এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আমেরিকায় দশ বছর।

    Monorama Biswas
    অন্যান্য | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ | ৪০৬৭৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২৩:১৫485391
  • পিনাকীদা এটা কী বল্লে ? এদেশে সাপোর্ট সিস্টেম আছে, দেশে তাই কিছু নেই ?
    নি:সঙ্গতা, সাপোর্টের অভাব এদেশেও ভাল মতন আছে। আর সেভাবে দেখতে গেলে আশে পাশে পাড়া প্রতিবেশী লোকজন, সেরকম সাপোর্ট দেশে অনেক পাওয়া যায়, অনেক ক্ষেত্রেই।
  • pi | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২৩:১৯485402
  • টিম, :)
  • Tim | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২৩:২০485413
  • হ্যাঁ এইটা আমারো মনে হলো। নি:সঙ্গতার ওষুধ বরম আমাদের দেশেই আছে, এদেশের হাল খুবই খারাপ।
  • aranya | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২৩:২২485435
  • পিনাকীকে - সোদপুরের ঘটনাটা আমাকেও খুব নাড়া দিয়েছে, একটা সময় বলা হত ভাগ্যবান মানুষ জাপানে শৈশব, আমেরিকায় যৌবন, ভারতবর্ষে বার্ধক্য কাটায়, খুব বেশী দিন আগের কথাও নয় :-(
    তবে আমেরিকা-তেও অনেক সময়েই দেখেছি, ছেলে মায়েরা বুড়ো বাবা মায়ের যথেষ্টই দেখাশোনা করে, এক বাড়ীতে না থাকলেও। তেমন প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে মেয়ে চাকরী থেকে ছাঁটাই হলে আবার বাবা মার সাথে থাকতে আসছে, খরচ কমানোর জন্য - মানে মার্কিন সমাজকে যতটা আত্মকেন্দ্রিক মনে হয়, ততটা একেবারেই নয়।
  • Nina | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২৩:২২485424
  • নি:সঙ্গতা এদেশে ও ভয়াবহ---এখানেও এরা এদের মতন করে কষ্ট পায়। আমার তো মনে হয় আমাদের দেশের চেয়েও বেশি কষ্ট এখানে এই একাকীত্বের।

    আসলে বৃদ্ধ-বয়সটা ই বোধহয় এমন--সাধে কি আর বুদ্ধ জড়া (বানাম জানিনা ) দেখে ভয় পেয়েছিলেন!
  • aka | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২৩:২৩485446
  • এটা হল দেশের সামাজিক চেতনা - বাবা মা এক্সপেক্ট করে ছেলে মেয়ে দেখবে (দেখার আসল মানে হল একসাথে থাকবে), বিয়ে থা হলে নাতি নাতনি উপহার দেবে ইত্যাদি। বিশেষত বৃদ্ধ বয়সে যাঁদের নিজেদের কোন অ্যাসোসিয়েশন তৈরি হয় না তাঁদের এই বোধগুলো আরও বেশি। এই অভাব বোধের জন্য কাউকে ইন্ডিভিজুয়ালি দায়ি করা যায় না, কিন্তু আছে, আর সেটা সেন্সিটিভ ছেলে মেয়েদের মনে একধরণের গিল্টি ফিলিং তৈরি করে। সোদপুরের পার্টিকুলার কেসটিতে ওনারা মেয়ে অকালে মারা যাবার পরে পার্পেচুয়াল ডিপ্রেসনে ভুগছিলেন।
  • pinaki | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২৩:৩৬485457
  • হ্যাঁ সেটা হতে পারে। রঙ্গলালের প্যারডিটা হয়তো আমি যে কনটেক্সটে বললাম - সেখানে প্রাসঙ্গিক নয়। কিন্তু আমি দেখেছি - 'তোমরা তো শুধু নিজেদের কথাই ভাবো' - এধরণের অভিযোগের প্রতি আমরা একটু বেশীই সেন্সিটিভ। পাতি ইগনোর করতে পারি না। কোনো না কোনো ভাবে ডিফেন্সিভ হই। সাধারণভাবে তার কারণটা ঐ সুপ্ত অপরাধবোধ বলে আমার মনে হয়েছে। সেটা খুব একটা অস্বাভাবিকও নয়। আমরা তো কেউ বোকা নই। রিয়েলিটি কি, বিদেশে থাকলে আজ বাদে কাল দেশে থাকা বাবা মার, বা দেশে থাকলে আরও একটু এগিয়ে নিজেদের বৃদ্ধ বয়েসে পরিণতি কি হবে - সে নিয়ে আমরা কিছুই ভাবি না - এমন তো নয়। সেগুলো কোথাও ব্যাক অফ দ্য মাইন্ড কাজ করে বলে মনে হয়।
  • pi | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২৩:৩৭485468
  • হুঁ।
  • pinaki | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২৩:৪৪485479
  • যেকোনো মানুষ (বৃদ্ধ বা যুবক) শেষত: একাই। আম্রিকান সমাজে মানুষ এই সত্যিটাকে আত্মস্থ করে বড় হয়। তাই বৃদ্ধ বয়েসে সে যখন সত্যি সত্যি একা হয় সেটাকে ফেস করার মত এক ধরণের মানসিক প্রস্তুতি তার থাকে। বাকীটা হল চিকিৎসা জাতীয় সাপোর্ট সিস্টেম।

