এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • রবীন্দ্রনাথ বিষয়ে নির্মোহ বিশ্লেষণ-

    tatin
    অন্যান্য | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ | ৩৫০৮০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pinaki | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:১১532892
  • আমি এফেক্টটা দেখেছি। কিন্তু আমি তো এনাদের লেখাপত্র সেরকম পড়িনি। কাজেই তাত্বিক সাপোর্টটা আমি ব্যাখ্যা করতে পারবো না।

    আমার বাড়ীতে আমার এক পিসী, এক পিসতুতো বোন, আর এক খুড়তুতো বোন বিয়ে টিয়ে না করে মিশন আর চাকরি নিয়ে দিব্য আছে। এদের মধ্যে দুজন তো খুবই কম্পোজড। যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, স্বাবলম্বী প্রকৃতির। এবং আমি যা বুঝি এর পিছনে মিশনের একটা বড় ভূমিকা আছে। আর সেটা শুধু বড় প্রতিষ্ঠান বলে নয়।
  • hu | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:১২532893
  • মেয়েদের মাতৃরূপে দেখা নাকি তাকে সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া। অথচ যৌনতা ব্যাপারটাকে পুরো পাশ কাটিয়ে দিয়ে এই মাতৃরূপটা সম্ভবই না। যৌনতাকে তীব্র ঘৃণা করে, তাকে পাপ বলে কি ভাবে মাতৃরূপের আরাধনা সম্ভব? নাকি আমার বুঝতে ভুল হচ্ছে?
  • dukhe | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:১৫532894
  • nk, সন্ন্যাসিনী তো সন্ন্যাসীর তুলনায় দুর্লভ বটেই, কী আর করা যাবে।
    তবে রা কৃ মি-র সাধারণ কর্মকাণ্ডে মেয়েদের সমস্যাও অ্যাড্রেস করা হয় তো। মেয়েদের বিভিন্ন ট্রেনিং হয়। চিকিৎসা বা ত্রাণ তো আছেই।
    একটা সঙ্ঘ। সাধ্যমত চেষ্টা করছে। এই তো ব্যাপার।
  • aranya | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:১৫532896
  • রিমি দেখছি একটা সুইপিং জেনেরালাইজেশন করেছেন, বাঙালী ও ভারতীয় সংসারী পুরুষদের সম্বন্ধে, নিশির পর্যবেক্ষণকে সাপোর্ট করে - হ্যালাভেলা বালক, স্ত্রী ছাড়া অসহায় ইত্যাদি ;-)।
    ঠাট্টাই হবে। মানুষ এক গভীর মেধাসম্পন্ন প্রাণী, জটিল মানসিক গঠনের অধিকারী। তাকে কি আর এত সহজে কোন ছকে ফেলে দেওয়া যায় !
  • aka | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:১৫532895
  • এ মা সেই মা নয় রে ফাগোল। এ হল সেই মা জগৎমাতা, জগদম্বা।
  • nk | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:১৬532897
  • হু, মনে হয় অন্যরকম মা এর কথা বলা হচ্ছে। মানে কিনা সেই মা, যিনি ক্ষুদ্র হামিং বার্ড মা থেকে বিরাট নীলতিমি মা, সব মায়ের হৃদয়ে অধিষ্ঠিত সেই মায়ের স্পিরিট।
    আমার ভুলও অবশ্য হতে পারে, এভাবে ভাবলে একটা ধরতাই পাই, তাই এভাবে ভাবি। :-)
  • aka | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:১৭532899
  • রামকেষ্ট মা বলতে এক কালিকেই বুইতেন।
  • dukhe | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:১৭532898
  • যৌনতা পাপ হল কোথায় ? ডিস্ট্র্যাকশন। ঈশ্বরলাভের পথে। কত আর বোঝাই রে বাবা।
  • nk | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:১৮532900
  • আরে অরণ্য, শুধু কি স্ত্রী? বাল্যে মাতা,যৌবনে স্ত্রী, বার্ধক্যে কন্যা। তিন আশ্রমের তিন অধিদেবতা। দাড়িদাদু কয়েছেন। :-)
  • hu | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:২৩532902
  • জগৎমাতা যৌনতা করেন নি? তাহলে মা হলেন কেমন করে? আর জগৎপিতাই বা বাপ হলেন কি করে? মোদ্দা কথা যদি বাৎসল্যকে পুজো করি তাহলে তার উৎসকে ঘৃণা করলে চলবে?

    আমি ওমনাথের পয়েন্টটা বুঝেছি। সেই যৌনতাসর্বস্ব যুগে ওনার এই উপদেশ স্বাভাবিক। মানুষের উপকার হয়েছে। কিন্তু সেই সময়ে সেই বিশেষ কারনে প্রাসঙ্গিক হলেও এখন তো সেটার মধ্যে যুক্তি খুঁজে পাচ্ছি না।
  • aka | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:২৬532903
  • এই যদি বুঝব তাহলে এদ্দিনে বাণী দিতাম তো, আর সকলে ঠাকুর ঠাকুর করত। আহা ভাবলেই রোমাঞ্চ হয়।
  • rimi | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:২৮532904
  • আর ইয়ে, কালিও কিছু কম যৌনতা করেন নি।
    আমাদের যে শিব ঠাকুর, কিম্বা দুগ্গা - তাদের গপ্পগুলো একবার মনে করো তো?

    ধর্মে সবই উলটোপাল্টা সেল্ফ ক¾ট্রাডিকটরি জিনিশপত্রে ভর্তি। শুধু হিন্দু ধর্ম বলে নয়, সব ধর্মেই। আর খুবই স্বাভাবিক, কারণ ধর্মের উৎপত্তিই হয়েছে অজ্ঞানতা থেকে।
  • nk | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:২৮532905
  • আরে হু, জগৎ তো সংকল্পসম্ভব, খুব উঁচাস্তরের ব্যাপার। :-)

    প্রাণীকুল মৈথুনসম্ভব, কেন জানি বেচারারা তাতে খুব লজ্জা পায়। :-)
    কেজানে বিবর্তনবাদীরা কী বলেন এই ব্যাপারে।
  • Tim | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:২৯532906
  • ক্ষি মুশকিল সবাই তো জগৎমাতার অংশ, মায় জগৎপিতাও। সেক্ষেত্রে আর যৌনতার প্রয়োজন কি? (কালো চশমা ইমোটিকন)
  • dukhe | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:২৯532907
  • "ঐরূপে পূর্ণাভিষেক গ্রহণ করাইয়া অবধি ব্রাহ্মণী কত প্রকারের অনুষ্ঠান করাইয়াছিল, তাহার ইয়ত্তা হয় না। সকল কথা সকল সময়ে এখন স্মরণে আসে না। তবে মনে আছে, যে দিন সুরতক্রিয়াসক্ত নরনারীর সম্ভোগানন্দ দর্শনপূর্বক শিবশক্তির লীলাবিলাসজ্ঞানে মুগ্‌ধ ও সমাধিস্থ হইয়া পড়িয়াছিলাম, সেই দিন বাহ্যচৈতন্য লাভের পর ব্রাহ্মণী বলিয়াছিল, 'বাবা, তুমি আনন্দাসনে সিদ্ধ হইয়া দিব্যভাবে প্রতিষ্ঠিত হইলে, উহাই এই মতের (বীরভাবের) শেষ সাধন !'... দীর্ঘকালব্যাপী তন্ত্রোক্ত সাধনের সময় আমার রমণীমাত্রে মাতৃভাব যেমন অক্ষুণ্ন ছিল, তদ্রূপ বিন্দুমাত্র 'কারণ' গ্রহণ করিতে পারি নাই। কারণের নাম বা গন্ধমাত্রেই জগৎকারণের উপলব্ধিতে আত্মহারা হইতাম এবং 'যোনি'-শব্দ শ্রবণমাত্রেই জগদযোনির উদ্দীপনায় সমাধিস্থ হইয়া পড়িতাম। '

    ল্যান, কোথায় ঘৃণা খুঁজে বের করুন। আমি ঘুমোইগে।
  • ranjan roy | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০০:৫৫532908
  • শুরুতে আমি নিজ্জের বায়াস্‌টি বলে দিই। আমি রামকৃষ্ণ পরমহংসের ব্যাপারে একদম বায়াস্‌ড, কাজেই--।
    বছর দুই আগে একটি টইতে কোন একজন গুরু রা কৃ কে
    নারীমুক্তির মার্গদর্শক গোছের বলায় আমার পিত্তি জ্বলে গেছল। তখন পাঁচ খন্ড কথামৃত থেকে অধ্যায়, পাতা সব কোট করে ওনার নারীজাতির সম্বন্ধে derogatory মন্তব্য গুলো তুলে দিয়েছিলাম। সংখ্যায় খুব কম নয়। পাই বা সিকি একটু চেষ্টা করলে সেগুলো তুলে দিতে পারবে। নইলে ইন্দ্রাণী কথামৃত পড়ছেন, নিজে মিলিয়ে নেবেন।
    তখন আহত ভক্তজন আমাকে বল্লেন- শুধু কথামৃত থেকে বল্লে হবে? ওটা তো প্রামাণিক নয়, ওতো শ্রীম'র লেখা। আপনি
    "'লীলাপ্রসঙ্গ'' থেকে কোটেশন দিন, দিকি!
