এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • নতুন সরকারের শিক্ষা শিল্প স্বাস

    Suvajit
    অন্যান্য | ০৭ জুলাই ২০১১ | ৪৯৬৬০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • rpn | ২৮ জুলাই ২০১১ ১৯:৫৪478071
  • বাজে বেঞ্চমার্ক। আম্মো কেজি টু নাকি নার্সারি টু-তে পড়েছি। বেশ আনন্দময় ছিল সেইসব দিনগুলি।
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১১ ১৯:৫৪478070
  • আকাদা,Date:28 Jul 2011 -- 05:46 AM র পোস্টটা একটু দেখো।

    দেশে ফালতু চাপ কমানোর কথা তো অনেকদিন ধরেই হচ্ছে।

    যশপাল কমিটির রেকো গুলো ঠিকঠাক ইমি্‌প্‌লমেন্ট করলেই অনেক কাজ দ্যায়।
  • aka | ২৮ জুলাই ২০১১ ১৯:৫৬478072
  • কমরেড আপনি অন্য জমানার। মেনে নিন ;)
  • byaang | ২৮ জুলাই ২০১১ ১৯:৫৭478074
  • বাজে বেঞ্চমার্ক না রে অর্পণ। আমার ভাইকে সরকারী স্কুলের ক্লাস ওয়ানে ভর্তির পরীক্ষা দেওয়ানোর জন্য টিউটর রাখাতে হয়েছিল। এবং সেখানেও প্রায় সমগোত্রীয় প্রশ্নই ছিল। আগে একবার লিখেছিলাম।
  • rpn | ২৮ জুলাই ২০১১ ১৯:৫৭478073
  • ভ্যাট! আমার মেয়েও তো এখন পড়ছে। এইসব ধাষ্টামোর কোন সিন নেই।
  • rpn | ২৮ জুলাই ২০১১ ১৯:৫৯478075
  • তোমার ভাই ইয়ানে ক্লাস ওয়ান কত সালে?
  • Du | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:০০478077
  • CBSE হলেই অনেকটা ভাল হয়ে যায় বই, চাপ সবই। কিন্তু CBSE র বোধহয় চাহিদা কম, খুব কম স্কুলেই আছে
  • rimi | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:০০478076
  • আর এই যে দুখেদাদা, অমনি দোষটা মায়েদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিলে?

    আমাদের দেশে, ছেলেপুলেরা স্কুলে ভালো রেজাল্ট না করলে বাবাসুদ্ধু সমস্ত আত্মীয়স্বজন দোষটা চাপিয়ে দেন মায়ের ঘাড়ে। এমনকি সেই মা চাকরি করলেও। তাই মায়েদের পিয়ার প্রেশার কিছু কম থাকে না। ছেলেমেয়েদের খারাপ কিছু হলেই মায়েরা গিল্টি ফিলিংএ ভোগে, বহু হাজার বছরের পুরুষতান্ত্রিক প্রেশারের ফল।

    আবার আজকের দুনিয়ায় পুরুষতান্ত্রিকতার নয়া সংযোজন হল আইটি গাইরা, যারা আপিসের দোহাই দিয়ে রাত বারোটা অবধি বাড়ির বাইরে থাকে, ছেলেমেয়ের পুরো দায়িত্ব মায়ের কাঁধে চপিয়ে দিয়ে, সেই মা চাকরি করুক বা না করুক, তার নিজের জীবন থাকুক বা না থাকুক কিছু এসে যায় না।

    সাউথ পয়েন্টের ছেলে মেয়েদের বেচারা মায়েরা কি করবে? কি করে তারা জানবে কি করা উচিত আসলে? কেউ গাইড করে তাদের? বাবারা কখোনো বলে যে এসব করার দরকার নেই? টিচাররা বলে? শিক্ষামন্ত্রী বলেন? কোথায় পেরেন্টস গাইড ভারতীয় মায়েদের জন্যে, যার কথা নিনদি বল্ল?

