বৃষ্টি আর বুকের গন্ধ বলে / আরেকটু বাঁচো
মনে মনে ভাবি / আমি এক বড় কবি / হিজিবিজি লিখি / দুর্বোধ্য শব্দ সব খুঁজি
সত্তর দশকের কলকাতা ফুটবলের দলবদলের উত্তেজনা আর আনন্দ উপভোগ করার জন্য দেঘুন ...... খবর এখন।
এতদিন আমি দলিতদের নামে পুরস্কার কুড়িয়ে বেড়িয়েছি এখন ভোট কুড়িয়ে ঝুলি ভরব।
একটা লেখা পাঠালাম
গোয়েন্দা গল্প পড়েন? প্রিয় গোয়েন্দা কে? বাঙালি গোয়েন্দা বেশি পছন্দ নাকি বিদেশী? ফেলুদা নাকি ব্যোমকেশ? সত্যসন্ধানী কাকাবাবু নাকি অর্জুন? নাকি এখনও মুগ্ধতা আটকে আছে তিন গোয়েন্দার সাথেই? কার সাথে অ্যাডভেঞ্চারে ছুটতে বেশি ভালো লাগে?
গতকাল অফিস থেকে ফেরার পথে বাসে উঠেই বসার জায়গা পেয়ে গেছি। এখন যদিও আসার পথটা বাসে প্রায় বেশিরভাগ দিনই দাঁড়িয়ে আসতে হয়। কাল ভাগ্যক্রমে এটা ঘটেছিল।
অগ্নিকুণ্ড হতে বেরিয়ে এলাম / রোদ বিছানো পথে
অন্য মন / ছেলে বেলার স্মৃতিরপাতায় / হিজিবিজি ভাবনাগুলো
আমার কলম আমাকে দিয়ে কখন যে কি লেখায় আমি নিজেই তার ব্যাখ্যা দিতে পারিনা। অদ্ভুত ভাবে মাথায় শব্দগুলো কিলবিল করে, আর আমি সেগুলোকে ল্যাপি অথবা ফোনের স্ক্রিনে ঘষতে থাকি। সাধারণত কোন মহৎ ব্যক্তিত্বকে নিয়ে লিখতে গেলে একটু দিনক্ষণ দেখতে হয়। যেমন তাঁর জন্মদিন অথবা মৃত্যুদিন। আমার পাগল শব্দেরা আমায় দিনক্ষণ নিয়ে ভাবার সুযোগ দেয়না। তারা মাথায় এসে ভিড় করে, আর উচ্চস্বরে চিৎকার করতে থাকে যতক্ষন পর্যন্ত আমি তাদের মগজ থেকে কালো কালিতে রুপান্তরিত না করছি। আজ আবার হল এরুপ। তারই ফলস্বরূপ এই লেখা। জানিনা তাঁকে নিয়ে লেখার যোগ্যতা আমার আছে কিনা। তবুও তাঁর অন্ধ ভক্ত হিসেবে আমি সবসময় তাঁকে নিয়ে ... ...
বুঝতে পারছে মহাসড়কের মাঝে দাঁড়িয়ে, খুব প্রশস্ত। ধূলি ধূসরিত চারপাশ, সাথে ঘন কুয়াশা। নিজের শরীর পর্যন্ত দেখার উপায় নেই। বিপদের কথা হল গাড়ি চলছে, তীব্র গতিতে। আশ্চর্য বিষয়! কি করবে সে? ভয়ে সেঁদিয়ে আছে। এমনিতে তার হৃৎপিণ্ডে কোনো গোলযোগ নেই। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে যেকোনো মুহূর্তে শিরা-উপশিরা ছিঁড়ে খানখান হয়ে যাবে! পায়ে শক্তি নেই একবিন্দু, ভীষণ ছন্দে কাঁপছে। একবার মনে হল সাহস দেখাবে, গাড়ির শব্দ শুনে দিক আন্দাজ করে দৌড় দিবে। কিন্তু পা জোড়া এগোচ্ছে না। অথচ দাঁড়িয়ে থাকাটাও সমান কিংবা তারও বেশি ঝুঁকির। উপরে তাকিয়ে দিন না রাত বোঝার চেষ্টা করল। কূলকিনারা করতে না পেরে লুটিয়ে পড়ল, পিচঢালা রাস্তার ... ...
মানুষ রাস্তায় চলছে ফিরছে বা বসে আছে ঘরের সিঁড়িতে বা পার্কের বেঞ্চিতে একা, বা খেলছে। লোকটা দৌড়চ্ছে - রোজকার অভ্যেসবশে দৌড়চ্ছে, ট্রেন না মিস হয়ে যায় তার জন্য দৌড়চ্ছে? রোগা হতে দৌড়চ্ছে নাকি যৌবন ধরে রাখতে দৌড়চ্ছে? বিয়ে করেছে সে। বৌ ভালো। বাড়ী সামলায়, সন্তান সামলায়, রাঁধে বাড়ে। সে রোজ দৌড়য়। কেন? লেখক হিসাবে কারণটা তোকে বের করতে হবে। ... ...
অনেকদিন থেকেই ভাবছি এই লেখাটা লিখবো কিন্তু মন থেকে বার বার মনে হচ্ছিলো লেখার সময় আসেনি কিন্তু আজ ই একটা নিউস পেপার এর আর্টিকেল এ পড়লাম যে মাত্রায় কোরোনার প্রতিষেধক তৈরি হচ্ছে তা যদি পৃথিবীর সব মানুষকে দিতে হয় তাহলে তা পেতে পেতে ২০২৫ সাল অবধি সময় লাগবে। তাই ভাবলেন সময় এসে গেছে, এখন না লিখলে আর হয়তো লেখা হবে না। ... ...
ঝড়া পাতা'রা / খসখস মেজাজে / নিজেদের নিজেরাই হারায়
মাঘ-ফাল্গুন মধু মাস। বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। এমন দিনে মন তো উড়ুউড়ু হবেই। ঝলমলে নীল আকাশ। সঙ্গে মিঠে রোদ মাখা হিমেল হাওয়া। আজ বাদে কাল ভালাইনটেন ডে। ফেসবুকের বান্ধবী বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন একদিন বাদেই। ওইদিন বাঙালির ঘরে ঘরে সরস্বতী পুজো। শ্রী পঞ্চমী তিথিতে বিয়ের দিন অনেকেই লুফে নেন। বেশ একটা থ্রিল থাকে বসন্ত পঞ্চমী তিথিতে। সকালে পুষ্পাঞ্জলি। সন্ধ্যায় গলায় ফুলহার। "পরো পরো মালা পরো, সাজো আমার এই পুষ্প হারে।" বর যেন সাক্ষাৎ উত্তমকুমার। ... ...
প্রাণিজগতের সকল বর্গের মধ্যে কেবল মানুষকে স্বাতন্ত্র্যতা দান করেছে ভাষা। ভাষার প্রশ্নেই সে স্বাধীনতা দাবি করার পুরোহিত্য লাভ করে। আবার জাতিতে জাতিতে ভাষাই তাকে আলাদা করে তোলে। তাই ভাষার প্রশ্নে সচেতন মানুষ মাত্রই প্রতিক্রিয়াশীল। বাঙালির জাতীয়তাবোধ গঠনে পাটাতন হিসেবে কাজ করেছে বাংলা ভাষা। বিশেষত ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালের রাজপথের আন্দোলন মূলত ভাষাকেন্দ্রিক। কঠিন প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে পাকিস্তান আন্দোলনে সফলতা লাভের পরপরই এই অঞ্চলে পুনরায় জনস্ফূর্ত আন্দোলন তাই বিশেষ আলোচনার দাবি রাখে। সাধারণের কাছে যদিও ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, প্রক্রিয়া, প্রতিক্রিয়া এবং সফলতা একটি মীমাংসিত বিষয়, ভাষার উদ্দেশ্য, প্রবাহমানতা, ব্যবহার, ব্যবহারবিধি এবং উপযোগিতার প্রেক্ষিতে ভাষা আন্দোলন এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের কাটাছেঁড়া আবশ্যক। নিঃসন্দেহে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ... ...