এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • পর্বে পর্বে কবিতা - ২

    pharida
    অন্যান্য | ২১ নভেম্বর ২০০৯ | ৪২৫৫৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • tatin | ১৩ মার্চ ২০১১ ১৫:১৬429137
  • জিরোতে বসেছে এই গরম দুপুর
    অথচ ক্লান্তি নেই তার,
    উত্তরে আকাশের তারাটিকে, আজও মনে করে,
    শ্বদন্তে ছিঁড়ে ন্যায় মোরগের কবোষ্ণ টুঁটি
    রক্তের স্বাদে কী আরাম?
    অথবা রক্তের সাথে মৃত্যুর অনিবার্য মিল
    খুঁজে পায় গরম দুপুর
    ধোঁয়া ওঠা গরম দুপুর
    বিকেলের কিছু আগে দিয়ে
    মানুষের ঘরে ঢুকে যায়

    খাট আলমারি আসবাব, রান্নার বাসন থেকে
    হত্যার বীজাণু ছড়ায়, মৃত্যুতে ঢলে পড়ে
    সঙ্গম, রাত্রির কাল
    উত্তরে তারা থেকে ভেসে আসে আলো, মিছিমিছি
  • kahiptasha | ২৭ মার্চ ২০১১ ১১:৪৪429138
  • ওর্কুটে লিখি ক্যাচলাইন
    আস্তিনে পরি দু:খ
    জন্ম গিয়াছে তৃষ্ণায়
    আর দুই পেগে মোক্ষ

    কন্ঠে জেগেছে দুর্মদ
    পীড়া নাকি সেই নির্বিষ
    হৃদয়বেদনা সস্তা
    দর্পিত সংশপ্তক

    চৌঘুড়ি আর গম্ভীর
    অর্জিত এত অভ্যাস
    মাঝরাতে কিছু নির্মোক
    দর্পণ অনুরক্ত

    ফেসবুকে লিখি হৃদয়ের
    অলিন্দ বিষ রক্ত
    এই আমি এই আমরা
    অনুভুতি ছাপি সূক্ষ্ম
  • tatin | ২৭ মার্চ ২০১১ ১২:১২429139
  • তুখোড়!
  • Tim | ২৮ মার্চ ২০১১ ১০:৩৩429140
  • বৃষ্টি যদিও বহুদূর
    তবু, সন্ধ্যার দিকে কৃত্রিম
    মেঘ করবে বলেই, নিন্দার
    সাতকাহন জুড়েছে বিশ্ব

    দলছুট কিছু ঢেউ আর
    পিছুটানের জোয়ারে স্বপ্নিল
    এনো মুঠোভরে জলতৃষ্ণা
    এনো চটুল কথিকা, উল্লাস

    ঐ শবদেহ, চিতা ভাসমান
    তার রক্ত, নিড়োনো প্রান্তর
    এই বাসন্তীচাঁদে, ধূলিময়
    সুখী কৃষকের ভারসাম্য

    এই যতিহীন ধারাবিবরণ
    কিছু কর্কশ পাখী, আগাছাও
    ত্বকে কাঁটার স্পর্শ, নিক্কণ
    এই বৃষ্টিবিহীন লগ্নে।
  • Tim | ২৮ মার্চ ২০১১ ১০:৫৯429141
  • অগোছালো দেরাজের তরঙ্গ নড়েচড়ে বসে
    পুরোনো চিঠির স্তুপ, ধুলোভরা খাম, পেন্সিল-
    শুকনো রিফিল আর অকেজো পিনের কত মাথা,
    তাদেরো সময় বয়, ধীর।

    বিকল যন্ত্র কিছু, কিছু চেয়ে আনা সংগ্রহ
    আশাতীত কম দামে পেয়ে যাওয়া কয়েক ছটাক
    একদা হিসেব করে এনে রাখা প্রীতি ও বিরহ
    যে যার নিজের ঘরে, স্থির।

    কালো আবলুশ কাঠ, ভারিক্কি আরামকেদারা
    কলমে খানিক ছটা, কাগজ তো কয়েক হাজার
    খসড়া কাজের চাপে ঘুম গেছে কাগজচাপার-
    বিশ্রামে টাকার প্রাচীর।

    এইসব টিঁকে থাকা অকেজো বস্তু কিছু, একা
    তালা লটকানো কোনো আপিসের মন্ত্রণাগারে
    মেঝের ধুলোর ছাঁচে ঢেলে সেই অতীতকে দেখে
    অবসরে তারা গম্ভীর।
  • pharida | ২৮ মার্চ ২০১১ ১৫:০৫429142
  • জ্জিও টিম। ১০.৩৩ জাস্ট তুখোড়।
  • Tim | ০৬ এপ্রিল ২০১১ ০৯:৩৪429143
  • একটু ছুটে, সামান্য বিশ্রামের পরে
    দু এক পশলা বৃষ্টি যদি অতই সহজ
    আর কিছুনা, এমনি কথা
    আর সমস্ত কথার পিঠে
    বলতে গেলেই পরের পরে
    চিন্তাসূত্রে খেয়াল নড়ে।
    এখন কোথাও বাজ পড়লেই-
    অন্য কোথাও মুষলধারায় বৃষ্টি আসে।

    ভাবার বদভ্যাসের কথা, যতই বলি
    কম পড়ে যায়, বিতর্কিত
    এই মুহূর্তে যৎকিঞ্চিৎ
    ছুতোয়নাতায় দেখনদারি
    আহ্লাদে তার ভ্রুপল্লবে
    দিগ্বিজয়ী মাত্রাছাড়া ঢেউ এসেছে।
    এখন কোথাও ঢেউ উঠলেই
    অন্য কোথাও জুতোর ডোঙায় নৌকো ভাসে।

    ডিঙি নৌকো, রাত্তিরে সে হাতির মতন
    আস্তে চলে, ছলচাতুরি
    অপর্যাপ্ত ক্ষতির হিসেব
    কালবোশেখীর চিহ্নস্বরূপ
    ডালপালা আর মুক্তকেশী
    বিপর্যয়ের পরেই যখন আত্মীয়তা-
    এখন কোথাও ঝড় উঠলেই
    অন্য কোথাও বিপর্যয়ের ছন্দ আসে।
  • Sayantan Goswami | ১৫ মে ২০১১ ০১:১৬429144
  • ঠাণ্ডা ভাত

    আমি স্পষ্ট দেখলাম পারিবারিক গুরুঠাকুরের ছবির
    তলায় দাঁড়িয়ে, হাতে তখন ফুলকপির এঁটো ঝোল,
    গাছপালাওয়ালা পর্দা একটু সরিয়ে ভ্রূক্ষেপহীন জানলার বাইরে
    দেখলাম – তলার ফুটপাথে কয়েক ফোঁটা রক্ত ঝরেছে, ছেঁড়া চপ্পল
    আছে পড়ে, পাশে পেচ্ছাপে চোবানো পতাকা, আমি
    ভাবলাম ছবি তুলে রাখি, কিন্তু খাওয়া ফেলে মাঝপথে
    যেতে হবে, নীচের দোকানে ক্যামেরার রিল, খানিক
    আগে বৃষ্টিও হয়ে গেছে, জমেছে জল, এতসব নানাবিধ
    ভাবছি, ভেতরের ঘর থেকে সদ্য রিটায়ার করা
    পিসেমশাই বলে উঠলেন – খাওয়াটা সেরে নাও, তাস বাটছি।
  • sayan | ১৫ মে ২০১১ ১৩:০৭429145
  • ফেলে রেখে গেছ প্রত্যাশাহীন, রোদ্দূর নিড়োনো
    অলক রঞ্জনী কিছু স্বেচ্ছাগুল্ম, জয়োদ্ধত নীলে
    রক্তের ঘটনাভূমি মুহূর্তে ভুলিয়ে আনো, জানো
    কোথায় পতাকা ওড়ে পল্লবিত হাতখানি দিলে
    একবার সহাস্য গহ্বরে; অপরিমেয় যে শিখা
    বারেবারে নিশান্তে ঢেলেছে লাল অলৌকিক খরা
    সেই পারে ঢেকে দিতে আজানুলম্বিত কূট জরা
    দারুণ রেশমে, অতর্কিতে এসো উপাসিকা
    প্রবল তোমার প্রত্ন স্তনভার সন্ন্যাসী হাওয়ায়
    চৈত্যলুন্ঠনের ক্রোধে মুক্ত হোক, অলজ্জবর্তিকা
    জ্বালাও পূতাগ্নি এই অর্গলছেটানো জ্যোৎস্নায় -
    শুধু ভয় এখনই ফেরালে মুখ শাসিত পল্লবে
    সমস্ত জীবনসন্ধি ওইদিকে বেঘোরে ছোটাবে
  • dd | ২৮ মে ২০১১ ২৩:১৯429147
  • কোথাও নিশ্চিত কিছু পুণ্য করা ছিলো
    বেশ কিছু জন্ম ধরে ব্যাঙেদের সঞ্চিত আধুলি
    মিলে জুলে ইন্টেরেস্ট কষে, ইত্যকার নিরামিষ ভোজন
    আদি মন্দির দর্শন, আর এগারো মিনিট ধরে শ্রীগুরু বন্দনা
    ফুলে ফেঁপে।

    স্যার,এখন সময় হলো রিডেম্পশনের। হে ঈশ্বর
    কুপন দেখুন আর প্যান কার্ড,অ্যাড্রেস প্রুফ
    এবার আমারে দাও করুনা করে

    একটি,একটি মাত্র সুপদ্যের চাবি।
  • r2h | ২৯ মে ২০১১ ০৯:১৮429148
  • কুর্নিশ
  • I | ২৯ মে ২০১১ ১৭:৩০429149
  • সায়ন্তনের শেষ লেখাটাও বড় ভালো লেগেছে।
  • MUhit | ৩০ মে ২০১১ ১১:২৯429150
  • কবিতা ফান পেআষ্ট : শান্তিনগরের বনলতা সেন

    (জীবনানন্দ-ভক্তদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনাপূর্বক)
    হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি ঢাকা শহরের পথে
    আজিজ মার্কেটের চিপায়, সেআডিয়াম অন্ধকারে ধানমন্ডি লেকে
    অনেক ঘুরেছি আমি; বসুন্ধরা সিটির রঙিন জগতে
    ওয়ারীতে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে ন পল্টনের মেআড়ে ;
    আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের ঘ্রাণমাখা রাস্তা-ঘাট-লেন,
    আমারে দুদণ্ড শাস্তি দিয়েছিল শান্তিনগরের বনলতা সেন।

    চুল তার সাম্প্রতিক আধুনিক সড়কের বিশাল বিলবেআর্ডের বাতি,
    মুখ তার রয়াংকস ভবনের কারুকার্য; ফাস্টফুডের দেআকানের পর
    মানিব্যাগ হালকা করে যে বালক হারায়েছে সব পয়সা-পাতি
    শূন্য পকেট যখন সে চোখে দেখে গুলশানের কীফসির ভেতর,
    তেমনই দেখেছি তারে মিরপুর ছয়ে; বলেছে সে, ‘এতোদিন কোথায় ছিলেন?’
    ডাইনেআসরের মত ভনক মুখ তুলে শান্তিনগরের বনলতা সেন।

    সমস্ত টাকা শেষ করে পাঁচ টাকার কয়েনের শব্দের মতন
    সন্ধ্যা আসে; সে দ্রুত ছুঁড়ে ফেলে দেয় ফার্মের মুরগীর রোষ্টের বিল;
    শহরের সব অর্থকড়ি মুছে গেলে বাংলাদেশ ব্যাংক করে আয়োজন,
    তখন দামী শেয়ারের তরে, বাজিকরের রঙে ঝিলমিল হয় মতিঝিল।
    সব বিনিয়েআগ ঘরে ফিরে আসে—সব টাকা; ফুরায় এ-ব্যাংকের সব লেনদেন;
    পড়ে থাকে শুধু অতি ক্ষতি, মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন।

    -মুহিত হাসান
  • FAQIR ELIAS | ০৫ জুন ২০১১ ০৯:৫৯429151
  • ===================

    --------------------------------

    ,

    ,
    ! ,

    -

    ?

    !

    -------------------------

    ,

    , - । ।
    -

    ,

    , ,
    -
  • pi | ০৫ জুন ২০১১ ১০:২৩429152
  • ?
    !
    ??
    !!
    ???
    !!!
    !!!
    ???
    !!
    ?
    !
    ?
  • Souva | ১০ জুন ২০১১ ২০:২১429153
  • মোহ-৩০ : পূর্বানুবৃত্তি, অপ্রচলিত যতিচিহ্নসমেত
    --------------------------------

    কে য্যানো ঠিকানা ফেলে চলে গ্যালো ঘরের ভিতরে!
    যেভাবে আলোর টানে চলে গ্যালো প্রশস্ত বিকেল
    অলীক বারান্দা ছুঁয়ে, চটিজোড়া ছুঁয়ে... ধূম জ্বরে
    আমি তো শিবির খুঁজছি, খুলে দেখছি বিষণ্ন ব্রথেল
    দীর্ঘতর ঘুম নিয়ে জেগে উঠছে। অবিচল সাঁকো
    খুঁজে-খুঁজে শব্দের সহিত এই যোজনাসমূহ
    আমি আবিষ্কার করি। বলে দেই, এইখানে রাখো—
    অনুপ্রাস, অন্ত্যমিল, মুনিয়ার ছায়াময় ব্যূহ—
    বালুময় ঢেউ, অথবা গতরজব্দ কবিতার ঢঙে;
    ঔদাসীন্য হ’তে ফুটে ওঠে আলো। বলি, মাঝেমাঝে,
    দৃশ্য নেই কোনো—পাপহীন—অথবা বিভিন্ন রঙে,
    যেখানে বৃষ্টি পড়ছে, ছাতা হাতে মুনিয়াও আছে,
    এমন ছবির প্রতি অনুভূত স্পৃহা। তবু ব্যাধি
    আমাকে পরাস্ত করে, তুলে আনে জীবন ইত্যাদি।
  • hu | ১০ জুন ২০১১ ২০:২৫429154
  • অসাধারণ!
  • dd | ১১ জুন ২০১১ ০১:০৬429155
  • নখের কোনায় কোনায় তাই লটকে ছিলো
    নাগরী জ্যোৎস্না,ঈষৎ স্ক্যান্ডালাইজড ফ্লুরোসেন্ট
    আলোর দাপটে। এ বাবদ,মেঘ। সেই মেঘও ছিলো,পোস্টম্যান, প্রেয়সীকে দেবে নীল খাম।

    আয়োজন যথাযথ।

    রামগিরি। পর্বতের ডানা ছিলো,উড়ে যেতো
    আকাশে বাতাসে।

    প্রাচীন ঐকান্তিক কিছু স্বপ্নের রেশ আর জেনেটিক স্মৃতি,
    হাতে ছোঁয়া ঈশ্বর ও স্নেহে অন্ধ প্রেতেরা....
    এ সবই খুব মখমলী ভালো লাগে শুক্কুরের রাতে।

    সযত্ন যজ্ঞশালে, দু পায়ের লাথ।
  • kumudini | ১১ জুন ২০১১ ১৪:১৫429156
  • বিস্মিত কুর্ণিশ।
  • Souva | ১২ জুন ২০১১ ১৯:০৩429158
  • মুনিয়াকে কাছ থেকে নিরীক্ষণ করি
    -----------------------------

    এমন ছবির প্রতি অনুভূত স্পৃহা, তবু ঠোঁটে
    ঈষ্‌ৎ উপেক্ষা নিয়ে দেখে যাই। এই ধরো
    মুনিয়া যেভাবে কাঁদে, আমাকে লুকিয়ে, জেগে ওঠে
    সঠিক সৌজন্যশিল্পে, তাঁতে ও কার্পাসে; লক্ষ করো
    যেভাবে গোপন চূর্ণে, ও কোহলে মুনিয়ার মুখ
    সহসা উঙ্কÄল হয়। আমি এর বুঝিনা কিছুই,
    তবু মুনিয়াকে দেখে মনে হয়, কঠিন অসুখ
    ততোটা অপ্রিয় নয়। খুব যদি আলগোছে ছুঁই
    হয়তো-বা দু-একটা পাতা—মল্লিকার—ঝরে যাবে
    সামান্য টবে। কেননা, ফুলের মাংসে পুংকেশরের
    রহস্য সহজ নয়। মুনিয়াকে আমিও এভাবে
    নষ্ট হয়ে যেতে দিই। পড়ে থাকে অচেনা ঘরের
    নিচে রাত; রয়েছে গাড়স্থলীন প্রত্যেকটি বাঁকও
    দীর্ঘতর ঘুম নিয়ে। জেগে উঠছে অবিচল সাঁকো
  • Souva | ১২ জুন ২০১১ ১৯:০৬429159
  • ** ১৩ নং লাইনে "গার্হস্থলীন' হবে।
  • sinfaut | ১২ জুন ২০১১ ২০:৪৬429160
  • শৌভর সব কবিতা superlike
  • vikram | ১৩ জুন ২০১১ ১৩:০৪429161
  • সাঁকো অতি ভালো হইচে
  • kahiptaashaa | ১৪ জুন ২০১১ ০২:৩৪429162
  • একটুকু জল চায়,
    একটু আকাশ মাটি রক্তে শাণিত ভিজে ভিজে
    একটু বাতাস নেয় ফুসফুস বেয়নেটে ফুটো
    একটু দৃশ্য দেখে, শৈশব, দেখে নাকি শেষে
    একটু ভ্রান্তি নাকি আসে তার ভাঙা পঞ্জরে
    ধীরে ধীরে মরে যায় মূলত ছাপোষা, মানুষ

    অন্যতর রঙ তার অন্যতর আস্তিনে সাপ
    দাওয়াতে শিশুটি তার, গোলাঘরে ধান, কবুতর
    মৃত্যুকালে বিমূঢ় মানুষ, তার রথচক্র ফাঁদে
    মৃত্যুকালে মূলত মানুষ,
    তার বিমূঢ় বিস্ময় যেন চোখে, শিশুদের মত

    যেন মৃত্যু বড় ইতর, করুণ, আগ্রাসী
    যেন মৃত্যু বড় সাম্যবাদ, মৃত্যু যেন যুক্তিহীন ক্রীড়া
    গৌরবহীন বৃথা বীরগাথা
    মরে যায় মূলত, মানুষ, কীট, জীব।
  • kahiptaashaa | ১৪ জুন ২০১১ ২২:৩০429163
  • আমাদের ভ্রূকুটি প্রগাঢ় হল
    দৃশ্যে শুধু দৃশ্যের পরত
    ইতি উতি রূপোলি মেঘেরা
    রাধিকার পদপ্রান্তে সুচারু সড়ক
    নিজেকেই বলে চলি পূণ: পূণ বর্ণ অনুক্রম
    সুচারু শব্দগুলি নিরবধি কালের মোড়কে
    ক্রমে ক্রমে সরে আসা, নিজের কিনার ঘেঁষে বসা
    ক্রমশ:ই দূরভাষ নির্বিকল্প সঙ্কোচে স্থির
    এরকম নির্বাসনে নৃত্যপর বসন্ত, শীত
    অবিরত ধূলায় শয়ান, তার লাল সাইকেল,
    নদীয়া কী তীর।
  • kahiptaashaa | ১৪ জুন ২০১১ ২২:৩১429164
  • না না ভুল টই
  • kahiptaashaa | ১৪ জুন ২০১১ ২২:৩৬429165
  • সরি :(
  • sayantan | ১৯ জুন ২০১১ ০১:৩০429166
  • এখন আষাঢ়

    এখন আষাঢ়, অথচ হেমন্তের প্রয়োজন,
    চৌকাঠের দুই পাড়ে দুইজন ;
    কোন দিক ? কার ভুল ?
    আকাশে অবিন্যাস্ত চুল
    মেঘের - ঝরে সর্বক্ষণ,
    আষাঢ়ে হেমন্তের এখনি প্রয়োজন।
  • dd | ২৪ জুন ২০১১ ২২:৫৬429167
  • একবার। ঐ পাড়ে আরো যেতে চাই,আলোটুকু রয়েছে এখনো
    ঘাসে ঘাসে,হেঁটে যাবো,আরো একবার,ছুঁয়ে দেখবো
    বালকের হাতে। জলস্রোত ঘুর্নাবর্ত্ত। পার হয়ে যাবো চোরাটান। খুব টানবে, নীচ থেকে সরে যাবে আততায়ী বালি

    যাবো তাও। একবার ই তো। একটু আলো রয়ে গেছে,
    লেগে আছে আঙুলের ফাঁকে। ধুয়ে যাচ্ছে স্বস্তি চিহ্ন,সুরক্ষার নিশ্চিন্ত খেলাঘর

    বালিতে পায়ের ছাপ আল্প কিছুক্ষন। তারপর তাপে পুড়বে যতেক শ্যাওলা। মরা মাছ। ভেসে যাওয়া ভেলা। চালা ঘর।

    একবার, খুব ইচ্ছে করে,ঐ পাড়ে,হেঁটে যেতে শষ্যে ও সবুজে।
  • kahiptaashaa | ২৪ জুন ২০১১ ২৩:১৭429169
  • ডিডির পদ্য পড়ে কি মনে হয় তা এতদিনে বুঝলাম। মনে হয় তিনি আমার বকলমে লিখছেন।
    স্বকলমে লিখতে পারিনা এই যা একটু দু:খ, তবে তাতে কি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে প্রতিক্রিয়া দিন