বড্ড বড় বড় কথা বলে। যেন সবজান্তা। আসলে ভিতরটা ফাঁপা হলে আওয়াজ বেশী হয়। ইত্যাদি ইত্যাদি। এরকম কথাতো একজনকে আর একজনের সম্বন্ধে বলতে শুনি। নিজেও হয়তো কখনো বলেছি। এখন যত বয়স বাড়ছে ততই সবকিছু যাচাই করার অভ্যেস বাড়ছে। সবসময় ঠিকঠাক পারছি না যদিও। ওই সবেতেই মধ্যবিত্ত আর কি। তা এমন একজন বড় বড় কথা বলা (আমার মনে হয়েছে) মানুষের সাথে আলাপ হল। দেখলাম ভদ্রলোকের সব ব্যাপারে কথা বলার আগ্ৰহ। আমি আবার মাঝে মধ্যে ভালো শ্রোতা হয়ে উঠি। তো ভদ্রলোকের কথা শুনতে শুনতে বুঝলাম সব বিষয়টা যে খুব ভাল জানেন তা নয় কিন্তু যে কোনো বিষয় বেশ সুন্দর কথা বলে যেতে পারেন। তার মানে গল্প করতে ভালো বাসেন। কিন্তু ব্যাপার ... ...
রামমোহন মাঠের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকে। স্তব্ধ দিন খোলা মাঠ, হাওয়া তাকে গ্রাস করে। বিকেল এলে ছেলের দল মাঠে নামে বলের ছন্দ শোনাতে। ধীরে ধীরে সন্ধ্যা নামে আয়নাতে না তাকিয়ে ও চশমাটা মানান সই য়ে চোখে পড়ে। - কিভাবে কাটাও রামমোহন সময় গুলোকে ! রাতগুলো এসে ডেকে তোলে জলের চোখে চশমার কাঁচে ঝাপসা আঁধার নামে। - রামমোহন ! রামমোহন ! রামমোহন ! কপালে টিপ বদলে যায় একলা বাউল মুচকি হেঁসে মাঠ পার হয়। ... ...
গতকালের কালবৈশাখীতে ছাদে এসে জমা হয়েছিল পাশের বাগানের গাছের ডালপালা। সকালে সেগুলো দেখে ঝাঁটা হাতে ছাদে গেলাম। বাবা অবাক চোখে তাকিয়ে রইলেন। মনে হল আবেগে এবার কেঁদেই ফেলবেন বুঝি।ছাদ পরিস্কার করে মিনিট কুড়ি পর নিচে নেমে এলাম। বাবা তাকিয়ে হাসলেন আমার দিকে। তারপর বললেন "ছাদটা ফুটো হয়ে গেল না তো?" ভ্রু কুঁচকে বাবার দিকে তাকিয়ে উত্তর দিলাম, "গিয়ে একবার দেখে এস, ছাদে মুখ দেখতে পাবে নিজের।" বাবা বললেন, "অতগুলো সিঁড়ি বেয়ে উঠে মুখ দেখব? আমার ঘরে আয়না আছে।" অপমানে মুখ ঘুরিয়ে চলে যাচ্ছি, এমন সময় দেখলাম মেয়ে ছাদে উঠছে। ভাবলাম, চিলেকোঠার ঘর থেকে নিজের খেলনা আনতে যাচ্ছে হয়ত। কিন্তু অবাক হলাম তখন, যখন ... ...
আমার পূর্ব দিকের দেয়ালটা আগন্তুক, শহরে নতুন এসেছে, পশ্চিম দিকের দেয়ালটার নাম নিখিল, ও শৈশবে পিতৃ-মাতৃহীন, কে যে ওর নাম রেখেছিল, সেটা ও নিজেও জানে নাআর, উত্তর এবং দক্ষিণের দেয়াল দুটোর নাম যথাক্রমে অনন্ত আর অবিনাশ, ওরা কুলীন, তবে কূল হারানো, শহরের সকলেই জানে, ওদের বাবা-মা দুজনেই ছিলেন ভূতপূর্ব নবাবের খাসকামরার দেয়াল, দুর্ভাগ্যবশত অবস্থার আমূল পরিবর্তন হওয়ায় এখন এই পরিত্যক্ত ভুতুড়ে বাড়িতে ঠাঁই নিয়েছেআর, আমার পরিচয় যেহেতু না দিলেই নয়, তাই বলতেই হয়, আমি হচ্ছি দেয়ালের মধ্যস্থ একটা অর্ধনির্মিত অথবা অসমাপ্ত দেয়াল, এখনো যার শেকড় গজায়নিআর, এ পর্যায়ে আমি এটাও নিশ্চিত করছি যে, এটা একটা দেয়ালের শহর, গোটাকয়েক অকর্মণ্য অথর্ব ... ...
বৃদ্ধার বয়েস কত হবে জানিনা। শীর্ণ অশক্ত নুব্জ দেহ। কখনও দাঁড়িয়ে থাকলে হাতে অথবা বসে থাকলে পাশে একটা লাঠি থাকে। ফুটপাতের ধারে রোজ দেখি বসে কিংবা দাঁড়িয়ে ভিক্ষে করেন। বৃদ্ধা ভদ্রমহিলাকে দেখলেই বোঝা যায় বেশ ভাল পরিবারেরই সদস্য...। আমার বড় জানতে ইচ্ছে করে, কোন পরিবার এমন নৃশংস ! এই বয়েসের একজন বৃদ্ধাকে রাস্তায় ভিক্ষে করে খেতে হয় ! রঞ্জুকে অফিস থেকে ফেরার পথে ওঁর কথাই বলছিলাম। রঞ্জু আর আমি প্রায় প্রত্যেকদিনই একসঙ্গে অফিস থেকে ফিরি। ও এখন নামী একটা মাল্টিন্যাশনাল ইলেকট্রনিক্স কোম্পানীতে রয়েছে। ভাল বেতন। ওর বৌও নামী একটা প্রাইভেট স্কুলের টিচার। স্কুলের বেতন ছাড়াও আছে বৃহৎ এক কোচিং ... ...
বাঙাল-ই ও কাঙাল-ই বদলে যাচ্ছে নাকি বদলে ফেলা হচ্ছে, কলকাতার রাস্তাঘাটের বাণিজ্যিক মানচিত্র। আশির দশকে নতুন দোকান বলতে মনোহারি নয় ভিডিও পার্লার, ক্যাসেট বা জুতোর দোকান। নয়ের দশকে বাড়ল কম্পিউটার দোকান। অল্প। আর চলল টেলিফোন বুথ। একুশের প্রথম দশকে সোনার দোকানের বিজ্ঞাপন বাড়ল। বাড়ল একটু একটু করে মোমো ও বিরিয়ানি দোকান। এখন পাড়ায় নতুন দোকান মানে বিরিয়ানি মোমো সোনা মিষ্টি বা কেকের দোকান।বাঙালি খাবারের দোকানও বেড়েছে। তবে পাড়ার মোড়ে নয় শহরের নানা জায়গায়।এছাড়া বাড়ছে চা ও সিগারেটের দোকান।বাঙালি তাতে নেই। সিকঞ্জি মেলে মেলে ঠান্ডা ও উষ্ণ পানীয়।নগরে উষ্ণতা বাড়ছে। বাড়ছে ম্যাসাজ পার্লার। বাঙালিনী ম্যাসেজকারিণী। খদ্দের বেশি ভিন্নভাষী।নগরে বাঙালি কমছে। সল্ট লেক ... ...
রোববার সকাল বেলা ফেসবুকটা খুলেই মাথাটা গরম হয়ে গেল উজ্জয়িণীর। ’মা’-পোস্টে একেবারে ছেয়ে গেছে। ক্যানোরে বাবা! মা মা করে এত আদিখ্যেতা না করলেই নয়? মাদারস ডে বলে কি একেবারে মাথা কিনে নিয়েছে? বছরে আর ৩৬৪ দিন এত মাতৃভক্তি থাকে কোথায়? যত্তোসব! বিরক্তির সঙ্গে মোবাইলটা বন্ধ করে সোফায় ছুঁড়ে রাখতে যাবে এমন সময় নীচ থেকে ভেসে আসে শাশুড়ির উচ্ছ্বসিত কন্ঠস্বর –”কি ভালো মাছটা পেয়েছিস রে সমর, একেবারে টাটকা আর পরিস্কার!” উজ্জয়িণী বুঝতে পারে যে তার ভাসুর সমর বাজার নিয়ে ফিরেছে। আর মা সংক্রান্ত কিছু হলেই এবাড়িতে বাঁধা মেনু – কুচো মাছের বাটিচচ্চড়ি! সে শাশুড়ির জন্মদিনই হোক বা বিবাহবার্ষিকী! বাটিচচ্চড়ি হবেই হবে। কখনো ... ...
অনেকদিন আগে কলোম্বিয়া ইউনিভার্সিটির সাংস্কৃতিক নৃবিজ্ঞানী মার্গারেট মীড’কে তার এক ছাত্র জিজ্ঞেস করেছিল -- একটা সংস্কৃতিতে সভ্যতার প্রথম চিহ্ন কি হতে পারে?.ছাত্র ভেবেছিল মীড পাথর ঘষে তৈরি শিকারের অস্ত্র, মাছ ধরার বড়শি, মাটির হাড়ি পাতিল কিম্বা রিলিজিয়াস আর্টিফ্যাক্ট আবিষ্কারের কথা বলবেন।.কিন্তু না। তাকে আশ্চর্য করে দিয়ে মীড বলেছিলেন, একটা প্রাচীন সংস্কৃতিতে সভ্যতার প্রথম চিহ্ন হচ্ছে মানুষের উরুর একটা ভাঙা হাড় যেটা আবার জোড়া লেগেছে।.উরুর হাড় হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে লম্বা ভারবাহি হাড়। জটিল ভাবে ভেঙে না থাকলে এটা ছয় সপ্তাহের মধ্যে ধীরে ধীরে সেরে ওঠে।.তবে এই সময়ে তাকে একটা নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে যাতে বন্যপ্রাণী হামলা না করতে পারে। ... ...
কথা,মাত্র দুটো অক্ষরের শব্দ কিন্তু এর ব্যাপ্তি অনেক দূর।মুখের কথা,কথা বলার ধরন ঠিক করে দেয় আগামী কোন পথে এগোবে?না কি থেমে যাবে! কিন্তু এই আমি টা বছর আড়াই থেকে ঠিকঠাক কথা বলতে পারছি না।যদিও এখন অনেক পরিষ্কার,প্রথম দিকে তো যখন জানতো না বন্ধুরা ইয়ারকি মেরে পরেশ রায়ালের ওই সিনেমা টা বাবু ভাই স্টাইলে কথা বলতো। ... ...
কংগ্রেস মানেই তখন নিন্দার বিষয়। সিপিএমের চোখে। আমাদের চোখেও। রাজীব তো আরো সর্বনাশা! মডেল স্কুল, কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতি, গ্যাট চুক্তি, প্ল্যাস্টিক আমদানি, স্যাম পিত্রোদা-- রাতদিন মুন্ডপাত। এরপর গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো এল বোফর্স চুক্তি। চোর চোর ধ্বনিতে মেদিনী কম্পিত।১৯৯১ এর ৭ মে আসানসোল পোলো গ্রাউন্ডে প্রথম দেখলাম সাংবাদিক হিসেবে। বেশ কাছ থেকে। দেখে মনে হল, ইনি আর যাই হোন চোর নন। স্বপ্ন দেখা চোখ। জনতা উন্মাদ তাঁকে ছুঁতে চেয়ে। তিনি ছুঁতে দিচ্ছেন। জনতার সঙ্গে মিশে এগোচ্ছেন। মনে হল, এতো ভয়ঙ্কর ভয়ের বিষয়। যে কেউ মেরে দিতে পারে। এভাবে নিরাপত্তার তোয়াক্কা না করে জনতার মাঝে।ঠিক দু সপ্তাহ পর ২১মে কাগজের অফিসে বসে ... ...
অর্ণব কোক স্টুডিও বাংলার এই সিজনে কাজ করতেছে। তাই আমি কোন দ্বিধা রাখি নাই কোক স্টুডিও বাংলা নিয়ে। আমি অন্ধ ভক্ত অর্ণবের। আমার কাছে বরাবরই মনে হয় অর্ণব যা তার সিকি ভাগও দিতে পারছে না। শুধু আমি না মনে হয়, আমাদের, আমাদের আসাপাসের কয়েকটা প্রজন্ম অর্ণবে বুঁদ হয়ে গিয়েছিল এক সময়ে। গান এমন হতে পারে? সঙ্গীত এমন ধারায় হয়? আমরা জানতাম না, সম্পূর্ণ নতুন এক ধারায় নিয়ে গেল আমাদের। সম্ভবত বাংলা গানই নতুন দিশা পাইল তখন। গানের কথা, সঙ্গীত সবই অন্য রকম! অর্ণব নিজে লাইন চুত্য হয়ে যাওয়ায় আমরা অর্ণবকে মাঝখানে হারিয়ে ফেলি। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত অর্ণব একই ধারায় ... ...
দুঃস্বপ্নের পর একটা দাড়ি দিচ্ছি, তারপর দীর্ঘশ্বাসএইবার ছোট্ট একটা কমা বসিয়ে ঢুকে পড়ছি সংলাপে, 'এই কি তবে গন্তব্য, সিনর?'না, চিত্রনাট্যে লেখা ছিল, "...আমার আর্তনাদগুলো আটকে যাচ্ছে ঠোঁটে, এবং অস্থিরতায় শুকিয়ে যাচ্ছে নদীগুলো, এবং পাতাল থেকে উঠে আসা অভিশাপগুলো উৎক্ষিপ্ত হচ্ছে উত্তপ্ত লাভার মতো, এবং আস্থার সংকটে ভোগা মানুষগুলো অবাস্তবের কাছে নতজানু হচ্ছে, এবং ক্রন্দনরত মীনগুলো বিহঙ্গের শীর্ণ ডানা আঁকড়ে বৈকুণ্ঠ খুঁজছে..."এখানেই শেষ। চিত্রনাট্যের পরবর্তী পাতাগুলো বিষধর সাপ হয়ে দংশন করেছিল আমাকে, অথবা গভীর ক্ষত হয়ে ঢুকে পড়েছিল বুকের ভেতর, আমার দৃষ্টি ব্যর্থ হয়েছিল তাকে অনুসরণ করতে'...এবং বাক্যটা অসম্পূর্ণ থাকছে সিনর, যেহেতু উপযুক্ত যতিচিহ্ন খুঁজে পাচ্ছি না আপাতত...' ... ...
রামের সাথে মোহন জুড়েরদ করলেন সহমরণ;সেই রামেরই মোহন সরে শুরু হলো সবার মরণ!!
মালভূমি অঞ্চলের উঁচু নীচু মোড়, মাটির দেওয়াল গোবরের স্তূপ। বাড়ির উপর লেপ্টে থাকা চাদর, রাস্তা গুলো বড়ো বেমানান এক এক উন্নয়নের স্তম্ভ। বয়ে যাওয়া নদী, ধূসর প্রকৃতি। ছুঁয়ে ফেলা আকাশ দূর দিগন্তে নীল অবকাশ। । মালভূমি অঞ্চলের পথ উঁচু নীচু বেষ্টিত জীবনের চিত্রলেখ।
আজ ২২মে, রাজা রামমোহন রায়ের সার্ধদ্বিশতবার্ষিক (২৫০তম) জন্মদিন
আমি - হ্যালো ! কে বলছেন ?সে - কে বলছি, গলা শুনে বুঝতে পারছেন না ? আশ্চর্য্য তো !আমি - বুঝতে পারছি না বলেই তো জিজ্ঞেস করছি।সে - আপনি তো আশ্চর্য্য মানুষ দেখছি। সেই থেকে কে বলছেন ? কে বলছেন, বলে যাচ্ছেন।আমি - আপনি কে সেটি জানা থাকলে কি জিজ্ঞেস করতাম যে, কে বলছেন ? প্লিজ বলুন আপনি কে ?সে - আমি একটি মেয়ে। ভুত নই।আমি - আপনি যে মেয়ে সেটুকু বোঝার ক্ষমতা আমার আছে। ওটা না বললেও চলত। আর আপনি যে ভুত নন। সেটাও আমি বেশ বুঝতে পারছি।সে - ও মা ! তাই নাকি ? আমি ভুত নই, কি ... ...
এক বিদেশিনী জংলি ঝুমকো লতানিউটাউনে এক বন্ধুর প্রশস্ত ফ্ল্যাটে সেদিন গিয়েছিলাম। দেখছিলাম কত ধরনের গাছ ও ফুল ঐ ফ্ল্যাটে আছে।আর কি অপূর্ব সতেজ মনোমুগ্ধকর তাদের ভঙ্গি। বোঝাই যায় বন্ধু কি মায়া মমতায় এই গাছপালা গুলোকে যত্ন করেন। দক্ষিণের ব্যালকনিতে গিয়ে চোখে পড়ল এক ধরনের জংলি ঝুমকো ফুল। উজ্জ্বল বেগুনি রঙের। লতা ধরনের এই গাছটির আদি আবাসস্থল দক্ষিণ আমেরিকা যা পরবর্তী কালে উষ্ণমন্ডলীয় এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এই জংলি ঝুমকো প্রজাতিটির সাধারনত দুই ধরনের ফুলের রঙ হয়। সাদা ও বেগুনি। সাদা ফুল সহজে দেখা যায়না। বেগুনি রঙের ফুলই বেশি দেখা যায়। বন্ধুর ব্যালকনিতেও ঐ বেগুনি রঙেরই ফুল। অবশ্য আরো কিছু রঙের ভ্যারাইটিও ... ...
ভেবে দেখলে বলার অনেক কিছু ছিল। বিলম্বিত সাত সুর কিংবা দরদী চোখের চাহনি। সব ছেড়ে চলে যেতে পারি, এমন আশ্বাসও দিতে পারতাম ৷প্রশ্নটা সময় নিয়ে, কতটুকুই বা নিজেকে ভালবাসা যায় অন্যের বেঁধে দেওয়া সময়ে ? পৃথিবীতে যথেষ্ট সময় নেই আজকাল ৷সিনেমা হল থেকে বেরিয়ে তর্ক করি ৷ আসলে তর্কটা আগে থেকেই ছিল ... ...
আজ সকাল থেকে শরীরটা ভালো ছিলো না। তাই কিছু লিখবো না বলেই ঠিক করেছিলাম কিন্তু সেটা হলো না। আজ রুমে মধ্যে একটি অপ্রত্যাশিত ঝগড়া ঝাটি হয়ে গেলো। পশ্চিম বঙ্গের এবং বাংলাদেশের থেকে আসা দশ জন বাঙালির বসবাস এখানে। তবে এর মধ্যে দুই তিন জন ভেজাল বাঙালি মানে আধা বাঙালি। অথচ অদ্ভুত ভাবে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের সরকারের অন্ধভক্ত। হিন্দুবাদীর বলবেন। ওরা মুসলিম বলেই ঐ সরকারকে সমর্থন করে। আমি একা হিন্দু তাই এই সরকারের বিরোধিতা করি।" স্বাধীনতা" নেই আজ আমাদের চিন্তাভাবনায় ও।ঝগড়া প্রসঙ্গ ছিলো বাংলার শিল্প বন্ধ। কিন্তু আলোচনা শেষে হলো কেন আজান বন্ধ হয়েছে মসজিদে সেটাতে। আলোচনা বন্ধ করতে বাধ্য হলাম ... ...
আজ সকাল থেকে প্রবল বৃষ্টি। এই বৃষ্টির মধ্যে একটা অদ্ভুত ব্যাপার আছে। মানুষকে খামোকা নস্টালজিক করে তোলে। যে দিনগুলো একেবারেই গেছে, কিছু বাকি নেই, সেগুলো কে ফিরে পাবার জন্যে মন আকুলি বিকুলি করে। কবি বোধহয় একেই বলেছেন "দুঃখবিলাস"। তখন আশুতোষ কলেজের প্রথম বর্ষ। কদিন ক্লাশ করার পরেই বুঝে গেলাম কার কার ক্লাশ করতেই হবে। আর কার কার ক্লাশ কাটা যায়। তখন আমরা সেই উদ্দাম আঠারো ... ...