    বেজায় রেগে গেলাম।
  • byaang | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:০১478078
  • ও আমার চেয়ে দশ বছরের ছোট। ৯১য়ে ক্লাস ওয়ান।
  • rpn | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:০৪478080
  • ওকে। তালে বলব লটারি করে দিয়ে ভালোই করেছে।
  • rpn | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:০৭478081
  • CBSE'র চাপ কম তো। আর এ¾ট্রাস এক্সামগুলোতেও ভালো করে। অনেকেই চাপ কমাতে আজকাল CBSE প্রেফার করছে।
  • rpn | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:০৮478083
  • ধুর, রিমিও যেমন। আইটি গাইদের ধুয়ে কাপড় পরাল। ইন্ডিয়াতে চিপ লেবার, চিপ টিউটর। সমস্যাটা কোথায়? :)
  • du | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:০৮478082
  • ওদেশেও বাঙালী মায়েরাই স্কুল নিয়ে কথা বলে, ছেলের সোশ্যাল সয়েন্স প্রোজেক্টের জন্য দুই বন্ধুর ফোনে গান বানানো দেখে সেদেশের পড়াশোনার পদ্ধতি নিয়ে অভিভুত হয়। বাবাদের আরো নানান ইম্পর্ট্যান্ট কাজ থাকে।
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:০৯478084
  • রিমিদি, এককথায় অমন আছে বা নেই বোধহয় বলে দেওয়া যায় না।

    এই যেমন, আম্রিগার লাইফ আমার এবং আমি জানি, আমার পরিচিত আরো অনেকের কাছেই বেশি স্ট্রেসফুল লাগে। বিশেষ করে ছেলেমেয়ে থাকলে। সব কাজ নিজেরা করে ঐ সময় ব্যাপারটা ...

    উইকেন্ডে এখানেও সাংসারিক, সামাজিক 'কর্তব্য' কিছু কম থাকে না :)

    যাই হোক, এগুলো নিয়ে বোধহয় তর্ক চলেনা। কোনাঅ স্ট্রেস মনে হবে, সেটা অনেকটাই সাবজেক্টিভ ব্যাপার।

    দেশে গেলেই সর্বসুখ এমন কোন কথাও বলছিনা। সুবিধে - অসুবিধে দু'জায়গাতেই আছে। ভাল-মন্দ মিশিয়ে।
    নিজের পছন্দ অপছন্দ চাহিদার বিরক্তির সাথে যেটা মিলিয়ে রেজাল্টেন্ট জিনিসটা কী হল দেখতে হবে। আর সেটা ব্যক্তি টু ব্যক্তি ভ্যারি করবে। করেও।

    আর দেশে এবার গিয়ে ভাইঝির, ভাসুরপো দেওরপোদের সাথে অনেকটা সময় কাটিয়ে এলাম। আমার ছোটোবেলা কাটানো জায়গা, ওদের জায়গা, কোনোখানেই গাছপালা, পোকামাকড়ের তেমন কিছু কমতি পড়ে নাই। সেসব নিয়ে বিস্তর নাড়াঘাঁটা করতেও দেখলাম। বিকেলে বন্ধুরা মিলে ..... হ্যাঁ, বহু বন্ধু বান্ধব ই পড়াশুনা করার জন্য খেলতে নামে না। এইটা দেখলাম। আমাদের ছোটোবেলাতে এতটা দেখিনি। তা, তাদের মা-বাবাদের ই ই শুনলাম খেলতে যেতে দিতে আপত্তি। রেজাল্ট খারাপ হয়ে যাবে বলে।

    আর দেশের সব স্কুল সত্যি এমন নয়। সব বাবা-মাও খুব চাপে থাকেন, এমনি না।

    ডানকুনির পাঠভবন তো দেখলাম দিব্বি কুল-কাল। ব্যাগে খালি টিপিনবাক্সো নিয়ে যেতে হয়। এদিকে দিব্বি সব শিখছে ! মস্তিতেই আছে। এদিকে তার খুদে খুড়তুতো ভাটির এর অবস্থা খারাপ। অন্য একটি 'বেটার' স্কুলে গিয়ে। তার কোন 'বিকেল' নাই।

