
১। সন্দীপ ঘোষ এবং অভিজিৎ মণ্ডলকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তার কিছুটা ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, আদালতে সিবিআইয়ের বক্তব্য থেকে। কার্যবিবরণী হাতে আসেনি। কিন্তু সংবাদপত্রের রিপোর্টে পাওয়া গেছে সাত দফা সন্দেহঃ ক। ওসি ঘটনাস্থলে দেরিতে পৌঁছেছিলেন। খ। দ্রুত ঘটনাস্থল ঘেরার কাজ করতে ব্যর্থ। গ। এফআইআরএ দেরি। ঘ। ভিডিওগ্রাফি ঠিকঠাক হয়নি। ঙ। পরিবারের দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের দাবী না শুনেই দাহ। চ। মৃত্যুর শংসাপত্র দিতে দেরি। ছ। মৃত বুঝেও অভিযোগপত্রে ' অচৈতন্য' লেখা হয়েছে। ... ...


গাছে গাছে নেচে বেড়াই এই ডালে ওই ডালে। পাকা পাকা ফলগুলি ভাই,টপ করে নিই গালে।। বগল দুটি চুলকোই খুব,আরও চুলকোই ভুঁড়ি। বাঁদরামিতে এই দুনিয়ায় নেই গো মোদের জুড়ি।। ... ...

সকাল শুরু হল কলতান দিয়ে। আগেরদিন যে অডিও ক্লিপ 'ফাঁস' হয়েছিল, সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্তকে তার একটি কণ্ঠস্বর হিসেবে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করেছে পঃবঃ পুলিশ। তারা একটা সাংবাদিক সম্মেলনও করেছে, অভিযোগটা যথাযথ বলে। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক ক্লিপটিকে জাল, এবং পুরোটাকেই চক্রান্ত বলেছেন। মোসাদ, সিআইএ, এদের কাছ থেকে ট্রেনিং নিচ্ছে কলকাতা পুলিশ, বলেও দাবী করেছেন (যদিও গ্রেপ্তারটা করেছে রাজ্য পুলিশ)। সেলিমের লিখিত বিবৃতিটি পুরো পাইনি। পেলে লিংক দিয়ে দেব। আপাতত মৌখিক বিবৃতিটি রইল। ... ...

লুবনার মুখখানা তখন পুরো সেলাই হয়ে আছে সংকোচে! আর এই সংকোচটা ছোট থেকেই ছিল লুবনার। যখন প্রাইমারিতে পড়ত, তখন থেকেই ছেলেদের সহ্য করতে পারত না সে! আর এজন্যই কিনা স্কুলের প্রেমের অফারের মত ফিরিয়ে দিয়েছে অসংখ্য বিয়ের প্রস্তাব! ... ...

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ডাক্তারদের আলোচনা হয়নি। এই ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী একটি লম্বা সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন। ডাক্তারাও গতকাল তাঁদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে একটি ভিডিও নিজেদের পাতায় প্রকাশ করেছেন। তাতে পাঁচটি দাবীর কথা বলা হয়েছে। সেগুলি সংক্ষেপে এরকমঃ (বিশদে জানার জন্য ভিডিওটি দেখে নিন) ১। ন্যায়বিচার এবং দ্রুত তদন্ত। ২। সন্দীপ ঘোষ সহ স্বাস্থ্য অধিকর্তারা, যাঁরা দুর্নীতিতে জড়িত তাঁদের শাস্তি। ৩। বিনীত গোয়েলের অপসারণ এবং ডিসিপি নর্থ, সেন্ট্রাল ইত্যাদির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা( তদন্তকে ভুল পথে চালনা করা, টাকা দিতে চাওয় ইত্যাদি কারণে)। ৪। হাসপাতালে নিরাপত্তা সুরক্ষা, বাথরুম, সিসিটিভি ইত্যাদি ৫। স্বাস্থ্যবববস্থার উন্নতির একগুচ্ছ প্রস্তাব। নির্বাচন। এগুলো আগের পাঁচ-দফা + কর্তাব্যক্তিদের পদত্যাগ থেকে কিছুটা আলাদা। এই বদলে যাওয়া, সংযোজন, ইত্যাদি এর আগেও হয়েছে। লিখিত আকারে দাবীগুলো কোথাও রেখে দিলে ওঁরা ভালো করতেন। হয়তো আছে, কিন্তু পাইনি। কেউ পেলে জানাবেন। এছাড়াও এই দাবীর এক থেকে তিন মূলত কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাছে হবার কথা। ওঁরা তাদের জানাবেনও বলেছেন। কিন্তু সেটা এখনও হয়নি, কবে কীভাবে হবে, বলেননি। ... ...