    আমার বিনীত বক্তব্য ছিল যে কথামৃতে শ্রীম দিন তারিখ সব শুদ্ধু রেকর্ড মেন্টেন করেছ্যেন। ad verbatim। এর চেয়ে বেশি প্রামাণিক কি হবে!
    যাকগে, কোন কোন গুরু দু'একটি উক্তি তুলে নারীকে জগন্মাতার অংশ বক্তব্য দেখিয়ে সেটাইকেই রা কৃ'র নারীর মূল্যায়ন বলে দেখাতে চেয়েছেন।
    এভাবে " যে ঘরে নারীর পূজো হয়--' ইত্যাদি বিখ্যাত শ্লোকটিকে কোট করে মনুকে নারীপ্রগতির ধারক কেউ কেউ বলেন। ভুলে যান- নারীকে মনু স্বতন্ত্র ভাবতেই পারতেন না। বাল্যে পিতা,
    যৌবনে স্বামী এবং বার্ধক্যে পুত্রের রক্ষণাবেক্ষণে থাকার বিধান দিয়ে গিয়েছিলেন।
    একইভাবে তুলসীদাসের রাম-সীতা নিয়ে উত্তরভারতে নারীপুরুষ গদগদ; তাঁরা ভুলে যান যে গোস্বামীজি সাধারণভাবে নারীদের কি ভাবে দেখতেন তার জন্যে
    "" চোর-ঢোর-গাঁওয়ার-শূদ্র অউর নারী,
    এ তিন হ্যায় তাড়ণ অধিকারী''-দোহাঁ যথেষ্ট।
    ওসব যাক। ঠাকুরকে নিয়ে টানাটানি কেন করছি।
    আমার আপত্তি উনি লোকশিক্ষে দিতে গিয়ে যে আদর্শ জীবনের উদাহরণ দিয়েছেন, সর্বত্র নারী, বিশেষত: নারীশরীর নিয়ে নেগেটিভ উদাহরণ দিয়েছেন।
    না, উনি শুধু মুক্তিকামী পুরুষদের জন্যে উপদেশ দিয়ে যাননি, এটা বলা ওনার বক্তব্যকে বিকৃত করা, ভক্তের দিক থেকে হলেও। উনি সমস্ত গৃহীভক্তদেরও আদর্শ জীবন যাপন নিয়ে মার্গদর্শন দিতেন।
    উদাহরণ: একটি দুটি ছেলেমেয়ে হলে স্বামী-স্ত্রীকে ভাইবোনের মত থাকতে হয়।
    সব ধর্মেই ধর্মাচার্যরা শুধু পারলৌকিক নয়, ইহলৌকিক ব্যাপারেও ভক্তদের পরামর্শ দিতেন। আজও দিয়ে থাকেন। রা কৃ, বা তাঁর মিশনের সাধুরা কোন ব্যতিক্রম নয়। আমার বাবা-মা-দিদি-পিসি সব মিশনের মন্ত্রদীক্ষিত। আমি নিজে স্কুল লেভেলে ওদের হোস্টেলে থেকে পড়েছি।
    কিন্তু আমরা আলোচনা করব উনি কি বলে গেছেন তা নিয়ে।
    উনি সুপ্রীম। তাহলে উনি শুধু পুরুষদের জন্যে বলেছেন, আর কেউ (কোন মা) নারীদের জন্যে বলবেন-- এ কেমন কথা! উনি নিজেও এমন শ্রেণীবিভাগ করে যান নি।
    তবে ওনার বক্তব্যে নারীশরীর নিকৃষ্ট কেন? পুরুষশরীরের উদাহরণ নেই কেন?
    মুক্তির অধিকার কি শুধু পুরুষের?
    যেমণ --১) মা সব দেখিয়ে দিলেন। দেখলাম - বুড়ি মাগী, ধামা পোঁদ, পড় পড় করে হাগছে। সব ওই যশ, প্রতিষ্ঠা, অর্থ--।
    ২)সর্বত্র তিনি বিরাজমান, কুক্কুরীর যোনিতেও( কুক্কুরের লিঙ্গে নয়?)।
    ৩) দুখে উদাহরণ দিয়েছেন-- মহাশয়, তবে কি নারীকে ঘৃণা করিব? ইত্যাদি। আমি বলি কথামৃত আরো দেখুন, সেখানে স্ত্রী শারীরিক মিলন চাইলে তাকে শালী বলে গাল দিয়ে তাড়া করার উপদেশ আছে।
    ৪)গদাধর ভিক্ষে নিয়েছিলেন তাঁর ধাইমা ধনী কামারণীর কাছে। কিন্তু পরে জাতপাতের কথা ওঠায় " ধনীর বাড়িতে খেতে দিল, কিন্তু ডালে কেমন কামারে-কামারে গন্ধ' বলতে আটকায়নি।
    ৫)যখন ঠাকুরের শিষ্য গিরিশ ঘোষ তাঁর নাটকের দলের
    সঙ্গীদের সঙ্গে মিলে মিনার্ভা থিয়েটার বাঁচাতে বিনোদিনী
    দাসীকে লালা গুর্মুখ রায়ের কাছে ইচ্ছার বিরুদ্ধে শরীর বেচতে বাধ্য করলেন, ঠাকুর নির্বিকল্প নিরাকার। বিনোদিনীকে গিরীশ
    ঘোষেরা লোভ দেখালেন, থিয়েটার বিনোদিনীর নামে হবে। সেখানেও বিশ্বাসঘাতকতা করলেন শিষ্যপ্রবর,( যাঁকে বন্ধু নরেন দত্ত বলতেন, শালা থিয়েটারে মাগী নাচিয়ে বেড়াস্‌!)।
    তারপর রা কৃ যখন মাথায় হাত রেখে বলেন-- মা, তোর চৈতন্য হোক্‌, তখন
    সারা দুনিয়ার কাছে প্রবঞ্চিত মেয়েটির চোখে জলের ধার নামবে এতে ঐশ্বরিক কিছু নেই। দেবযানী ভেবে দেখুন।
    ডি: ১)বই না দেখে লেখায় কোটেশনে কমা-ফুলস্টপ ভুল হতে পারে। কিন্তু কনটেন্ট ভুল হয় নি।
    ২) টই হাইজ্যাকিত; এটার নাম্বার ২ শুরু হলে নারী সম্বন্ধে বাংগালীর রোমান্টিক চেতনার মুক্তি রবীন্দ্রনাথে, কবিতায় ও ছোটগল্পে, এমন একটা বক্তব্যের পক্ষে মোহাচ্ছন্ন হয়ে লড়ে যাব, এমনি ইচ্ছে আছে।
  • rimi | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০১:০২532909
  • রঞ্জনদার পোস্টে সুপারলাইক দিয়ে গেলাম।
  • ranjan roy | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০১:০৬532910
  • নারীর পূর্ণতা কিসে? শুধু মা হওয়ায়? গর্ভধারণই নারীত্বের চরম ও পরম? মাতৃরূপে দেখাই নারীকে সর্বোচ্চ সম্মান দেয়া? এগুলো পুরুষসমাজের তৈরি গুল্প নয়।
    সরি! আমি গুচ'র যত চন্ডালী আছেন-- দেবযানী, দু, রিমি, দময়ন্তী, পাই নীনা ইত্যাদি ইত্যাদি কাউকেই মাতৃরূপে দেখতে অক্ষম। কিন্তু এদের সবাইকেই সমান মানুষ ( আমার থেকে না উঁচু, না নীচু) হিসেবে ভাবতে সক্ষম।
    আর যদি প্রথম বিকল্প সত্যি হয়, তাহলে বাপ হওয়া সমস্ত
    পুরুষের সর্বোচ্চ সম্মান। মেয়েদের গর্ভবতী করাই প্রধান কর্তব্য! এখানেও আমি ফেল। কারো বাপ হতে চাই নে, বন্ধু সাথী হতে চাই।
  • hu | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০১:১৯532911
  • রঞ্জনদাকে অনেকগুলো লাইক দিয়ে গেলাম।
  • I | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০১:২৪532913
  • আম্মো।
  • aka | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০১:২৭532914
  • জ্জিও রঞ্জনদা।
  • Tim | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০১:৩০532915
  • এইবার তাও কিছু রেফারেন্স এসেছে। রঞ্জনদা গুজ্জব।
  • ranjan roy | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৩:২৪532916
  • কিছু রেফারেন্স:
    ক) কামিনী-কাঞ্চন( লক্ষ্য করুন, কাম-কাঞ্চন নয়) যোগের ব্যাঘাত। এটা ঠাকুরের একটি মূল থিম, বারবার ঘুরে ফিরে এসেছে। তবে এটা হিন্দুধর্মে ( এবং অন্যান্য ধর্মে) আগে থেকেই আছে।
    কথামৃত( প্রথম খন্ড থেকে):
    ১) ২৪/৮/১৮৮২ রক্ত-মাংস-চর্বি-নাড়িভুঁড়ি-কৃমি-মুত্র-বিষ্ঠায় নারীশরীর।(প্রশ্ন: পুরুষশরীর?)
    ২)২৮/৮/৮২
    পুরুষদের হরিনাম মুখী করতে প্রচার কৌশল হল-"" মাগুর মাছের ঝোল, যুবতী মেয়ের কোল, বল হরিবোল।''
    ( প্রশ্ন: নারীদের মন হরিব্‌নামের দিকে নিতে কি ফর্মূলা?)
    ৩)১৪/১২/১৮৮২
    বদ্ধজীব কামিনীকাঞ্চনে আসক্ত,-- কলংকসাগরে মগ্ন।
    মেয়েমানুষের সঙ্গে থাকলে শক্তি লোপ?
    নারীকে ঘৃণা? --ঈশ্বরলাভের পর মাতৃজ্ঞানে দেখা যায়। (ঈশ্বরলাভের পূর্বে?)
    ৪) ৯/৩/১৮৮৩
    নিত্যগোপালকে-- ভক্ত হলেই বা-- মেয়েমানুষ কিনা, তাই সাবধান।
    স্ত্রীলোক যদি খুব ভক্তও হয়- তবুও মেশামেশি করা উচিৎ নয়। জিতেন্দ্রিয় হলেও।
    ৫) ২৮/১১/১৮৮৩ এবং ৫/১/১৮৮৪বে্‌ত
    কামিনীকাঞ্চন ত্যাগ, জমিন-জরু-টাকা ত্যাগ ও কৃমি-বিষ্ঠাব ইত্যাদি।
  • ranjan roy | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৩:৩৩532917
  • ৫) ২৫/৫/১৮৮৪:
    সন্ন্যাসী নারী হেরবে না, মেয়েদের সঙ্গে আলাপ না, লোকশিক্ষার জন্যে।( তাহলে মেয়েদের মুক্তি কি করে হবে? ওদের কে শিক্ষা দেবে? না কি দরকার নেই?)
    ৬) ৩০/০৬/১৮৮৪
    সংসারে নষ্ট স্ত্রীর মতো থাকবে। নষ্ট স্ত্রী বাড়ির সব কাজ খুব মন দিয়ে করে, কিন্তু তার মন উপপতির উপর রাতদিন পড়ে থাকে।
    ৭) ২/১০/৮৪
    সন্ন্যাসীর পক্ষে টাকা লওয়া বা লোভে আসক্ত হওয়া কিরূপ জানো? যেমন ব্রাহ্মণের বিধবা অনেক কাল হবিষ্য খেয়ে ব্রহ্মচর্য্য করে বাগদী উপপতি করে ছিল( সকলে স্তম্ভিত)।
    ৮) ৫/১০/৮৪
    আমি মেয়ে বড় ভয় করি। দেখি বাঘিনী যেন খেতে আসছে। আর অঙ্গ, প্রত্যঙ্গ, ছিদ্র খুব বড় করে দেখি। সব রাক্ষসীর মত দেখি। হাজার ভক্ত হলেও মেয়েমানুষকে বেশিক্ষণ কাছে বসতে দিই নে।
  • rimi | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৩:৩৯532918
  • অনেক ধন্যবাদ রঞ্জনদা। আমার কাছে কথামৃত নেই, তাই এই রেফারেন্সগুলো দিতে পারি নি। কিন্তু পড়ার পরের ইমপ্রেশনটা পরিষ্কার মনে আছে: শ্রী শ্রী ঠাকুরের কাছে মেয়েমানুষ হল এক সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেন। এমনকি মাতৃরূপে দেখাটাও ঠিক মেয়েদের মহত্বের জন্যে নয়, কোনো পুরুষ নিজে মহৎ হলে ই মেয়েদের মাতৃভাবে দেখতে পায়। এতে মেয়েদের কোনো ক্রেডিট ঠাকুরজি দিয়েছেন বলে আমার মনে হয় নি।
  • ranjan roy | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৩:৫৩532919
  • ৯) ৫/১০/৮৪
    আবার কারু কারু তাকে সামলাতেই প্রাণ বেরিয়ে যায়। পাঁড়ে জমাদার খোট্টা বুড়ো। তার চৌদ্দ বছরের বৌ। বুড়োর সঙ্গেই তাকে থাকতে হয়। গোলপাতার ঘর। গোলপাতা খুলে খুলে লোক দেখে। এখন মেয়েটা বেরিয়ে এসেছে।

    একজনের বৌ, কোথায় রাখে এখন ঠিক পাচ্ছে না। বাড়িতে বড় গোল হয়েছিল।

    খ)দ্বিতীয় খন্ড:
    ১)১২/৪/৮৫
    মেয়েদের ভেতর বার সমস্ত দেখতে পেলাম-- যেমন কাচের ঘরে সমস্ত জিনিস। নাড়ি-ভুঁড়ি, রক্ত-কফ----।
    ২)
    অমনি দেখিয়ে দিলে। সামনে এসে পেছন ফিরে উবু হয়ে বসলো -- একজন বুড়ো বেশ্যা-ধামা পোঁদ--কালাপেড়ে কাপড় পরা--পড় পড় করে হাগছে। মা দেখিয়ে দিলেন যে সিদ্ধাই এই বুড়ো বেশ্যার বিষ্ঠা।
    ৩) ১২/৪/৮৫
    গুরুগিরি বেশ্যাগিরির মত। অর্থাৎ সাবি এখন বেশ্যা হয়েছে তাই সুখ ধরে না। আগে সে ভদ্রলোকের বাড়ির দাসী ছিল, এখন বেশ্যা হয়েছে।
    ৪) মেয়েমানুষের কি মোহিনীশক্তি, অবিদ্যারূপিণী মেয়েদের। পুরুষগুলোকে যেন বোকা, অপদার্থ করে রেখে দেয়। যখনই দেখি স্ত্রী-পুরুষ একসঙ্গে বসে আছে, তখন বলি,-আহা, এরা গেছে। হারু এমন সুন্দর ছেলে, তাকে পেত্নীতে পেয়েছে।
    ৫) উমেদারের কাজ হচ্ছিল না। গোলাপ বড়বাবুর রাঁঢ়, ওকে ধরে কাজ হয়ে গেল।

    গোটা ছবিটা দেখার পরে আর আলাদা করে নারী-নরলের-দ্বার বলার দরকার আছে কি?

    এবার মেয়েরাই বুঝবেন ঠাকুরের নারীশক্তির কতটা কী ছিলেন।
    আমি হরিদাস পাল ঘুমোতে গেলাম।
  • ukil | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৭:০৮532920
  • রন্‌জন দা, পুরো 'লাস্ট সিনে ধিসুম মারে গুরু'। কেস যখন অলমোস্ট ক্লোস্‌ড, তখন এক্টু ভগবানের ওকালতি করা যাক।
    দুটো জিনিস, ক) আর-কে র ওয়ার্ল্ড ভিউ খ) মেয়েদের হেয় করা। প্রচুর কথা খ) কে ঘিরে শুরু। ক) একটা জিনিস ক্লিয়ার, উনি সেক্স জিনিসটা দুচোখে দেখতে পারতেন না। ফাইন। ওনার মতে দুনিয়ার জাবতীয় মেয়ে হেলেনের ঠাকমা, চোখ তুলে তাকালেই, ইয়ে মেরা দিল শুরু করে দেবে। সমাজকে উনি সেই বুঝে প্রেস্ক্রিপ্‌শন দিলেন। ভুল ওষুধ, ফালতু। কিন্তু এখানে হেয়-র ব্যাপার নেই।

    খ) নিয়ে তাতিন আর দুখের পয়েন্ট কিন্তু যাস্ট ভ্যালিড। (যদিও আমি নিজেই খিল্লি করেছি, ) পয়েন্ট টা খুব সিম্‌প্‌ল, মেয়েরা ডিস্ট্র্যাকশান, মেয়েদের কাছে যাস না। এখানে অবমাননা কোথায়? আমি নেমের পোস্ট দেখলেই ঝাপিয়ে পড়ে তর্ক করি, আমার সময় নষ্ট হয়, আমি গুরু করব না-তো?? আপনার লাস্ট সব কটা কোট কিন্তু মোটামুটি একি লাইনে। যেগুলো একটু হটকে - একটা হল (৩:৩৫) র ৪)। এখানেও কিন্তু দ্বিতীয় লাইনে সাবজেক্ট টা 'মোহিনীশক্তি' না 'নারী' ক্লিয়ার নয়। টু বি নোটেড 'এরা(বোল্ড) গেছে)' আর একটা হল ৩:৩৩ এর ৮) এটা পিওর ফোবিয়া। খুব অদ্ভুতুরে, কিন্তু ফোবিয়া। পার্সোনাল ফিয়ার। অবমাননা কোথায়?
  • ukil | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৭:১০532921
  • মেয়েকে কি কি ভাবে হেয় করা যায়, অর ফর দ্যাট ম্যাটার যে কোন মানুষকে? কোন একটা পাওয়ার এসিমেত্রির ভিত্তিতে। 'তুই মোটা রোগা, হাঁদা, গরীব' মেয়েদের ক্ষেত্রে? সিরিয়াসলি দেখলে বিশেষ কিছু নেই, সেই এক 'অংকে কাচা, শুধুই পি-এন-পি-সি বিশারদ একটা বিস্লেষন-শক্তি হীন টোটাল ফাল্‌তু।' ঠিক এই লাইনে ভুরিভুরি কোট আছে, নিতসে শোপেন্‌হাউয়ার সেক্সপীয়র গৌতম বুদ্ধের। আজকে ডকে দাড়ালে এক মিনিটে ইন্ডাইক্টমেন্ট। কিন্তু আর-কে কে ধরা যাচ্ছে না, পিছলে যাচ্ছে। এট লিস্ট এই উপরিউক্ত কোটের ভিত্তিতে ধরা যায় না। হয়তো অন্যত্র আরো প্রমান আছে।

    আর একটা জিনিস, হয়তো সেই রকম ডাইরেক্ট প্রমান পাওয়া শক্ত। আবার সেই ক্ষমতার কাজিয়া-পাশ্চত্যে 'নলেজ' আকাংখাও (আধ্যাতিক ও বস্তুগত) ক্ষমতা লাভের বোধ থেকে আসে(রাসেল)। স্পিনোজা ও অন্য অনেক হনুর ভগবান হল একটা এনালিটিক ট্রুথ যাকে সলভ করতে হবে, বিমুর্ত, গাট ইকুয়েশান। আর কে র ভগবান পেগান, ওরিএন্টাল, ফেমিনিন। (এই তিনটে জিনিস সাধারনত ইন্টারচেনজেব্লি ব্যবহার করা ইনভ্যালিড যদিও হয়, তবে এই প্রেক্ষিতে হয়ে্‌তা না) উনি অন্য অনেক পাওয়ার ইকুএশানের মত এই বৌদ্ধিক সমিকরনেরো বাইরে। উল্টোদিকে যেখানে ইশ্বর লাভের ঘ্যাম টাও আসলে একটা বেসিক এনালিটিকাল প্রাওয়েস এর সাথে লিন্‌ক্‌ড, আর কে র ক্ষেত্রে তা আলাদা।
    -ঋদ্ধি।
  • dukhe | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৮:১৩532922
  • রঞ্জনদা আর আমি একই উদাহরণ (১৪/১২/১৮৮২) থেকে দুরকম ইন্টারপ্রিট করছি দেখতেই পাচ্ছি। যেমন ঐ উদাহরণে পিনাকীর আর আমার ইন্টারপ্রিটেশন মেলে নাই। রঞ্জনদা নিজের বায়াসের কথা বলেছেন। তাহলে আমার নির্ঘাত উল্টো বায়াস আছে। তো নিজের নিজের বায়াস অনুযায়ী একই সংলাপে নারীকে শ্রদ্ধা ও ঘৃণা দেখছি মনে হয়।

    বায়োলজিকাল মা হওয়াই নারীত্বের চরম - আমার মতে এই ধারণার ওপর একটি চপেটাঘাত হলেন সারদামণি।

    তবে কত আর লিখব। পূর্বনির্ধারিত অবস্থানগুলি তক্কে পাল্টাবে বলে মনে হয় না।
  • ranjan roy | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৮:২৭532924
  • উকিল,
    চমৎকার বলেছেন। আমার সব বক্তব্য এক লাইনেই। সেটা হল কেউ সেক্সকে দু'চক্ষে না দেখতেই পারেন। তাতে কারো অবমাননা হয় না। হয় জেন্ডার বায়াসড্‌ কমেন্ট হলে। কোথাও তো দেখছি না যে নারীদের জন্যে পুরুষেরা ডিস্ট্রাকন্‌শন! যখন দুই বন্ধুর কোন একজনকে তার বাবা ডেকে বলে-- অমুকের সঙ্গে মিশবি না, তাহলে গোল্লায় যাবি, পড়াশুনো নষ্ট হবে।
    তখন সেই বাবা, বাই ইমপ্লিকেশন,ছেলের বন্ধুটির অসম্মান করেন।
    উনি যখন মানুষের জন্যে পরিত্যাজ্য জিনিসের লিস্টি করেন তখন পুরুষ শরীরের উদাহরণ কেন নেই? একবার ও?
    ভদ্রবাড়ির দাসীর চাকরি ছেলে বেশ্যা হয়ে সাবি'র সুখ হয়েছে বলে উনি নারীদের মানসিকতার কী ছবি আঁকলেন?
    গোটা ব্যাপারটা জুড়ে নারী এক হীন প্রবৃত্তিসম্পন্ন প্রজাতি -এই ছবিই ফুটছে না কি?
    বোকাসোকা পুরুষ আর মোহিনীশক্তি সম্পন্ন নারীর উদাহরণটাই দেখুন।
    আপনারা খুব বেশি সেমান্টিক নিয়ে বলছেন। কিন্তু আমি তো গোদা বাংলাতেই ব্যাপারটা এরকম দেখছি যে কাউকে অন্যের ডিস্ট্রাকশন বলা মানেই দ্বিতীয়জনকে প্রথমের তুলনায় নেগেটিভ চিত্রিত করা। এগুলো কখনৈ vice versa নয় কেন?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে প্রতিক্রিয়া দিন