সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় নন্দনে৷ সে বছর তিরিশেক আগের কথা৷ খালি এটুকু মনে আছে যে হঠাৎ ঘুম ভেঙে উঠে দেখলাম একটা বড় অন্ধকার ঘরে বসে আছি আর সামনের পর্দায় কিছু একটা হচ্ছে! আসলে সে দিন বাবা মা দাদার সঙ্গে ঘুরতে গেছিলাম৷ চিড়িয়াখানা, যাদুঘর, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল দেখে নন্দনে যখন "হীরক রাজার দেশে"র স্পেশাল শো তে গিয়ে বসলাম তখন আর জেগে থাকতে পারিনি৷ ঘুম ভেঙেছিল একদম দড়ি ধরে মারো টান এর পরে৷ বলাবাহুল্য সেদিনের ঘোরাঘুরির কিছুই আমার মনে নেই৷ সবটাই পরে শোনা৷ কিন্তু ঐ অন্ধকার হলের মধ্যে ঘুম ভেঙে ওঠাটা দিব্যি মনে আছে৷স্মৃতি ব্যাপারটা বেশ গোলমেলে৷ "যখন ছোট ছিলাম" এ ... ...
ক্রমশই রাত্রি গভীর হচ্ছে / সকাল হারিয়ে যাচ্ছে
তুমি বসবে গদীতে
ধরা যাক আমরা সবাই দুশো বছর বাঁচবো। অর্থাৎ একশো আশি হলে বুড়ো, একশো পঞ্চাশে মাঝবয়সী, একশো তে যুবক, আর পঞ্চাশে শৈশব।
যারা বাংলায় আছেন ও ভ্যাকসিন নেবেন। আমার ট্যু সেন্টস— আমি ২২ এপ্রিল কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিই। প্রথম শট কোভিশীল্ড অপ্রতুল হওয়ায় একটি প্রাইভেট সেন্টারথেকে কোভ্যাক্সিন নিই। ২২ তারিখ দুটোর সময় শট নিই। রাত পর্যন্ত কোনো উপসর্গ ছিলনা। মাইল্ড হাতে ব্যথা ছাড়া।
বিমল করের 'সুখ' গল্পটার কথা মনে করিয়ে দেয় এই ছবি।বছরের এই দিনটি এঁদের কাছে না গেলে মন বর্ণহীন হয়ে ওঠে।যাওয়া ঠিক হবে কি?দ্বিধান্বিত।ফোন করি।এসো।আমার বাবা-মায়ের কাছে গেলে যে শান্তি পেতাম, এ যেন তার মতোই।কলকাতার শেষ সামাজিক মানুষ। শেষ সামাজিক দম্পতিও। আমাদের পার্টি সমাজ, ক্লাব সমাজ, গোষ্ঠী সমাজ, ধর্মীয় সমাজ, ফেসবুকে খাপে খাপ সমাজ --- সামাজিক সমাজ মরে গেছে।শঙ্খ ঘোষের বাড়িতে সবাই যেতে পারতেন। পরস্পরের গলা কেটে নেওয়ার ইচ্ছে নিয়ে পাশাপাশি বসে থাকতে বাধ্য হতো লোকে, লেখকে। ... ...
চারদিকের অসম প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা অসম্ভব / এ সত্য বুঝে গিয়েছিল মেয়েটি, উপলব্ধি করতে পেরেছে / যে জালে জড়িয়েছে তা থেকে তার মুক্তি মিলবে না ইহজনমে
মৃত্যু মিছিল। এবারে বড় কাছে, বড় ঘনিষ্ঠ। এমন কেউ যার সঙ্গে স্কুলে এক্কা দোক্কা খেলেছি। কলেজে আড্ডা মেরেছি, অফিসের অবসরে লাঞ্চ খেয়েছি, সন্ধ্যায় এক কাপ কফি নিয়ে তুমুল তর্ক বিতর্ক করেছি। শৈশবে স্নেহ কেড়েছি। তারা এমন চলে গেল, যেন এত সহজে চাইলেই যাওয়া যায়! যেন পর্দা তুলে এ ঘর থেকে ওঘর যাওয়া। অথচ এরপর হাজার লক্ষ বার চাইলেও সেই পর্দা তুলে আর কখনও এ ঘরে ফিরে আসা যাবে না। পূর্ণচ্ছেদ। অসুখ? এমন অসুখ হয়? নিঃশ্বাস না নিতে পেরে অতল জলের তলায় ডূবতে ডুবতে, শেষ সময়ে আপনজনের চোখে জল না দেখে, পৃথিবীতে ভালবাসা যে এখনও বেঁচে আছে এই বিশ্বাসটুকু সঙ্গে ... ...
রাতের তারারা আজ ধূসর / চাঁদের গায়ে আগুনের লেলিহান দাগ।
কতোটা টানবে, শ্বাস / কতোটা ধরে রাখবে / এসব মন্ত্রী ঠিক করবে / তাছাড়া কারা যেন বলে
নন্দি ভিঙ্গি রা বাড়ি পালিয়েছে। কৌলাশে তাই বাসন মেজে রান্না করে দিন কাটাচ্ছেন শিব। মা দূর্গার কতোগুলো হাত, হাত ধুতে স্যানেটাইজার করতেই সারাদিন চলে যায়। গনেশ বিপদে পড়েছে, তার জন্য কোন মাক্স নেই, নাক ঢাকছে না। কার্তিক সব ছুটি বাতিল, অক্সিজেন ঘাটতি মেটাতে তাকেে তার সেনাবাহিনী নিয়ে তৈরি থাকতে হয়েছে। মা দূর্গার কতো দুঃখ মেয়েদের অনেক দিন দেখতে পারছে না।লক্ষ্মী শুনালাম একটু মোটা হয়েছে। নারায়ণ বলেছেন করোনা সময় ঘুমিয়ে কাটাবেন। তাই একার জন্য লক্ষী রান্না বান্না করেছেন না। হোম ডেলিভারি তে খাচ্ছেন, জং ফুড খেয়েই তিনি তাই মোটা হয়েছেন নিন্দুকেরা বলছেন।নারদ মনমরা হয়েই বসে আছে, খাওয়া দাওয়া ... ...
ভারতে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি Covid-19 Wave: Urgent StepsThe Lancet Covid-19 Commission, India Task Force ভারতের বর্তমান (১০’ই এপ্রিল, ২০২১) কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে বিখ্যাত ল্যান্সেট পত্রিকার তত্ত্বত্তাবধানে সদ্য একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। এই রিপোর্টের উদ্দেশ্য হচ্ছে পাব্লিক পলিসি নির্ধারণের জন্য সামগ্রিক ভাবে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কয়েকটি গাইডলাইন স্থির করা। আজ আমি এই পোস্টের মাধ্যমে রিপোর্টে প্রকাশিত প্রায় সব তথ্য এবং প্রস্তাবিত গাউডলাইন গুলোকে খুব সংক্ষেপে এবং পয়েন্ট আকারে লিখবার চেষ্টা করলাম - ভারতে কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে কিছু নতুন তথ্য ঃ ভারতে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ’র সাথে প্রথম ঢেউ’র কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য পাওয়া গেছে। প্রথম পার্থক্য হচ্ছে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার যা এবার অনেক বেশি। ... ...
কাটারির কোপ, নেমে আসা / এক অভিশাপ অতি
ফুটপাথে দাঁড়িয়ে ফল কিনতে গিয়ে হঠাৎই ওর পেছনটায় হাত দিয়ে চলে যায় লোকটা। অসহ্য লাগতেই ঘুরে তাকায় মানসী অথচ কিছুই হয়নি এমন ভাব করে লোকটা দ্রুত পায়ে হেঁটে অনেকটা এগিয়ে গেছে ততক্ষণে, দেখে মনে হচ্ছে বয়েস মাঝ বয়েস ছাড়িয়ে পা রেখেছে বুড়োর খাতায়, তবুও স্বভাব পাল্টায়নি। মনে হচ্ছিলো কলারটা ধরে টেনে দুটো চড় লাগায়। তারপরেই যা শুনতে হবে সেটা ভেবে একটু দমে গেলো..হয়ত বলবে 'রাস্তায় চলবেন কারো সাথে ধাক্কা লাগবেনা তা হয়! এবার থেকে বাড়িতে থাকবেন নাহলে প্রাইভেট কারে যাবেন বুঝেছেন ম্যাডাম। যত্তসব, নারীবাদ। এদের জন্যই এত সমস্যা।'কাল অনুকে দেখতে আসবে তাই টুকটাক কিছু বাজার করতে মানসীকেই বেরোতে হয়েছে।এই বয়সে ... ...
বাবার বিয়ের দিনটা আবছা মনে পড়ে রূপকথার,ওকে দুধটা খাইয়ে দিতে দিতে সুধামাসি বললো,"এই যে রূপি খেয়ে নাও দুধটা চুপটি করে একদম নক্কীসোনা হয়ে বুঝেছো তো।" রূপকথা বলেছিলো," বাপি কোথায়?আমি দুধ খাবোনা..বাপির কাছে খাবো।" "বাপি আজ ব্যস্ত আছে রে মা,তার এখন অনেক কাজ। আজ তার বে না?আমাদের রূপির নতুন মা আসতিছে কত মজা।" গোল গোল চোখ করে মাসির দিকে তাকিয়ে ছিলো রূপকথা। "বে টা কি? মা আবার নতুন হয় নাকি?" কোনরকমে দুধটা খাইয়ে একটা ঢাউস পুতুল দিয়ে ওকে বসিয়ে রেখে সুধামাসি কাজ সারছিলো। আর রূপকথা ওর মেমসোনাকে জড়িয়ে ধরে বলছিলো,"আচ্ছা বলতো মেম বে কি?" ... ...