জীবনের সবচেয়ে ফান্ডামেন্টাল কথা হল; বাঁচতে হলে লড়তে হবে, লড়াই করেই বাঁচতে হবে... ... ...

আমি যে গল্পের জন্য গিয়েছিলাম তা পাইনি। কিন্তু যা পেলাম তার কোন মাপজোক সম্ভব? তিনি আমাকে বললেন তিনি ১৯৭১ সালেই এসেছিলেন। আমি যে জন্য গিয়েছি তার কোন ডাটা তাদের কাছে নাই আর আগের কেউ বেঁচেও নাই। উনি পুরোপুরি আমাকে প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেন নাই। আমি যখন প্রথমে গেলাম তখন কার্ড চেয়েছিলাম, উনি আমাকে বলছিলেন কার্ড থাক, আমিই তোমার সাথে যোগাযোগ করব। আমি আর কী বলব? চলে আসছি, আসার আগে বললাম একটা সেলফি তুলি? উনি হাসি দিয়ে রাজি হলেন। দ্বিতীয় বার যখন আমি আমার বই নিয়ে গেলাম তখন তাঁর সমস্ত দ্বিধা চলে গেছে। তিনি তখন নিজেই কার্ড দিলেন আমাকে আর বললেন, একটু দাঁড়াও, তোমার একটা ছবি তুলে রাখি! আমি হাসি মুখে একটা ছবি তুলতে দিলাম উনাকে। ... ...

পিসির বাড়িতে আশ্রয় পাওয়ার পর শরীরের ভার ক্রমশ বাড়তে থাকলেও মনের ভার অনেকটাই কমে গিয়েছিল। পিসির স্নেহের পরশে যাবতীয় দ্বিধা-দ্বন্দ, সঙ্কোচ, হতাশা আর অনিশ্চয়তার বেড়াজাল থেকে মুক্ত হয়ে আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি আগামী দিনের জন্য। মাস তিনেক কাটার পর স্কুলে জয়িতাদি একদিন ডেকে বললেন—তুমি একটা লিভ অ্যাপ্লিকেসন লিখে আমাকে দাও, কাল থেকে তোমায় আর স্কুলে আসতে হবে না। সব কিছু ভালভাবে হয়ে যাক, বাচ্চাটা একটু বড় হোক, তারপর আমি যখন বলব তখন জয়েন করার কথা ভাববে। মাইনে যেমন পাচ্ছ তেমনি পেতে থাকবে। ... ...


সবাই জানেন, তবু টুকতে গেলে টুকে রাখতেই হবে, যে, ডাক্তার-সরকার দড়ি-টানাটানি গত দুদিনে প্রচুর মিডিয়া টিআরপি তৈরি করলেও নিট ফল শূন্য। মঙ্গলবার নবান্নের তরফে মেল করে জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। তার বয়ানও বেরিয়েছে। আন্দোলনকারীদের তরফে বলা হয়েছিল, মেলের বয়ান অপমানজনক। তাঁরা উত্তর দেবেননা। কিন্তু উত্তর দেন। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংবাদিক সম্মেলনে রাত ৩ঃ৪৫ এ আসা মেল নিয়ে কটাক্ষ করেন। বুধবার নবান্ন আবার মেল করে। আন্দোলনকারীদের তরফে উত্তরও দেওয়া হয়। বলা হয়, তাঁদের চারটি শর্ত মানতে হবে, যাঁর মধ্যে অন্যতম হল, মুখ্যমন্ত্রীকে বৈঠকে উপস্থিত থাকতে হবে। এর পর বৃহস্পতিবার মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ আবার মেল পাঠান আন্দোলনকারীদের। জানিয়ে দেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রীও। তবে বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার চেয়ে জুনিয়র ডাক্তারেরা যে শর্ত দিয়েছিলেন, তা মানা হবে না। ১৫ জনকে আসতে বলা হয়। এরপর আন্দোলনকারীদের ৩০ বা ৩৫ (দুটো বয়ানই পড়েছি) জনের প্রতিনিধিদল নবান্নে উপস্থিত হয়। কিন্তু সরাসরি সম্প্রচার না হলে আলোচনায় যোগ দেবেন না, বলা হয়। সরকারের তরফে ভিডিও রেকর্ড করার কথা বলা হয়, যা সুপ্রিম কোর্টে দেওয়া হবে। কিন্তু আলোচনায় রাজি হননি আন্দোলনকারীরা। ফলে আলোচনা হয়নি। ... ...

বিনীতা বসে ভাবছিল নানা কথা। কত দিন আগে ডিভোর্স হয়েছে ডাক্তারবাবুর? ওই ঘরের ড্রেসিং টেবিল কি ওনার স্ত্রী ব্যবহার করতেন? বিছানায় রাখা কুশনও কি ওনার কেনা ছিল? ড্রইং রুমের কাঁচের আড়ালে রাখা শো-পিস গুলোও কি তাই? বিনীতার একবার ইচ্ছে হল রান্নাঘরের দিকে যায়, সে ইচ্ছেটা দমন করল সে। এমন কেন হচ্ছে তার? এখন মনে হচ্ছে না এলেই ভাল হত, এখন তো চলে যাওয়ারও উপায় নেই। রঙিন বাইরে আছে ওই ছুতো করে তাড়াতাড়ি বেরোতে হবে খেয়ে নিয়েই। ... ...


সীতারাম ইয়েচুরিকে প্রথম দেখি, খুব নিশ্চিত নই যদিও, ১৯৮২ সাল নাগাদ। দিল্লিতে বেড়াতে গিয়ে ছিলাম এক মাস, তখন আমাকে প্রায় তীর্থ দর্শনের মতো সিপিএমের সেন্ট্রাল কমিটির আপিস দেখানো হয়েছিল। সেই অফিসটা ছিল রাজেন্দ্রপ্রসাদ রোডের ধারেকাছে, দেখতে যাবার সময় আমার হাতে ছিল একটা ক্রিকেট ব্যাট, খেলতে খেলতেই চলে গিয়েছিলাম, কারণ যেখানে থাকতাম, তার থেকে হেঁটে মিনিট দুই। ব্যাট দেখে গোটা কেন্দ্রীয় কমিটির অফিস খুব উৎসাহিত হয়ে পড়ে, তার পর থেকে মাঝে-মধ্যেই হানা দিতাম। কোনো কোনো দিন অনেক প্লেয়ার জুটতো, কোনো কোনোদিন জুটতনা। নিরাপত্তার দায়িত্বে যিনি ছিলেন, তিনিই সম্ভাব্য খেলোয়াড়দের ডাকাডাকি করতেন। এরকম একজন খেলোয়াড়ের কথা মনে করতে পারি, যার ঝাঁকড়া চুল, সবই কালো। ইয়েচুরিই কিনা বলা শক্ত, নামের ব্যাপারটা জানতামই না, উনি কেন্দ্রীয় কমিটির অফিসে অতদিন আগে কী করছিলেন তাও জানিনা, তবে যদি উনিই তিনি হন, তো খুব খারাপ বল করতেন। কেমন ব্যাট করতেন জানিনা, কারণ সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির কাউকে ব্যাট করতে দিইনি, আমিই করতাম। ... ...

আর যেটা আরো প্রাথমিক, বা বলা ভালো, সত্যিকারের দরকার সেটা হ'ল "ক্রিটিক্যাল থিঙ্কিং"। একটু তলিয়ে, গভীরে গিয়ে ভাবা। বেশির ভাগ ভুয়ো খবর-ই কিন্তু অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য অন্ততঃ একেবারে ভয়ানক অবিশ্বাস্য না। সেই জন্য নিজের বায়াসকেও প্রশ্ন করতে হবে প্রতিনিয়ত। এই যেমন আমার সামান্য বাঁদিকে কান্নিক, আমাকে কেউ যদি বলে বিজেপির প্রোটেস্ট মিছিলে চটুল নাচ হচ্ছে স্টেজে, বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হবে। যেমন হয়েছিল গুচ্ছ লোকের। আমার বন্ধুদের-ও কেউ কেউ শেয়ার করেছিলেন। পরে জানা গেলো ঐটা নবদ্বীপের একটা মেলার ভিডিও। এই প্রোটেস্টের সাথে সম্পর্কহীন। কাজেই “এমনটা হতেই তো পারে” ভাবা-ই যথেষ্ট না, আপনার বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করছে কি না সেটাও হয়তো আসলে ভুল দিকেই নিয়ে যাচ্ছে, নিজের বায়াস সরিয়ে রেখেই যাচাই করতে হবে প্রত্যেকটি খবর। আসলে সব ফেক নিউজ-ও এইরকম-ই। এতো সুচারু ভাবে সেগুলো বানানো যে শুনে মনে হবে কী জানি হতেও তো পারে। আজকালকার সমাজে কী-ই না সম্ভব? কিন্তু ঐরকম-ই একটা ফেক নিউজ়ের ফলে গণরোষের শিকার হতে পারেন নির্দোষ কেউ, বা সাঙ্ঘাতিক সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লেগে যেতে পারে কোথাও। জীবন-মরণের প্রশ্ন। ... ...

মৃত্যুর পর ইঞ্জেকশন দিয়ে ‘অভয়া’র যোনিতে ঢোকানো হয়েছিল নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তির বীর্য? এই নিয়ে ব্রেকিং 'খবর' রিপাবলিক বাংলার। তদন্তকারীদের সঙ্গে কথা বলে ওঁরা জানাচ্ছেন, সম্ভবত মৃত্যুর পরে নির্যাতিতার শরীরে খুলের পর ইনজেক্ট করে দেওয়া হয় কারো বীর্য। ওঁরা বলেননি, কীকরে কারো বীর্য পাওয়া গেল, স্পার্ম-ব্যাংক থেকে কিনা। সেই লোকটিকে ঠিক সময়ে অকুস্থলে পাঠানোই বা হল কীকরে। যদি গণধর্ষণ হয়েই থাকে তো বাকিদের বীর্য কোথায় গেল। সেটাও কি ইনজেকশনে করে তুলে নেওয়া হয়েছিল? আই এমএর যুগ্ম সম্পাদক রঞ্জন ভট্টাচার্য শোয় ছিলেন। বললেন, ১৫০ মিলি বীর্য যোনিদ্বারে পাওয়া গেছে। এত বীর্য কিভাবে পাওয়া গেছে, এবং কীভাবে ঢোকানো হয়েছে, সেটার তদন্ত প্রয়োজন। ... ...

কর্মবিরতিতে রোগীমৃত্যু নিয়ে নানারকম দাবী শোনা যাচ্ছিল। আগের পর্বে আছে। ডাক্তারদের সংগঠন অফিশিয়ালি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একটি চিঠি প্রকাশ করেছেন। তাতে বলা আছে, অভিষেক (এবং রোগীর পরিবারের) দাবী ঠিক নয়। কোন্নগরের ছেলেটি উপযুক্ত পরিমানে চিকিৎসা পেয়েছিল। মিথ্যা এবং বিপজ্জনক খবর ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে অভিষেকের বিরুদ্ধে। এরপর পাল্টা দাবীতে শ্রীরামপুরের মৃত ছেলেটির মায়ের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। মিডিয়ায় এসেছে এবং মিডিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও দিয়েছেন। সেখানে মা ডাক্তারদের সংগঠনের নেতা পুণ্যব্রত গুণকে ফোন করে অসত্যভাষণের অভিযোগ করছেন। ... ...

সিআইএ'র প্রক্সি যুদ্ধে পরিবর্তিত সময়ে ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেয়া নারী ছাত্রদের ওপর শিগগিরই আঘাত আসবে, তাদের বোরখা-হিজাবে শিগগিরই অন্দরমহলে ফেরত যাওয়ার সময় হয়েছে, এই আশংকার কথা আগেই বলা হয়েছিল, এ যেন এরই বাস্তবায়নের ক্ষেত্র গড়ে তোলা!? ... ...

অমিতাভ চলে যাওয়ার পর একাকীত্বের যন্ত্রণায় অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলাম। কিছুই ভাল লাগত না। আশ্রমের ছেলেগুলোকে নিয়ে সময় কাটিয়ে চেষ্টা করতাম মানসিক শান্তি পেতে। কিছুটা সময় ভুলে থাকতাম, কিন্তু রাতে বা কোন সময় একা থাকলেই হারিয়ে যাওয়া সব কিছু মনটাকে গ্রাস করে ফেলত। প্রথম প্রথম বেঁচে থাকাটাই কেমন যেন অর্থহীন হয়ে পড়েছিল। ধীরে ধীরে সময়ের সাথে সাথে একটু একটু করে খানিকটা সামলে উঠেছিলাম। কিন্তু মেয়েটা আসার পর থেকে ক্রমশ সব কিছু যেন বদলে গেল। জীবনটা আর বোঝা মনে হত না, প্রতিদিন তাকে নানাভাবে, নতুনভাবে, উপভোগ করতাম। মনে হত পৃথিবীতে আমার জন্য বরাদ্দ সময় একটু বেশি হলে ভালই হয়। আসলে লোভ, ভালবাসার লোভ। সন্তানস্নেহে সিক্ত মন আরো কিছু চাইত। মনে তখন নাতি/নাতনিকে বুকেতে জড়িয়ে ধরে খেলা করার লোভ হাতছানি দিচ্ছে। ... ...

মিডিয়া কিভাবে আমাদের প্রভাবিত করছে। ... ...