    সব রকম ই আছে। সব জায়গাতেই।
  • santanu | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:১১478086
  • আমার মেয়ে ক্লাস ১ থেকে এখন ১২, ১৯৯৯ থেকে ২০১১, কলকাতায় তিনটে স্কুল এ পড়েছে - কোথাও এসব চাপ টাপ ছিল না/ নাই।

    তবে তিনি পড়াশোনায় ভালো না, আমরাও খুব পাত্তা দিই না, এটাও সত্যি।
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:১১478085
  • হ্যাঁ, cbse নিয়েই বলতে যাচ্ছিলাম।

    যেসব বাবা -মা র চাপ নিয়ে আপত্তি ( এই কথাটা বল্লাম, কারণ, দুখেদা বা অপ্পনের সাথে একমত যে বহু বাবা মা র কাছেই চাপ টা প্রেফারেবল), তাঁরা cbse তে দিতে পারেন তো।
  • PT | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:১২478087
  • আমার একটা প্রশ্ন ছিল। আমাদের দেশের পঠন-পাঠন, ধরণ-ধারণ, পদ্ধতি সবই যদি এত খারাপ হবে তাহলে শহর বাদ দিন, গ্রাম বাংলার এঁদো স্কুল-কলেজ থেকে পাশ করে বেরোনো ছেলে-পুলেগুলো কি করে ইউরোপ-আমেরিকাতে গিয়ে দিব্য লড়াই করে বেঁচে আছে? বিশেষত: উচ্চশিক্ষাতে বা গবেষণায়, চীনাদের বাদ দিলে বিদেশীদের মধ্যে ভারতীয়রাই তো ওদের সিস্টেমকে বাঁচিয়ে রেখেছে! ৯০-এর দশকে জানতাম যে প্রায় ১৫০০০ (৪০০০ কলকাতার) ভারতীয় ডাক্তার ইংল্যান্ডের NHS-কে সামলাচ্ছে।
  • rpn | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:১৭478089
  • আমার মেয়ে মন্ট-থ্রিতে পড়ছে। হোমওয়ার্ক দেয়। তবে আধ ঘন্টায় শেষ হয়ে যায়। নিজেই স্কুল থেকে এসে বসে করে ফেলে। আর প্রত্যেক মাসেই কোন না কোন একটা টেস্ট থাকে। টেস্টের আগের দিন আরো আধ ঘন্টা রিভাইস দিলেই কাফি।

    চাপের মধ্যে এক ওই দুটো ল্যাঙ্গুয়েজ শেখা। তো, এখন শিখবে না তো আর কবে শিখবে? :)
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:১৭478088
  • হ্যাঁ, আর আমাদের নিবেদিতা স্কুলে নিবেদিতা -বিবেকানন্দ নিয়ে হেজিয়ে রেখে দিলেও আনন্দদায়ক অনেক কিছু ও ছিল। সেগুলো আনন্দের সাথেই করতে পেরেছি।

    'খেয়ালখুশির ক্লাস' বলে একটা পিরিয়ড ই থাকতো আমাদের। গল্প বলার। গল্প শোনার ও। :)

    হাতের লেখার মত বাজে হোমটাস্ক ও যেমন থাকতো, ছুটির শেষ দিনে বসে যাহোক তাহোক করে গুপি মেরে পাতা ভরিয়ে ছুটির বাকি দিনগুলো খেলে, গল্পের বই পড়ে, ফাংশন করে, গান শুনে,এখানে সেখানে বেড়িয়ে কাটাতে খুব অসুবিধে কিছু হয় নাই।
  • rimi | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:১৯478092
  • আর্পিএন, যদি সমস্যা নাই থাকবে, যদি চিপ টিউটর দিয়েই সব হবে তাহলে "বাঙালী মায়েদের বেশি বেশি" বলার মানেটা কি?

    দুদি ঠিক বলেছো, বাঙালী বাবারা এদেশেও একই রকম, পয়সা রোজগার ছাড়া ছেলেমেয়ের জন্যে আর কিছু করার আছে বলেই মনে করে না। মায়েরা ক্লাস থ্রিতে ক্লাস ফাইভের প্রশ্নই করুক, বা উল্টোদিকে রেজাল্ট বা স্কুল নিয়ে উদাসীনই থাকুক, বাবারা সবটাকেই বাড়াবাড়ি মনে করে। তাদের কি কম দায়িত্ব? আপিস ছাড়াও আমেরিকার ইকোনোমি, রাশিয়ার ভবিষ্যৎ, মার্ক্সিজে্‌মর অন্ধি সন্ধি এগুলো নিয়ে "আলোচনা" করার কাছে ছেলেদের বানানো গান শোনা বা ছবি আঁকা দেখা? ফাগল না পেট খারাপ?

    আর পাই, আমি আমার কথাই বলেছি। আমার মায়ের জীবন, আমার কিছু বন্ধুর জীবন আর আমার নিজের জীবন মিলিয়ে দেখে। হতেই পারে এর বাইরেও অনেক কিছু আছে। আমার আমেরিকা দেশটাকে ভীষণ ভালো লাগে। তার কারণ এখানে আমি অনেক বেশি এমপাওয়ারড মনে করি নিজেকে। মৃত্যু পর্যন্ত আমি এখানেই থাকতে চাই। এটা সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত মত।
  • nyara | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:১৯478091
  • শিক্ষার কথাই যদি হয়, তাহলে বলব ভারতে শুঁয়োপোকা এখনও পাওয়া যায় - কিন্তু অ্যামেরিকায় রাস্তায় সংসার-পাতা মানুষজন পাওয়া যায় না।

    যদি কখনও অ্যামেরিকায় আবার ফিরে যাই, মেয়েদের ভারতের এক্সপোজার দিয়েছি বলে খুব খুশীতে থাকব। চকচকে রাস্তাঘাট, লাঞ্চে জুস খাওয়া বাচ্চা ছাড়াও যে একটা জগত আছে সেটা - একটা ভ্যান্টেজ পজিশন থেকে হলেও - যে দেখছে, তাতে আমি খুশি।
  • Arpan | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:২১478093
  • আমিও তো তাই বলি, চিপ টিউটর দিয়েই হয়ে যায়। বেশি বেশি ছেলেমেয়েদের এত যত্নআত্তি করার কারণটা কী?
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:২২478094
  • ন্যাড়াদার পোস্টটাকে লাইক মেরে গেলুম।
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:৩০478096
  • এবার গিয়ে দেখে এলুম আমার আট বছরের ভাইঝি নিজেই সব দোকান বাজার করছে। তার এসবে প্রবল উৎসাহ। মানে, নানা ছুতোয় যতক্ষণ বাইরে বাইরে ঘোরা যায় আর কি। তা সে তার বম্বে পি কে নিয়ে এবার সব জায়গায় গেছে। সে সারাদিন যা যা করে, যা নাকি আর কেউ জানেনা, সব বলেছে। অবশ্যই চুপিচুপি। আমিও চুপিচুপিই লিখছি।
    তো, আমাকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে এবার মাছ-ওয়ালা সব্জি-ওয়ালা সবার সাথেই আলাপ করিয়ে দিল।। তাঁরাও দেখলাম তার কুশল মঙ্গল জিগাচ্ছেন। তিনি গত দু'দিন কেন আসেননি, সে খোঁজ নিচ্ছেন। টাকা-পয়সার হিসেবও দেখলাম দিব্বি শিখে গেছে।
    হ্যাঁ, আরো আলাপ করালো। ওর আরো কিছু বন্ধুদের সাথে। লুচিপাতা গাছ, টগর গাছ, কামিনী ফুল, একটা বেড়াল ও দুটো কুকুরের সাথে। তারাও ওকে কীসব বল্লো। কী বল্লো ঠিক বুইতে পারিনি অবশ্য :(

    আমার ছোটোবেলাটা খুব আলাদা ছিল না। আর সে নিয়ে কোন আফশোস ও নাই।
    এখানকার অনেক ছোটোবেলা অনেক কাছ থেকে দেখার পরও।
  • santanu | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:৩০478095
  • আর সত্যি এখন চাপ নেই, কলকাতায় এখন গন্ডা গন্ডা স্কুল, ১০ এর পরীক্ষায় ৮০ র কম পেয়েছে এমন বাচ্চা পাওয়া মুশকিল, জয়েন্ট দিলেই ইনজিনীয়ার, পাস করলেই কোথাও একটা কম্পিউটারে খাতা লেখার চাকরি - চাপ কৈ?
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:৪০478097
  • শান্তনুদা, বাবা মা যদি মনে করেন ৮০ পেলে হবে না, ৯৫+ পেতেই হবে, তখন চাপ পড়বে।

    তবে এবার এও দেখেছি একটু উঁচু ক্লাসে ইউনিট টেস্ট ফেস্ট এত্ত বেড়ে গেছে, যে চাপ পড়বেই।
    আমাদের স্কুলেও যেটুকু ছিল, চাপ লাগতো। এখন তো দেখি এসব আরো বেড়ে গেছে।

    সিলেবাসের বোঝাও মনে হয় বেড়েছে। কিন্তু তার অনেক কিছুই ফালতু লাগে। আরামসে কাট করা যায়।

    দুমদাম সব পরীক্ষা উঠিয়ে না দিয়ে এই বেকার খুচরো চাপ গুলো কমালেই অনেক কাজ দ্যায়।
  • santanu | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:৪৭478098
  • এই তো, পাই ঠিক ধরেছে, বাবা মা। তাইলে আর দেশ বিদেশ দিয়ে কি হবে? যে বাচ্ছা অমন এক জোড়া বাবা মা পেল - তার ফুটুর ডুম।
    বাকি সব প্রায় ঠিক ঠাক আছে।
  • aka | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:৫২478099
  • কাট করা যায়, এটা করা যায়, সেটা করা যায় সবাই বোঝে কিন্তু হয় না। সিস্টেমও নেই, প্রসেসও নেই। অদূর ভবিষ্যতে হবেও না। আর মা বাবা চাকরি করলে এগেইন ভারতীয় সিস্টেম সেটাকে সাপোর্ট করার মতন রেজিলিয়েন্ট নয়। কোথায় রিলায়বল ডে কেয়ার? রাখতে হবে আয়ার কাছে। তারা যে কি করে আর কি না করে কে জানে। আমার বন্ধুর মেয়ের সাইকোলজিকাল প্রবলেম হতে চলেছিল। পরে জানা গিয়েছিল আয়া তাকে বেঁধে রাখত। মেয়েটি তখনও কথা বলতে শেখেনি। মানে কারুর কাছে চয়েজ থাকলে এখনও বেটার চয়েজ। তবে আগস্ট ২ তারিখে ডেট সিলিং না বাড়লে ঘটি বাটি চাটি হবে।
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:৫৬478100
  • পোকামাকড়ের নেহাত অভাব পড়লে কালিপুজোর সময় ঐ দিন কুড়ির একটা ইন্ডোর ক্লাস করলেই হয়। আলো তো আর কম পড়ে নাই যে তাঁরাও মুখ ফিরিয়ে থাকবেন :)
  • rpn | ২৮ জুলাই ২০১১ ২০:৫৯478102
  • রিলায়েবল ডে কেয়ার নেই কে বলল? আকা ছ'মাস লুরুতে এসে কাটিয়ে যাক। অধিকাংশ জনতার ক্ষেত্রেই বাপ-মা দুজনেই চাকরি করে। তারা দিব্যি মানিয়ে নিয়ে তো চালাচ্ছে। তবে সবই কি আর স্বর্গরাজ্য হয়?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন