এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • মায়ের কর্তব্য ভিন্ন কিছু নাই

    Yashodhara Raychaudhuri লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্যান্য | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | ১০২১২৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ছোটোলোক | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২৩:৫২722150
  • আমার দশটা সাতাশের বক্তব্য অন্যরা বুঝতে পেরেছেন আশা করি। পুলিশের ওপরে এখানে কোনো রাগ প্রকাশ করিনি কিন্তু।
  • Ekak | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২৩:৫৩722151
  • "Name: pi

    IP Address : 127.226.223.190 (*) Date:27 Sep 2016 -- 11:30 PM

    আলাদা করে প্রতিবাদের জন্য প্রতিবাদই কেন। যে যার লাইফে প্রয়োজনমত করলেও তো অ্নেক হয়। অন্তত কাল কী খেতে পাব সেই চিন্তা যাদের করতে হয়না তারা তো সেই সাহস দেখাতেই পারে। রাতের কাজ থাকলে কাজ মিটিয়ে রাতে ফেরা। যেখানে হোক একা যাওয়া। একা ঘোরা ফেরা। যতজনের দরকার বা ইচ্ছা করলে তো আলাদা করে প্রোগ্রাম নিয়েও করতে হয়না। ব্যাপারটা স্বাভাবিক মনে হতে থাকে। অনেকে নিয়মিত বেরোলে পুলিশ প্রশাসনও নড়ে চড়ে বসতে বাধ্য।
    "

    ব্যাপারটা স্প্যাশিয়াল ডেটার রেস্পেক্টে ভেবে দেখ। গোলমাল চোখে পর্বে। ধর কলকাতার সেক্টর ফাইভে বিপিও পাড়াতে যত মেয়ে রাত এগারোটার সময় দাঁড়িয়ে আছে, বা নয়ডা বা ব্যাঙ্গালুরু তে সেম কাইন্ড অফ প্লেসেস -এ, সেটা কিন্তু হাজরা মোর পেরিয়ে কোনো গলিতে, বা সাবারব মুম্বাই তে বা আমি এই জেপি নগরে বসে এখন লিখছি, এখানে নেই।

    নেই কারণ, কনসেন্ট্রেশন জিনিস টা স্প্যাশিয়ালি ডিভাইডেড। কাজেই মেয়েরা নাইট শিফট এ কাজ করা বাড়ালেও , ওই সেক্টর ফাইভে বাড়বে বেশি বা এখানে আইটি পার্ক সংলগ্ন এরিয়াতে ইত্যাদি ইত্যদি।

    কিন্তু বাকি জায়গা যেমন হাজরার কাছেই কোনো গলি বা যাদবপুর বাজার বা আরিয়াদহের একটা রাস্তায় কনসেন্ট্রেশন বাড়বে না। যেগুলো মোর সিকিওর জায়গা সেগুলো আরও সিকিওর হবে সেটা ঠিক।

    এবার ধরা যাক, সবাই মাঝরাতে বাড়ি ফেরা শুরু করলো। সেক্ষেত্রে একমাত্র, সাবারব এরিয়াতেও দেখা যাবে মাঝরাত্তিরে কিছু বেশি মেয়ে ফিরছে। কারণ মাস ডিভাইড করে যাবে।

    এটা যেভাবে বলা হচ্ছে, সেভাবে একমাত্র সম্ভব যদি মেয়েরা জাস্ট ফর নাথিং বা উইথ সালাম প্রোপাগান্ডা রান্ডমলি শহর চোষে বেড়ায়। তবে একমাত্র, আরিয়াদহের গলিতেও সর্বদা কোনো না কোনো মেয়ে পেট্রল দেখা যাবে।

    ---------------------

    যদিও আমি একটা বেসিক জিনিস বুঝিনা দিল্লি -কলকাতা দুক্ষেত্রেই, ওখানে এখনো অবধি 15 মিনিট অন্তর প্রতি পাড়ায় পুলিশ পেট্রল হয়না কেন ? লুরু তে হয়। আমি গলির মোড়ে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাই অনেকসময় নাইটওয়াকে বেরিয়ে। কোনো নতুন অফিসার হলেই জিজ্ঞেস করে, কী ব্যাপার ...কোথায় যাচ্ছি, কোত্থেকে আসছি।
  • ছোটোলোক | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২৩:৫৮722153
  • সেটাই বলেছি একক বারবার। নানান পোস্টে। রাস্তায় ঘুরে বেড়াক। বাড়ীর সামনে দাঁড়িয়ে থাকা নয়। হাঁটুক যতটা পারে। আবার ফিরে আসবে। বসবে। দাঁড়াবে।
    উঃ আর পারিনা লিখতে একই কথা বারবার। কনসেনট্রেশন তো অনেক পরের গল্প। সারা শহরের মেয়ে রাস্তায় বেরোলে কনসেনট্রেশন নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে না।
  • Sayantani | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২৩:৫৮722152
  • এইখানে একটা কথা টুক করে বলে রাখি। বিবাহ বহির্ভূত যৌনতা এ কোনো মেয়ে লিপ্ত হয়েছে শুনলে, আমাদের তথাকথিত লিবারেল রায় ছেড়ে কথা বলেন না। এই সোশ্যাল মিডিয়া তাই বহু দেখলাম, বামপন্থী, ডানপন্থী, সবাইকেই। তবে আমাদের তো ধোপা নাপিত বন্ধ হবে না, বা (হোপফুলি) ওনার কিলিং হবে না, তাই আমরা বিশেষ একটি বস্তু উৎপাটন করতে বলে ইগনোর করতে পারি।
  • ? | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:০২722154
  • তারচে পুলিস পেট্রলিং এর দাবিটা বেশি ফ্রুটফুল হবে না লংটার্মে?
  • ছোটোলোক | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:০৬722155
  • সায়ন্তনী,
    এই লিবারেলদের মধ্যে তুমি নিজে বিলং করো কি? সমাজের আর পাঁচজন কী বলবে সেটা পরের গল্প, আমি নিজে মনেপ্রাণে জিনিসটা সাপোর্ট করি তো? সেটাও কিন্তু কম নয়।
    যেমন ধরো এলজিবিটি রাইটস নিয়ে গলা ফাটানো একজন লোকের পুত্র ক্লোজেট থেকে বেরিয়ে বাবাকে বলল, বাবা আমি গে।
    এই শুনে সেই অ্যাক্টিভিস্ট বাবার মাথায় বজ্রাঘাত।যাবতীয় লিবারালিজমের পেছন মারা গেছে তার। তেমনি, ফরোয়ার্ড মায়েরা কি নিজের টিনেজার মেয়ের জিনিসপত্রের মধ্যে কন্ডোম কি অন্য কোনো আর্টিকল দেখলে ব্যাপারটা খুব সহজভাবে হজম করবে? ওখানেই আমাদের অ্যাসিড টেস্ট।
  • Sayntani | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:১০722156
  • ছোটোলোক (খুব ক্লাসিস্ট শোনাচ্ছে :( )
    চেষ্টা করি বিলং না করতে। কারণ কে কার সাথে কি pose এ শোবে দ্যাট ইস নান অফ মাই বিজনেস
  • ছোটোলোক | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:১২722157
  • অনার কিলিং ও হয়।
  • sayantani | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:১৪722158
  • ওনার রেপ ও। আমি একটু আশা করার চেষ্টা করছি আর কি। যে আশা করি এমন টা হবে না, এই টা ধরে নিয়ে আমরা প্রগ্রেসিভ কাজ গুলো করতে পারি।
  • ছোটোলোক | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:৩১722160
  • এর আগের পোস্টে pose ব্যাপারটা বুঝিনি, সম্ভবত আমাকে বলোনি ধরে নিচ্ছি।

    অনার রেপও হয়। অ্যাটলিস্ট অ্যাটেম্পট হয়। আমি নিজেই ভুক্তভোগী। কিলিং এর প্রোসেসেও তিনটে অ্যাটেম্পট ছিল। দুবার ডিরেক্ট। এগুলোতো ঠিক বড়াই করে প্রচার করবার মত ব্যাপার নয়, কেউ প্রাইজ দেবে না। বরং শত্রুসংখ্যা বাড়বে। তবে গোপন করে রাখার মধ্যেও কোনো গৌরব নেই। যারা যারা এসবে ইনভলভড তারা সবাই উচ্চ শিক্ষিত। নামকরা কলেজে আজ অধ্যাপনাও করছে কেউ। তাই গরীব নয় সেটুকু হলফ করে বলা যায়, এবং বিবাহ বহির্ভূত যৌনতার শাস্তি দিতে আইন নিজের হাতেই তুলে নেয় তারা, যার মূল হোতা দুনিয়ার নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্য উপাধিপ্রাপ্ত। সেসব যাক। এই ব্যাপারটা ওরা-আমরা লেভেলের নয় সেটাই বলতে চাচ্ছি।
  • Ekak | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:৩৩722161
  • ঘুরে বেড়ানোর কোনো নির্দিষ্ট "পারপাস " না থাকলে কেও বেরোবেনা। কলকাতার নাইট লাইফ এমনিতেই দুটি শ্রেণীর মধ্যে সীমাবদ্ধ। এক যারা গরিব যাদের বাধ্য হয়ে প্রাণ হাতে করে ঘুরতে হয়। দুই, যারা বিশাল বড়োলোক ও প্রভাবশালী মাঝরাত্তির অবধি ক্লাবে বা ডিস্ক এ কাটায়।

    কলকাতা শহরে মধ্যবিত্তের কোনো নাইট লাইফ নেই। সকলেই "পারিবারিক ছবি " দেখে চটপট চায়না টাউনে খাওয়া দাওয়া সেরে বাড়ি ফিরে জোয়ানের আরোক খেয়ে ঘুমুতে যায়। এরা মাঝরাত্তিরে শহর চষবে ?

    অফিস গুলোতে যদি ছুটির টাইম 5 টা থেকে পিছিয়ে আটটা করে দেওয়া হয় তখন এমনিতেই নাইট লাইফ বাড়বে। কফি হাউস সারারাত খোলা থাকে। বার সারারাত খোলা থাক। লাইব্রেরি খোলা থাক। মিউসিক ফেস্ট হোক দুদিন অন্তর সারারাত ধরে। কিছু ডিসকাউন্ট প্রাইসের দোকান শুধু রাত্তিরেই খুলুক।

    কোথাও কোনো ইভেন্ট নেই, একটা ঝিমন্ত শহর সেখানে মধ্যবিত্তকে মাঝরাতে চড়ে বেড়াতে বললে, সে আরেকটা ভলান্টিয়ার কমিটি গোছের ব্যাপার হবে। দুদিন বেরিয়ে তিনদিনের দিন হাওয়া।
  • ছোটোলোক | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:৩৮722162
  • একক,
    আমার দশটা পঞ্চাশের পোস্টেই এর উত্তর আছে।
  • Sayantani | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:৪৩722163
  • ছোটোলোক, আই থিঙ্ক আমরা দুজনেই এক কথা বলছি। মানে ফান্ডামেন্টালী আমার আপনার সাথে মতের বিরোধ নেই। আমি নিজেই এই লিবারেল দের দ্বারা এটাকড হয়েছি বহুবার, ভার্বালী দো !
  • Ekak | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:৫১722164
  • দশ টা পঞ্চাশ পড়েছি। আপনি বলেছেন উদ্যোগ নিয়ে মাঝরাত্তিরে মিছিল করার কথা। রাট বারোটা থেকে চারটেয় রাস্তায় বেরিয়ে পড়ার কথা। মুশকিল হলো আমি এইসব মিটিং মিছিলের বিরোধিতা করিনা কিন্তু এগুলোকে খুব একটা কাজের জিনিস বলেও মনে করিনা। এসব করে লংটার্মে কিছু হতে দেখিনি কোনোদিন।

    তবে একটা ধাক্কা দিয়ে প্রসেস শুরু করার জন্যে ভালো।

    কিন্তু মানুষের রেগুলার পারপাসের সঙ্গে বাঁধা না গেলে সেটা দুদিন বাদেই ঝিমিয়ে যায়। লং টার্মে, মুখে কোনোরকম আন্দোলনের কথা না বলে, ইভেন্ট দরকার যা নাইট লাইফে বাধ্য করবে, আকর্ষণ করবে। দুর্গাপুজোর সময় যেমন সারারাত হাঁটছে মানুষ। তখন ও অপরাধ হচ্ছে। কিন্তু এক হাঁটলে যা অপরাধ হয় তারচে রেশিও অনুপাতে কম। কেও কোনো আন্দোলন করবে বলে হাঁটছে না। নিজের ধান্দায় বা ফুর্তিতে হাঁটছে। আন্দোলনমূলক ইভেন্টে ভরসা নেই আমার। বরং স্ট্রিট ফুড কর্নার খোলা থাকে সারারাত আর প্রতি রুটে বাস চলুক, হয় হল্লা লেগে থাকুক সেটা অনেক অরগ্যানিক গ্রোথ এপ্রোচ বলে মনে হয়।

    আমি কখনোই ফিজিক্যালি কেও মেয়ে বলেই তাকে মেয়েদের অসুবিধের এম্প্যাথিসের হাইবে ধরছিনা। ডিফল্ট ধরে নিচ্ছি প্রত্যেকটা লোক ধান্দাবাজ। এবার এমন সিস্টেম চাইছি যাতে নিজের ধান্দা মেটাতে গিয়েও সেই পুরুষবাদী - সংস্কারী মেয়েটি, রাত তিনটেয় শ্যামবাজার মোর থেকে এগরোল কিনে খেতে বাধ্য হয়।
  • ঈশান | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:৫৯722165
  • ফুকোকে পাশ্চাত্যের একক উপাধি দেওয়া হল।

    লক্ষ্য করে দেখবেন, ট্র্যাডিশন অনুযায়ী একককে প্রাচ্যের ফুকো বলিনি, কলোনিয়াল হ্যাংওভারটা এতদ্বারা হ্যান্ডল করে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ফুকো একটু বাঁদিক ঘেঁষা ছিলেন, একককে সেই হ্যাংওভারও বয়ে বেড়াতে হবেনা। উপাধি মোটামুটি ফুলপ্রুফ।
  • Atoz | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:০০722167
  • আর দেরিদাকে কিছু দেওয়া হবে না?
    ঃ-)
  • ছোটোলোক | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:০০722166
  • না। পড়োনি। পড়লে বলতেই পারতে না যে মিটিং মিছিল করতে বলেছি। বরং উল্টোটা বলেছি।আরেকবার পড়ো যদি সময় থাকে।
    দশটা পঞ্চাশের বত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ নম্বর বাক্যে কিছু কথা লেখা আছে। সেগুলোও পড়তে হবে। সেখানেই উত্তর লেখা আছে।
  • Ekak | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:১৩722168
  • "যদি বড়ো আকারে সংগঠিত করে এরকম কিছু করা যায়, কাজে দিতে পারে। বিবাহিত পুরুষদের বিছানায় স্ত্রীরা থাকবে না লক্ষ্য করুন রাত্রে। রক্ষণশীল বাপ মা তাদের মেয়েকে ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না রাত্রে। ভায়েরা বোনেদের ওপর কর্তাত্তি ফলাতে পারবে না। আর যদি তা করতে চায়, তাতে কোনো ফল হবে না। এটা একদিন দুদিন নয়, অন্তত একদু সপ্তাহ করা যেতে পারে। তবে সেটুকু করবার জন্যও অনেক পথ হাঁটা বাকি। নির্ভয়া কান্ডের পর দিল্লির যেসব মেয়েরা টিভির ক্যামেরার সামনে উত্তেজিত কণ্ঠে প্রতিকার/জাস্টিস নিয়ে চেঁচামেচি করেছে, সব হয়েছে দিনের আলোয় কি সন্ধেবেলায়। রাত বারোটা থেকে চারটে, কোনো মিটিং মিছিল নয়, কোনো স্লোগান পতাকা নয়, শুধু রাস্তায় বেরিয়ে পড়া, যতদিন না টনক নড়ে সমাজের।"

    এখানে এজেন্ডা মূলক দলীয় প্রতিবাদের কথা বলেছেন বলে মনে হয়েছে।

    "নির্ভয়া কেসের ব্যাপারে আমি বলতে চেয়েছিলাম রাত বারোটা থেকে চারটে সব মেয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসবে। হাঁটতে পারে, দাঁড়াতে পারে, বসতে পারে, কিন্তু রাস্তায় থাকবে। এর জন্য কারোকে ল্যাংটা হতেও বলিনি, কি মারশাল আর্ট করতে। এগুলো বানানো কথা। জাস্ট বেরিয়ে আসবে রাস্তায়। দলে দলে।

    এই যে চার ঘন্টা মেয়েরা রোজ ঘরের বাইরে বেরোলো সবাই (বোল্ড) তাতে অনেক কিছু হতে পারে। এক, তারা রাতে বেরোনোর বাধা নিষেধ অস্বীকার করল, দুই তারা প্রমাণ করল যে তারা ভয় পায় না, তিন, তারা সংঘবদ্ধ, এবং চার, রাতে বেরোনো মানেই যে রাস্তার খানকি কি ধর্ষণযোগ্য - সেই ধারণার মূলে আঘাত। "

    এখানে ব্যক্তিগত প্রতিবাদের কথা বলেছেন দলীয় এজেন্ডা বিহীন কিন্তু পার্সোনাল এজেন্ডা যা সবার ইকুয়াল ।

    পিছিয়ে পুরোটাই পড়েছি। কিন্তু বুঝিনি এটা কীভাবে হবে। কারন এজেন্ডা আর পারপাসের পার্থক্যই এইযে দল থাকলে এজেন্ডা থাকে, কিন্তু ব্যক্তিগত এজেন্ডা দানা বেঁধে দল হয়না। অর্থাৎ আইদার সবাই মিলে রাস্তায় বেরোবে এজেন্ডা নিয়ে, যেটা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে থিম যাবে বলে আমার মনে হয়েছেঃ যদিও হলে কোনো আপত্তির জায়গা নেই।

    আর অন্যদিকে, পার্সোনাল উদ্যোগ হয়ে গেলেই সেখানে আর সেম এজেন্ডা ব্যাপরটা কাজ করেনা। এটা অনেকটা গান্ধীর, নিজের নিজের বাড়িতে চরকা কাটুন গোত্রের যা আদৌ সফল হয়নি। কারন অনেক সস্তায় লোকে বিদেশী কাপড় পেতো এবং দলীয় প্রেসার ছিলোনা। এক্ষেত্রেও, প্রচুর মহিলার জাস্ট কিস্স্য যায় আসেনা পার্ক স্ট্রিটে কে মোলেস্টেড হয়েছে তাই দিয়ে, তারা কোনোদিন ঘর থেকে বেরোবেনা ওই কারন মাথায় রেখে।

    ঠিক ইজায়গাতেই ব্যক্তিকে প্রভাবিত করতে লাগে, পারপাস, যা তার জীবনযাপনের মধ্যে ঢুকে গিয়েই একটা নতুন প্রসেসে বাধ্য করে। তখন সবার এজেন্ডা আলাদা বা হয়তো এজেন্ডা নেই, কিন্তু পারপাসে বাঁধা বলে একটা বিগ মাস একই ধরণের একটিভিটি শো করে। কাজেই লার্জ স্কেলে আশানুরূপ ফলের একটা সম্ভাবনা থাকে।
  • ছোটোলোক | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:১৪722169
  • সায়ন্তনী,
    ভার্বাল অ্যাটাক মনের ওপর ক্ষতি করে। আবার পরবর্তী ফেজে সেটাই স্ট্রেংথ জোগায়। কিন্তু ফিজিক্যাল অ্যাটাকে প্রাণহানি হয়ে গেলে আর কিছু করবারই থাকবে না, এবং বেঁচে যেতে পারলে তখনও নানারকম ভয় থাকে পরবর্তী অ্যাটাকের। তাছাড়া স্বাস্থ্যের ওপরেও এর প্রভাব পড়া স্বাভাবিক। একবার ইনডিরেক্টলি এরকম চেষ্টা হয়েছিল মানসিক অত্যাচারের সাহায্যে। সেবার প্রাণে বেঁচে ফিরতে সময় তো লেগেছিলোই, পারশিয়াল মেমরি লস হয়েছিল যা ফিরে আসতে অনেক সময় নেয়।
    কাজেই, আমি যদি মনে করি পথটা কুসুমাস্তীর্ণ হবে তাহলে আমার মত মূর্খ আর দুটো নেই। এগুলো তো ঠিক গল্পের বই পড়ে রসাস্বাদনের মতো নয়, যে ডার্ক কিছু পড়ে মনটা ভার হয়ে রইল, ব্রেস্ট কাটলেটের টেস্ট বিস্বাদ মতো লাগল। এগুলো জীবন থেকে আহরণ করা অভিজ্ঞতা, যেগুলো রেপ্লিকেট করতে গেলে খরচা অনেক, এসব প্র্যাক্টিকালে কোনো সাইটেশন নেই্, অভিজ্ঞতার রসাস্বাদন নিজেকেই করতে হয় বাকি জীবনটা ধরে তারিয়ে তারিয়ে। এবং যার সঙ্গে হয়, সে ই বোঝে। পাশের লোকও বুঝবে না। তারা বড়োজোর এরকম কেস রেপ্লিকেট হলো কিনা কোথাও সেসব ডেটা জোগাড় করতে পারে। এই দুজনের মধ্যে যোজন ফারাক।
  • ছোটোলোক | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:১৭722171
  • না একক। তা আমি বলিনি। ইন্টারপ্রিটেশনে ভুল আছে। আমায় ক্ষমা করো। আমায় ছেড়ে দাও। আমি কান মুলছি আর কোনোদিনো এসব বলব না।
  • Ekak | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:১৯722172
  • এইতো মুশকিল। হ্যা তে হ্যা না দিলেই আপনি নাক কান মুলতে শুরু করেন :| এনিওয়ে আমার কাছে আপনি একজন ডেটা পয়েন্ট মাত্র। অরগ্যানিক নাক-কানে কোনো আগ্রহ নেই। দেখি বাকি ডেটা পয়েন্ট রা কী বলেন।
  • ছোটোলোক | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:২৪722173
  • তোমার ইন্টারপ্রিটেশনে বিস্তর ভুল আছে। এক কথা বার বার লেখাচ্ছো আমাকে দিয়ে। তাহলেতো মনে হতেই পারে যে ইচ্ছে করে এটা করছো।
    কোনো জটিল ভাষায় তো লিখিনি। এত কনফিউশানের কী হলো?
    বত্রিশ নম্বর বাক্য থেকে পড়েছিলে? দশটা পঞ্চাশ। আবার পড়ে নাও। সবটাই বাংলায় লেখা।
  • Ekak | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:২৭722174
  • আমি পড়েছি। বেশ কয়েকবার পড়েছি।

    এখানে তিনটে ঘটনা হতে পারে।

    1) আমার ইন্টারপ্রেট করার ক্ষমতা নেই। বাকিরা বুঝিয়ে দেবে আমাকে এসে। আপনি আর চাপ নেবেন না।

    ২) আপনার কথা ইন্টারপ্রেট করতে গিয়ে একটা বড়ো সংখ্যক লোক যখন বারবার ভুল করছে তখন প্রকাশভংগী তে ভুল আছে। লেখার আগে ভাবা জরুরি।

    3) সবাই মিলে নিজেদের মধ্যে ঠিক করে নিয়ে এরকম করছে। আপনার কোনো ভুল নেই।

    এবার আপনার অবস্থান আপনার।
  • ছোটোলোক | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:২৯722175
  • তুমি কিন্তু আমার কাছে কোনো ডেটা পয়েন্ট নও। একজন লোক। আমাদের দেখবার চোখ আলাদা। তাই আমার প্রতি অতটা জাজমেন্টাল হচ্ছ দেখে আশ্চর্য হলাম। ডেটা পয়েন্ট নিয়ে যার কারবার সে জাজমেন্টাল হয় কীকরে?
  • Ekak | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৩১722176
  • ডেটার উৎস সম্বন্ধে জাজমেন্টাল। আপনার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জাজমেন্টাল একটাও উদাহরণ দেখতে পারবেন ?

    টই তে সাবজেক্ট ধরে কথা হচ্ছে, এখানে সবাই ডেটা পয়েন্ট। ভাট এ এসে গপ্পো করুন, তখন আবার সে দি। এতটুকু ডিফারেন্স না রাখতে পারলে আলোচনৰ স্পেস ঘেঁটে বাংলা সিনেমা হয়ে যায়। আলোচনৰ স্বার্থেই এটা জরুরি।
  • Sayantani | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৩৪722177
  • ছোটোলোক, আমি একমত। আমার যখন ওই বারংবার আক্রান্ত হয়ে ডিপ্রেশন হয়, আমি নিজেকে বলি, যেহেতু তুমি স্রোতের উল্টো দিকে চলছো, তাই তোমাকে এগুলো নিয়ে লড়তেই হবে।
    আর হ্যা, ফিজিক্যালি আক্রমণ হলে এতো সহজে মুখ খুলতে পারতাম কি? জানিনা। আমি যদি জানি যে আমার যৌন সম্পর্ক বা ওরিয়েন্টশন এর জন্য আমি আক্রান্ত হবো, তাহলে আমি কি আর সেগুলো বলতে চাইবো?
  • ছোটোলোক | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৩৭722178
  • ওগুলো তোমার নিজের মতো করে টানা সিদ্ধান্ত। তা তুমি টানতেই পারো। চয়েস ইজ ইয়োর্স।
    আমিও নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত টানতে পারি। তাই না?
    এখানে আমরা আলোচনা করছি। কোনো কিছু করতে কারোকে কোনো মাথার দিব্যি দেওয়া নেই।
    কালকেও লিখেছি, যে সামাজিক অবস্থানে আমি ছোটোলোক সেটের অন্তর্ভূক্ত। সেই কারণেও আমার পক্ষে সব ডেটাসেট বুঝে ওঠা সম্ভব হয় না। বা ভাইসি ভার্সা। আমার ভাষা এবং প্রকাশভঙ্গী, এই দুটোতেই আমার সামাজিক অবস্থানের প্রভাব আছে, তাই ভদ্রলোকদের সব কথা আমি ঠিকঠাক বুঝতে পারিনা, বোঝাতেও সমস্যা হয়।
  • ছোটোলোক | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৩৮722179
  • আগের পোস্টটা সায়ন্তনীকে নয়।
  • Ekak | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৫০722180
  • আরে, কী মুশকিল। আপনি বলছেন আপনি ছোটোলোক শ্রেণীর অন্তর্গত। এটা আমার কাছে ওনলি ডেটা, যে ইহা আপনার দাবি।

    আমি জানবো কী করে ? এতো প্রচুর লাট বেলাট কমিউনিস্ট ও নিজেকে সর্বহারার একজন বলেন জাস্ট নিজের মতামত কে মান্যতা দিতে গিয়ে। যাতে মতামত একটা ধার পায়। তাহলে আমাকে গোয়েন্দাগিরি করতে হয় যেটাতে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। কাজেই আপনার শ্রেণী চরিত্র আমার কাছে আপনার শ্রেণীচরিত্র নিয়ে একটি দাবি মাত্র। ছোটোলোক বললেই আপনি ছোটোলোক হয়ে যাচ্ছেন না। যেমন কেও এখানে এসে খুব ঠাট নিয়ে নিজেকে শিল্পপতি বলে ইন্ডাস্ট্রি সম্বন্ধে চাট্টি আইডিয়া দিলেই সে আমার চোখে ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে বলার যোগ্য হয়ে যায় না। ইন বোথ কেসেস, আমি তাদের ব্যক্তিগত পরিচয়ের দাবিকে জাস্ট পাশে সরিয়ে রেখে, কী বলছেন তার মানে কী, অন্যান্য তথ্যের সাপেক্ষে কতটা যুক্তিগ্রাহ্য এইটুকুই দেখবো। ঈশেন ইকোনোমিক্স এর লোক কিনা যেমন দেখার বিষয় নয় এখানে আলোচনৰ ক্ষেত্রে, যতক্ষণ ইশ্যেন যুক্তি -তর্ক পরিষ্কার ভাবে পেশ করছেঃ ইকোনোমিক্স নিয়ে, ততক্ষন গ্রহণযোগ্য। এইটুকুই।

    ভদ্রলোকের ভাষা -ছোটলোকের ভাষা দুটোই রাজনৈতিক অবস্থান আমার কাছে যেটা একজন বুধ্ধিমান মানুষ নিজের জোব্বা হিসেবে ব্যবহার করতে পারে একটা আলাদা গুরুত্ব তৈরী করার জন্যে। এসব হার্ডলি ম্যাটার্স। আমি একবার ও আলাদা করে সন্দেহপ্রকাশ করছিনা যে আপনি মিথ্যে পরিচয় দিচ্ছেন। আমার স্কেপ্টিজম অবজেকটিভ নয়। আমি পুরো সাবজেক্ট কেই স্কেপ্টিক চোখে দেখি।

    কাজেই তর্কের জায়গায় কার কী সোশ্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড এসবে আমার আগ্রহ নেই।
  • ছোটোলোক | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:০১722182
  • সায়ন্তনী,
    বুঝতে কি আর পারছি না? খুব ভালো করেই বুঝতে পারছি। আমার মেয়ে যদি আজ কোলকাতায় যায়, তার অবস্থাও তোমার মতই হবে। এবং আমরা তা সত্যিই বলতে চাই না। সমস্যাটা হচ্ছে যে, যে ভিক্টিম সে লজ্জা পাচ্ছে, এবং যে ক্রিমিনাল তার কোনো লজ্জা নেই। এ এক অদ্ভুত সাইকোলজি। যারা অন্যায় করছে তারা বুক চিতিয়ে ঘুরে বেড়াবে, এরকমই দস্তুর এই দুনিয়ায়। আমাকে এত বেশি মানসিক অত্যাচার সইতে হয়েছে যে একবার ভাবলাম মরেই যাই, বেঁচে থেকে কী আর লাভ হচ্ছে। আমার সন্তানকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছল অশুভ শক্তি, অনেক ছলাকলা করে সেখান থেকে একবার উদ্ধার করি তো ফের আরেক ঝামেলা তৈরী হয়। তখন একটা স্টেজে ভাবলাম এনাফ ইজ এনাফ, ঢের হয়েছে, এরা আর আমাকে বাঁচতে দেবে না। এক বন্ধুস্থানীয় কোলিগকে বললাম সেকথা। সে বলল, এটাই ঠিক ডিসিশান। তুমি মরে যাও। তোমার লাইফের কোনো ভ্যালু নেই। আমরা নানারকম মরবার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করলাম, এবং একটা পদ্ধতি বেশ পছন্দ হলো। সেইমত সব ব্যবস্থা করলাম। যেদিন মরব বলে বেরোচ্ছি, মনের মধ্যে কোনো হেলদোল নেই। ট্যাক্সিওলাকে অনেক বকশিস দিলাম। কিন্তু নিয়তির এমনই খেলা যে, মরবার অ্যাটেম্পট ব্যর্থ হলো। আমি তো ভাবলাম মরে গেছি। কিন্তু মরিনি। বেঁচে গেলাম। অনেক মেমরি মুছে গেছল, যেটা খুব যন্ত্রণাদায়ক, কিন্তু মরবার প্রোজেক্টটাই ফেলিওর। তারপরেও রাস্তা কুসুমাস্তীর্ণ নয়, বরং কণ্টক আরো বেড়ে গেল। ফ্রম দ্যাট পয়েন্ট আমি টোটাল ঘুরে দাঁড়াই। এরপর থেকে যারা আমার সঙ্গে ঝামেলা করতে এসেছে তাদের সঙ্গে ডিল করতে পেরেছি মনের জোরে। তবে মন্দলোকের সংখ্যাতো খুব একটা কম নয় দুনিয়ায়, তাই সাবধানে থাকাই শ্রেয়। সাহস থাকা মানেই অসাবধানে থাকা নয় কিন্তু।
    ঐ বিভীষিকাময় অধ্যায় পেরিয়ে এসেছি, সেটাই আনন্দের। সেদিন মরে গেলে এসব সম্ভব হতো না। আজো লাইফে নানান সমস্যা আসে যায়। তবে ডিল করতে শিখে গেছি সেসব। এই আর কি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন