।। স্বৈরাচারী।। প্রেসিডেন্টের চীৎকার আমি জিতেছি, কলম্বাস আমাদেরই। গনতন্ত্রী রা ঘাড় নেড়ে বলল ঠিক্ ঠিক্ ঠিক্; আমরাই জিতব, শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে গুনে যাব ভোট; কে জিতল আর হারল তাতে কি আসে যায়। স্বৈরাচার জিতছে, মনুষ্যত্ব হারছে সারা পৃথিবীতে, ভগবান মানুষ বানাতে বানাতে ক্লান্ত, তাই হা'ক্লান্ত ভগবানের স্টুডিওতে এখন শুধুই অসুর তৈরি হয় মানুষের আদলে;যে অসুরগুলো সমস্ত ভগবানের বানানো অসমাপ্ত মানুষগুলোর টুঁটি চেপে ধরবে আর উচ্চকিত গলায় চেঁচিয়ে বলবে, তফাত যাও তফাত যাও - এটা আমাদের পৃথিবী; এই পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে যাব আমরা হিংসার, অসূয়ার আর স্বার্থপরতার।। এক লোলচর্ম পক্ককেশ বৃদ্ধা গনতন্ত্রী দাদিমা রূপকথার গল্প শোনাবে ঐ শিশুপালদের; এই তেপান্তরের মাঠেও চাঁদের হাসির বাঁধ ভাঙ্গা ... ...
অর্ণব গোঁসাইকে গ্রেফতার (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস যদিও আটক / detain লিখছে) করা হয়েছে। রিপাবলিক টিভিকে কার্টুন চ্যানেল ও অর্ণবকে রোগ - (বাংলা ও ইংরেজিতে) মনে করি। কিন্তু ২০১৮ সালে যে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগের মামলায় অর্ণবকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, তা আদালতে ক্লোজড হয়ে গিয়েছিল। জানা যাচ্ছে, সেই মামলা নতুন করে শুরু করে অর্ণবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২০১৮ সালে মহারাষ্ট্রের সরকার অর্ণবের পক্ষের ছিল বা ভাইস ভার্সা। ২০১৯ সালে সরকার বদলায়। অর্ণবকে মুক্ত রাখা পূর্বতন সরকারের পক্ষে জরুরি ছিল এবং এই সরকারের সঙ্গে অর্ণবের মনোমালিন্য বেশ কিছুদিন ধরেই স্পষ্ট। স্পষ্ট যে সরকারের অঙ্গুলিহেলন দুবারই বিচারব্যবস্থাকে প্রভাবিত করেছে। পুলিশের উপর সরকারের প্রভাব সুবিদিত। কিন্তু বিচারব্যবস্থার উপর ... ...
যাপন_৫আজকাল সপ্তাহান্তে সৌর প্রায়ই আসে অরিজিতের বাড়ী। ছবিতোলার পাশাপাশি শনিবার বিকেলগুলোর কয়েকঘন্টা ওদের দাম্পত্য যাপন। সারা সপ্তাহ প্রতীক্ষা করে অরিজিত ও। এ এক অলিখিত সংসার।এমনিতেই একা থাকা অরিজিত সারাসপ্তাহে অফিস থাকে বলে সাপ্তাহিকান্তিক ছুটির দিনটা বাজার দোকান রান্নাবান্না করে রাখে। রান্না করতে সবথকে বেশি ভালোবাসে ও।তার চেয়েও বেশি ভালোবাসে যে কোনও কাউকে রান্না করে খাওয়াতে। কিন্তু আজকাল নিজের মত করে নিজের সংসারে রান্নাবান্না করতে আরও বেশি ভাললাগে ওর। কেননা সৌর এসেই তো রান্নাঘরে ঢোকে আর ঢাকা খুলে খুলে গন্ধ শোঁকা শুরু করে। আর তারপরই একচামচ আধচামচ মুখে দেয়। কোনওটা বেশি ভাল লাগলে আরও একটু বাটি করে চায়। এই সময় সৌরর ... ...
হ্যাঁ মানে যে প্রেম এ আপনার নিজের চিরাচরিত আচরণের এর বাইরে আপনি নিজেকে পাল্টে ফেলেছেন।কিন্তু কোনো চাহিদা ছাড়াই!কিন্তু অদ্ভূত ব্যাপার হলো এখানে আপনি কাউকে প্রেম নিবেদন করতে পারবেন না, না দেখতে পাবেন তাকে না বলতে পারবেন আপনার মনের কথা।না তাকে স্পর্শ করতে পারবেন।শুধু মাত্র আপনার অতীত এর স্মৃতি আপনার জমাপুঁজি,পুরোনো কিছু গোচ্ছিত ছবি একমাত্র সম্বল আপনার। আপনি সেই স্মৃতির ওপর ভরসা করে নিজের হৃদয়ে আগুন জেলে রেখেছেন।অতৃপ্ত আশায়।আজ গল্প বলছি এই রকমই এক ব্যার্থ কিন্তু দামাল প্রেম এর। যেখানে প্রেম থেকে শুরু হয়ে পরিণত হয়েছে ব্যার্থ এক তরোফা ভালোবাসায়।গল্পটা বলতে গেলে যেতে হবে বেশ কয়েক বছর পিছনে। সুমের আর মিয়া ... ...
নবু বলল, “বাঙালির হিন্দি শেখায় প্রধান বাধা কোথায় জানিস, নীরেন ?”বললাম, “তুইই বল ৷”নবু বলল, “অ্যখবারের অ্য উচ্চারণে ৷ কেমনটা বুঝেছিস ? ওই যেমন গ্যধা, ম্যন্দবুদ্ধি, শ্যয়তান – দেখবি, এই সব শব্দের অ্য উচ্চারণে বাঙালির জিভ পেটে সেঁধিয়ে যায় ৷”বললাম, “হতে পারে ৷ তবে, আমি এই নিয়ে কোনো গবেষণা তো করিনি ৷ তুই যা বলবি তাই সই ৷”নবু বলল, “না, না, ৷ বিষয়টা খুব গুরুগম্ভীর ৷ তোকে আমার জীবনের কিছু সত্যি ঘটনা বললে তুই বুঝতে পারবি সমস্যাটা কত গভীর ৷”বললাম, “তোর জীবনের ?”নবু বলল, “মানে, আমার পটলা মামার জীবনের – কিন্তু, অনেকটাই আমার জীবনে চাক্ষুষ দেখা ৷”বললাম, “ও ! ভাবছিলাম ... ...
আজ একজন ড্রাইভারকে দেখলাম, সময় কাটাতে গঙ্গার ধারে চিংড়ি মাছ ধরছে। সরঞ্জাম খুবই সাধারণ। নাইলনের সুতো, বড়শি ও কেঁচো। ব্যস্।
বটুক ঘোষের বটুয়ার অবস্থা আজকাল খুব করুণ। কারণ প্রীতির কারনে তিনি পাড়ার বিলিতি বস্তুর দোকানে বিশেষ আপ্যায়ন পেয়ে থাকেন বটে, তবে সেখানেও আর ধারাবাহিক ধার বাকি চলছেনা। ইদানীং চালের ব্যবসাটা বেচালে বসে যাওয়াতেই এই বিবশ দশা।
মন বলল কবিতা লেখো, / হাত টেনে নিল তুলোট কাগজ
বাবা, করোনা ভাইরাস কী? / তুমি কোত্থেকে শুনলে? / স্কুলে দীপ্তনীল বলছিল। করোনা ভাইরাস হলে নাকি মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়ে মানুষ মরে যায়। তারপর মানুষ জম্বি হয়ে যায়। জ্যান্ত মানুষকে কামড়ে তার ভিতরেও ভাইরাস ঢুকিয়ে দেয়। আগরতলায় নাকি করোনা ভাইরাস এসে পড়েছে। দীপ্তনীল রাস্তায় দেখেছে একটা জম্বি। / ধুর, দীপ্তনীল তোমাকে ভুলভাল বলেছে। করোনা ভাইরাস থেকে একটা কঠিন রোগ হয় ঠিকই। মানুষ মারাও যায় অনেকসময়, জম্বি টম্বি বানানো গল্প। আগরতলায় এই ভাইরাস এসেছে, এটাও বানানো গল্প। চীন দেশের একটা গ্রামে এই রোগ ছড়িয়েছিল। অনেক লোক সংক্রমিত হয়েছে। বেশ কিছু লোক মারাও গেছে। ... ...
সেই বাড়ির নেই ঠিকানা, অথবা মনে করো সাততলা বাড়িটার ঠিক সামনে থেকে একটা অজানা লাল সুড়কির পথ শূন্যের দিকে পা বাড়িয়ে রয়েছে। আর কিছু করে থাকি বা নাই থাকি, কিছু সংসার পাকিয়েছি বটে জীবনে। মাপতে গিয়ে দুটো ম্যাটাডোর আর ছ'টা ডিকি ভরে গেলো। বাক্সে বাক্সে বন্দী বাক্স, বাক্স-বোধন উৎসব চলছে এখন; কোনটা কোন বাক্সে রয়েছে বুঝতে না পারার ছোট ছোট বাক্স রহস্য। গোটা ব্যাপারটা মিটে যাওয়ার পর মনে হচ্ছে পিঠে ব্যাগ নিয়ে পরীক্ষা দিয়ে ফিরলাম; এখনও যথেষ্ট কোমরের জোর আছে নাকি বাড়ি বসে বসে বসে গেছি পুরাই! প্রথমবার বাড়ি বদলানোর সময় প্রতীক ছিল সাথে, দ্বিতীয়বার তুহিন আর গুড্ডু, এবার আমি ... ...
oi,ak rokom
আমার মনের ভেতরে কোন সিসিটিভি ক্যামেরা নেই, এমনকি ২৪ কেন ১২ পিক্সেলে তোলা ছবিও নেই। ষাট সত্তরের দশকে ওসবের অস্তিত্ব আমাদের চেতনায় থাকার কথা নয়। আছে কিছু জলছবি, সময়ের ছোঁয়ায় বিবর্ণ, ধুসর। কিছু ডাকটিকিটও আছে, বিশিষ্ট ঘটনার, তেমনই অল্প কিছু ফার্স্ট ডে কভার। তাই গরহাজির কোন পূর্বাপর শৃংখলা। ... ...
কোজাগরী রাত আর জ্যোৎস্নায় মাখামাখি / আকাশের জাগরণপালা দেখতে দেখতে / যে মেয়ে লক্ষ্মীমন্ত কড়ি নিয়ে খেলতে বসে— / সে একেবারে বিপন্ন রেখার ধারে !
Kichhui bujhte parchhina, just check korte dhuklam, bolchhe likhte...... e to moha jala
কমলকুমার-রাধাপ্রসাদ-হরিসাধন-চিদানন্দরা একটা পুরোনো কলকাতার বন্ধুদল। এ লেখা কিছুটা সে কলকাতা নিয়েও। যে কলকাতার গল্প আমাদের আজীবন বললেন কেউ কেউ। অনিরুদ্ধবাবু তাঁঁদের মধ্যে অন্যতম।আশি বছর বয়সী অনিরুদ্ধবাবু থাকেন কালীঘাটে। বইঠাসা একটা ঘরে একলাই। বন্ধুরা বিগত। তাঁর কলকাতাও বিগত। এককালে আড্ডার জন্য বিখ্যাত ছিল তাঁর ঠিকানা। সাহিত্যের আড্ডা। শিল্পের আড্ডা। সাথে পানভোজন। পিএনপিসি না। রসিকতা, যা বিগত।আমি কমলকুমার আর তাঁর কলকাতা খুঁজতে খুঁজতে পৌঁছই অনিরুদ্ধবাবুর দরজায়। আমার এ খোঁজ, অর্থাৎ ইতিহাস, আমায় নিয়ে গিয়েছে অনেক এমন দরজায় এ শহরের। যারা বাগবাজার, যারা ভবানীপুর, যারা গড়িয়া। যারা পাণ্ডিত্যের বটগাছ, মিশেছেন আজীবন বাঘেদের সাথে। তাই বামনদের সাথে আজ ঠিক পেরে ওঠেন না। বাড়িতেই থাকেন। ... ...
ট্রাম্প বড় মজারু (বাইডেন জানি না) / মাস্ক ছাড়া ঘুরি ফিরি, লকডাউন মানি না
আমাদের জীবনের অনেককিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকেনা, এরকমটা আগে মনে হতো। এখন বুঝি যে আমাদের জীবনের কোনওকিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকেনা। মাঝে মাঝে এই সারসত্য ভুলে গেলে মহাজগৎ মনে করিয়ে দেয়। নিজেই সংকেত পাঠায় আবার যে, আসলে ঠিক এখানেই থাকার কথা ছিল এই মুহূর্তে। আগেরদিন একটা লেখায় ব্যান্ডেলের বাড়ি ছাড়ার সময়ের কথা লিখেছিলাম; কীভাবে পন্ডিচেরির অরোভিল নিকটবর্তী অঞ্চলে পৌঁছতে গিয়ে কলকাতার অরবিন্দ নগরে এসে আবিষ্কার করলাম পাড়ায় একটা অ্যাপার্টমেন্টের নাম অরোভিল। সেই বাড়ি ছেড়ে বেরোতে হয়েছিল ২০১৬ সালের ৩১শে অক্টোবর। বেরোনোর কথা ছিল না, বেরোতে হয়েছিল। সেখান থেকে পাটুলি কিউ ব্লকের এই বাড়িতে এসে আবিষ্কার করলাম উল্টোদিকের জংলা জমিতে বেগুনি রঙের ফুল ... ...
জয় সুকুমার হে, জয় সুকুমার .. / পাগলা দাশু ফিরে আসুক আবার !
অন্ডাল এয়ারপোর্টের যা অবস্থা, চন্ডাল পেটের দায়ে আমার মত অনেকের তাই অবস্থান। তাই গুরুপূজা করা হয় না।