls of the newly renovated office of the vice-chancellor.

    টেবিলের ওপর দাপাদাপি করে বা কি হয়,
    They etched their slogans and comments on new woodwork in the conference room and secretary's office. They danced on top of a heritage table that is almost 80 years old. They broke plants from the pots and strewed the broken plants all over the conference room, using the plastic plates below the pots to bang on the floor till they broke. They smoked incessantly inside my office.

    গাল দেওয়ার ই বা কি মানে,
    They abused my secretary in such language that she could neither work nor sit at her table. They screamed at me abuses that are unprintable while banging on my table and much more. This violation of what I hold sacred in my heart - the vice-chancellor's office - was the violation of every Presidencian's dignity.

    আর, ঐ যে বলছিলাম, সব বক্তব্য রিপ্রেজেন্টেটিভ নাও হতে পারে, এই যে দেখো, এবার বলো কে ঠিক বলছে -
    The outstanding and unanimous support that I got from my faculty and officers brought my belief back. They stood behind me rock solid and refused to compromise with the mob holding us all to ransom.
    I have always found my colleagues extremely supportive and courageous. I value them immensely. More important, a huge number of students wrote to me, requesting me not to resign. I then knew that for my students, the convocation must happen as scheduled.
  • pi | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০৬:৪৩685299
  • ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রছাত্রীদের 'আমন্ত্রণ' জানানো হয়নি, যাওয়াটা তাদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। আপত্তিটা সেটা নিয়েও ছিল। এভাবে সব গুলিয়ে দিলে তো মুশকিল।

    অন্য টইয়ের লেখাতে গত এক বছরের ঘটনাক্রম আছে, তাই আর লিখছিনা। কিন্তু প্রেসিতে অ্যাকাডেমিক কারণ নিয়েই গত এক বছর ধরে প্রচুর ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, এক বছর ধরেই ওরা নানা ভাবে সেটা এক্সপ্রেস ক'রে চলেছে। ভালো ভালো শিক্ষক ছেড়ে দেওয়া, বদলি হওয়া, তার জন্য উপাচার্যের দায় ও নিষ্ক্রিয়তা, অ্যাডমিশন টেস্ট নিয়ে এই গণ্ডগোল, এগুলো নিয়ে প্রচুর ক্ষোভ ছিল। আগের ঘটনার নিষ্পত্তি না হওয়া নিয়ে তো বটেই।
    এসব জানার পরেও কিন্তু লোকজন বলে যাবেন, এরা কখনো পড়াশুনো বা চাকরির ইস্যুতে কিছু বলেনা কোনোদিন ( এস এস সি নিয়ে আন্দোলনটা পুরোই চাকুরির ইস্যুতে ছিল, বর্ধমান নিয়ে আন্দোলনটা পরীক্ষার রেজাল্টে ভুল নিয়ে ছিল ), সেগুলো পয়েন্ট করলে হয়তো সাময়িকভাবে চুপ ক'রে যান, এদিকে ক'দিন বাদেই, কিম্বা অন্য কোন নিক থেকে চর্বিতচর্বণ। আর পয়েন্ট আউট করলেই নানাবিধ নিক থেকেই নানাপ্রকার খিস্তি, হুমকি আর ব্যক্তিগত আক্রমণ।
    এ ভারি মজার খেলা হয়েছে।
  • আগন্তুক | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০৭:৩১685310
  • "ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রছাত্রীদের 'আমন্ত্রণ' জানানো হয়নি, যাওয়াটা তাদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। "
    আপনি খোঁজ করে দায়িত্ব নিয়ে বলছেন? তাহলে মেনে নেব। আমি ফেসবুকে অন্যরকম পড়লাম কিন্তু সেটা অথেন্টিক না।
  • PT | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০৮:১৪685321
  • এই "বাধ্যতামূলক" ব্যাপারাটা ঠিক কি ভাবে করা যায়? মানে না গেলে কি করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল?
  • topon | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০৯:১৫685332
  • কেন সময় নষ্ট করছেন PT-দা। এখানে তথাকথিত বিপ্লবীরা উত্তর দিতে আসেন না, শুধু বিপ্লবকে জাস্টিফাই করলেই হলো। আর উল্টোপাল্টা প্রশ্নগুলোর উত্তর না থাকলে যারা প্রশ্ন করে, তাদের IP-এড্রেস ট্র্যাক করে করে তার আসল পরিচয় বার করার প্রানান্তকর চেষ্টা। কিন্তু এত বিখ্যাত ব্যক্তিদের সাথে ব্যক্তিগত চেনাশোনা হলোনা, আমি লজ্জায় ভাবছি "ধরণী, কবে দ্বিধা হবে"।
  • s | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০৯:২৪685343
  • যাই ক্ষোভ থাক, যেভাবে আন্দোলনের নামে পাতি অসভ্যতা আর গুন্ডামো হয়েছে, সেটাকে কেউ সমর্থন করতে পারে দেখেও অবাক লাগছে।
    মূলোদের অসভ্যতার যেমন একসুরে নিন্দা করা আর শাস্তি দেওয়া দরকার, এই নোংরামোরও একজোট হয়ে নিন্দা করা প্রয়োজন।
  • sm | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ০৯:৪১685355
  • PT র প্রশ্ন টা আমার। বাধ্যতামূলক মানে কি? না মানলে, কি কলেজ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে বা সাসপেন্ড করা হবে এমন কিছু লেখা ছিল? স্টুডেন্ট রা কি কতৃপক্ষের কাছে কোনো লিখিত জবাবদিহি চেয়েছিল? না গেলে তাদের কি করা হবে? এরা তো কেউ কচি বাচ্চা নয় যে,বাধ্যতামূলক কথা টি বলা হলো, আর ভয় পেয়ে এই রকম ঘেরাও তে চলে গেল?
    আর একটি প্রশ্ন, এক বছর ধরে ভিসির কার্য্য কলাপে অসন্তুষ্ট হলে, তারা উপাচার্যের কাছে ভিসির পদত্যাগ চেয়ে স্মারকলিপি দিতে পারতেন।
    যদি ভিসি কে দুর্নীতি গ্রস্ত মনে হয়, তাহলে প্রমান সহ, এফ আই আর করে, কোর্টে যেতে পারতেন।
    ভয়ঙ্কর আপত্তির জায়গা টা হলো, একজন মানুষ কে ঘেরাও করে আটকে রাখা ও তাদের কার্য্য কলাপ কে সমর্থন যুগিয়ে চলা।
    যদি প্রমানিত হয় ভিসি দুর্নীতি গ্রস্ত নন, তাহলে কি ঘেরাও টা ফিরিয়ে নেওয়া যাবে? হাতের ঢিল একবার ছুঁড়ে দিলে তো আর ফেরত আসেনা।
  • pi | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ১০:০৫685366
  • সরি, এটা অন্য টইতে যেত।

    যাইহোক, এই তপন/অমিত /অয়নবাবু/. ইত্যাদিদের বলা, আপনাদের উদ্দেশ্য 'অসৎ' নয়, কিন্তু অন্যদের উদ্দেশ্য 'অসৎ' এগুলো আপনি/আপনারা জেনে গেলেন কীকরে বলুন তো ? বহু বহুদিন ধরে কয়েকজন ব্যক্তি (এবং/বা একই ব্যক্তি নানাবিধ নিকে) এই অভিযোগটা করে চলেছেন, নয় আমরা নিজেদের আখের গুছিয়ে নিচ্ছি এইসব ক'রে, নয় আখের গুছিয়ে নিয়ে এইসব ক'রে চলেছি অন্য নানা লাভের জন্য। কখনো সেই লাভ হয়ে যায় গুরুর ব্যাপারে ক্ষমতা সংক্রান্ত, কখনো হয়ে যায় যশোলাভ।
    তা, আমাকে তো ব্যক্তিগতভাবে জানেন না বলেছেন। তাহলে কীক'রে কী জানলেন বলুন, আমি/অন্যরা কোনটা কী লাভের জন্য করেছি ! আমি কোন কাগজে ছবি তোলার জন্য কী করেছি, কোন মিডিয়ায় আসার জন্য কী করেছি না করেছি, আপনি তো কিছুই জানিনা। কী করেছি, না করেছি, তার খতিয়ান দিতেই পারতাম, আন্দোলনে গেছি ছবি তোমার জন্য না বাইট দেবার জন্য, তার সত্যতা নির্ধারণের জন্য বহু লোককে লিখতে বলতেই পারতাম, ইন্ক্লুডিং মিডিয়ার লোকজন, কিন্তু কেন করব ? উত্তরটা পেয়ে গেলেই দিয়ে দিতে পারি।