    ভারতের মত দেশে এই দুটোর কোনোটাই থাকে না। তাই কাছাকাছি দেখভাল করার বা খোঁজখবর রাখার মত লোকজন থাকলে সমস্যা নেই। না থাকলে সমস্যাটা মানসিক শারীরিক - দুদিক দিয়েই আসে।
  • pi | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২৩:৪৮485491
  • আর আম্রিগায় জীবন কাটাতে না পারলে জীবনটা ষোলো আনাই বৃথা এই নিয়ে খিল্লি মানেই দেশমাতৃকার প্রতি অচলা ভক্তি, এমন কোন সহজ সরল ইক্যোয়েশন করা যায় বলে মনে হয়না।
  • pinaki | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২৩:৫৮485502
  • দেশমাতৃকার প্রতি ভক্তি ব্যাপারটা আমার কাছে একটু ফিশি। অনেক সময় আমি দেখেছি সেটা আমাদের হোম সিকনেসের বা অচেনা অজানা পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার চাপ নিতে না চাওয়ার অজুহাত হিসেবে আসে। এতে করে নিজেকে এট্টু গ্লোরিফাইও করা হয়। বাবা মা বা নিকট আত্মীয়ের প্রতি কর্তব্যের অ্যাঙ্গেলটা যদি বাদ দেওয়া যায়, তাহলে পড়ে থাকে বৃহত্তর মানব সমাজ। তার প্রতি যদি কিছু কর্তব্য করার থাকে সেটা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বসে করা যায় বলে আমর মনে হয়। আর শোষিত নিপীড়িত - ইত্যাদির কথা উঠলে সেরকম লোক পৃথিবীর সব জায়গাতেই আছে। আম্রিকাতেও ভরপুর আছে। ইচ্ছে থাকলে সেখানে থেকেই তাদের জন্য অনেক কিছু করা যায়।
  • nk | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০০:০১485507
  • দেশ মা আর বিদেশ জ্যেঠিমা। :-)
  • hu | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০০:০৭485508
  • কিন্তু আমেরিকায় কাটাতে না পারলে জীবনটাই বৃথা এমন কথা মনোরমাই বা কোথায় লিখেছেন? উনি তো ওনার বান্ধবীকে বলেছেন - বিদেশে থাকলে ইউরোপ ঘুরে দেখার সুবিধে হবে, তাই উনি বিদেশে যেতে চান। সত্যিই ভারতে/বাংলাদেশে চাকরী করে নিজের খুশী মত পৃথিবী ঘোরা চাপের আছে। যার যার নিজের মত অ্যাম্বিশন থাকে। সেটা যখন কোন মানুষ নিজের যোগ্যতায়, আন্তরিক পরিশ্রমে কার্যকরী করার চেষ্টা করছে তখন কেউ খিল্লি করলে সেই খিল্লিটাই খিল্লিযোগ্য হয়ে যায়। মনোরমার লেখা খুব ভালো লেগেছে। ওনার অনেক সাফল্য কামনা করি।
  • pi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০০:১২485509
  • এই যেমন, কালপুরুষের এই চরিত্রটি। বাস্তবে এমনি চরিত্র দেখলে আমার অনতত খিল্লি করতে ইচ্ছে করতেই পারে। তবে এক্ষেত্রে, এই সিনটা নিয়েই আমি খিল্লি করে থাকি। কারণ আমার ধারণা এটা ঠিক বাস্তব না। বাস্তবে এরকম আদেখলাপনা দেখা যায় না। তবে আমার দেখার বাইরে সত্যিই এমনই থাকতে পারে। ইন ফ্যাক্ট এখনি এক পরিচিতের কথা মনে পড়লো। এতটা না হলেও কাছাকাছি :)

  • rimi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০০:২০485510
  • হ্যাঁ, মানসিক প্রস্তুতি ব্যপারটাই আসল। ভারতে সাধারণত কিন্তু বাবা মায়ের দেখভালের এক্সপেক্টেশনটা ছেলের কাছে থাকে, মেয়ের কাছে নয়। তাই মেয়ের বাবা মা দের (মানে যাদের একেবারেই কোনো ছেলে নেই) একাকীত্ব ইত্যাদি নিয়ে আক্ষেপ্ত করতে অনেক কম শোনা যায়।
    ব্রততীর আবৃত্তি করা কোনো একটা কবিতায় একবার একটা লাইন শুনেছিলাম, "ছেলে ভালো হলে আমেরিকা কেড়ে নেবে" বা এই জাতীয় কিছু। মেয়েদের ক্ষেত্রে, মেয়ে ভালো হলে আমেরিকা কেড়ে নেয়, তেমন ভালো (মানে পড়াশুনায়, অর্থাৎ কি না রেজাল্টে :-)) না হলে শ্বশুরবাড়ি কেড়ে নেয়।

    এইটা কারুর খুব আনফেয়ার মনে হয় না যে ভারতে মেয়ের বাবা মাকে সেভাবে দেখার কেউ থাকে না, তাঁরা নাতি নাতনির সঙ্গ সুখেও ছেলের বাবা মার তুলনায় অনেক বেশি বঞ্চিত?
  • Su | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০০:৩৬485511
  • আমরা যারা বিদেশে থাকি তাদের অনেকের গপ্পোটাই মনোরমার কাছাকাছির। হয়তো এক অন্যরকম স্ট্রাগল, তার মধ্যে দিয়েই স্বপ্নগুলোকে ছুঁয়ে চলার চেষ্টা। কারোর নিজেকে নিয়ে স্বপ্ন কারুর ছেলেমেয়েকে নিয়ে স্বপ্ন বা অন্য কিছুর আশা।
    আফগানী ছেলেটার মা তার ১৪ বছরের ছেলে কে অজানা নিরুদ্দেশে পাঠিয়ে দিয়েছিলো, এজেন্টের হাতে তুলে দিয়েছিলো চোরা পথে ইউকে তে পৌঁছে দেবে বলে। নইলে হয় তাকে তালিবান ধরে নিয়ে যাবে অথবা কারজাই পুলিশ মেরে ফেলবে। এই নিরুদ্দেশে যাত্রার উদ্দেশ্য তো মহৎ ই বলা যায়! তাইনা? এমন অনেক অ্যাসাইলাম সীকারের গল্পই গায়ে কাঁটা দেওয়া! আর তাদের সাকসেস স্টোরি ও।
    একথাও ঠিক আমাদের গল্প ওদের মত নয়। গরীব দেশের ট্যাক্স পেয়ারের পয়সায় পড়াশুনো করে নিজেরা ভালো থাকবো বলেই তো এসেছি এখানে। কিন্তু তার মধ্যে মহৎ না থাকুক অন্যায় ই বা থাকবে কেন? দেশে থেকে করাপশানের বটগাছ হয়ে সুখে থাকার থেকে স্ট্রাগল করে নিজের স্বপ্ন গুলো সৎ পথে ছিনিয়ে নেওয়ার মধ্যে কি তফাৎ নেই?
    ( ডি: সবাই করাপশানের বটবৃক্ষ নয় )
  • aranya | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০০:৩৯485512
  • ইকুয়েশন-টা ধীরে উলটে যাচ্ছে, আজকাল ছেলে বা মেয়ে, কেউই বাবা মা-র সাথে খুব একটা থাকে না, কিন্তু মেয়েরা বাবা মা-র বেশী দেখাশোনা করে, অনেক ক্ষেত্রেই।
    পিনাকীর ১১:৫৮ পিএম-এর পোস্ট ভাল লাগল।
  • Nina | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০০:৪০485513
  • A son is your son, till hegets his wife, a daughter is your daughter, till the end of her life :-))
    কোনও বিজ্ঞজন বলে গেছেন
  • kk | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০০:৪৩485514
  • এই টইটা পড়ে আমি কতগুলো কথা লিখবো ভেবে খেতে গেলাম। এসে দেখি রিমি এক্স্যাক্টলি সেই গুলোই লিখে দিয়েছো।
  • Nina | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০০:৫০485516
  • রিমিকে চোখ বুজিয়ে ক্ক দেয়া যায়!
  • bibek | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০০:৫৫485517
  • সাইতদিনের লাইগ্যা বেড়াইতে আইছি দ্যাশে ফির‌্যা সব জবাব দিমু নে। মাইনষে একা একা বাচতে পারেনা আমরা সকলে মিলা এক লগে বাচি তাই ভাই বন্ধুরে ফেইল্যা চইল্যা যাওন বোকার কাম মনে করি।
  • aka | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০০:৫৭485518
  • ব্যাপারটাকে একটু ওপর থেকে দেখতে হবে।

    একদিকে গ্লোবালাইজেশন ইত্যাদির ফলে লোকজন প্রচূর বাইরে আসছে, অন্যদিকে ফ্ল্যাট বাড়ি কালচারের ফলে পাড়া ব্যপারটা দেশ থেকে উঠে গেছে (এমনকি মফস্বলেও), ফলত দেশে যারা থাকছে তাদের সোশাল লাইফটাও পনের বছর আগেও যেমন ছিল তেমন নয়। এখন এমনিতেই লোকে অনেক বেশি লোনলি, ছেলেমেয়ে বাইরে থাকাতে আরও বেশি। এর কিছু এক্সেপশন আছে, কিন্তু সেগুলো এক্সেপশনই।

    আমার মামার বাড়ির পুরো পাড়াটা এমনকি নব্বইয়ের প্রথম দিকেও একটা বাড়ির মতন ছিল। যে যার বাড়িতে যখন খুশী ঢুকে পড়তে পারত, খেতে পারত ইত্যাদি ইত্যাদি। এখন সবাই যেন কেমন আলাদা। যে পাড়া সব সময়ে জমজমাট থাকত এখন গেলে মনে হয় আমেরিকার কোন নেইবারহুডে এসেছি।

    কলকাতাতেও (বিশেষত উত্তর কলকাতায়) প্রায় একইরকম কালচার ছিল। আমার মাসির বাড়ি ছিল পটুয়াটোলায়। সেখানে মাসির বাড়ির ছাদের সাথে স্বাক্ষীগোপালদের বাড়ির ছাদ, আর তাদের বাড়ির সাথে ছাদের সাথে মন্মথদের ছাদ লাগানো। আমরা এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়ি যেতাম। সেটাও মনে হত একটাই পুরো পরিবার। এখন সেইসব বাড়ি বিক্রি রয়েছে শুধু কিছু ফ্ল্যাট। মাসিরাও উঠে গেছে অন্য একটি ফ্ল্যাটে। আমার কাছে রয়েছে পটুয়াটোলালেন জর্দার গন্ধ মাখা একতলা আর সেই লাগানো ছাদ যা এখনও ফ্ল্যাট বাড়ির জানালায় চোখ রাখলে চোখে পড়ে।
  • pi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০১:০২485519
  • হুচে, কোনো কিছুই তো অ্যাবসলিউট নয়।
    আমেরিকাকে স্বর্গ মনে হওয়া আর সেই স্বর্গে থেকে যাতে বিদায় না নিতে হয় তার জন্য প্রাণপাত করাকে তোমার আমার কি অনেকের একটা স্বপ্নপূরণ মনে হতে পারে, সাধুবাদ জানাতে পারি। কারুর কাছে সেই ইচ্ছা অ্যাবসার্ড লাগতে পারে। সে সেটা জানাতে পারে। ধরে নিচ্ছি ab সেরকমই জানিয়েছেন।

    তবে আমার নিজের মনে হয় একটা মাত্রাজ্ঞানেরও ব্যাপার থাকে। সেটা ক্রস করলে খিল্লি করতে ইচ্ছে হয়। ঐ সিনটার চরিত্রটার কথা বল্লাম তো। বাস্তবেও অমনি এক দুজনের কথা মনে পড়লো। আমেরিকা নিয়ে প্রচণ্ড হামলে পড়া ( ডি: আমি কিন্তু এই লেখাটার কথা বলছিনা)। সেগুলো নিয়ে খিল্লি করার কথা মনে হয়।
    আবার অতটা এক্সট্রীমে না গেলেও এই বিলেত আম্রিগাবাস নিয়ে শো অফ ও যথেষ্ট দেখেছি। এটা ইটসেল্ফ নিজের পরিচয় কি একটা গর্বের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সেগুলো অস্বস্তিকর লাগে। ঐ ব্র্যাণ্ডম্যানিয়া, ব্র্যাণ্ড নিয়ে শো অফ নিয়ে যেমন লাগে, অনেকটা তেমনি।
    এত বড় বড় কথা বলছি, তো নিজেও কি কিছু নিয়ে করিনা ? নির্ঘাত করি। সেটাও কারুর চোখে লাগতে পারে।
    আবার কোনো ক্ষেত্রে একজনকে যা মনে হচ্ছে, সেটা ভুলও মনে হতে পারে।
    তো, সব মিলিয়ে সবরকমের রিঅ্যাকশনই আসতে পারে। আর তাতে করে কমফোর্ট জোনে একটু ধাক্কা খাওয়াখাওয়ি ও থাকবে। :)
  • aranya | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০১:০৩485520
  • আকা নস্টালজিক করে দিল। সত্যি, কল্যাণীতে আমার ছোটবেলায়ও কি দারুণ একটা পাড়ায় বড় হয়েছিলাম - যে কোন বাড়ীতে অবাধ গতি, আড্ডা, খাওয়াদাওয়া, গল্পের বই আদান প্রদান, পাড়ার সব বাড়ীর বড়রাই কাকু, জ্যেঠু, কাকীমা, জ্যেঠিমা - কত অন্তরঙ্গতা, উষ্ণতা ছিল।
  • aka | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০১:০৫485521
  • ব্র্যাণ্ড নিয়ে কোন কথা হবে না। কদ্দিনের শখ একটা নাইকের ট্র্যাকশ্যুট কিনব, সাহস করে কিনতে পারি না। কিন্তু আহা কি দেখতে, কি গমক, কি দমক।
  • pi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০১:০৮485522
  • সু দি, সুখে থাকার তো একটাই ডেফিনিশন হয়না।
    সুখে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় টাকার পরিমাণটাও সবার জন্য সমান হয় না।
    আর দেশে থাকলে করাপশন ব্যতীত সেই টাকা রোজগার করা যাবেনা, এমনটাও সবার না ই মনে হতে পারে।
  • hu | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০১:০৯485523
  • পাই কি ভিডিও দিল দেখতেই পেলাম না :-(
    আপিসে কেন যে ইউটিউব খোলে না!
  • pi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০১:১০485524
  • আরে ! আমার শ্যামবাজারের মামার বাড়িও তো অমনি ই ছিল !
  • bibek | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০১:১৬485525
  • বিদেশের একাকীত্ব অনেক বেশি মারাত্মক। আমি নিজে টানা বছর খানেকের বেশি কখনো থাকিনি। এবং যারা রয়েছেন তাদের মধ্যে হাহাকার বেশ দেখেছি। ফিরে যাব বলায় অনেকেই বিশেষ সাহায্যের চেষ্টা করেন। একথা অনস্বীকার্য যে পাড়ার ধারনা পাল্টাচ্ছে কিন্তু সেটা আমার দেশ। আমেরিকা সম্পর্কে ধারণা নেই তবে ইউরোপে কিন্তু আমি যাদের দেখেছি তাদের কিন্তু স্থানীয় লোকজনের সাথে তেমন ইন্টিগ্রেশন হয়নি। অস্ট্রেলিয়াতেও তাই।
  • nk | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ ০২:০১485527
  • আহারে আমাদের সেই পুরানো পাড়া! গোটা পাড়া যেন একটাই পরিবার। কত খোলা মাঠ, কী অঢেল খেলার জায়্‌গা। কত সবুজ! সবাই মিলে দোলের আগের সন্ধ্যায় বুড়ীর ঘর পোড়ানো, আলুপোড়া মাখা সব বাড়ী বাড়ী দিয়ে আসা, পরদিন সকাল থেকে দোল খেলা, শীতে মাঠে চড়িভাতি, গরমে মাঠে স্টেজ বেঁধে রবীন্দ্রজয়ন্তী, সারা বছর এমনি খেলা তো ছিলোই একসাথে। মাঝে মাঝেই এক এক বাড়ীতে সত্যনারাণের সিন্নি র নেমন্তন্ন, লক্ষ্মীপুজোয় সন্ধ্যাবেলা খিচুড়ীর নেমন্তন্ন বাড়ী বাড়ী। তাছাড়া বিজয়ার দিনগুলো! সেই সময়টাই ছিলো অন্যরকম!
    এখন সেই পাড়াই উধাও, বাড়ীতে বাড়ীতে ভরে গিয়ে একেবারে ভীড় হয়ে গেছে, এদিকে মানুষে মানুষে আর চিনপরিচয়ই নেই ভালোমত। পুরানো লোকেরাও অনেকে দূরে কোথায় চলে গেছেন। নতুন যারা এসেছেন তারা নিজেদের মতন থাকেন। বাড়ীগুলো এখন ঠিকানামাত্র!
    একজনের সঙ্গে কথা হচ্ছিলো, সে বললো সেই কালে ফিরতে ইচ্ছে করে, তা তো সম্ভব না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই প্রতিক্রিয়া দিন