    আর সত্যিই আমি কী করি না করি, কোথায় কী করি, না করি, আমাকে যখন চেনেন না, জানেন না, তো সেগুলো ও তো জানেন না। তাহলে এত ব্যক্তিগত আক্রমণ করছেন কেন ? আপনাদের কী ক্ষতি আমি করেছি ? কার কোন ক্ষতিটা আমি করেছি ?
    আমি যদি নিজেকে গরীবদরদী প্রমাণ করার জ এখানে মহান সাজার চেষ্টা করি, তো আপনারাই বা আলাদা কী করছেন ? নিজেরাও তো লোকজনের ক্ষতি হচ্ছে, তাই নিয়ে কনসার্ন জানাচ্ছেন। লিখেছেন, আপনাদের আল্টিমেটলি সেই কনসার্ন থেকেই লিখছেন। তো, আপনাদেরটাই আসল কনসার্ন, আমারটা নকল সেটা কীকরে জানা গেল ? আর জাহির করার হলে, আপনারাও তাহলে সমানেই জাহির করছেন। আপনারাই আসল দরদী। আমাদের এক্সপোস্জ করে দিয়ে জনগণের ক্ষতি হওয়া আটকাতে চাইছেন। হরে দরে সেই এখানকার পাতায় জাহির করাই তো হয়ে গেল !

    আমি অনেক আগে লিখেছি, আমার এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পদত্যাগ চেয়ে ঘেরাও হঠকারিতা মনে হয়েছে। তাও আমাকে টার্গেট করে ব্যক্তিগত আক্রমণ চালিয়ে গেলেন। কারণ হয়তো ওটা চালানৈ উদ্দেশ্য ছিল। এবার এটাকে 'অসৎ' বলবো কিনা জানিনা। একের পর এক বক্তব্য রাখলেন, আমাকে ট্রোলিং করা নিয়ে অভিযোগ করলেন, যেগুলো পরে নয় সম্পূর্ণ কন্ট্রাডিক্ট করলেন, বা কোন সদুত্তরই দিতে পারলেন না, এগুলো 'অসৎ' বলবো কিনা জানিনা। একই সুতোয় তখনি অন্য একজন ট্রোলিং এর মতই কোন কাজ করে চললেন, সেই নিয়ে অবশ্য একটিও বাক্য ব্যয় করলেন না। আপনি 'নিরপেক্ষ' বা 'সৎ' তো ?
    একটিবারের জন্যও বলিনি, আমি বিখ্যাত তাই আমাকে আপ্নাকে চিনতে হবে। কিন্তু গুরুতে আমার নানা পোস্ট আপনি রেফার করে গেছেন, কবে কী নিয়ে আমি ব্যাগড়া দিয়েছি ইত্যাদি, সেই টইগুলোতেই আমার নামের উল্লেখ ছিল, অনেকেই আমাকে আমার আসল নাম ধরে রেফার করেন, এখানে আমি আমার আসল নাম দিয়ে লিখেও থাকি, আমি সেই কথাগুলো বলার পরেও সেই আমি কতটা বিখ্যাত তাই নিয়ে খোঁচা মেরে গেছেন, এগুলোকেও 'অসৎ' বলে কিনা জানিনা। আমি ভাটে লিখেছিলাম, দু'জন ছাত্র 'নাকি' হসপিটালাইজড হয়েছে, সেখান থেকে শুরু হল নানা জায়গায় আমাকে আক্রমণ ( ইন্টারেস্টিং লাগলো বলেই আইপি দেখতে গিয়ে দেখি, সবই প্রায় একই জায়গা থেকে, নানা নামে ঃ)), তারপর আমি 'নাকি' বলেছি বলার পরেও বিশ্বাস করা গেলনা, পিছিয়ে পড়ে 'ভ্যালিডেট' ও করা গেলনা, অন্য একজন এসে সেই খবরটা কনফার্ম করে গেলেন, না তারপরেও আমাকে দেওয়া গাল, খিস্তি গুলো প্রত্যাহার হলনা। এটাকেও 'অসৎ' বলবো কিনা জানিনা।
    নাম ও অন্যান্য বিষয় সংক্রান্ত সততার কথা আর তুললামই না।

    আর এই g/K/ঘোড়া/;) ... আরো কত কী জানা নেই। কী নোংরামো করে গেছেন আগে তার কিছু নমুনা মনে হয় এখানে আছে,

    '
    তাপসবাবুর সমিস্যে খুবি সিরিয়াস। উনি ফেবুগুরুতে বড়হনু হয়েছেন।এখানে ওনাকে লোকে বেশি পাত্তা দিচ্ছে না।গুরুতে যে উনি বেশ গুরুতর এটা আপনাদের বোঝাতে পারছেন বলেইএত কষ্ট!দেখছেন না উনি গরিমার নিন্দে করেও মেধাদের সঙ্গে কাজ করেছেন বলে নেমড্রপও করে ফেলছেন।সমীহ না করলে আপনাদের কাপড়েচোপড়ে হয়ে যাবে,আইফোন,ফ্ল্যাট,ধন কিছুদিয়েই মোছা যাবে না;)
    ওনার দিকে একতু নজর দিন।আত্মবিশ্বাসের অভাব্টা স্নেহের স্পর্শে দূর করুন। আপনাদের সুবিধার জন্যেইকরুন,নইলে এই কষ্ট নিয়ে উনি যাবেন কোথায়?'

    এত রাগ কেন আপনার বলুন তো, গুরুর কিছু লোকজনের উপর ? ঃ) বিশেষ করে যারা গুরুর কাজকর্ম করে ? ঃ)
  • pi | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ১০:০৮685377
  • আর হতে পারে, আমি খুবই বোকা, হাঁদা, গরু, গাধা, ছাগল, কোন বিষয়ে পড়াশুনো নেই, বোঝার ক্ষমতা নেই, বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা নেই, বেকার, মুখ্যুসুখ্যু মানুষ, এদিকে আর কোন জায়গা নেই আমার, আমার কোন কর্মক্ষেত্র নেই, আমার আর কোন কিছু করার কোন ক্ষমতা নেই, কোত্থাও কিস্সু হয়নি, তাই এই গুরুর টই, ভাট ছাড়া নিজেকে জাহির করার, নিজেকে সর্ববিদ্যাবিশারদ প্রমাণ করার, অন্যের ধার, ভার ব্যবহার করার জন্য আর কোন জায়গা নেই। তার উপর আছে, নিজেকে মহান প্রমাণ করার রোগ, নিজের ঢাক পেটানোর রোগ, ইমেজ বানানোর রোগ ( যদিও কিছুই যখন পারিনা, তখন কী নিয়ে যে সেগুলো পেটাই বা বানাই সেটাও এই মোটামাথায় ঢুকছেনা), এই গুরুচণ্ডালির টই ভাটে সেগুলো প্রমাণ করতে পারলেই জীবন সার্থক মনে হওয়ার রোগ, তো এধরণের রোগ থাকলে সেটা তো সবার কাছেই খুব জলের মত পষ্ট, তাই না ? কিম্বা স্বতঃসিদ্ধ। তাহলে এটা বারবার এভাবে মনে করানোর কী প্রয়োজন বলুন তো ? প্রমাণের ই বা কী প্রয়োজন ? কখনো ক্যালনো, কখনো চাবকানো, কখনো পুলিশ প্রশাসনের কাছে খবরাখবর দিয়ে দেওয়ার হুমকি, এসবরেই বা কী প্রয়োজন ?

    এত চাপ নেন কেন ? নেবেন না। ভাল থাকবেন ঃ)
  • nei | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ১০:৩৪685388
  • বাহ, হুমকি দেওয়াও চলছে??? চলুক। চলুক, মানসিক দৈন্যতা প্রকোট হক।
  • তাপস | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ১০:৪৭685399
  • বানানগুলো একটু দেখে নিয়ে পোস্টায় না কেন?
  • বানানকাকু | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ১০:৫৩685410
  • কার কেমন বানান আছে দেখাও তো হে।
  • তাপস | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ১০:৫৫685421
  • আর দৈন্যতা বলে কিছু হয়না। দীনতা কিম্বা দৈন্য। কেমন?
  • P Mitron | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ১১:১০685443
  • যে রেটে বানান ভুল হচ্ছে তাতে আর নিশ্চিন্ত হয়ে থাকা গেল না রে তোপসে
  • তাপস | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ১১:২০685454
  • মিত্রোঁ, দেখ না, বানান না শুধু, ব্যাকরণও ভুল করছে। স্বামীজীকে বলে দেবে? সুব্রহ্মণ্যম জিউ মহারাজ আর কী।
  • cm | ২৪ আগস্ট ২০১৫ ১১:২২685466
  • অকারণে ব্যাকারণ ভুল করবেননা। এখানে ব্যাকারণ মোটেই ভুল করে লিখিনি ওটি হল কাব্যিক স্বাধীনতার নিদর্শন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন